আমার বই: সাদা-কালোর অর্থনীতি

আজ বের হয়েছে বইটি। দিব্য প্রকাশ থেকে। মূল্য ১২০ টাকা। আজ বের হলো বলে আবারো বিজ্ঞাপন দেওয়ার লোভ সামলানো গেল না। বইটির সবচেয়ে ভাল অংশ তুলে দিলাম, আর সেটি হল মুখবন্ধ, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের লেখা।
মুখবন্ধ
বহুদিন আগে পড়েছিলাম অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ হলো আশেপাশের স্পষ্টত প্রতীয়মান বিষয়াবলীকে “কষ্টসাধ্যভাবে” সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা। কথাটির মধ্যে প্রচ্ছন্ন পরিহাস থাকলেও এটা লণীয় যে সর্ব-সাধারণের জন্য বোধগম্যভাবে অর্থনীতির আপাত-সরল, কিন্তু জটিল ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়াকে সহজভাবে ব্যাখ্যা করাটা বেশ দুরূহ একটি কাজ। এই কাজটি আরও কঠিন হয়ে ওঠে অর্থনীতি বিষয়ে যারা সাংবাদিকতা করেন তাদের জন্য। তবে সফল অর্থনৈতিক সাংবাদিকতার মাপকাঠি হলো বিকাশমান প্রবণতাগুলোকে বিশ্লেষণ করে বৃহত্তর রাষ্ট্রীয়নীতি কাঠামো সম্পর্কে সিদ্ধান্ত টানার মতা। অনুজপ্রতিম শওকত হোসেন মাসুম বর্তমান প্রবন্ধ সংকলনটিতে এই “কষ্টসাধ্য” কাজটি অত্যন্ত যোগ্যতার সাথে করেছেন।
বলা হয়ে থাকে সাংবাদিকরা ইতিহাসের খসড়া তৈরি করে থাকেন। এর মূল কারণ হলো তারা যেসব ঘটনাবলীকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে জনগণের মনোযোগ আনেন, পরবর্তীতে তাই ইতিহাসের মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। এই দৃষ্টিকোণ থেকে যে কোন দেশের অর্থনৈতিক বিকাশের ধারাকে নিরূপণ করতে হলে দেখতে হবে অভিজ্ঞ অর্থনৈতিক সাংবাদিকরা কোন্ বিষয়গুলোর ওপর বিশেষ মনোযোগ দিয়েছেন। কারণ সে প্রসঙ্গগুলোই পরবর্তীতে উন্নয়নের বিভিন্ন অধ্যায়ের পরিচায়ক হিসেবে বিবেচিত হয়। মাসুমের সাদা-কালোর অর্থনীতি বইটির মুখ্য বিষয়গুলো নিঃসন্দেহে উপরোক্ত পর্যবেণের যথার্থতা প্রমাণ করে।
বর্তমান সংকলনের বিভিন্ন অধ্যায় বাংলাদেশের সা¤প্রতিক অর্থনৈতিক ইতিহাসের মূল বিতর্কগুলো সঠিকভাবে বিধৃত হয়েছে। পুস্তকটির মৌল অবদান উপলব্ধির জন্য কতিপয় উদাহরণ উল্লেখ করছি।
একটা সময় ছিল যখন বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা ছিল বাংলাদেশের উন্নয়ন অর্থনীতির মূল বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে। যদিও বিগত দেড় দশকে দেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক সাহায্যের ভূমিকা হ্রাস পেয়েছে, কিন্তু দাতাগোষ্ঠীর প্রভাব কিন্তু সে মাত্রায় কমেনি। এর সাথে যুক্ত হয়েছে সা¤প্রতিককালে বিশ্ব মহামন্দা-উত্তর পরিস্থিতিতে বিদেশি ঋণের লভ্যতা ও তার কার্যকর ব্যবহারের বিষয়টি। মাসুম তাই সঠিকভাবেই বৈদেশিক ঋণের রাজনৈতিক-অর্থনীতিকে তার পুস্তকের অন্যতম প্রতিপাদ্য করেছেন।
বাজার অর্থনীতির যুগে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ভূমিকা অনেকটাই কমে এসেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা পুনরায় আমাদের কল্যাণকর রাষ্ট্রের উন্নয়ন প্রবর্ধক এবং সামাজিক নিরাপত্তা প্রদায়ক অবদানের অপরিহার্যতাকে সামনে নিয়ে এসেছে। এই প্রেক্ষিত সরকারি ব্যয়ের মাত্রা ও কাঠামো বিশেষভাবে বিশ্লেষিত হচ্ছে। মাসুম যথার্থভাবেই রাষ্ট্রের উন্নয়ন ব্যয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সরকারসমূহের ধারাবাহিক সমতার সীমাবদ্ধতা প্রাঞ্জলভাবে তুলে ধরেছেন।
মাসুম তার এই পুস্তকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির প্রবণতা ও তার অভিঘাতসমূহকে বিশেষ মনোযোগ দিয়ে পর্যালোচনা করেছেন। শুধু সামাজিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্যেই নয়, নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষের ক্রয়মতা রার জন্যও মূল্যস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন। তাই লেখক সঠিকভাবেই এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে বাংলাদেশে খাদ্যপণ্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতি দারিদ্র্য নিরসনের অন্যতম প্রতিবন্ধক হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
অনুপার্জিত সম্পদ বা “কালো টাকা” বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিকাশের একটি অনাকাক্সিত বৈশিষ্ট্য। শুধু অর্থনৈতিক নীতি-কাঠামোর ফাঁক-ফোকর দিয়েই নয়, বরং রাজনৈতিক ও সামাজিক সংযোগই এই অঘোষিত (প্রায়শই অবৈধ) বিত্ত-বৈভবের ভিত তৈরি করেছে। এই নেতিবাচক প্রবণতার প্রভাব সুদূর বিস্তৃত-যথোপযুক্ত কর আদায় না হওয়া থেকে দরিদ্র মানুষের ন্যায্য বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত হওয়া পর্যন্ত। আর এই কালো টাকার বিষয়টিকেও মাসুম গুরুত্ব সহকারে তার পুস্তকে বিবেচনা করেছেন।
শেষ বিচারে, বৈদেশিক ঋণের অকার্যকারিতা, সরকারি ব্যয়ের সীমাবদ্ধতা, ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি, কালো টাকার প্রাদুর্ভাব ইত্যাদি বিষয় বাংলাদেশে ক্রমান্বয়ে আয় ও সামাজিক সুযোগের বৈষম্য পরিস্থিতিকে প্রকট করে তুলছে। বৈষম্যের এই কদর্য প্রবণতা বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাগ্রসর
রূপান্তরের একটি অমোচনীয় কাঠামোগত অন্তরায় হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে। সুখের বিষয়, মাসুম এই তাৎপর্যপূর্ণ উপলব্ধিটি তার প্রবন্ধসমূহে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত করেছেন।
বর্তমান প্রবন্ধ সংকলনটি বাংলাদেশের তথা বিশ্ব অর্থনীতির একটি বিশেষ মুহূর্তে প্রকাশিত হচ্ছে। একদিকে সা¤প্রতিক বিশ্ব মহামন্দার নিষ্ঠুর অভিজ্ঞতা, অপরদিকে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক স্বাবলম্বন অর্জনের দুরূহ প্রচেষ্টা-এই দুই ধারার ছেদবিন্দুতে প্রথাগত অর্থনীতির তত্ত্ব ও প্রয়োগ নতুন নতুন প্রশ্নের মুখোমুখি। পুস্তকটিতে স্থান পাওয়া প্রবন্ধসমূহে এই নতুন বাস্তবতার প্রলম্বিত প্রতিচ্ছায়া পাওয়া যাবে। এই প্রেক্ষিতে বর্তমান পুস্তকটি সচেতন পাঠকের আগ্রহকে একদিকে যেমন মেটাবে, অপরদিকে তাদের নতুনভাবে সমাজ চিন্তা করতে উৎসাহিত করবে।
আজকের লব্ধপ্রতিষ্ঠিত সাংবাদিক শওকত হোসেন মাসুমের সাথে আমার দুই দশকের ওপর পরিচয়। মাসুমের পেশাগত সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি হচ্ছে অর্থনীতিতে তার প্রাতিষ্ঠানিক উচ্চ শিক্ষা। মাসুমের আরেকটি শক্তি হচ্ছে তার পেশাধারী মনোভাব যা আজকের যুগে একটি বিরল গুণ। তবে মাসুমের শিক্ষাগত ব্যুৎপত্তি ও পেশাধারী মনোভাবের সাথে সার্থক সম্মিলন ঘটেছে তার সামাজিক সংবেদনশীলতা তথা বঞ্চিত মানুষের প্রতি সহৃদয়তা। মাসুমের ব্যক্তিত্বের এই তিনটি বৈশিষ্ট্যই তার এই গ্রন্থটির বিষয় চয়ন, বিশ্লেষণী পর্যালোচনা ও নীতি সুপারিশসমূহে প্রজ্জ্বোলভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
আমি শওকত হোসেন মাসুমের পরবর্তী বই-এর অপেক্ষায় থাকবো।
ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)
২৩ জানুয়ারি ২০১১





দেশে গেলে কিনবো অবশ্যই। সৌজন্য কপি নেবার ফাতরামী ভালো লাগে না। আশা করি বইটি তুমুল জনপ্রিয়তা ও বাজার পাবে। সুন্দরী মেয়েরা দল বেঁধে মাসুম ভাইয়ের কাছ থেকে অটোগ্রাফ নিবে
আহা! আহা!
অভিনন্দন!
চমৎকার প্রচ্ছদ হয়েছে, যেটা মেইল করেছিলেন সেটা দেখে কিচ্ছু বোঝা যায়নি। অশোক কর্মকার দারুণ কাজ করেছেন।
প্রুফ রিডিঙের সুবাদে পড়েছি; বইটি অর্থনীতির ছাত্রছাত্রীদের কাজে আসবে বলে বিশ্বাস করি। সম্পর্কিত তত্ত্বের সহজ বিশ্লেষণ আছে, অর্থনীতির অনিয়মিত পাঠককে আকর্ষণ করার মতো চমকপ্রদ তথ্যও আছে।
মাসুম ভাই, প্রথম বই প্রকাশের/ হাতে পাবার অনুভূতি জানতে চাই।
অনুভূতি? একটা ব্যক্তিগত কারণে ঐ দিন মনটা খুব বিক্ষিপ্ত ছিল। তাই ঠিখ এনজয় করতে পারিনি বই আসার দিনটিতে। নেক্সট টাইম
অভিনন্দন! মাসুম ভাইয়ের মেয়ে ভক্তের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাক।
কেউ নাইরে ভাই। (বউ ব্লগ দেখতে পারে)
কংগ্রাচুলেশনস্ ফর ইউ বিগ ব্রাদার। বইটা পড়ার পর বিস্তারিত মতামত দেয়ার ইচ্ছা আছে।
অর্থনীতি বিষয়টা সহজ নয়। আপনার কঠিন পথ না এড়ানোর মানসিকতাকে স্যালুট।
মীরের মতামতের অপেক্ষায়
অর্থই অনর্থের মূল । অর্থহীন নীতি হচ্ছে অর্থনীতি । তার উপরে আবার সাদাকালোর অর্থনীতি ! সাদা হচ্ছে সব রঙের উপস্থিতি আর কালো হচ্ছে সব রঙের অনুপস্থিতি । এদেশে সব নীতির উর্দ্ধে এখন দূর্নীতি । সুযোগের অভাবে দূর্নীতি আর অর্থনীতি দু'টোই আমার কাছে সমান । কোনটাই আমার বোধকে উজ্জীবিত করেনা ।
তবুও সহব্লগারের প্রথম প্রকাশিত পুস্তকের একটা কপি সংগ্রহ করবার ইচ্ছা পোষণ করি । বইটির কাটতি বৃদ্ধি ও মাসুমের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি । শুভেচ্ছা অঢেল ।
ঠিক বুঝলাম না হুদা ভাই।
ধন্যবাদ আপনাকেও
নীল [ব্লু] রঙের টাকা দিলাম, দোকানদার লাল [রেড] রঙের টাকা ফেরত দিলো, সাথে সাংবাদিক শওকত হোসেন মাসুম লিখিত হলুদ রঙের একটা বই দিলো [হুশিয়ার, মাসুম ভাইরে কিন্তু হলুদ সাংবাদিক বলি নাই]।
নুশেরা আপা প্রুফ দেখে দিছেন, আর ভূমিকাতে সেই বাক্যটাতেই মুদ্রণ ঘাপলা... বাক্যটা যা ছাপা হয়েছে হুবহু কম্পোজ করি- "নুশেরা তাজরীন লেখাগুলো যাচাই বাছাইসহ প্রয়োজনীয় সংশোধন কivi কাজটি দ্রুত এবং আন্তরিকতার সঙ্গে করে দিয়েছে"

সূচীপত্র পড়ে যা বুঝলাম পুরা বই না পড়লেও প্রথম অধ্যায়ের তিন নম্বর উপাধ্যায়টা পড়তেই হইবো... "কালো টাকা তৈরির নানা পথ"। আমি তো এটাই শিখতে চাই
সবশেষে মাসুম ভাইকে বিশাল অভিনন্দন। প্রিয় মানুষদের সাফল্য দেখার চেয়ে সুখ আর নাই। আগামী বইমেলায় মাসুম ভাইয়ের কাছ থেকে একটা "বড়দের বই"য়ের আব্দার রেখে গেলাম।
আল্লার কাম আল্লায় করছে, ঐ বাক্যটা আমি কাইটা বাদ দিছিলাম, মানাও করছি য্যান না দেয়, লেখক অ্যাড করতে গিয়া ভেজাল করছে
আরেকটা পার্ট অবধারিতভাবে আনটাচড রাখছিলাম, সেইটা মুখবন্ধ। উৎসর্গনামা দেখি নাই।
বড়দের বইয়ের প্রুফ আমি দেখতারুমনা
আশা করছি আপনি আগামী এক বছরে যথেষ্ট পরিমান বড় হয়ে যাবেন
বড়দের একটা রম্যটাইপ লেখার ইচ্ছা আসলেই আমার আছে।
মাসুম ভাইকে অভিনন্দন।শুভকামনা রইলো।
শুভকামনা রইলো। বই এর সাফল্য কামনা করছি।
১৪ তারিখ অটোগ্রাফসহ বইটা সংগ্রহ করার ইচ্ছা রইলো।
অভিনন্দন আপনাকে। ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এর কথায় যা বুঝলাম, অর্থনীতির দৃষ্টিকোন থেকে সমাজ কাঠামোর বৈষম্য গুলোর উপলব্ধি এবং সাম্প্রতিক অর্থনীতির বিভিন্ন কজ এন্ড ইফেক্ট বোঝার জন্য আপনার বইটি সহায়ক। বইটি সংগ্রহের ইচ্ছা থাকল
বাংলাদেশ তথা বিশ্ব পুঁজিবাদী অর্থনীতির একটি বিশেষ মুহূর্তে প্রকাশিতব্য পুস্তকখানি বাজারঅর্থনীতির বিপদসংকুল সমসাময়িক সংকির্ণ পথ অনুকূল করার মানসে নিবেদিত করিয়া মহান দুলাভাই আজ আমাদিগকে শুধুই গর্বিত করে নাই সমগ্র মানব সম্প্রদায়কে উচ্চাসনে অধিষ্ঠিত করিয়াছে। উক্ত পুস্তকখানী রস-কষহীন হওয়া স্বত্ত্বেও শ্রমসাধ্য পুজিঁবাদী বিশ্বে শির লোহিত কণিকা চরনে মাখিয়া মাখিয়া অর্জিত অর্থ দিয়া সংগ্রহ করিবার তীব্র বাসনা রাখি।
আগামি সৌরবর্ষে একই লেখকের প্রকাশিতব্য 'বড়দের বই'য়ের প্রুফ দেখার কাজটা নিজ দায়ীত্বে করিয়া দিতে চাই, যদি সেই পুস্তকখানি সচিত্র হইয়া থাকে তবে নিজ পকেটের টাকা খরচ কইরা হইলেও প্রুফ দেখিয়া দিতে চাই।
তোমার কমেন্ট পড়ে দাঁত ব্যাথা করছে। বাংলায় বুঝায়া দাও কি বললা।
ঠিকাছে তাইলে, আগামী বছর প্রকাশিতব্য সচিত্র 'বড়দের বই'য়ের প্রুফ রিডার আপনে আর মডেল আমি... ফাইনাল
না পড়েই বলতে পারি যিনি এত সুরসিক লেখিয়ে, তিনি নিশ্চয়ই অর্থনীতির খটমটে বিষয়ের মধ্যেও তার রং সংযোজনে সফল। চাঁটগায় বইটা আসবে কবে?
অভিনন্দন! বই এবং লেখক উভয়েরই আমুণ্ডনখাগ্র সাফল্য কামনা করি
মামুনভাই, আমুণ্ডনখাগ্র মানে কি?...
আকেশনখাগ্র হৈলে রেইঞ্জটা আরেক্টু বাড়তো
একেতো অর্থই জানি না, মাঝে দিয়া আপ্নে কই সেইটা জানাইয়া যাবেন, তা না কইরা মশকরা কইরা নিজেরা নিজেরা মজা নিবার পায়তার করতাছেন!! (ভেংচানির ইমো দেখে ঠাওর করলাম যে মশকরা করা হইছে... দেখছে কত্তো বুঝদার আমি!!) এবার মাইনে জানান ২টারই, মামুনভাইয়েরটার সাথে আপ্নেরটার ও...
হা হা, এইটা আসলে জটিল কিছু না। আপাদমস্তক কথাটারেই একটু ত্যাড়া করে বলা। কার লেখায় যেন পড়ছিলাম, মাথায় ঢুকে আছে।
মাসুম ভাই, প্রথম বই প্রকাশের/ হাতে পাবার অনুভূতি জানতে চাই
মুখবন্ধ পড়েই আমি চোখবন্ধ করে ফেললাম, হাই উঠতাছে
(
দেবপ্রিয়দাকে বলবো এই কথা।
মাসুম ভাই, আগামী জুন মাসে এই বই সংগ্রহ করতে হলে এখন কি করতে হবে ? আমার মনে হচ্ছে আমার বিদ্যুৎ নিয়ে লেখায় অর্থনীতির অনেক সংযোগ থাকা দরকার আর সে পথে আমি হাঁটতে আপনার বই এর সাহায্য পাবো।
এমন একটা বই উপহার দেবার জন্য ধন্যবাদ বাসুম ভাই ।
> মাসুম ভাই
আশা করি তখন পাবেন।
বইটা কিনে সবাই বেশি বেশি ধন্যবাদ নিন।
আজকা বই মেলায় গিয়া বইটা পাইনাই
প্রথম এডিশন শেষ হওনের আগেই আপন টেকা দিয়া আমি কিনছি... খোদা স্বাক্ষী আর খোদার বান্দারা স্বাক্ষী...
কথানুযায়ী আমারে কি ধইন্যবাদ দিবেন্না, দুলাভাই ?
মন্তব্য করুন