প্রলাপ
স্মৃতির স্ফটিক দানাগুলো প্রতিনিয়তই বিবর্ণ হচ্ছে, পরিচিত মুখগুলো ঝাপসা। ছিঁড়ে যাওয়া সম্পর্কগুলো এখন আর জোড়াতে ইচ্ছে করেনা একদম। সম্পর্কের টানাপোড়েনে ভাটা পড়েছে অনেক কাল, মুঠোতে রয়ে গেছে কিছু শুষ্ক বালিকণা। আঙ্গুলের ফাঁক গলে সেগুলোও ঝুরঝুর করে ঝরে যায়, উড়ে যায় মৃদু বাতাসেই।
নোনা ধরা বুড়ো আমগাছটাও নাকি কাটা পড়েছে, যেখানে লম্বা একটা রশির অপরপ্রান্তে লাঠি বেঁধে ঝুলতাম বিবর্ণ কিছু মুখের সাথে। পেঁছন থেকে কেউ একজন সজোরে ধাক্কা দিত আর মনে হতো আকাশটা নিচে নেমে আসছে কিংবা আমি উড়ে যাচ্ছি আকাশে। মেঝগুলোকে ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছে হতো খুব। তখনি অপর প্রান্তে বাঁধা রশিটা মনে করিয়ে দিতো মানব জনমের অক্ষমতাকে, পৃথিবীর টানে পতিত চোঁখে আকাশটা চলে যেতো আরো একটু দূরে। তবু উত্থানের সময় আশ্চর্য শিরহণ লাগে মনে। শিহরণ জাগানিয়া স্মৃতিগুলো এখন আর তেমন মনে পড়েনা।
মাঝে মাঝেই পরিচয় হয় কিছু হাস্যমুখের সাথে। অজানা এক টানে ছুটে যাই খুব কাছাকাছি। হাসিগুলোকে ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছে হয়, তখনি হাতে লেগে যায় অযাচিত কালিমা। হাস্যমুখ হয় মলিন, হৃদয়ে যুক্ত হয় আরো কিছু অভ্রচূর্ণ।
চলতে হয় বলেই অচঞ্চল পথচলা, প্রতি প্রভাতের ন্যায় জাগরণে আজো মনে হলো, যাহ শালা!!!! অকারণেই বয়স বেড়ে গেলো আরো একটা দিন।





অকারণেই বয়স বেড়ে গেলো আরো একটা দিন।
বাড্ডে নিকি?
চমৎকৃত হলাম
প্রতিদিনের কথা বলা হৈছে জন্মদিনের না

চমৎকৃত করিয়া বিব্রত আছি
মহানুভবতার লক্ষন :)
জাযাকাল্লাহ
খায়রুন'লো (তর লম্বা মাথার কেশ
)
লগিন করতেই হলো !!
আজকাল নিজেরে একটা আকিজ বিড়ির মত মনে হয় !!
কেউ টান দিয়া হুক্কুর হুক্কুর কইরা কাশি দেয় ।
কেউ টান দিয়ে এস্টাইল কইরা উপ্রের দিক ধুয়া ছাড়ে ।
কেউ আবার পরে টান দিবো বইলা বুক পকেটে যতন কইরা রাখে ।
আর কেউ কেউ ..................... টান দিয়া পুটকিত লাগায়া মাটিয়ে ফালায়া একটা পাড়া দিয়ে পিষে ফেলতে চায় !!
লেখাটা পইড়া উদাস হইলাম রে ম্যারা চান্দা !!



সাঈদ ভাইয়ের ফেচ বুক থেকে নেয়া। (পারমিশন নেয়ার প্রয়োজন মনে করি নাই।)
বিড়ির উদাহরণ্টা ভাল্লাগছে।
যতক্ষনন তামুক আছে ততোক্ষন চুম্মা মিলে। তামুক শেষ হইয়া ফিলটারে আগুন ঠেকলে সুকতলীর নিচে পেষন, আহারে জীবন।
এটাইতো নিয়তিরে পাগলা, বুকে আয় উদাসী
কথা ছাড়া কোন কমেন্ট করা যায় না ? এই টাইপ কথা খুঁজতেছি ।
ওইটাতো মুরাকাবার স্তরে পড়ে। সাইকোলজীতে যারে কয় ট্যালিপ্যাথি। তয় ণিরবতার একটা ভাষা আছে।
আমার গঞ্জিকা বেলায় আশরাফ নামে একটা ক্যারেক্টার আছিলো যার লগে সারারাত থোম মাইরা বইসা থাকতাম, কথা হতো নিরবে।
হাহাহাহা ।।
আমারও উড়ার বেলায় কথা বার্তা ভালো লাগে না ।
ঝিম মাইরা নেশার লাটিম ঘুরা দেখতে ভালো। আর ভাবের গান শুনতে।
মুখ দিয়া কিছু বাইর করতে বিরক্ত লাগে ।
উড়ন্ত কালে সবচেয়ে বিরক্ত ব্যাপার হইলো গেন্ডারী খাওয়া। মনে হয় সাত জনম ধইরা গেন্ডারী চাবাইতেছি মাগার গেন্ডারী শেষ হয়না। টিপ্টিপা রসে পরাণ ভরেনা। ছোবড়ায় যখন গাল ছুলে তখন মনে মনে গাইল আহে বাল চাবাইতেছি।
কত স্মৃতিরে কত স্মৃতি
চেনা দুঃখ চেনা সুখ,
চেনা চেনা হাসিমুখ........
চেনামুখে অচেনা আঁধার!
তিন লাইনে পুরা লেখাটারে বন্দী করলেন।
এইজন্যই আপ্নে বস মানুষ নীড়'দা
পোস্ট পড়ে ভাষা হারাইলাম, খুঁজেই পাচ্ছি না কি লিখবো..
হা হা হা না লিখলেও চলবে, বুঝে নিলাম ভইনডি
..............................
কমেন্টের উত্তর অজানা কিংবা চিরচেনা
চমৎকৃত হইলাম
কি কমু
বুকে আসোগো ভাইডি। কি সব লেখা দাও মনডা উদাসী হয়ে যায়। ভাষা হারায়ে যায়।
ঐ ফটুক ডা আমার ফ্রেন্ডের। আমার স্কুল ফ্রেন্ড । আমার কুলুজ ফেরেন্ড।
ছরি ভ্রাত ওইটাযে দুস্তের ফটুক কইতে ভুইল্যা গেছিলাম।

বুখে আয় উদাসী
ভালো লাগলো লেখাটা
ধনিয়া নজরুল ভাই
লেখাটা খুব ছুঁয়ে গেছে
অশেষ ধন্যবাদ আপু
মন্তব্য করুন