তাঁদের সবার জন্মমাস আগস্ট

আগস্ট মাসের জন্মদিনের তালিকাটা খুব সংক্ষেপে একটু বলি। সবার আগে বলতে হয় রহস্য সিনেমা জগতের সেরা মানুষটির কথা—আলফ্রেড হিচকক। আগস্টেই জন্ম নিয়েছিলেন তিনি। আরও একজন পরিচালকের নামও বলতে হয়। তিনি নিজেও অনেকবার হিচককের প্রভাবের কথা বলেছেন। একাধিক সিনেমাও বানিয়েছেন হিচককের আদলে। আলোচিত-সমালোচিত এই পরিচালক রোমান পোলানস্কি। তাঁরও জন্মমাস আগস্ট।
এবার দুজন অভিনেতার কথা বলি। এই দুজনকে ছাড়া সিনেমা জগতের ইতিহাস লেখা সম্ভব নয়। তাঁদেরও জন্মমাস আগস্ট। একজন হলেন রবার্ট ডি নিরো, আরেকজন রবার্ট রেডফোর্ড। মজার ব্যাপার হলো, দুজন আবার সিনেমাও বানিয়েছেন। তবে এ ক্ষেত্রে রবার্ট রেডফোর্ড অনেকটাই এগিয়ে। তিনি সেরা পরিচালকের অস্কারও পেয়েছেন। তবে অভিনয়ের দিক থেকে নিঃসন্দেহে রবার্ট ডি নিরো অনেক এগিয়ে।
এবার আরেকজন পরিচালকের কথা বলতেই হয়। বক্স অফিস সাফল্য বিবেচনায় আনলে তাঁর নামটিই সবার আগে বলা উচিত। একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা বানিয়ে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। এই লোকটি জেমস ক্যামেরন। তাঁরও জন্মমাস আগস্ট।
আরেক অভিনেতার নাম না বললেই নয়। এই সময়ের সেরা অভিনেতাদের একজন। আবার সিনেমা বানিয়েও সাফল্য পেয়েছেন। শন পেন। একাধিক অস্কার পাওয়া শন পেনের জন্মমাস আগস্ট। শন পেনের পরিচয় একসময় ছিল মি. ম্যাডোনা হিসেবে। অভিনেতা পরিচয়ের তুলনায় গায়িকা (নায়িকাও) ম্যাডোনার স্বামী পরিচয়টিই ছিল প্রধান। সেখান থেকে অনেক আগেই বেরিয়ে এসেছেন তিনি। মজার ব্যাপার হলো, সেই ম্যাডোনার জন্মমাসও এই আগস্ট।
হিচককের রহস্য জগৎ
স্যার আলফ্রেড জোসেফ হিচকক জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৮৯৯ সালের ১৩ আগস্ট, লন্ডনে। মারা যান ১৯৮০ সালের ২৯ এপ্রিল। ১৯২২ সালে তিনি লন্ডনেই চলচ্চিত্র পরিচালনা শুরু করেছিলেন। ১৯৩৯ থেকে হিচকক হলিউডমুখী হন এবং ১৯৫৬ সালে মার্কিন নাগরিকত্ব নেন। তাঁর চলচ্চিত্রজীবন ছিল ছয় দশকের। নির্বাক যুগ থেকেই তিনি যাত্রা শুরু করেছিলেন আর সবাক যুগে হয়ে ওঠেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একজন চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব।
হিচকক ৫৯টি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন। এর মধ্যে তাঁর নির্বাক ছবির সংখ্যা ১১টি। ১৬টি ছবি তৈরি করেছেন লন্ডনে। বাকিগুলো হলিউডে। হিচকক সমালোচকদের দৃষ্টি কাড়েন পঞ্চাশের দশকে এসে। ফ্রান্সের নিউ ওয়েভ সমালোচকেরাই শুরুতে হিচককের কাজ নিয়ে লেখালেখি শুরু করেন। তার পরই শুরু হয় হিচকক-বন্দনা।
হিচককের সেরা পাঁচ বা দশ সিনেমার তালিকা করা সহজ নয়, সম্ভবও নয়। তবে তাঁর যে ছবিগুলো বিভিন্ন তালিকায় বারবার উঠে আসে, সেগুলোর কথা বলা যেতে পারে। এর বাইরে অনেক সিনেমা আছে, সেগুলোও নানা বৈশিষ্ট্যের কারণে অনন্য।
১. সাইকো—এক মানসিক বিকারগ্রস্ত খুনির গল্প। সেরা ছবির যেকোনো তালিকায় এটি থাকবেই। ১৯৬০ সালে মুক্তি পায় সাইকো। অ্যান্থনি পারকিনস ও জেনেট লেই ছবির মূল অভিনেতা-অভিনেত্রী। সাইকোর বিখ্যাত গোসলের দৃশ্য এখনো চলচ্চিত্র ছাত্রদের পাঠ্য বিষয়।
২. ভার্টিগো—১৯৫৮ সালে মুক্তি পায়। ছবির নায়ক জেমস স্টুয়ার্ট, আরও আছেন কিম নোভাক। ছবিটি প্রথমে সমালোচক বা দর্শকদের আনুকূল্য পায়নি। কিন্তু এখন এটিকে ধরা হয় সর্বকালের সেরা ছবির একটি হিসেবে। ১৯৮৩ সালে ছবিটিকে পুনরায় মুক্তি দেওয়া হলে সারা বিশ্বে হইচই পড়ে গিয়েছিল।
৩. রেবেকা—হলিউডে হিচককের প্রথম ছবি। ১৯৪০ সালে মুক্তি পাওয়া এই চলচ্চিত্রটি সেরা ছবির অস্কার জিতে নেয়। এটিও একটি মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার। স্যার লরেন্স অলিভিয়ের ও জন ফনটেইন মূল চরিত্রে ছিলেন। পুরস্কার পাওয়ার কারণেই রেবেকা তালিকায় উঠে আসে।
হিচককের প্রতিটি ছবিই উপভোগ্য। ডিভিডির কল্যাণে এখন সব সিনেমাই পাওয়া যায়। তাঁর লাইফবোট, স্পেলবাউন্ড, নটোরিয়াস, রোপ, স্ট্রেনজারস অন এ ট্রেইন, ডায়াল এম ফর মার্ডার, দ্য ম্যান হু নিউ টু মাচ, দ্য বার্ডস, রিয়ার উইন্ডো, নর্থ বাই নর্থওয়েস্ট, টন কার্টিন কিংবা আই কনফেস —প্রতিটিই ঢুকতে পারে যে কারোরই প্রিয় ছবির তালিকায়।
রোমান পোলানস্কি
পোলিশ এই পরিচালকের জন্ম ১৯৩৩ সালের ১৮ আগস্ট। বিতর্কিত এই পরিচালককে নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা থাকলেও পরিচালক হিসেবে তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে কারও কোনো দ্বিমত নেই। অসংখ্য সিনেমা করেছেন তিনি। এসব সিনেমা থেকে সেরা ছবির তালিকা করা সহজ নয়, কারও সঙ্গেই মিলবে না।
১. নাইফ ইন দ্য ওয়াটার: পোলানস্কির প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা। মাত্র তিনটি চরিত্র নিয়ে তৈরি সিনেমাটি। সিটিজেন কেইনকে বলা হয় কোনো পরিচালকের প্রথম ছবি হিসেবে সেরা। এর পরই বলা হয় নাইফ ইন দ্য ওয়াটার-এর কথা।
২. চায়না টাউন: ক্লাসিক হিসেবে মর্যাদা পাওয়া সিনেমা। জ্যাক নিকলসন মূল চরিত্রে। অসংখ্য পুরস্কার পাওয়া ছবিটি রোমান পোলানস্কির সেরা কাজ।
৩. দি পিয়ানিস্ট: সেরা পরিচালকের অস্কার জিতেছিলেন তিনি। তাঁর একটি বিখ্যাত সিনেমা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সিনেমার বিষয়। ২০০২ সালে মুক্তি পায়।
হিচকক প্রভাবিত ফ্রান্টিক ও রিপালশন যে কেউ দেখতে পারেন। এর বাইরে টেস, রোজমেরির বেবি, ঘোস্ট রাইটার, বিটারমুন, নাইন্থ গেটসহ প্রায় সব ছবিই দেখা যায়।
রবার্ট ডি নিরো
১৯৪৩ সালের ১৭ আগস্ট জন্ম নিয়েছিলেন সিনেমা জগতের অন্যতম সেরা অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো। প্রথম দৃষ্টি আকর্ষণ করেন গড ফাদার-২ করে। এরপর আর পেছন ফিরতে হয়নি। কেবল মার্টিন স্করসিস দিয়েই রবার্ট ডি নিরোর সেরা পাঁচ ছবির তালিকা তৈরি করা সম্ভব। নিরো আর স্করসিস অবিচ্ছেদ্য নাম। এর বাইরেও রয়েছে নিরোর অনেক অনেক ভালো ছবি।
১. গড ফাদার (দ্বিতীয় পর্ব): ভিটোর গড ফাদার হয়ে ওঠার কাহিনি। ভিটো অর্থাৎ মার্লোন ব্রান্ডো ছিলেন প্রথম পর্বে। ভিন্ন মাত্রার অভিনয় দিয়ে মার্লোন চলচ্চিত্র জগতের ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছিলেন। ১৯৭৪ সালের এই ছবি থেকে সেরা সহ-অভিনেতার অস্কার জেতেন ডি নিরো।
২. ট্যাক্সি ড্রাইভার: ১৯৭৬ সালে মুক্তি পাওয়া মার্টিন স্করসিসের ট্যাক্সি ড্রাইভার ভিয়েতনাম যুদ্ধ-পরবর্তী চরম অস্থির সময় নিয়ে সম্ভবত সেরা ছবি। নিঃসঙ্গ ট্যাক্সি ড্রাইভার ট্রাভিস একজন অল্প বয়সী পতিতাকে (জোডি ফস্টার) রক্ষা করতে সচেষ্ট হয়। বিশ্বের যেকোনো সেরা ছবির তালিকায় এই ছবিটি থাকবেই।
৩. রেজিং বুল: রবার্ট ডি নিরো দ্বিতীয় অস্কার এই ছবি থেকেই পান। জ্যাক লামটো নামের এক বক্সারের জীবনের কাহিনি নিয়ে তৈরি এই ছবি। এই ছবি করার জন্য ডি নিরো ৬০ পাউন্ড ওজন বাড়িয়েছিলেন।
এর বাইরে রবাট ডি নিরোর অসংখ্য ভালো সিনেমা রয়েছে। যেমন: দ্য ডিয়ার হান্টার, গুডফেলাস, দ্য আনটাচেবলস, ওয়ান্স আপন এ টাইম ইন আমেরিকা, অ্যাওকেনিংস, রনিন ইত্যাদি।
রবাট রেডফোর্ড
অর্ডিনারি পিপল সিনেমা থেকে ১৯৮২ সালে সেরা পরিচালকের অস্কার পেয়েছিলেন রবার্ট রেডফোর্ড। সুদর্শন এই নায়কের সেরা ছবিগুলোর মধ্যে আছে বুচ ক্যাসিডি অ্যান্ড সানডান্স কিড, দ্য স্টিং, দ্য ওয়ে উই ওইয়ার, আউট অব আফ্রিকা, অল দ্য প্রেসিডেন্টস ম্যান ইত্যাদি।
শন পেন
শন পেনেরও সেরা সিনেমার তালিকা যথেষ্ট দীর্ঘ। যেমন: ডেড ম্যান ওয়াকিং, দ্য থিন রেড লাইন, আই এম স্যাম, মিসটিক রিভার, মিল্ক ইত্যাদি।
(ইহা একটি ফাঁকিবাজি পোস্ট। প্রথম আলোতে এটি ছাপা হয়েছে গত ৯ আগস্ট। এখানে রেকর্ড রেখে গেলাম)





মিনিষটার কি বলেছেন শুনেন নাই!!!!
শওকত হোসেন এর লেখা আপনি আবার দিছেন কেন ?
আপনি তো শওকত মাসুম
অভিনয় জগতের দুই দিকপাল। দুজনেই জন্মে§ছিলেন আগস্ট মাসে। দুজনেই একাধিক অস্কার বিজয়ী। মেথড অভিনয়েরও প্রধান দুটি নাম তারা। এদের একজন রবার্ট ডি নিরো, অন্যজন ডাস্টিন হফম্যান।
ডাস্টিন হফম্যান বয়সে খানিকটা বড়। তিনি জন্মে§ছিলেন ১৯৩৭ সালের ৮ আগস্ট। রবার্ট ডি নিরোর জন্মš§ ১৯৪৩ সালের ১৭ আগস্ট। হফম্যানের জন্মš§ লস এঞ্জেলস-এ। আর নিউ ইয়র্কে জন্মš§ হলেও রবার্ট ডি নিরোর পূর্ব পুরুষরা ইতালিয়ান।
ডাস্টিন হফম্যানের অভিনয় জীবন শুরু ৬০ দশকের মধ্যভাগ থেকে। রবার্ট ডি নিরোরও তাই। দুজনেই রাজনৈতিক মতাদর্শে রিপাবলিকান বিরোধী, ডেমোক্রাটদের সমর্থক। এর মধ্যে ডি নিরো ডেমোক্রাটদের পে রীতিমত সক্রিয় কর্মী। দুজনেই দু’বার করে বিয়ে করেছেন।
হফম্যান সেরা অভিনেতা হিসাবে দুবার অস্কার পেলেও মনোনয়ন পান আরো পাঁচ বার। গোল্ডেন গ্লোব পেয়েছেন ৪ বার এবং মনোনয়ন পান আরো ৭ বার। রবার্ট ডি নিরো ২ বার অস্কার পেলেও মনোনয়ন পান ৪ বার এবং গোল্ডেন গ্লোব একবার পেয়েছেন, আর মনোয়নন পান ৭ বার।
ডাস্টিন হফম্যানের সেরা পাঁচ: অসংখ্য চলচ্চিত্র থেকে সেরা পাঁচ বেছে নেওয়া সহজ নয়।
১। গ্রাজুয়েট: হফম্যানের তৃতীয় ছবি। ১৯৬৭ সালে মুক্তি পায়। মাইক নিকোলস এর পরিচালক। গ্রাজুয়েট অস্থির বেনজামিনের গল্প, যে গ্রাজুয়েট হয়েই এক মধ্য বয়সী মহিলা মিসেস রবিনসনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পরে। পরে সম্পর্ক হয় এলিনের সঙ্গে যে কিনা আবার মিসেস রবিনসনের মেয়ে। এই ছবির বাড়তি পাওনা সায়মন ও গারফুনকালের অসাধারণ কিছু গান।
২। মিডনাইট কাউবয়: জন ভয়েট আর হফম্যানের অসাধারণ অভিনয়ের ছবি। বড়দের জন্য সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত একমাত্র ছবি যেটি অস্কারে সেরা চলচ্চিত্রের মর্যাদা পায়। রাস্তো রিজ্জোর চরিত্রে হফম্যান সঙ্গি হয় টেক্সান জো বাকের। আমেরিকার অস্থির সময়ের এই ছবিতে জো অর্থের জন্য পুরুষ যৌনকর্মীতে পরিণত হয়। বলে রাখি জন ভয়েট অভিনেত্রী এঞ্জেলিনা জলির বাবা।
৩। ক্রামার ভার্সেস ক্রামার: ১৯৭৯ সালের অস্কারে সেরা ছবি ও সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতে নেওয়া এই ছবি। সঙ্গে আছেন আরেক সেরা মেরিল স্ট্রীপ। স্বামী-স্ত্রীর ডিভোর্স আর একমাত্র ছেলে কার কাছে থাকবে তা নিয়ে অসাধারণ এই চলচ্চিত্র। অভিনয় আর গল্প এই ছবির প্রাণ। এই ছবি নকল করে যে কত ছবি হয়েছে তার ইয়ত্তা নাই।
৪। টুটসি : অভিনেতা হিসাবে প্রতিষ্ঠা না পেয়ে মাইকেল ডরসে হয়ে যায় ডরোথি। মেয়ে সেজে অভিনেত্রী হিসাবে নিজের স্থান করে নিতে থাকে ডরোথি। এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য বাস্তব জীবনেও হফম্যান মেয়ে সেজেই থেকেছেন দীর্ঘদিন। রোমান্টিক-কমেডি এই ছবি মুক্তি পায় ১৯৮২ সালে।
৫। রেইনম্যান: ১৯৮৮ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবিতে হফম্যান দ্বিতীয়বারের মতো অস্কার জেতেন। ছবিতে আরো ছিলেন টম ক্রুজ। অটিজম রোগে আক্রান্ত হফম্যানের নামে রাখা বিপুল পরিমান অর্থের দিকে হাত বাড়ায় তারই ভাই ক্রুজ। মানুষের সম্পর্ক নিয়ে এই ছবির প্রাণ হফম্যানের অভিনয়।
এর বাইরেও অসংখ্য ভাল ছবি আছে হফম্যানের। যেমন, স্টিভ ম্যাককুইনের সঙ্গে সেই বিখ্যাত প্যাপিলন, স্যার লরেন্স অলিভিয়ারের সঙ্গে থ্রিলার ম্যারাথন ম্যান, ওয়াটার গেট কেলেঙ্কারি খুঁেজ বের করা দুই সাংবাদিকের সত্য কাহিনী নিয়ে ছবি অল দ্য প্রেসিডেন্টস ম্যান, থ্রিলার আউটব্রেক এবং রবার্ট ডি নিরোর সঙ্গে দুই ছবি ওয়াগ দ্য ডগ ও কমেডি মিট দ্য ফকার্স
ডাস্টিন হফম্যান বিগ মাপের উস্তাদ। গ্রাজুয়েট আর ক্র্যামার ভার্সাস ক্র্যামারের কোনো তুলনা আজ পর্যন্ত করা সম্ভব না। আমার তো মনে হয়, ক্র্যামার সিনেমাটা সব মানুষের একবার অন্তত দেখা উচিত জীবদ্দশায়।
একমত।
লেখাটা প্রথম আলোতে পড়েছি। একটা মুভিও দেখি নাই। কবে দেখবো এতসব?
আপনার লেখা পড়লেই ছবি দেখতে তুমুল আগ্রহ তৈরী হয়...
আরেকটু বড় হই.. তারপর টিভি নিয়া বসমুনে
এই কমেন্টটাতো মনে হইতেসে ঋহান কর্লো। বাহ!
মীর সাপ... আম্রা এখনো ম্যালা ছুডু...
শওকত হোসেনের লেখা দিছেন, দিছেন। আবার লেখাটার ছবিও দিয়ে দিছেন!!
এইবার আপনার নামে কপিরাইটের মামলা হইবোই মাসুম ভাই
তয় টেনশন নিয়েন্না, আমি আছি আপনের সঙ্গে। যত লড়াই দরকার কৈরাম। সুকুমার রায় বলে গেছেন, সাত জার্মান জগাই একা তবুও জগাই লড়ে
লেখাটা প্রিয়তে নিয়া রাখলাম। পত্রিকা তো আর কালেক্ট করি না। আর ব্লগ-সাগরে একটা লেখা খুঁইজা বাইর করনের কাজটাও দুই-তিন বছর পর আর সোজা থাকে না। সেই সমস্যা থেকে মুক্তির এখন পর্যন্ত এইটাই সবচে' কার্যকর উপায়।
দুপুর ৩ টায় যখন পত্রিকায় পড়ছিলাম তখন ভাবলাম এইটা কোন শওকত হোসেন। পরে ফেসবুকে যখন শেয়ার করলেন তখন শিউর হলাম মাসুম ভাই ছাড়া আরকে।
খালেদা জিয়াও এই মাসে জন্মদিন পালন করে তাই উনাকে শুভেচ্ছা!
আগস্ট মাসে রথী মহারথীরাই জন্মায়
আগস্ট মাসের ১৯ তারিখ (এই বার বাই চান্স ঈদও হৈতে পারে...
) আমার বৌয়ের ও জন্মদিন 
আহেম আহেম আমিও কন্যা রাশি মাসুম্ভাই
মন্তব্য করুন