ইউজার লগইন
ব্লগ
কে কুতায় আছিস, বাদ্যি বাজারে!
আমিও আইস্যা পড়ছি! ওরে কে কুতায় আছিস বাদ্যি বাজা। লগড ইন ব্লগার মাত্র তিনজন দেখায়! আমারে স্বাগতম জানানোর জইন্যে মোটে দুইজন আছে তাইলে! পছন্দ হইছে ব্লগখান। এখানে কি কি নিষেধ, আমারে কেউ কইয়া দ্যান। আমুতে ব্লগাই লাগাম বিহীন, অভ্যাস খারাপ হয়া গেছে। আর কথা বাড়াইলাম না, এবার আমারে স্বাগতম জানান।
জোছনার ধবল পাড়- পর্ব ১
আকাশের ছাদ ছুঁয়ে থাকা মেঘের প্রান্ত বেয়ে উড়ে চলছে একটা চিল, চক্রাকারে ঘুরছে বিশাল একটা বৃত্ত এঁকে। আপাত দৃষ্টিতে চিলটা আকাশ দখল করে রেখেছে দেখা গেলেও কিছুক্ষণ সেদিকে তাকিয়ে থাকলেই চিলটার একাকিত্ব স্পষ্ট হয়ে উঠে। রোদ ঝলমলে উদাসী দুপুরে অলস বারান্দায় বসে অনেক্ষন ধরে চিলটাকে লক্ষ্য করছেন দিদার সাহেব। কেন জানি হঠাতই একটা বিষন্নতা ঘিরে ধরেছে দিদার সাহেবকে। চিলের সোনালী ডানায় ভর করে অজস্র অকারণ স্মৃতি য
সম্প্রদান কারক !!!
স্বত্ব ত্যাগ করিয়া যাহা দান করা হয়- তাহাকে সম্প্রদান কারক বলে। ছোডকালে এইরকম একখান কতা পড়ছিলাম। তো যা কৈতে চাই তা হৈলো : এবি'র বেবাকতেরে ২০১০ সালের ক্যালেন্ডার ২টা কৈরা দিতে চাই (টেবিল , দেয়াল) । খালী শর্ত একটাই.... নিজে অাইয়া নিতে অইবো...
তোমার চোখ এত লাল কেন (উৎসর্গ -- মাসুম ভাই, টুটুল,বিমা, মানুষ, মাশলুল, মাথু, শামীম, আরিফ ভাই, মাহবুব ভাই)
আমি বলছি না ভালোবাসতেই হবে, আমি চাই
কেউ আমাকে খেতে দিক।আমি হাতপাখা নিয়ে
কাউকে আমার পাশে বসে থাকতে বলছি না,
আমি জানি, এই ইলেক্ট্রিকের যুগ
নারীকে মুক্তি দিয়েছে স্বামী-সেবার দায় থেকে।
আমি চাই কেউ একজন আমাকে জিজ্ঞেস করুক:
আমার জল লাগবে কিনা, নুন লাগবে কিনা।
পাটশাক ভাজার সঙ্গে আরও একটা
তেলে ভাজা শুকনো মরিচ লাগবে কি না।
এঁটো বাসন গেজ্ঞি-রুমাল আমি নিজেই ধুতে পারি।
কেউ না!
প্রশ্ন রেখেছিলাম, আমি কে?
নীলিমা বলেছিল আমি তারা,
অনন্ত সময় ধরে সাজিয়েছি তার আঁচল,
প্রতি অন্ধকারে।
প্রশ্ন রেখেছিলাম, আমি কে?
বৃষ্টি বলেছিল আমি মেঘ,
জমে থাকি কান্না হয়ে তার বুকে
প্রতি বর্ষায়।
প্রশ্ন রেখেছিলাম, আমি কে ?
ঋতু বলেছিল আমি ঝড়,
প্রচন্ডতায় উড়িয়ে নেয়া অস্থিরতা
প্রতি বৈশাখে।
প্রশ্ন রেখেছিলাম, আমি কে?
লতা বলেছিল আমি বৃক্ষ,
জড়িয়ে ধরে রাখা নিরাপদ আশ্রয়
প্রতি অরণ্যে।
i want to restart my life .......... ( উৎসর্গ নীড়-দা ও সোহেল কাজী)
ইদানিং কালের ব্রেকিং নিউজ হলো, রাতের সারমর্ম বুঝার আগেই ঘুমের সারমর্ম বুঝতে পারি। ঘুমের মাঝে এখন মজা নেবার বৃথা চেষ্টা চালাই। মজাটার ধরন হলো, ঘুমুতে দেরী মাগার স্বপ্ন আসতে দেরি নাই । স্বপ্নের ধরনগুলো অবশ্য একটু অন্যরকম । হয়তো অন্য সবার মত না । ভয়ে মাঝে মাঝে আতকে উঠি। সেই সুবাদে আজকাল হার্টের অবস্থা শোচনীয় । ইউ,টিউবে একটা লাশের পোষ্টমর্টেম দেখার খায়েশ জন্মেছিলো কয়েকদিন আগে। যেই আমি মুরগীর রক্ত দেখল
নস্টালজিয়া...
ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত কিছু আব্জাব কথাবার্তা
ডারউইন সাহেব খুব সহজেই প্রমান করে দিলেন আমরা বিবর্তনের ধাপ পেরিয়ে বাঁদর থেকে মানুষ হয়েছি। মানবের ২ মিলিয়ন বছরের ইতিহাসে তার জিনে বাঁদরের অস্তিত্ব খুঁজে পায় বিজ্ঞানীরা।
টেস্ট পোস্ট বলতে পারেন, অশ্লীল পোস্ট-ও বলতে পারেন!!
[ডিসক্লেইমারঃ আসলে এই লেখাটি লেখার একটা কারণ হলো অনেকটা নিজেকে যাচাই-এর চেষ্টা! সে অর্থে এটাকে একটা টেস্ট পোস্ট বলাই যায়! কিছু একটা লিখে মানুষ-কে বোঝাবার ক্ষমতা আদৌ হয়েছে কিনা; নাকি এদ্দিন অহেতুক আত্মতৃপ্তির ঢেকুর তুলেছি- তা বোঝা! হঠাৎ করে নিজের লেখা নিয়ে এমন সন্দেহ জন্মানোর কিছু কারণ তো নিশ্চই ঘটেছে! এবি-র সকলের কাছেই আগাম ক্ষমা চেয়ে নিলাম ভদ্রতাবশতঃ! ]
আ সিভিলাইজ়ড কড়চা!
নেট পরিক্রমন, আমরা বন্ধু ব্লগে নতুন আগমন..
নেটের ব্যাপারটাই একটা কাহিনীর মত...সে এক বিরাট ইতিহাস টাইপ ।
১৪২ জনের বঙ্গোপসাগরে ১৯ ঘন্টা হারিয়ে যাওয়ার গপ্পো- 2
অবিবাহিত যুবক সম্প্রদায় নিয়া বাতেন ভাইয়ের মজা নেয়ার পিরতিবাদ ...
বহুদিন পর হাড্ডি ওয়ালা মাংস খেলুম কাল রাতে । সাথে ছিলো ভেজ খিচুরী। রাতে খেয়ে শুয়ে শুয়ে চিন্তা করছিলাম, পাতিলে আরেকটু আছে , সকালে উইঠা পামু তো ?!!! রাতের ধ্যান-ই আছিলো পাতিলের দিকে । সকাল সাতটায় উঠে মুখ না ধুয়েই রান্নাঘরে ঢুকে পাতিলের ঢাকনা খুলে দেখি বহাল তবিয়তে আছে নাকি ?। বাহ!! বাংলার জনগন কেউ দেখি হামলা চালায় নাই । বড় গর্বিত বোধ হচ্ছে আমার বন্ধু-বান্ধব নিয়া ।
ইন্টারনেটে ডেটা মোচন
ডেটা বা তথ্য অপসারণ বা ডিলেটের ব্যাপারটি সম্পূর্নই নিয়ন্ত্রন নির্ভর। আর এটা কোন সমস্যাই না যতক্ষন পর্যন্ত সেই ডেটা আমার কাছে থাকছে।আমার নিজ ইচ্ছায় মুছে দিতে পারি আবার চাইলে রিকভার বা পুনঃউদ্ধার করতে পারি। আর যদি চাই যে অন্য কাউকে এই ডেটা মুছে ফেলার পর আর পুনঃউদ্ধার করতে দিব না তাহলে এর জন্য বাজারে অনেক রকমের সফটওয়্যার যা দিয়ে চিরতরে ডেটা মুছে ফেলা যায়। এইভাবে মুছে ফেলা ডেটা আর পুনঃউদ্ধার করা যায় ন
একটি অশ্লীল শিল্প
কথা হচ্ছিলো বন্ধু জনৈক বাঙালের সাথে। ধীরে ধীরে আমার বন্ধুর সংখ্যা দিনদিন কমছে, সে কিভাবে যেন টিকে আছে। তার সাথে সাধারনত জ্ঞানী আলাপ করতেই পছন্দ করি : যেমন মহাকাশের পরিধি কেমন হতে পারে! আইনষ্টাইন তার রিলেটিভিটি সূত্র আবিষ্কার না করলে সেটা কে করতো! এই টাইপ।
ভ্রমণ বিরিশিরি
সেন্টমার্টিন্স এর গভীর নীল পানি, কিংবা জাফলং এর স্বচ্ছ পানির গল্প তো অনেকই শুনেছি, কিন্তু সবুজ নীলের মিশেলে অদ্ভূত-রঙা হ্রদটার গল্প কি শুনেছেন? না শুনলে আমার লম্বা প্যাচাল শোনার আগে একনজর দেখে নিন।
