ইউজার লগইন
ব্লগ
সব্বেরে হেপ্পি নিউ য়িয়ার...
হেলু সব্বাই...
আমি গরিব মানুষ, হাতের লেখা খারাপ
এই খারাপ হাতের লেখায় সব্বেরে হেপ্পি নিউ য়িয়ার জানায় রাখলাম ;)
ছাগলের হাল চাষ - ১
রাত দুপুরে আতশ বাজি দেখতে সেন্ট্রালে গিয়েছিলাম। দুধের স্বাদ ভাতের মাড়ে মিটিয়ে ফিরে এলাম। কারন যেখানে আতশ বাজি ফোটানো হচ্ছে তার দুমাইলের ভেতর ঢুকতে পারলাম না, মানুষের ভিড় দেখে অনেকদিন পর বাংলাদেশের কাঙালী ভোজের কথা মনে পড়লো।
শুভ হোক নতুন বছর
নতুন বছরের শেষ আর শুরুর দিনের সময়টা অনেকে নানারকম পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যাস্ত। আমি ঠিক ততোটা আধুনিক হতে পারি নি বলেই হয়তো সারা জীবন এই দিনগুলিতে পরিবার আর বন্ধুদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় আর ভালোমন্দ কিছু খেয়ে সময়টা কাটিয়েছি। এবারও তার খুব একটা ব্যতিক্রম হচ্ছে না। তবে বছরের শুরুর দিনটা ছুটির দিন বলে খুব ভালো লাগছে।
২০১০ আয়া পরলো
২০১০ টা অনেক হঠাৎ ই আয়া পরলো। কিসু টের পাওনের আগেই ২০০৯ শেষ। কি পাইলাম জিগাইলে কমু কিসুই পাইনাই। কারন অনেককিসু পাইলে যদি আল্লায় আবার ২০১০ এ না দ্যায়। তয় কয়ডা ভালা ফটুক হইসে এই বছর।
সম্পর্ক

(ন জাতু কামঃ কামানামুপভোগেন শাম্যতি
হবিষা কৃষ্ণবর্ত্মেব ভূয় এবাভিবর্ধতে।।)
তোমার মন খারাপ- জানতেই
আমার সপ্তাহ পার হয়ে যায়
শেভ করিনি, কিংবা উড়ুক্কু চক্রাবক্রায়- দেখতে
তুমিও তাকাও ভিন্ন চোখের শার্সিতে
আমাদের কুশলাদী থেকে সবকিছু
এইভাবে পরজীবি
আইজ আমরার সাঈদ ভাইয়ের ''হেপ্পি জন্মদিন''
সাঈদ ভাই শুভ জন্মদিন। অনাগতদিনগুলো আরো সুন্দর হউক। মজার ব্যাফার অইলো আমরার সাঈদভাই এখনো জীবিত। একজন জীবিত মানুষ হিসাবে আমার প্রত্যাশা অইলো সাঈদভাই আরো বহুদিন জীবিত থাকুন।
এবি ব্লগের মডুগো কঠ্ঠিন মাইনাস (মডুরে পিডানির ইমো হবে) এরা আমাগো ইমো বন্চিত করে রাখছে।.....................
সাঈদভাই (কেক, কুক, আর গিফটুসের) ইমো অইবো নিয়া নিয়েন............................................।
মুভি ব্লগ: ২০ বছর আগের দেখা পাঁচ ক্লাসিক
সময়টা ছিল ভিসিআর বা ভিসিপির যুগ। এক হাজার টাকা দিয়ে রোজ ভ্যালির সদস্য হয়েছিলাম। একটা ছবির ভাড়া ছিল ৩০ টাকা। ইব্রাহিমপুর থেকে সাইকেল চালিয়ে যেতাম ছবি আনতে। তখনও আনার্স পরীা দেইনি। নেশা ছিল ছবি দেখার। কোনটা ভাল ছবি আর কোনটা ভাল নয়, জানার উপায় ছিল কম। পত্রিকা ঘেটে ঘেটে খুঁজে বের করতে চেষ্টা করতাম ভাল ছবির কিছু নাম। আমি আজ থেকে ২০ বছর আগের কথা বলছি।
আয়া পর্সি :)
আমার নাম ফয়সাল আকরাম ইথার। আমি এবি এর লগে আসি অনেক দিন। সেই ইউনিভার্সিটিতে পড়নের সময় থেইকা। এখন একটা তেলখোর থুক্কু টেলকো তে কাম করি আর টাইম পাইলেই ক্যামরা লইয়া গুল্লি মারতে বাইরই। আমি সামুতে অনিয়মিত লিখি আর এইখানে এইটা আমার পরথম পুস্ট। এইখানে নিয়মিত লেখনের ইচ্ছা রাখি।
আসা করি সবার লগে মিলমিশ কইরা থাকতারুম।
ইতি
ইথার
অতঃপর একদিন
তুমি নির্জন ছিলে না, আবার জনারণ্যেও ছিলে না। চুপকথার এক বিষন্ন নগরীতে ছিল বসবাস। আমি গলি পথে সেই নগরীতে হাঁটতে গিয়ে মুখোমুখি হই তোমার। বিষন্ন নগরীতে বসবাস করলেও আমি কোন বিষন্নতা দেখিনি তোমার চোখে মুখে। তুমি ছিলে উচ্ছল ফুলেল তারুণ্যে ভরপুর অপূর্ব এক সত্তা।
ওরে কে আছিস! আমায় ধর!
। । । । । । । । । । । । । । । । । । । ইহা একটি নিরীহ-নিষ্পাপ টেস্ট পোস্ট!
আগামীকাল রাত কয়টা বাজে বারোটা বাজবে?
সাঈদ ভাইর খোমা কিতাবের স্টেটাসে শিরোনামের কথাটা দেখে টেন্সিত হয়ে পড়লাম।
আগামী পরশু অনেকেরেই দেশে হয়তো নয়া বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে SMS পাঠাবো, কিন্তু ঘটনা অন্য জায়গায় গিট্টু লাগছে। শুনছি ৩১ তারিখ পর্যন্ত ডিজিটাল টাইমের হায়াত আছে(শিউর না)। মানে ৩১ তারিখ রাইত ডিজিটাল বারোটার পর এনালগ সময় শুরু।
প্রবাসী ছাত্র ডায়েরি - ২য় পর্ব
দিল্লী থেকে বিমান বদলানো হবে। দেড় ঘন্টার ব্রেক। নেমে ভিতরে ঢুকছি, এয়ার পোর্ট কর্তৃপক্ষ বলল যারা ছাত্র আছে তারা যাতে হাতে ভিসা লেটার নিয়ে দাঁড়ায়। আমার মেজাজ খিচড়ে গেল। আরে বেটা আমি খালি এইখানে চেঞ্জ করতেছি তোদের কেন আমার ভিসা লেটার দেখানো লাগবে। সেটা হাতে নিয়ে দাড়ালাম তাও। লাইন ধরে এগিয়ে গেলাম। কাগজ দেখছিলো। পাশের লাইনে দাঁড়ানো এক সিলেটি ছেলে আজাইরা সব প্রশ্ন করছিলো। আমিও তাকে বাংলায় বুঝানোর চেষ্টা
শুভ জন্মদিন কাওসার!!!
আজ ফেসবুকে ঢুকতেই একটা নোটিফিকেশন চোখে পড়ল।
দেখি আজ আমাদের কাওসারের জন্মদিন।
ওখানে উইশ করে এলেও এই উছিলায় একটা পোস্ট দেয়ার লোভ সামলানো গেলনা।
সেই সাথে এখানকার ব্লগার বন্ধুদেরও জানাতে ইচ্ছে করল।
তাই জানিয়ে গেলাম।
শুভ জন্মদিন কাওসার।
ভাল থাকুন, দীর্ঘ কি-বোর্ডজীবি হোন এই কামনা রইল।
কেক-কোকের ইমো দেয়া গেলনা বলে ব্যাপক কষ্টিত হলাম।
কেমন গেল বছরটা?
লেখাটা শুরু করতে হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে নিয়ে। ২০০৯ সাল কেমন গেল জানতে হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বছরটায় সবাইকে কেমন রেখেছে সেটা জানাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ইন্টারনেট যে কেউ ঘাটাঘাটি করলে জানতে পারবেন প্রতি বছর সবচেয়ে বেশি কৌতুক গল্প তৈরি হয় মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নিয়ে। জর্জ ডব্লিউ বুশকে নিয়ে যত গল্প আছে তা লিখলে মহাকাব্য হয়ে যাবে। কিন্তু ২০০৯ সাল তো বারাক ওবামার সময়।
গাঞ্জা কাহিনী ]]] ২ [[[
আমাদের ক্লাশ মেট করিম। ক্লাশে রোল ছিল - ২। বুঝতেই পারছেন , ভালো ছাত্র। জীবনে লক্ষ্য ডাক্তার হবার , ডাক্তার ও সে হয়েছে। চেম্বার আছে আবার পিজি তে ভালো সার্জন হিসাবে নাম ডাক ও নাকি আছে। কিন্তু আমরা অবশ্য তার কাছে যাইনা অসুখ বিসুখে। কেন যাইনা সে এক বিরাট ইতিহাস।
