ইউজার লগইন
ব্লগ
আজ বৃষ্টির দিন , আমি তুমি হীন...
আজ বৃষ্টির দিন , আমি তুমি হীন...শুন্য শুন্য লাগে..
গান টা আমার খুবি প্রিয় কিছু গানের একটা..জানি না ,কেন জানি আজ মনে হলো আজ কিছু লিখি... অবশ্য এখন আর আগের মত ডায়রি লিখা হয় না...কাজের ব্যস্ততা....সময়ের অভাব..এখন শীত কাল যদিও ...তার পরেও বৃষ্টি...অবশ্য এখানে এমন টাই হয়।।গ্রীস্ম কাঠ ফাটা রোদ আর শীতে ঝড় বৃষ্টি...এমন একটা সময় খুব মিস করি...এখন থেকে খুব বেশি আগের কথা না হয় তো ৫ কি ৬ বছর আগের সেই দিন গুলো...বৃষ্টির মধ্যে ভিজে বাসায় ফেরা বন্ধুদের সাথে ...বৃষ্টিতে ভিজে বল খেলা বা রিক্সায় করে ঘুরা...বা বাসায় জানালার ধারে বসে বৃষ্টি দেখা...বা একা একা বৃষ্টির রাত্রিতে অন্ধকার ঘরে বা ডিম আলো তে গান শুনা ...আর খুব মিস করি এক জন কে...যার সাথে এক দিন কথা না বললে এক এক টা দিন অনেক লম্বা বা অনেক সময় মনে...হোতো...কিন্তু আমি যে খুব একটা কথা বলি তা নয়...শুধুই তার কথা শোনার জন্য...আজ প্রায় ৫ মাস ৮ দিন ... তার সাথে কথা হয় না খুব জানতে ইচ্ছে করছে, কেমন আছো তুমি--?
ভুতরাজ্যে টুকিটাকি
এখন যারা বড় তারা ছোটবেলায় কমবেশি সবাই ভুতের গল্প শুনেছেন নানী-দাদীর কাছে, তবে এখন যারা ছোট তাদের একটা বড় অংশের সাধারনত এভাগ্য হয় না। তারা বড় হয় শ্রেক-নিমো দেখে আর বড় হয়ে ড্রাকুলা-ভ্যাম্পায়ারের হরহ ফিল্ম দেখে; হারিয়ে যাচ্ছে ঠাকুমার ঝুলির ভুতেরা। আজকের এই পোস্ট গ্রাম-বাংলার ভুতেদের নিয়েই। আসুন আমরা আমাদের ছোট্ট বেলার ভুতেদের কথা মনে করি।
নাই নাই নাই, সেদিন আর নাই, জামাই বৌ সবই আছে, সেই খেলা নাই!!
মাত্র কয়দিন আগে আমার সবচাইতে প্রিয় দিদির বিয়ে হইল। এমন না যে কেবল এই বিয়ে নিয়ে ঘটনা, সেই কুট্টিকালে যখন আমার হাফপ্যান্ট পরা বয়স ছিল, তখন পর্যন্ত ঠিকই ছিল। কিন্তু, সেই যে আমার ফুলপ্যান্ট পরা সময় কিংবা বলা ভাল, যখন থেকে আমার সমবয়সী গ্রামের ছেলে-পিলেরা বিয়ে করা শুরু করে তখন থেকেই সমস্যার শুরু!!
তার আগে কিছু ব্যাপার ভাইঙ্গা নেই। আমাদের বিয়েতে কিছু আচার আছে।
ডাইরী ৫১
এক.
আবেগের বেগুনী নৌকায় ভেসে আর কতোদূর যাওয়া যায়...তবুতো চেয়েছি ভেসে যেতে অনিশ্চিত ভ্রমণের জলে। এই স্রোত কোনখানে নিয়ে যায়, মানুষ কখনো জানে নাই তার খোঁজ। তবু রোজ...আমি অপেক্ষায় থেকেছি তাহার। মুঠো ভরে বালুকনা তুলে নিয়ে সাজিয়েছি মরুভূমি। নিজেরে ভেবেছি বেদুঈন...যার প্রতীক্ষা কেবলি মরুদ্যানের।
দুই.
বরিষ ধারা মাঝে - সমাপনী
ছেলেবেলা থেকেই তন্ময় বাবা মাকে এক সাথে পায়নি, তার ছয় বছর বয়সে তারা সেপারেশনে যান। নতুন করে সংসার না করলেও এখনো যে যার মত আলাদাই থাকেন। তন্ময় বাবার কাছে মানুষ। তবে সপ্তাহান্তে নিয়ম করে মায়র সাথে দেখা হতো। স্বাভাবিক একটা পারিবারিক পরিবেশ কখনোই পাইনি সে। ধীরে ধীরে পৃথিবীকে যখন বুঝতে শুরু করল তখন থেকেই মা-বাবার প্রতি চাপা অভিমানটা জমাট বাঁধতে বাঁধতে অগোচরেই চূরান্ত ঘৃণায় রূপ নিয়েছে।
একখান গান আপলোড করিলাম
চন্দনা মজুমদারের গাওয়া একখান লালনগীতি শুইন্যা পুরা পাঙ্খা হইয়া গেছি। শেয়ারের লাইগ্যা আকুলী বিকুলী করতেছিলো মন, ইউটিউবে পাইলাম না, ইস্নাইপ্স এ পাইলাম কিন্তু এম্বেড কোড নাই। কি আর করার শ্যাষে গান দিয়া ভিডু বানায়া ইউটিউবে আপলোড দিলাম। গানটা শুইন্যা মুগ্ধ এবং পাঙ্খা হইয়া গেছি, ইচ্ছা হইলে শুইন্যা দেখতে পারেন।
আইসা তো পড়লামই!!! কি আছে জীবনে.....
আমাকে চেনা যায়?
জীবনদায়গ্রস্থ পাত্রর ডাকে কি কেউ সারা দিবেন ?
আমার এক পরিচিত পাত্র বিপদে পড়ছে ।
তাহার একখানা বিবাহ সম্পর্কিত ছিভি দরকার । পাত্রের যোগ্যতা সে সালফিউরিক এসিডের রাসায়নিক সংকেত জানে। এছাড়া সে আর কিছু জানে না 
আছেন কোন দিলওয়ালা (দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে), গুর্দাওয়ালা, দয়াবান (আহা .. বিনোদখান্না আর মাধুরীর সেই...) , মানবতাবাদী, মহাজ্ঞানী, মহাজন (আবার সেই মহাজনীয় মাথা ব্যথা শুরু হইলো) !!!
অপনার মা যখন লেখক
ডাইরী ৫০
এক.
ধর্মের সো কল্ড সু-শীতল ছায়াতল থেকে গনগনে রোদেলা যুক্তির পথে আমার যাত্রা...
ক্লাস থ্রি/ফোরে পড়ি, খুলনার খালিশপুরে থাকি। প্রতিবেশীরা মোটামুটি সবাই বিহারী।
"এএএ মিস্টার...লাড্ডান ভাই...গুড্ডুউউউ"
বরিষ ধারা মাঝে
কাকের শোরগোল শুনে ঘুম ভাঙ্গলে সাত সকালেই যে কারো মেজাজ বিগড়ে যাবার কথা, কিন্তু কুয়াশার মোটেও খারাপ লাগছে না। জানালার ওপাশে ইলেক্ট্রিক তারের উপর বসা কাকগুলো কিছু একটা নিয়ে তুমুল ঝগড়া করছে। অনেক্ষণ কান পেতে থেকেও কোন মানে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হচ্ছে কুয়াশা।
জীবনের যত ভালোবাসা এবং ছ্যাকা...
৭৮ সালের কথা। আমি তখন চাঁদপুর খলিশাঢুলী প্রাইমারি স্কুলের ৪ ক্লাসের ছাত্র। ক্লাসের জোছনার (বেদের মেয়ে 'জোছনা' নয়) প্রেমে পড়লাম। সেই আমার প্রথম প্রেম। জোছনাকে লেখা চিঠি জামার বুক পকেটে রেখেছি, পরদিন তাকে দেব বলে। একটু পর পর হাত দিয়ে দেখছি-চিঠিটা আছে কি না ! বড় ভাইয়ের চোখ পড়লো একসময়। অত:পর পকেট থেকে চিঠি উদ্ধার এবং ধোলাই...প্রেম বলে পালাই পালাই..
স্ক্রু কাহন
বৃষ্টি বিষয়ক কিছু ভাবনা...
১.
যখন স্মৃতিরা ঝরে গেছে...কোথাও তাহারা চিহ্ন রেখে যায় নাই। আর আমি অবুঝ বৃষ্টির ঝরে যাওয়াতে চিহ্ণ খুঁজে ফিরি। বৃষ্টির চাইতে জোরালো বৃদ্ধের পদছাপ দেখে দেখে আমি বয়সের কাছাকাছি চলে গেছি...সেইখানে কোন কালো মেঘ নাই! শূন্যতায় কালো মেঘ থাকে না কখনো।
২.
