ইউজার লগইন
ব্লগ
কোলিয়া সিনিৎসিনের ডাইরী (পর্ব ৩)
কোলিয়া সিনিৎসিনের ডাইরী (পর্ব ২)
কোলিয়া সিনিৎসিনের ডাইরী (পর্ব ১)
জুন ৬
আমি সারাদিন সবাইকে জিজ্ঞেস করলাম কোথায় মৌমাছি পাওয়া যাবে, কেউই কিছু বলতে পারল না। সকাল্বেলা মনটা খারাপ লাগছিল। বাড়ী ফিরে দেখি আলিওশা কাকুকে।
“কি হয়েছে খোকা,” বললেন উনি “মন খারাপ কেন?”
ডাইরী ৫৭
গুলিবিদ্ধ পাখি গোত্তা খেয়ে কোথাও পড়েছে। আমি তারে খুঁজতে খুঁজতে বন, পাহাড়, মাতাল সমতল উল্টে পাল্টে বেড়াই। গুলিবিদ্ধ পাখি কোথাও বেদনাহত পড়ে আছে...
এক.
বইয়ের কথা -ম্যাগনাম ওপাস ও কয়েকটি গল্প
অনেক দিন পর একটা জম্পেশ ফেব্রুয়ারি মাস কাটালাম ।সিংহ রাশির জাতকের এবার অর্থভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিল কিনা জানিনা ,তবে আমার মাসের শুরুতে বেশ কিছু অপ্রত্যাশিত অর্থসমাগমে পকেটটা কিঞ্চিত হৃষ্টপুষ্ট দেখাচ্ছিল ।কিন্তু ,ঐ যে , সুখে থাকতে ভূতে কিলোয় ,তাই একবার বইমেলায় যাওয়া শুরু করতেই পকেট মোটামুটি গড়ের মাঠ ।তবে বলতেই হচ্ছে ,শেষ পর্যন্ত কিছু পছন্দসই বই কেনা হয়েছে ,তাই মাস শেষের দৈন্যকে এখন আর
ঝিমঝিম
বৃষ্টির সুর রিমঝিম
লাগে ঝিমঝিম
বহুদিন নাস্তাতে নেই ডিম
ঝিমঝিম
সেলফোনটায় নেই সিম
আছে ঝিমঝিম
অমৃত ভেবে খাই তেতো নিম
তবু ঝিমঝিম
থ্রেট দেয় চাঁদাবাজ টিম
লাগে ঝিমঝিম
নির্ঘুম চোখ রক্তিম
লাগে ঝিমঝিম 
বোধশূন্য
নখের ভিতর ভীষণ ক্ষুধা
একটা করুণ পাপের কামড়
বসুধা , মনে পড়ে ?
মনে পড়ে , রোদ !
আমি তোকে সেই একবার
বৈশাখী মেলায় হারিয়ে ফেললাম ।
সেই থেকে কতকাল -
তুই যে আমার কখোনো
না জন্ম নেওয়া সহোদর -
আমি যে তোর শ্বাস ধার
নিয়েই আধেক বাঁচি ;
তারপরও -
মেঘ তুই তুলে নিলি না ?
সরিয়ে নোনাদাগ ,
কেউ তো আমার ভিতর
ঢুকে গেলো না -
ছিঁড়েখুঁড়ে নিলো না -
শরীরে প্রতিস্থাপিত করে গেলো না
বুকের খোলস !
উল্টে দেখাঃ রক্তাক্ত একটা স্মৃতি
২২শে ডিসেম্বর ১৯৯০। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সেকেন্ড ইয়ার অনার্সে পড়ি তখন। ভার্সিটিতে কী একটা পরীক্ষা ছিল সেদিন। কিন্তু হবে না বোধহয়। কারন ইসলামী ছাত্র শিবির অবরোধ ডেকেছে। দাবি ভিসির পদত্যাগ। অথচ যৌক্তিক কোন কারন নেই। ব্যাপার হলো এই ভিসি শিবিরের পছন্দ না। কিন্তু যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের নিয়ন্ত্রনে, মসজিদের ইমাম থেকে রেজিস্ট্রি অফিসের পিয়নটা পর্যন্ত সবকিছু শিবিরের পছন্দের হতে হবে। সবাই বাধ্য শি
রাঙ্গামাটির রঙে চোখ জুড়ানো? (তিন)
কেবল কৈশোরত্তীর্ন তরুন হিসাবে ৯০ দশকের শুরুতে যখন সুবলঙ আসতাম, তার রূপে মোহিত হইয়া একটা পুরা দিন চইলা যাইতো...পাহাড়ী ঝর্ণার অবারিত জলে শরীরের প্রতিটি কনায় শিউরে ওঠা অনুভূতি...চুয়ানির আচ্ছন্নতায় ঠান্ডা জলের বৈপরীত্যে আমরা সন্ধ্যাতক একদম নিজের জগতে থাকতাম। সেই সুবলঙে যাওনের লেইগা ইঞ্জিন চালিত ছাউনি দেওয়া ট্রলার ভাড়া কইরা পারিবারিক(?) আবহে যাত্রা...এক্কেরেই নতুন অভিজ্ঞতা আমার জন্য। কিন্তু ঈষিতা কটেজে
বইমেলায় উপস্থিত হবার ব্যর্থতায় দুধের আস্বাদ ঘোলে পূরণ
একদিকে পাহাড়, আরেকদিকে নদী। সুনীল সমুদ্র তো আছেই। এ বলে আমায় দেখ্, ও বলে আমায় দেখ্। এই নিয়ে আমার চটগ্রাম। জন্ম, বেড়ে ওঠা, বসবাস- শতাব্দীর এক-চতুর্থাংশ এখানেই। এখান থেকে যেতে মন চায় না! তারপরেও এদিক-ওদিক যাই। আবার ফিরে আসি। বাংলাদেশটাও কেমন যেন!
Temple Grandin: The world needs all kinds of minds (উৎসর্গ : নুশেরা'পা এবং আপনারা যারা আছেন)
আমি বিশ্বাস করি নুশেরা’পা সবদিক থেকেই আমার থেকে বেশি জানেন এবং অবগত আছেন। আর এটাও বিশ্বাস করি ব্লগে কপি-পেষ্ট কালচারকে তেমন ভাল চোখে দেখা হয় না (এমনকি আমি ব্যক্তিগতভাবেও সেটা অপছন্দ করি)। তারপরও কোথাও ভাল মুখরোচক কোন খাবার পাওয়া গেলে তা যেমন আমরা বন্ধুদের/পরিচিতদের সাথে শেয়ার করে আনন্দ পাই, অনেকটা সেই মানসিকতায় এটা আপনাদের সাথে ভাগাভাগি করা…
দেখা
এমনিতেই পৌঁছেছিল দেরীতে। ইমিগ্রেশানের কাজ করতে করতে অনেক দেরী হয়ে গেল। সোমা বিমানে ঢুকলো একেবারে সবার শেষে। হাত ব্যাগ তার দুটো, দুটোই সম্ভবতো তার নিজের ওজনের চেয়ে বেশী ভারি। ব্যগ দুটো টানতে এই প্রথম কাউকে সাথে পাওয়া গেল না; পেল্লায় সাইজের ব্যগ টানতে মাথা ওল্টাউল্টি করছে।
নজরুল ইসলামের একটি অসামান্য অর্জন :: অভিনন্দন নজরুল ভাই
পলান সরকার গ্রামে ঘুড়ে ঘুড়ে মানুষকে বই পড়ায়। তার ব্যাগে থাকে অনেক ধরনের বই। মানুষের পছন্দ অনুযায়ী গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে গিয়ে পৌছে দিয়ে আসে বই। মানুষের মধ্যে একটা পাঠ সচেতনতা তৈরীর এক মহান উদ্দেশ্য।
চলার পথে – ১
নিয়ম-কানুন মানার ব্যাপারটা আজকাল বেশ আউট-ডেটেড (এটার ভাল বাংলা কি হতে পারে?) হয়ে গেছে । নিয়ম-কানুন না মানা কাউকে সেটা মনে করিয়ে দিলেও হাস্যস্পদ হতে হয় । সেদিন শেরাটন থেকে কাকরাইল মসজিদের দিকে আসতে সিগন্যালের কাছে সোজা আর বাঁয়ের রাস্তা – দুটোই আটকা, একটা জীপ সোজা যাবে অথচ এমন ভাবে রাখা যে বাঁয়ের রাস্তাতেও কেউ যেতে পারছে না, পিছন থেকে হর্ণেও কর্ণপাত নেই । বেশ কিছুক্ষণ পরে পিছনের এক গাড়ী থেকে এক ভদ্র
আমার প্রিয় গান ২ - ইংলিশ গান
স্কুল বা কলেজ পড়ার সময় কোন একদিন ক্লান্ত হয়ে কলোনীর বাসায় ফিরছি। বাসার কাছে এসে বুঝলাম আমাদের বাসা থেকে একটা গানের সুর ভেসে আসছে। সামান্য সময়ের জন্য হলেও আমার মন থেকে শরীর থেকে যেন সব ক্লানতি চলে গেলো। আমি ইংলিশ গান তখন বেশী শুনিনি। বাসায় এসে বড় বোনের কাছ থেকে শুনলাম কারপেনটার্স হলো এ গানের শিল্পী। জানলাম গানটা হলো জামবালায়া।
ব্লগিং করা সহজ নয়
...সকলেরই ঘোরতর দুশ্চিন্তা।
এমন সময় পিওন আসিয়া আমাকে একখানা চিঠি দিয়া গেল।
নৃপেন বলিল, কার চিঠি হে?
আমি চিঠি পড়া শেষ করিয়া বলিলাম, বউ লিখেছে - বুঁচি মারা গেছে। কাল।