ইউজার লগইন
ব্লগ
সোনারও পালঙ্কের ঘরে ...

"লেখার মুড নাই, মন মেজাজ খারাপ" - কি আর করি! অস্থির আর অগোছালো সময় গুলোকেও ব্লগের পাতায় ধরে রাখা চাই। ব্লগ যদি হয় মনের আয়না - তবে সে আয়নায় মনের ছায়া পড়ুক।
ভেতর-বাহির (ষষ্ঠ পর্ব)
ভেতর-বাহির (ষষ্ঠ পর্ব)
ব্যতিক্রম । উপলব্ধিটা এক শব্দে তেমনই। ইতি আর নেতি দ্বয় কে ঠিক এই মুহূর্তে আগমন করার কোন তাড়া দেবোনা। আসলে যে লেখে সে অবশ্যই ভাবুক আর ভাবুক এর মনে পরিবর্তনের একটা পিয়াস থাকেই।
অন্য ভুবন
ডাইরী ৫২
শৈশবে একবার লায়ন সার্কাসের শো দেখতে গিয়া ভাবছিলাম এই জীবনে ক্লাউন হওয়াটাই আরাধ্য, তার চাইতে সুখী মানুষ কে আছে এই পৃথিবীতে!
এক.
বাড়ি ফেরার ভ্রমণক্লান্তি
১
ঠিক ঠিক ঘরে ফিরি- ফেরা হয়। কবুতরের চুম্বক থাকে- দিক চিনে ঠিকই খোঁপে আসে সন্ধ্যায়। আমি শহুরে জীবন্ত মনুমেন্ট, আমার ভিতরে তড়িৎচুম্বকীয় ব্যাপারস্যাপার। তাই ফিরি। নিজের চুলের ভাঁজে, আঙুলে, চোখের বয়ামে অসংখ্য গল্পের পাণ্ডুলিপি নিয়ে যেগুলো আমি যত্ন করে লিখতে চেয়েছিলাম, হয়ত আমার আগে কোন পূর্বপুরুষ- আমাদের লুকানো দুঃখ-সুখ-স্বপ্ন-বন্ধনের শব্দাবলি- নাগরিক জীবনের বৃত্তজীবিতাকে সম্বল করে।
আমরাবন্ধু এর সাথে যুক্ত হলাম
পৃথিবীব্যাপি তথ্য প্রযুক্তি'র প্রসারের সাথে সাথে প্রসারিত হচ্ছে ভার্চুয়াল কমিউনিটি। ফেসবুক টুইটারের মত সামাজিক নেটওয়ার্কের পাশাপাশি ব্লগিং ও হয়ে উঠেছে বেশ জনপ্রিয়। বাংলা ভাষাভাষি কমিউনিটি ও বেশ এগিয়ে রয়েছে ব্লগিং এর ক্ষেত্রে। আর বাংলা ব্লগিং এর নতুন সংযোজন 'আমরাবন্ধু'।
ek-khan gobita
ব্রীড়াবনত প্রেমিকার প্রতি
এক চিমটি জীবনান্দ দাশ
বাংলা ব্লগ গুলোতো জীবনান্দের বিশ্লেষনে সায়লাব। ভক্ত হিসেবে আমিও কিছুটা আনন্দিত। প্রতিবারই মনে হয় নতুন কিছু জানা হচ্ছে। আজ সে পথে গেলাম না
যাস্ট "এক চিমটি জীবনান্দ দাশ"
জীবনানন্দ দাশ জন্ম ও মৃত্যু তারিখ কত?
বিপন্ন মানবতার নীল কন্ঠ কবি বলা হয় কাকে?
জীবনানন্দ দাশের প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কি?
আধুনিক বাংলা কাব্যের ক্ষেত্রে কল্লোল যুগের কবি কে?
একুশের চেতনা বিনির্মানে নারী
”জগতের যত বড় বড় জয় বড়বড় অভিযান
মাতা ভগ্মী ও বধূদের ত্যাগে হইয়াছে মহীয়ান।
কতমাতা দিল হৃদয় উপাড়ি ত বোন দিল সেবা,
বীরের স্মতিস্তম্ভের গায়ে লিখিয়া রেখেছে কেবা?”(নারী, কাজী নজরুল ইসলাম )
এই উদ্ধৃতিটি বিশ্বের ইতিহাসেও যেমন সত্য তেমনি সত্য আমাদের দীর্ঘ
সংগ্রামের ইতিহাসেও। আমরা ক'জন জানি, ২১শে ফেব্রয়ারী,৫২ সালে যখন পুলিশ
আজ বৃষ্টির দিন , আমি তুমি হীন...
আজ বৃষ্টির দিন , আমি তুমি হীন...শুন্য শুন্য লাগে..
গান টা আমার খুবি প্রিয় কিছু গানের একটা..জানি না ,কেন জানি আজ মনে হলো আজ কিছু লিখি... অবশ্য এখন আর আগের মত ডায়রি লিখা হয় না...কাজের ব্যস্ততা....সময়ের অভাব..এখন শীত কাল যদিও ...তার পরেও বৃষ্টি...অবশ্য এখানে এমন টাই হয়।।গ্রীস্ম কাঠ ফাটা রোদ আর শীতে ঝড় বৃষ্টি...এমন একটা সময় খুব মিস করি...এখন থেকে খুব বেশি আগের কথা না হয় তো ৫ কি ৬ বছর আগের সেই দিন গুলো...বৃষ্টির মধ্যে ভিজে বাসায় ফেরা বন্ধুদের সাথে ...বৃষ্টিতে ভিজে বল খেলা বা রিক্সায় করে ঘুরা...বা বাসায় জানালার ধারে বসে বৃষ্টি দেখা...বা একা একা বৃষ্টির রাত্রিতে অন্ধকার ঘরে বা ডিম আলো তে গান শুনা ...আর খুব মিস করি এক জন কে...যার সাথে এক দিন কথা না বললে এক এক টা দিন অনেক লম্বা বা অনেক সময় মনে...হোতো...কিন্তু আমি যে খুব একটা কথা বলি তা নয়...শুধুই তার কথা শোনার জন্য...আজ প্রায় ৫ মাস ৮ দিন ... তার সাথে কথা হয় না খুব জানতে ইচ্ছে করছে, কেমন আছো তুমি--?
ভুতরাজ্যে টুকিটাকি
এখন যারা বড় তারা ছোটবেলায় কমবেশি সবাই ভুতের গল্প শুনেছেন নানী-দাদীর কাছে, তবে এখন যারা ছোট তাদের একটা বড় অংশের সাধারনত এভাগ্য হয় না। তারা বড় হয় শ্রেক-নিমো দেখে আর বড় হয়ে ড্রাকুলা-ভ্যাম্পায়ারের হরহ ফিল্ম দেখে; হারিয়ে যাচ্ছে ঠাকুমার ঝুলির ভুতেরা। আজকের এই পোস্ট গ্রাম-বাংলার ভুতেদের নিয়েই। আসুন আমরা আমাদের ছোট্ট বেলার ভুতেদের কথা মনে করি।
নাই নাই নাই, সেদিন আর নাই, জামাই বৌ সবই আছে, সেই খেলা নাই!!
মাত্র কয়দিন আগে আমার সবচাইতে প্রিয় দিদির বিয়ে হইল। এমন না যে কেবল এই বিয়ে নিয়ে ঘটনা, সেই কুট্টিকালে যখন আমার হাফপ্যান্ট পরা বয়স ছিল, তখন পর্যন্ত ঠিকই ছিল। কিন্তু, সেই যে আমার ফুলপ্যান্ট পরা সময় কিংবা বলা ভাল, যখন থেকে আমার সমবয়সী গ্রামের ছেলে-পিলেরা বিয়ে করা শুরু করে তখন থেকেই সমস্যার শুরু!!
তার আগে কিছু ব্যাপার ভাইঙ্গা নেই। আমাদের বিয়েতে কিছু আচার আছে।
ডাইরী ৫১
এক.
আবেগের বেগুনী নৌকায় ভেসে আর কতোদূর যাওয়া যায়...তবুতো চেয়েছি ভেসে যেতে অনিশ্চিত ভ্রমণের জলে। এই স্রোত কোনখানে নিয়ে যায়, মানুষ কখনো জানে নাই তার খোঁজ। তবু রোজ...আমি অপেক্ষায় থেকেছি তাহার। মুঠো ভরে বালুকনা তুলে নিয়ে সাজিয়েছি মরুভূমি। নিজেরে ভেবেছি বেদুঈন...যার প্রতীক্ষা কেবলি মরুদ্যানের।
দুই.
বরিষ ধারা মাঝে - সমাপনী
ছেলেবেলা থেকেই তন্ময় বাবা মাকে এক সাথে পায়নি, তার ছয় বছর বয়সে তারা সেপারেশনে যান। নতুন করে সংসার না করলেও এখনো যে যার মত আলাদাই থাকেন। তন্ময় বাবার কাছে মানুষ। তবে সপ্তাহান্তে নিয়ম করে মায়র সাথে দেখা হতো। স্বাভাবিক একটা পারিবারিক পরিবেশ কখনোই পাইনি সে। ধীরে ধীরে পৃথিবীকে যখন বুঝতে শুরু করল তখন থেকেই মা-বাবার প্রতি চাপা অভিমানটা জমাট বাঁধতে বাঁধতে অগোচরেই চূরান্ত ঘৃণায় রূপ নিয়েছে।