তিনখানা দুষ্টু সিনেমা
তিনটা দুষ্ট টাইপ সিনেমা। এই পোস্ট উৎসর্গ রায়হান ভাইকে। দুষ্ট কিছু না লিখলে আবার রায়হান ভাই ব্লগে আসে না, পোস্ট দেয় না, মন্তব্যও করে না। আর এই সমস্ত দুষ্ট লুকজন না আসলে ব্লগিং করে মাইনষে?
তিনটি ছবিই যথেষ্ট নাম করা। এর মধ্যে দুটি ফ্রেঞ্চ, আর একটি বাংলা। এর মধ্যে অবশ্যই একটি ক্লাসিক মর্যাদা পাওয়ার মতো সিনেমা, পেয়েছেও।
১. বেলে ডি জুর: লু্ই বুনুয়েল বিশ্ব চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম সেরা নাম। স্পেনে জন্ম নেওয়া বুনুয়েল কাজ করেছেন, স্পেন, ফ্রান্স, আমেরিকা ও মেক্সিকোতে। বুনুয়েল নিয়ে লিখতে বসলে রীতিমত গবেষণা করতে হবে। বিশ্ব চলচ্চিত্রে তার প্রভাব এতোটাই।

বেলে ডি জুর ফ্রেঞ্চ মুভি। মুক্তি পায় ১৯৬৭ সালে। মহাসুন্দরী ক্যাথারিন দানিউব আছেন মূল চরিত্রে। সেভেরিন সেরিজি (দানিউব) সুন্দরী গৃহিনী। স্বামী ডাক্তার, অত্যন্ত ভদ্র লোক এবং শান্ত। সমস্যা এখানেই। সেরিজি এই শান্তভাবটায় খুশী নয়। বিশেষ করে শারিরীক সম্পর্কের ক্ষেত্রে। তাঁর রয়েছে এই সম্পর্ক নিয়ে নানা ধরণের ফ্যান্টাসি। স্বামীকে লুকিয়ে সেরিজি হাই ক্লাশ ব্রথেল হাউজে চলে যায়। নিজের নাম নেয় বেল্লে ডি জুর। সেখানে মেটে তার ফ্যান্টাসি। তবে বিপত্তি ঘটে অন্যখানে। গাংস্টার দলের তরুণ এক সদস্য মার্সেল প্রেমে পড়ে সেরিজি। প্রথমে সেরিজি বিষয়টি উপভোগ করলেও একসময়ে মহাযন্ত্রণা হয়ে দেখা দেয়। শুরু হয় নতুন সংকট।
বুনুয়েল অত্যন্ত কৃতিত্বের সঙ্গে একটা মেয়ের মনস্তত্ব নিয়ে খেলেছেন। এটাকে ঠিক ইরোটিক মুভি বলা যাবে না। এমন কোনো দৃশ্যও নেই। কিন্তু মুভিটা দেখার সময় অবশ্যই সবাইকে অনেককিছু ভাবাবে।
বিশ্ব চলচ্চিত্রে অত্যন্ত প্রভাবশালী সিনেমা বেলে ডি জুর।
নাটালি: আরেক ফ্রেঞ্চ ছবি। ২০০৩ সালের এই ছবিতে আছে জেরার্ড দেপারদু, ইমানুয়েল বার্ট এবং ফ্যানি আরডান্ট।

ক্যাথারিন (ফ্যানি) একজন আকর্ষনীয় মহিলা, অত্যন্ত ভাল ক্যারিয়ার। ২৫ বছরের বিবাহিত জীবন। ক্যাথারিনের সন্দেহ তার স্বামী বারনার্ড (জেরার্ড) অন্য নারীতে আসক্ত। ক্যাথারিন একজন পতিতা নাটালিকে (ইমানুয়েল) ঠিক করে স্বামীর পেছনে লাগিয়ে দেয়। নাটালি প্রতিদিন এসে পুরো ঘটনা ক্যাথারিনকে জানিয়ে দেয়। কিভাবে নাটালি বারনার্ডকে নিজের দিখে আনলো, কিভাবে তারা সময় কাটায়, স্বামী কী পছন্দ করে, কিভাবে পছন্দ করে সব জানায় সে।
শেষটা আর না বলি। দুষ্ট ছবি হলেও সেরকম কোনো দৃশ্য নেই। এটিও বলা যায় মনস্তাত্বিক খেলার মুভি।
চারুলতা ২০১১: বাঙলা ছবি। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত আর অর্জুন মূল চরিত্র। বাংলা ছবি যে অনেক সাহসী হয়েছে তা এই সিনেমাটি দেখলে টের পাওয়া যায়। অত্যন্ত সাহসী কিছু দৃশ্যে অভিনয় করেছেন ঋতুপর্ণা। বাংলা ছবিতে এমনটি আর কখনো দেখা যায়নি। গান্ডুতে আছে, তবে সেটি অন্য ধারার ছবি।
চারুলতা২০১১, নষ্টনীড় অবলম্বনে, সত্যজিতের চারুলতার রিমেক। তবে সময়টা যেহেতু ২০১১, তাই চরিত্রগুলোও অন্যরকম।

''রবীন্দ্রনাথের ‘নষ্টনীড়’ তথা সত্যজিতের চারুর মতো সন্তানহীনা হলেও অগ্নিদেবের চৈতি বোস একেবারে নিঃসঙ্গ নয়। কর্মব্যস্ত ও উদাসীন স্বামী বিক্রম ছাড়া তার সঙ্গী এই সময়ের সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে সাইবার বন্ধুতা। তার সময় কাটে, ল্যাপটপ অথবা ট্যাবে নিয়ত ফেসবুক চ্যাটে। তুলনা টানলে তাই বলতে হয়, সত্যজিতের চারু জানতো রুমালে নিপুণ নকশা-কাটার শৈলি। তার ছিল দূরবিন, চৈতির আছে অনলাইন চ্যাটরুমস। তার ফেসবুক আইডি ‘চারুলতা ২০১১’। বাকি রইল শুধু অমল। অগ্নিদেব তাকেও এনেছেন, চৈতির ফেসবুক ফ্রেন্ড সঞ্জয়ের আইডি ‘অমল’। গল্পের প্রয়োজনে এই অমল ওরফে সঞ্জয় বিক্রমেরই দূর সম্পর্কের ভাই! ''
দারুণ সাহসী কিছু দৃশ্য আছে ছবিটিতে।





এইবার মাসুমীয় হয়েছে!
রায়হান ভাই কৈ
হতাশ হৈবেন দাদাভাই। তেমনকিছু নাকি নাই
কিছু নাই, আবার অনেক কিছু আছে।
কিন্তু মাসুম বাই যে কৈলেন
বাংলা সাহসীরা কত আর সাহস দেখাবে!
ব্যাপক সাহস দেখাইছে রায়হান ভাই। অভয় দিলে একটু কইতে পারি
এই ছবি গুলা কি কিনে দেখেন নাকি ডাউনলোড কইরা দেখেন ?
কোন সময় দেখেন ??? একা একা দেখেন না কি সাথে কেউ থাকে দেখার সময় ?
তিন ছবির তিন ইমো?
আমি ডাউনলোড করতে পারি না। কিনেই দেখি
সিনেমার কাহিনী তো সুন্দর। দুষ্টু না তো! দেখে বলবোনে দুষ্টু সিনেমা নাকি।
প্রথমটা তো ক্লাসিক মুভি। দেখলে ভাল লাগবে
চারুলতা দেখে আমি পুরা হতাশ। আর ঋতুপর্নার অভিনয় আমার কাছে ইদানিং অতিঅভিনয় লাগে, এটাতে আরো বেশি লেগেছে।
কোন দৃশ্যর কথা কন মাসুম ভাই? আমি তো পাইলাম না
একবারও কইছি চারুলতা অসাধারণ সিনেমা?
দেখেন বড়ভাই পুলাপানের সাহস কত বাড়ছে..।।। আপনি কইতাছেন সাহসী দৃশ্য আছে তাও পুলাপান বিশ্বাস খায় না।
দেখছেন মনে হইতাছে
এগুলো কেন দুষ্টু সিনেমা বুঝলামনা। কেউ কি বলবেন একটু?
প্রথম দুইটা মুভি দেখিনাই।
৩ নাম্বারটা হাতে পেলেও আর দেখবো না,
সত্যজিতের কাজের রিমেক দেখার কথা ভাবতেও খারাপ লাগতেছে।
ক্লাসিক জিনিস কে রিমেকের নামে নষ্ট করার মানে এখনও বুঝলাম না।
এইটারে ঠিক রিমেক বলা ঠিক না।
প্রথম দু'টা মুভি দেখি নাই, তবে চারুলতা দেখছি, সিনেমা ভালোই লাগছে! তবে ঋতুপর্নার অভিনয় মাঝে মাঝে অনেক মেকি লাগছে! তবে 'অমল' ক্যারেক্টারে ভয়েস অনেক জটিল লাগছে। পছন্দ হইছে।
এটা দেখার পর সত্যজিতের 'চারুলতা' খুজেঁ দেখলাম। খুব বেশি ধীরস্থির লাগছে।
আর বিষন্ন বাউন্ডুলে যেমন বলছে সত্যজিতের মুভির রিমেক তাও বলা যায় না, এটা এই অস্থিরকালেরই বড়ই অস্থির মুভি হইছে, টাইম পাস টাইপ।
চারুলতা তো অসাধারন। এর ধারে কাছেও নাই
এক আর দুই নামাতে হবে।
তিন ভালা পাই নাই। ঋতুপর্নার অভিনয় কিংবা শরীর কোনটাতেই আগ্রহ পাই না
~
এইটা কী কৈলেন ফেরিওয়ালা ভাই, বুঝলাম না
*দেখতে
কোন কোন অংশে আগ্রহ পান নাই?
দাদা ভাই




মনে হয়
তুপর্নার ফেন !
মাসুমভাই দেখি সবসময় পিছনদিকের ছবি লাইক্করেন .নাল নাকি ?
দেখেন তাইলে

মাসুম ভাই আপনে এবার এই পোস্টটায় ১২+ ট্যাগ লাগান।
এসব তো মাসুমীয় কথাবার্তা মীর
এই পোস্টটা মামু (মাল মুহিত) রে উৎসর্গ করতে পারেন...ওনার মোটিভেশন দরকার আছে...
~
দুষ্টু
একটাও দেখি নাই
প্রথমটা দেখো, মুগ্ধ হবা
খোদা এদের রহম কর।
কেন? কী করছি
দেখলাম।

কী দেখলেন?
মন্তব্য করুন