ইউজার লগইন
ব্লগ
কুড়িয়ে পাওয়া হাততালি আর খুঁচরো পয়সার জলসায়
ভ্রান্ত সময় পাড়ি দিতে দিতে মাঝেমাঝেই থমকে দাঁড়াই। ধোঁয়াশার ভেতর দিয়ে চলছে এই পথ। সম্মুখে সব কিছুই ধোঁয়ায় ঢাকা, অজানা গন্তব্যটাও ঢাকা পড়ে আছে ঘোর অনিশ্চয়তায়। পাড়ি দেয়া পথের দিকে ফিরে তাকালে সেখানেও ধোঁয়া ছাড়া কিছুই দেখা যায় না। মাঝেমাঝেই লু-হাওয়ার দমকে ধোঁয়া কেটে যায়। কুৎসিত দৃশ্যপটগুলো নগ্ন হয়ে ধরা দেয়। ক্ষণিকেই আবার ধোঁয়াশায় সব ঢেকে যায়, আমি উদ্ভ্রান্তের মত চলতে থাকি ভ্রান্ত পথে। ধোঁয়াটা কখন যে আ
poricito hote chai
ami too guciye kicu likhte pari nah ... apnader kache shkite chai ...
mone onek kosto ami picnic ta miss korlam ...
kona
বই কিনে কেউ কেউ দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে হয়তো
বইমেলার প্রথম দশ দিনে কেনা বইয়ের তালিকা...
নীড়পাতার কান্ধে ঝুলায়া রাখছে 'লিখতে হলে পড়তে হবে, পড়তে হলে কিনতে হবে, বইমেলায় যান, বই কিনুন'। কী আর করা, বইমেলায় যেতে লাগলাম, কিনতে লাগলাম বই।
প্রথম দশদিনে কেনা বইগুলোর তালিকা ঝুলায়ে দিলাম...
১। রচনা সমগ্র- আহমদ ছফা [৮ খণ্ড সম্পূর্ণ]
২। রচনা সমগ্র- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস [৪ খণ্ড সম্পূর্ণ]
৩। উপন্যাস সমগ্র- অদ্বৈত মল্লবর্মণ
শিরোনামহীন....
আজ অনেক দিন ধরে ভাবছি যে কিছু একটা লিখব...কিন্তু আর হয়ে উঠে না ...ব্লগে আসলেই সবার কমেন্ট আর ব্লগ পরেই সময় কেটে যায়...আবার এটাও ভাবি যে।।সবাই যদি লিখবে তো পড়ার জন্য তো কেউ থাকতে হবে. ..কমেন্ট করার ...সমালোচনার জন্য...এর মাধ্যমেই বেরিয়ে আসবে অনেক উপাদান যা হয়তো আমাদের নিজের অজান্তেই আমাদের লিখার অনেক উপাদান হয়ে উঠবে...আর এ ও সিকার করি যে ভাল মন্দ সব কমেন্টই হবে...এর মধ্য থেকে আমাদের ছেকে নিতে হবে আমাদের উপাদান , বিষয় বস্তু...প্রতিদিনই বসি লিখার জন্য কিন্তু পরে আর খুজে পাই না ... কি লিখব?...হয়তো একদিন ঠিকই পেরে যাব।।এত গুলো বিজ্ঞ আর ভাল মনের মানুষের সংস্পরশে থাকলে কিছু তো পারবো...এটা আমার বিশসাষ..সে যাই হোক এখন আর সময় নেই ।।উঠতে হবে।হয়তো ঘন্টা খানেক পর আবার বসতে পারব ।।বাসের জন্ অপেক্ষা করতে করতে এই টুকু লিখলাম...পরে আবার আসছি...বাসায় যেতে হবে...ভাল থাকুন সবাই...
মোড়ক উন্মোচন :: নুশেরা তাজরীনের বই "শিশুর অটিজম"
আগেই জানানো হয়েছিলো আজকে নুশেরা তাজরীন'এর লেখা "শিশুর অটিজম : তথ্য ও ব্যবহারিক সহায়তা" বইটির মোড়ক উন্মোচন কর্মসূচী। স্টলে গিয়ে যখন বললাম আজ মোড়ক উন্মোচন হবে বইটির ... দুইটা বই লাগবে.. দিয়ে দিল ... আমিতো ভাবতেছিলাম দিবে না
... পরে জানা গেল দোকানি আগেই নাকি আমার নাম জানত 
সব্বোনাষ ! ২ বার নাম দেখায় ক্যান ??
আজ আমরা থাকব বই মেলায়
===============================================
নুশেরা তাজরীন'এর বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হবে অদ্য ১১ই ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ০৬:৩০ ঘটিকায় নজরুল মঞ্চে।
মোড়ক উন্মোচন করবেন
# লুৎফর রহমান রিটন
# শওকত হোসেন মাসুম এবং
# আহমাদ মোস্তফা কামাল ভাই
আমরাবন্ধুর সকল বন্ধুদের উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানালাম।
===============================================
বন্ধুরা ...
দিক্কার জানাই (একটি পোস্ট দেয়ার জন্য হাত নিশপিশ করা প্রযোজনা যখন সঙ্গত কারনেই পোস্ট লিখার কিছু নাই)
বাস্তবে কেউ থাকুক না থাকুক কল্পনায় পাখা মেলতে পুরুষ জাতির কোন সমস্যা নাই; গান কবিতা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে তাদের স্বপ্নলোকের কল্প কন্যা; বনলতা সেন, সুরন্জনা থেকে বরুণা কিংবা নীরা, সুলতা; নীলা, নীলান্জনা, অধরা, রুবি রায়,বেলাবোস, অনামিকা, চুমকি, মারিয়া, সোনিয়া এমন কি বোরখা পরা মেয়েও আছে।
ভেতর-বাহির (পঞ্চম পর্ব)
স্মৃতির দৌড় , দৌড়ের স্মৃতি :: গল্পে , অনুভবে (১৯৮৮-১৯৯৪)
কৃতজ্ঞতার , বাবার ভালবাসার :
প্রলাপ
এই ব্লগটা আমাকে লিখতে হবে খুব দ্রুত, হাতে সময় আছে আধঘন্টা। আধঘন্টা
খাবারের সময়। ভয়াবহ ক্ষুধা পেয়েছে, পেটে নয় মনে। বহুদিন ব্লগ লিখি না। আজ
নাহয় মনের ক্ষুধা মেটাই।
এক একটা দিন যেন এক একটা জীবনের ক্ষুদ্র
সংস্করণ। কত সংকীর্ণ সময়ে কত বিশাল দায় ফুরানোর বৃথা চেষ্টা। সব কিছু কেমন
জানি অগোছালো লাগে। ঘরের কোণ থেকে শুরু করে মগজের খুপরী, সবটাই এলোমেলো
.....
বন্ধু পিকনিক ২০১০ আনশিল্ড
রিক্সায় মুকুলকে বলছিলাম শাহবাগ থেকে সাড়ে আটটায় বাস ছাড়ার কথা থাকলেও ৯ টার আগে ছাড়বেনা, তবুও আমরা সময়মতই যাচ্ছি যে টাইমলি থাকতে ভালো লাগে। এর মধ্যে পিয়াল ভাই মুকুলকে ফোন দিয়ে জানায় তিনি পৌছে গিয়েছেন। ছবির হাটে বাস থাকার কথা। মেসবাহকে ফোন দিলাম ঝারি মারার উদ্দেশ্যে। উল্টা ঝারি মেসবাহ'র, সব কিছু ফেলে চলে যাবে। হজম করলাম। লোকটা একা পুরা পিকনিকের আয়োজনের দায়িত্ব ঘাড়ে নিছে। জানাল উদারজী ভোর থেকে যাদুঘরে
ঐ দেখুন --ডানে --সবচেয়ে জনপ্রিয় পোষ্টের নাম -'এলাম'
জনপ্রিয় লেখার যে ঘরটি প্রথম পাতার ডানে দেখা যাচ্ছে , তাহা কি অপরিবর্তন যোগ্য!
'প্রতীতি'---আমার উপন্যাস। ২০১০ এর বইমেলায় যার আগমন।
প্রতিনিয়ত নতুন নতুন প্রতীতি প্রাণে, মনে, মননে কিংবা বিবেকের ভেতর ধারন, সংযোজন, পরিবর্তন কিংবা পরিমার্জন করার নাম বলা যেতে পারে জীবন। ঠিক এই মুহূর্তে জীবন সম্পর্কে আমার প্রতীতি অর্থাৎ উপলব্ধি ঠিক ঐ রকম। সবুজ কচু পাতার উপর এক ফোঁটা পানির অবস্থানকে আর্টে কিংবা ফটোগ্রাফিতে ধারন করে খ
প্রিয় বাংলা তোমাকে দেখব বলে
মনেপড়ে সেই দিনগুলি...
বুক পকেটে সুখগুলিকে নিয়ে ঘুড়ে বেড়াতাম
বাটালী পাহাড়, কর্ণফুলীর তীরে
বাংলা মাটির সোঁদা সুবাস আর ঘাস ফুলের গন্ধ নিতাম।
দুপুর বেলার ঠাঠা রোদে
সাগর পাড়ে একলা বসে
অংক করায় ফাঁকি দিতাম।
সন্ধ্যে হলে পুকুর ঘাটে
এক হাঁটু ধূল ধুয়ে মুছে
নাস্তা খেয়ে পড়তে বসা,
বিদ্যুৎ হীন জোছনা রাতে
উঠোন জুড়ে চাঁদের হাটে
বউচি খেলার ছকটি কষা।
বুড়ী দাদীর তুলতুলে গাল
মনে কি পড়ে?!
ফোকলা দাঁতের সেই হাসিটা
দাদুর লাঠি? সেই কাশিটা??
মনে কি পড়ে?!!
সেসব দিনের ভাবনা যত
কবে অনেক বড় হব!
অনেক বড়, অনেক...
যেদিন বাবা বকবে না আর
মা বলবে না আর 'অংক কষ'
যেদিন হবে চাকরি আমার
দিদি বলবে না আর পড়তে বস
ইশ! কবে অনেক বড় হব?
আজ, সেসব ভেবে হাসি ভীষণ
পরক্ষনেই কাঁদি আবার
কবে আসবে সেই দিনটি?!
সুযোগ পাবো দেশে যাবার!
প্রবাসের এই পিঞ্জরেতে