ইউজার লগইন
ব্লগ
একখান গান আপলোড করিলাম
চন্দনা মজুমদারের গাওয়া একখান লালনগীতি শুইন্যা পুরা পাঙ্খা হইয়া গেছি। শেয়ারের লাইগ্যা আকুলী বিকুলী করতেছিলো মন, ইউটিউবে পাইলাম না, ইস্নাইপ্স এ পাইলাম কিন্তু এম্বেড কোড নাই। কি আর করার শ্যাষে গান দিয়া ভিডু বানায়া ইউটিউবে আপলোড দিলাম। গানটা শুইন্যা মুগ্ধ এবং পাঙ্খা হইয়া গেছি, ইচ্ছা হইলে শুইন্যা দেখতে পারেন।
আইসা তো পড়লামই!!! কি আছে জীবনে.....
আমাকে চেনা যায়?
জীবনদায়গ্রস্থ পাত্রর ডাকে কি কেউ সারা দিবেন ?
আমার এক পরিচিত পাত্র বিপদে পড়ছে ।
তাহার একখানা বিবাহ সম্পর্কিত ছিভি দরকার । পাত্রের যোগ্যতা সে সালফিউরিক এসিডের রাসায়নিক সংকেত জানে। এছাড়া সে আর কিছু জানে না 
আছেন কোন দিলওয়ালা (দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে), গুর্দাওয়ালা, দয়াবান (আহা .. বিনোদখান্না আর মাধুরীর সেই...) , মানবতাবাদী, মহাজ্ঞানী, মহাজন (আবার সেই মহাজনীয় মাথা ব্যথা শুরু হইলো) !!!
অপনার মা যখন লেখক
ডাইরী ৫০
এক.
ধর্মের সো কল্ড সু-শীতল ছায়াতল থেকে গনগনে রোদেলা যুক্তির পথে আমার যাত্রা...
ক্লাস থ্রি/ফোরে পড়ি, খুলনার খালিশপুরে থাকি। প্রতিবেশীরা মোটামুটি সবাই বিহারী।
"এএএ মিস্টার...লাড্ডান ভাই...গুড্ডুউউউ"
বরিষ ধারা মাঝে
কাকের শোরগোল শুনে ঘুম ভাঙ্গলে সাত সকালেই যে কারো মেজাজ বিগড়ে যাবার কথা, কিন্তু কুয়াশার মোটেও খারাপ লাগছে না। জানালার ওপাশে ইলেক্ট্রিক তারের উপর বসা কাকগুলো কিছু একটা নিয়ে তুমুল ঝগড়া করছে। অনেক্ষণ কান পেতে থেকেও কোন মানে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হচ্ছে কুয়াশা।
জীবনের যত ভালোবাসা এবং ছ্যাকা...
৭৮ সালের কথা। আমি তখন চাঁদপুর খলিশাঢুলী প্রাইমারি স্কুলের ৪ ক্লাসের ছাত্র। ক্লাসের জোছনার (বেদের মেয়ে 'জোছনা' নয়) প্রেমে পড়লাম। সেই আমার প্রথম প্রেম। জোছনাকে লেখা চিঠি জামার বুক পকেটে রেখেছি, পরদিন তাকে দেব বলে। একটু পর পর হাত দিয়ে দেখছি-চিঠিটা আছে কি না ! বড় ভাইয়ের চোখ পড়লো একসময়। অত:পর পকেট থেকে চিঠি উদ্ধার এবং ধোলাই...প্রেম বলে পালাই পালাই..
স্ক্রু কাহন
বৃষ্টি বিষয়ক কিছু ভাবনা...
১.
যখন স্মৃতিরা ঝরে গেছে...কোথাও তাহারা চিহ্ন রেখে যায় নাই। আর আমি অবুঝ বৃষ্টির ঝরে যাওয়াতে চিহ্ণ খুঁজে ফিরি। বৃষ্টির চাইতে জোরালো বৃদ্ধের পদছাপ দেখে দেখে আমি বয়সের কাছাকাছি চলে গেছি...সেইখানে কোন কালো মেঘ নাই! শূন্যতায় কালো মেঘ থাকে না কখনো।
২.
আত্মহত্যার পূর্বরাত্রি
সিঁথি খুব আয়েশ করে শেষ রাত্রির শেষ কাপ চা টা উপভোগ করছে তরিয়ে তরিয়ে।
আমরা মেয়েদের কথা মনে রাখি, মেয়েরা ভুলে গেছে
শিমুলের মতো সুন্দরী মেয়ে আজও দেখি না; সারাদিন কেটে গেছে ওর উড়ন্ত ওড়নার রংধনু দেখে, ‘আমার দিকে ফিরেও চায় নি’- কেটে গেছে দিনের পর দিন এভাবেই; বহু বহুদিন।
বইমেলা, বই কেনা ও বাইয়ের দাম বিষয় ছাইপাশ ভাবনা
১.
যখন দশ টাকায় পাইজাম চাল কিনতাম, তখন বাজারের টাকা মেরে, বিশেষ করে মাছের দামটা নিয়ে চাপাবাজি করে দু'তিন সপ্তায় একটা করে সেবা'র বই কেনার টাকা উঠিয়ে ফেলতাম। এখন হিসেব করুন তো দেখি, তখন সেবার বইয়ের দাম কত ছিলো?
হাফিজার ক্রিয়েটিভিটি
"....নাহ, লোকটা বোকাই আছে"...শাক বাছতে বাছতে ভাবে হাফিজা। নাইলে কালকা যখন মাইর খাইয়া রাগে দিশাহারা হৈয়া বটি নিয়া ভয় দেখাইতে নিলো হাফিজা, লোকটা গোসলে যাওয়ার জন্য জামা খুলে তখন, কোনো বিকার ছাড়া।
"আরে, তখন জিদ্দের চোটে যদি বডিডা দিয়া কোপ টা দিয়া বসতাম?"
তাইলে পরদিন পত্রিকায় আসতো, কনস্টেবল মোছাদ্দেদ কে কুপিয়ে হত্যা করেছে স্ত্রী হাফিজা আক্তার।
স্বাধীনতা দিবসের ই-পুস্তক: "স্বপ্নের বাংলাদেশ"
বন্ধুরা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আমরা বন্ধু ব্লগে একটি ই-পুস্তক প্রকাশিত হবে। বইটি ধারণ করবে আপনার স্বপ্নের বাংলাদেশকে। "স্বপ্নের বাংলাদেশ" নামের এই ই-পুস্তকে লিখে দিন আপনার স্বপ্নের দেশটির কথা। প্রিয় বাংলাদেশকে যেরকম দেখতে চান, সেই কথাগুলোই লিখে দিন। গল্পে, কবিতায়, প্রবন্ধে, ছড়ায় নতুবা ছবি এঁকে দিন আপনার স্বপ্নের দেশটির। লিখে দিন বাংলাদেশ নিয়ে আপনার চিন্তা আর প্রস্তাবগুলোও। তারপর পাঠি
