ইউজার লগইন
ব্লগ
ডাইরী ৪৭
এক.
ফাগুনের মাতাল হাওয়া মন উতলা করে দেয়।
উতলা আমি রঙের সরোবরে ভেসে যাই...
কিন্তু কেরম প্লাস্টিক মানব-মানবীদের স্রোতে
ফিরে আসি তীরে...নাক ঢেকে মাটির ঘেরান নেই,
আহা! আমার প্লাস্টিক গন্ধী ভোর।
দুই.
তেলে আর জলে যেরম মিশেছে এইবেলা
আমিও তেমন রয়েছি...আল্ট্রা ওয়াইড দৃষ্টিতে
তাদের বড়ো দূরের মানবী ঠেকে।
একটি বিবাহনামা . . . ( অল্প বয়সে পাঁকলে যা হয় আরকি !! )
গত ডিসেম্বরের শেষদিকে "অফিসিয়ালি বিবাহ" করার পারমিশন পাইছি , মা আমারে কয় "যা কর গিয়া বিয়া , আমার কোনো আপত্তি নাই"। কানারে কওয়া "যা ছাইড়া দিলাম , দুনিয়া ঘুইরা আয় "। নিজের গতি নিজে করার কোয়ালিটি যে সুপুত্রের নাই , সেইটা মার চেয়ে ভাল আর কে জানে ? একটা হালকা পাতলা খোঁচা মারার চান্স পাইলে দুনিয়ার কেউ ছাড়ে না , মা আর বাদ যাইবো ক্যান ?
পহেলা ফাল্গুনে জ্যৈষ্ঠের স্মৃতিচর্বন
ভয়ানক গরম পড়ছে আজ। জ্যৈষ্ঠের কাঠফাটা দুপুর। ক্লাস শেষে কোনমতে ষ্টেশানগামী শেষ বাসটা ধরে ঝুলে পড়লাম। ষ্টেশানে এসে দেখি ট্রেনে ঠাসাঠাসি ভীড়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুপুর দেড়টার ফিরতি ট্রেনের যাত্রাটা মোটেও সুখকর নয়, বিশেষ করে এই দাবদাহে। কোন বগিতেই সুঁচ ঢোকার জায়গা নেই। বগির পাদানি গুলো পর্যন্ত দুজন করে বসে দখল করে রেখেছে। হ্যান্ডেল ধরে ঝুলে যাবার আশাও মাঠে মারা গেল।
কারও কারও ফাগুন শুরু স্মৃতিকাতর মন খারাপে...
রাত ফুরোলেই আমাদের ভালোবাসার আচার কানুন পাল্টে যায়। বোনোর লেখা, রয় অরবিসনের গাওয়া গানটার মতোই।
‘Night falls I'm cast beneath her spell
Daylight comes our heaven's turns to hell
Am I left to burn and burn eternally…’ (she is a mystery girl)
১.
চিঠি
তুমি
আইসা পড়লাম!!
বাহ বাহ! মজা তো!
টুটুল ভাই'র ফেস্বুক লিংক থেকে এই সাইটের খোঁজ পাওয়া, প্রথমে ভাবলাম ফোরাম টাইপস কিছু একটা। পরে পিকনিক নিয়ে হুজুগে দেখি, না, পরিচিত বেশ কয়েকজনই আছেন এইখানে।
আর নুশেরা আপু'র বইয়ের প্রকাশনা উপলক্ষ্যে এইখানে পোস্টানো পোস্ট পড়ে অনেককেই খুঁজে পাওয়া।
তাই, রেজিস্ট্রেশন করে ফেললাম।
দূরের মানুষ - কাছের মানুষ [গল্প - ৪র্থ পর্ব]
- আজ ১৪ মিনিট দেরী , কালকের থেকে।
- বাহ! সময়ের হিসাব রাখেন দেখি। অপেক্ষায় থাকেন এই সময়ের ?
- ঠিক অপেক্ষা না , আবার অপেক্ষা বলতে পারেন। সংসারের কাজ সেরে এই সময়টুকু এমনিতেই অলস সময় কাটে বিশ্রামে। সেই সময় টুকু একজনের সাথে কথা বলে একাকীত্ব কাটাই, কথা বলে। নিজের সাথেই নিজে কথা বলি , আপনার সময়টুকু নষ্ট হয় মাঝে।
- খুব হতাশ মনে হয়। আপনার স্বামী-সন্তান নিয়ে তো মনে হয় সুখে আছেন, ভালো আছেন।
একুশে বই মেলা :: কিছু বইয়ের তথ্য
শিশুর অটিজম: তথ্য ও ব্যবহারিক সহায়তা
লেখক: নুশেরা তাজরীন
প্রকাশন: তাম্রলিপি প্রকাশন
প্রচ্ছদশিল্পী: আলমগীর ও অপনা
নিবন্ধ/নির্দেশনা, ১২৮ পৃষ্ঠা
মূল্য ১৬০ টাকা
ছবি তোলা এবং আরো কিছু আবোলতাবোল
ছবি তোলা জিনিসটা সবসময়ই আমাকে বিমোহিত করেছে। কিভাবে চমৎকার একটি মুহুর্ত ছোট্ট চৌকোণ কাগজের মাঝে ধরা পড়ে যায় ভাবতেই বেশ মজা লাগে। ছোটবেলায় আব্বার ক্যামেরাটা বগলদাবা করবার জন্য কতই না ফন্দী এটেঁছিলাম। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ(কান্নাকাটি), গোপন অভিযান(আলমারির তালা হ্যাক করবার প্রচেষ্টা), আইনি প্রচেষ্টা(হাইকোর্ট - মানে আম্মার কাছে আপিল) এমনকি সদাচরণ এবং ভালো রেজাল্ট কোনটাই আমার পিতার টাইটেনিয়ামের হৃদ
মামু, ফরম ভরনা জরুরী হ্যায় কেয়া?
এটা বলিউডের "মুন্নাভাই এমবিবিএস" ছবির একটা ডায়ালোগ। ছবিটা দেখেছিলাম কয়েকবছর আগে, এই ডায়ালোগটা কিভাবে যেনো মনে আছে।
হাসপাতালে রোগীকে নেয়ার পর ফরম পুরন, ব্যক্তিগত তথ্যাদি পুরনের নামে অনেক মুল্যবান সময় নষ্ট হয়, সেই প্রেক্ষিতেই ঐ ডায়ালোগটা বলা হয়েছিলো, আর সেই "খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি"র অভিজ্ঞতা আমার নিজেরই হয়েগেলো গত রবিবার, কোন তৃতীয় বিশ্বের দেশে না, অষ্ট্রেলিয়াতে।
কুড়িয়ে পাওয়া হাততালি আর খুঁচরো পয়সার জলসায়
ভ্রান্ত সময় পাড়ি দিতে দিতে মাঝেমাঝেই থমকে দাঁড়াই। ধোঁয়াশার ভেতর দিয়ে চলছে এই পথ। সম্মুখে সব কিছুই ধোঁয়ায় ঢাকা, অজানা গন্তব্যটাও ঢাকা পড়ে আছে ঘোর অনিশ্চয়তায়। পাড়ি দেয়া পথের দিকে ফিরে তাকালে সেখানেও ধোঁয়া ছাড়া কিছুই দেখা যায় না। মাঝেমাঝেই লু-হাওয়ার দমকে ধোঁয়া কেটে যায়। কুৎসিত দৃশ্যপটগুলো নগ্ন হয়ে ধরা দেয়। ক্ষণিকেই আবার ধোঁয়াশায় সব ঢেকে যায়, আমি উদ্ভ্রান্তের মত চলতে থাকি ভ্রান্ত পথে। ধোঁয়াটা কখন যে আ
poricito hote chai
ami too guciye kicu likhte pari nah ... apnader kache shkite chai ...
mone onek kosto ami picnic ta miss korlam ...
kona
বই কিনে কেউ কেউ দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে হয়তো
বইমেলার প্রথম দশ দিনে কেনা বইয়ের তালিকা...
নীড়পাতার কান্ধে ঝুলায়া রাখছে 'লিখতে হলে পড়তে হবে, পড়তে হলে কিনতে হবে, বইমেলায় যান, বই কিনুন'। কী আর করা, বইমেলায় যেতে লাগলাম, কিনতে লাগলাম বই।
প্রথম দশদিনে কেনা বইগুলোর তালিকা ঝুলায়ে দিলাম...
১। রচনা সমগ্র- আহমদ ছফা [৮ খণ্ড সম্পূর্ণ]
২। রচনা সমগ্র- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস [৪ খণ্ড সম্পূর্ণ]
৩। উপন্যাস সমগ্র- অদ্বৈত মল্লবর্মণ
শিরোনামহীন....
আজ অনেক দিন ধরে ভাবছি যে কিছু একটা লিখব...কিন্তু আর হয়ে উঠে না ...ব্লগে আসলেই সবার কমেন্ট আর ব্লগ পরেই সময় কেটে যায়...আবার এটাও ভাবি যে।।সবাই যদি লিখবে তো পড়ার জন্য তো কেউ থাকতে হবে. ..কমেন্ট করার ...সমালোচনার জন্য...এর মাধ্যমেই বেরিয়ে আসবে অনেক উপাদান যা হয়তো আমাদের নিজের অজান্তেই আমাদের লিখার অনেক উপাদান হয়ে উঠবে...আর এ ও সিকার করি যে ভাল মন্দ সব কমেন্টই হবে...এর মধ্য থেকে আমাদের ছেকে নিতে হবে আমাদের উপাদান , বিষয় বস্তু...প্রতিদিনই বসি লিখার জন্য কিন্তু পরে আর খুজে পাই না ... কি লিখব?...হয়তো একদিন ঠিকই পেরে যাব।।এত গুলো বিজ্ঞ আর ভাল মনের মানুষের সংস্পরশে থাকলে কিছু তো পারবো...এটা আমার বিশসাষ..সে যাই হোক এখন আর সময় নেই ।।উঠতে হবে।হয়তো ঘন্টা খানেক পর আবার বসতে পারব ।।বাসের জন্ অপেক্ষা করতে করতে এই টুকু লিখলাম...পরে আবার আসছি...বাসায় যেতে হবে...ভাল থাকুন সবাই...
মোড়ক উন্মোচন :: নুশেরা তাজরীনের বই "শিশুর অটিজম"
আগেই জানানো হয়েছিলো আজকে নুশেরা তাজরীন'এর লেখা "শিশুর অটিজম : তথ্য ও ব্যবহারিক সহায়তা" বইটির মোড়ক উন্মোচন কর্মসূচী। স্টলে গিয়ে যখন বললাম আজ মোড়ক উন্মোচন হবে বইটির ... দুইটা বই লাগবে.. দিয়ে দিল ... আমিতো ভাবতেছিলাম দিবে না
... পরে জানা গেল দোকানি আগেই নাকি আমার নাম জানত 