কী পড়ছি, কী দেখছি, কী শুনছি
কী পড়ছি
চরম বিরক্তি হইছি, চরম। একজনের বাসায় দেখি হুমায়ূন আহমেদের মধ্যাহ্ন, দুই খন্ড। কিনে হুমায়ূন পড়ার পর্যায় বহু আগে পার করছি। এখন খালি ফ্রি পাইলে পড়ি। ভাবলাম, চোখেই যখন পড়লো নিয়া যাই। প্রথম খন্ড পইড়া মনে হইলো চেষ্টা করছিল, তেমন কিছু হয় নাই। পড়লাম, সময় গেলো আরকি। দ্বিতীয় পর্ব পইড়া ভয়াবহ মেজাজ খারাপ হইছে। মনে হইতাছে, কত সময় নষ্ট করলাম। কিছুতেই মেজাজ খারাপ ঠিক হইতাছে না। দ্বিতীয় পর্ব পইড়া মনে হইছে এই লোকের আসলে পাঠকদের কথা মোটেই মাথায় রাখে না। লেখাটা পড়ে পাঠকরা যে বঞ্চিত হবে, টাকার জন্য আফসুস হবে সেই কথা তার মাথাতেই নাই। থাকলে এসব অখাদ্য লেখার সাহস তার থাকতো না।
নানা জাতীয় বইয়ের মধ্যে আমার পছন্দ আÍজীবনী। আমার সর্বশেষ পড়া আÍজীবনী হইলো নির্মলেন্দু গুণের আমার কণ্ঠস্বর। ব্যাপক মজা পাইছি। আÍজীবনী পড়ার হ্যাপা অনেক। বেশিরভাগ পইড়াই মনে হয় তিনি একজন ফেরেসতা। মানুষতো সেটা না। কিন্তু সবার সেসব কথা লেখার সাহস হয় না। আর সে কারণেই শেষ পর্যন্ত আÍজীবনীগুলো আর শিল্প হয়ে ওঠে না।
তিনি অকপটে অনেক কিছু লিখেছেন। তবে তা অবশ্যই তসলিমা নাসরিনের মতো রগরগে ভাষায় না। একটা উদাহরণ দেই-দীর্ঘদিন পর নির্মলেন্দু গুণ নিজের বাড়িতে গেছেন। সেখান থেকে ফেরার কথা বলছেন এভাবে-‘আমার বাম হাতে ছিল বাবার কিনে দেওয়া একটা ক্যাভেলরি ঘড়ি আর ডান হাতের অনামিকায় ছিল ঝিলমিলে পাথর বসানো একটি চার আনা স্বর্ণের আঙটি। এই নগরী প্রথম সুযোগেই ও দুটো আমার হাত থেকে পর্যায়ক্রমে খুলে নেয়। বাবার ঘড়িটি যায় জুয়ার আড্ডায়, আর নাম ভুলে যাওয়া সুদর্শন পাথর বসানো আমার ঐ সুবর্ণ-অঙ্গুরীয়টি গ্রাস করে পুরনো ঢাকার অবলা মাসির মেয়েরা।’
এরকম অনেক প্রসঙ্গ আছে। হোস্টেলের ম্যানেজার হয়ে অর্থ চুরি করে নতুন জামা কেনা, চুরি করে হোটেলে ভাত খাওয়া, খাবারের দাম না দিয়ে পালিয়ে যাওয়াসহ নানা ধরণের অপকর্মের বর্ণনা আছে বইটিতে। একজায়গায় লিখেছেন, মহাদেব সাহার সঙ্গে তার যেসব পার্থক্য রয়েছে তার মধ্যে একটি হচ্ছে ‘যৌবন সমস্যার সমাধান চিন্তা।’ পাশাপাশি আছে ৬০ দশকের উত্তাল বাংলাদেশ। আবুল হাসান নিয়ে অনেক ধরণের সময় কাটানোর বিবরণ, শিল্পীদের নানা ধরণের কাহিনী। সব মিলিয়ে আমার পড়া অন্যতম সেরা একটি বই।
এখন শুরু করেছি সৈয়দ হকের আত্মজীবনী প্রণীত জীবন।
কী দেখছি
অস্কার পাওয়া বা মনোনীত হওয়া মুভিগুলো কিনেছি। দি হার্ট লকার দেখলাম। আসলে ইরাকে মার্কিন সেনা সংক্রান্ত কোনো মুভিই আমাকে টানে না। তাই শুরুতেই একধরণের দ্বিধা নিয়ে দেখতে বসি। অস্কার পেলো বলেই দেখলাম। তা না হলে দেখাই হয়তো না। অসাধারণ কিছু একেবারেই মনে হয়নি। মাঝারি মানের একটি ছবি। পরিচালনায় মুন্সিয়ানা আছে, কিন্তু সেরা ছবির তালিকায় পড়ে না।
তবে এই মুভিটার সাফল্যে আমার আশঙ্কা ইরাকে মার্কিন সেনা নিয়ে এখন একটার পর একটা মুভি বানাবে হুজুগে হলিউডিরা। আতঙ্কে আছি।
তারচেয়ে অখ্যাত একটা মুভি নিয়ে কিছু বলি। ছবিটার নাম দি আদার ম্যান। লিয়াম নেসন (পিটার), অ্যান্টোনিও বান্ডারাস (রালফ) ও লরা লিনি (লিসা)।
৩২ বছরের সংসার জীবন, স্বামী আর বড় মেয়েকে ছেড়ে একদিন লিসা চলে গেল। তার সব কিছু রয়ে গেছে, ব্যক্তিগত ব্যবহারের মোবাইল, কম্পিউটার, আরও অনেক কিছু। সেই মোবাইলে একদিন একটা কল এলো। এক ছেলের আর্তি, সে শুধু লিসার গলা শোনার জন্যই ফোন করেছে, আর কিছু না। কম্পিউটারে পাওয়া গেল ফাইল। পাসওয়ার্ড দেওয়া সেই ফাইল থেকে উদ্ধার হলো লিসার আরেক জীবনের ছবি।
রালফ। নানা ভঙ্গীমায় তোলা ছবি। এমনকি বিছানায় শোয়া লিসাও রয়েছে। আস্তে আস্তে পিটার জানতে পারলো রালফ-এর ঠিকানা, ইতালীতে থাকে। পেশায় সু ডিজাইনার লিসাকে কাজের কারণে বিভিন্ন দেশ ঘুরতে হতো।
পিটার চলে গেল ইতালীতে। কৌশল করে পরিচিতি হলো রালফ-এর সঙ্গে। আস্তে আস্তে জানলো সব। লিসা রালফকে ভালবাসতো। লিসা পিটারকেও ভালবাসতো। লিসা জানতো তার আসল জায়গা পিটার, পিটারকে সে ভালবাসে। আবার লিসা রালফকেও ভালবাসতো। জটিল মনে হলেও লিসার কাছে তা ছিল না। লিসা দুজনকেই ভালবাসতো। কিন্তু লিসা এখানেও আসেনি। রালফ জানায় লিসার সঙ্গে তার ৯ মাস ধরে যোগাযোগ নেই। সে লিসার অপোয় আছে।
তারপরের কাহিনী আর না বলি। খুব বিখ্যাত ছবি না। সমালোচকরা তেমন উচ্চবাচ্য করেনি এটি নিয়ে। কিন্তু আমার ভাল লেগেছে।
কি শুনছি
জগজিৎ আমার সবসময়ের পছন্দ। এটি নতুন গান না। কিন্তু এটি প্রতিদিন শুনতে রাজি আছি।
tere ane ki jab khabar mehke
teri khushboo se sara ghar mehke....
shaam mehke tere tasabvur se -2
shaam ke baad fir saher mehke....
shaam ke baad fir saher mehke....
tere ane ki jab ...
raat bhar sochta raha tujhko -2
zehno dil mere raat bhar mehke ...
zehno dil mere raat bhar mehke...
tere ane ki jab .....
yaad aye to dil munavar ho-2
did ho jaye to nazar mehke....
did ho jaye toh nazar mehke...
tere ane ki jab ...
woh ghadi do ghadi jaha baithe -2
woh zameen mehke woh shajar mehke...
woh zamenn mehke woh shajar mehke...
tere ane ki jab ....





পড়ছি জোনাকরোড় ..
কোন কিছু শোনার সময় নাই...।
কি আর করা। সময় বের হবে।
পড়ছি মাহমুদুল হকের ছোটগল্প সংকলন "প্রতিদিন একটি রুমাল" এইবারের বইমেলায় প্রচুর ছোটগল্প সংকলন কেনা হল তার মাঝেই একটি। মাহমুদুল হক মনে ধাক্কা দিয়ে যাচ্ছেন প্রতিটি গল্পেই, মনে ছাপ রেখে যাচ্ছে তাঁর লাইনগুলি।
দেখছি এবারের বিদেশী ভাষার অস্কারজয়ী "সিক্রেট অফ দা আই", অস্কার মনোনয়নপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রগুলো দেখে যতটাই মেজাজ খারাপ হয়েছিল এই ছবিটা দেখে পুরোপুরিই মুড চেঞ্জ হয়ে গেল। এক কথায় অসাধারণ একটা ছবি, দারুণ সংলাপ আর চমৱকার অভিনয়শৈলী সেই সাথে অনন্যসাধারণ একটা চিত্রনাট্য। মুগ্ধতার রেশ কাটবার আগে আগেই শিগ্গির ছবিটার একটা রিভিউ লিখে ফেলতে হবে।
শুনছি মুহাম্দ রফির কন্ঠ্যে আমার খুব প্রিয় একটা "লুলীয়" নজলুল ধুর! নজরুল সঙ্গীত ... আলগা করগো খোপার বাঁধন, দিল ওহি মেরা ফাস গেয়ি ...
মুভিটা দেখতে হবে। আজকাল হলিউডের বাইরে যেতে ভাল লাগে। ভাল প্রিন্ট আসছে?
এইখানে দেইখেন:
http://stagevu.com/video/rmrjsouehgvc
কী পড়ছি: ব্লগ
কী দেখছি: প্রকৃতি
কী শুনছি: পাখির ডাক (কাকাতুয়ার মতন সুন্দর পাখি এমন কর্কশ সুরেডাকে)
ইতিহাস নিয়া উপন্যাস লিখতে য পরিশ্রম করা দরকার সেইটা করার ইচ্ছা সময় কোনটাই ওনার ছিল না , সুনীল প্রথম আলো লিখসে তাই ওনারো সখ হইছিলো ঐটাইপ একটা লিখার ; সখের দাম কোটি টাকা
তার না হয় সখ হইছে। কিন্তু পাঠক তো কষ্টের পয়শা দিয়ে কেনে। এইটা একবারও ভাববে না?
এহ, খুব মিললো বস।
নির্মলেন্দু গুণের আত্মজীবনী পড়ার সুযোগ হয়নি। তবে পেলে নিশ্চয়ই মিস করবো না। মধ্যাহ্ন কি আপনার এতই বাজে লাগসে ভাইডি? আমার না ক্যান জানি অত খারাপ লাগে নাই। অ্যাটলিস্ট টিপিক্যাল হু. আ. প্রোডাকশন হিসেবে অনেক উন্নত মনে হইসে।
দ্য হার্ট লকার দেখা হয় নাই, তবে দি আদার ম্যান অনেক ভালো লাগসে। আমি লিয়ামের অনেক ফ্যান তো, ওরে নিয়া এককালে ম্যালা পোস্টাইসি সামুতে। তো সেইখানে এই ছবিটার রিভিউও দিসিলাম। এই ছবির কাহিনীতে এমন অদ্ভুত একটা টুইস্ট আছে, পুরা আছাড় খাওয়ার মতন। যার কারণে ছবিটা খুব সাদামাটা হইতে গিয়াও আলাদা হয়া গেসে।
লাস্টে যে গানটার নাম দিলেন ঐটা আমারও অনেক প্রিয়। মাঝেখানে একটা বাঁশির সুর আছে (ঠিক ২য় অন্তরার আগে), কি যে ভালো লাগে! শেয়ারের লিগা থ্যাঙ্কু বস।
লিয়াম নিসন নিয়া আপনার ফ্যানগিরির কথা জানা আছে আমার।
আর মধ্যাহ্ন নিয়া বেশি কিছু না বলি। বরং হুমায়ূন আহমেদ নিয়া কাঁকনের পোস্টের মন্তব্য দেখতে পারেন।
নির্গুণের আত্মজীবনী ইন্টারেস্টিং হওয়ার কথা। একসময় বাংলাবাজার পত্রিকায় ছিলেন উনি, সেখানে ধারাবাহিকভাবে আসতো। আমার দুটো মজার ঘটনা মনে আছে, শেয়ার করি। একাত্তর সালে কলকাতায় ট্রামে কন্ডাক্টর ভাড়া চাইলেন গুণের কাছে। গুণ তার কলার চেপে মাস্তানী করলেন; ব্যাটা তোরা জীবনানন্দকে মেরেছিস, জয় বাংলার লোকের কাছে ভাড়া চাস সাহস কম না ইত্যাদি ইত্যাদি। আরেকবার শান্তিনিকেতনে গিয়ে দেখলেন গানের আসরে হাততালির চল নেই। গান শেষে রবীন্দ্রনাথের কায়দায় শ্রোতারা "সাধু সাধু" বলেন। একটা গান তেমন ভালো লাগলো না গুণের। তিনি চেঁচিয়ে বললেন, "চোর চোর!"
============================================
কী দেখছি- এইটা- http://www.thebobs.com/index.php?l=bn&s=1154893154682279QQCXSYUE-1255011560356797UEBTJQYW
এইখানে কে বা কাহারা ঠিক কী বুঝে এবং কী কারণে আমার ব্লগকে মনোনয়ন দিলেন, এবং দিলেনই যদি নামধামের এই অবস্থা কেন করলেন, এইসব নিয়ে অনর্থক চিন্তা করতেছি। যাই হোক, এবি'র আরো দুইজন আছেন ওরা এগারো জনে; মাসুম ভাই আর সুমন ভাই।
============================================
কী শুনছি/দেখছি- মাসুমভাই বালিকার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আগ থেকেই পোস্টে উল্লেখ করা ওই গান শুনতেছিলেন, কাঁকনের একটা পোস্টে প্রমাণ আছে। সেই লিংকের ভিডিও দেখতে গিয়ে জগজিতের দুটো গান পাই, লীলা নামের এক মুভির- ওয়ার্থ লিসেনিং-
১। http://www.youtube.com/watch?v=-4eA_jWpixM&feature=related
২। http://www.youtube.com/watch?v=lUWdgxyYNg8&NR=1
হাহাহাহাহা। এই গানটা আমি বহুদিন আগ থেকেই শুনি, এখনো শুনি। আর আমার অলটাইম ফেভারেটের তালিকায় জগজিৎ থাকবেই। তার মনে হয় সব গান আমার কাছে আছে।
আমার নাম দিছে জানা, জানা আমারে জানাইছে। আমি শুইনা আঁতকে উঠছি। অফিস জানলে বলবে যাও ব্লগিং করো, রিপোর্টিং করতে হবে না।
আল্লাহ এইটা যেন কেউ আর না জানে। ........
আমি নুশরারে ভোট দেবো।
জগজিতের এই গানটা সুরের দিক থেকে দারুণ আহামরি কিছু মনে হয় নাই আমার (এর চেয়ে অনেক সুন্দর গান তার অনেক আছে), তাই নিয়মিত এটা শোনা হয় না, কাঁকনের পোস্টে আপনার ভাব দেখে আবার মন দিয়ে শুনলাম, আপনি বোধহয় লিরিকের জন্যই বেশী পছন্দ করেন
আপনার নাম জানা দিছেন!!!

আমি ভোট দিই নাই, কেম্নে দেয় তাও জানি না। বিষয়টা কেমন কেমন ঠেকছে।
বিচারক নিজেই নমিনেটর!!!
ভুল হইছে। জানা আমার নাম আছে এইটা জানাইছে। তারপর থেকে লুকাইয়া আছি। আর কাউরে কইয়েন না।
জগজিতের সেরা গান আমার কাছে মনে হয় ঝুকি ঝুকি সি নজর.........
কাগজ কি কাস্তি--অসাধারণ গান।
লীলা ডিম্পলের টা না? ছবি টা ভালো লাগছিলো।
একটা ডিভিডিতে ৩ টা সিনেমা ছিল (অর্থ - শাবানা+স্মিতা পাতিল, আস্হা-রেখা+ওম পুরী, লীলা-ডিম্পল), একবসায় দেখছিলাম, তিনটা দেইখাই কম-বেশি মুগ্ধ হইছিলাম; এখন মাঝেমাঝে মনে হয় ঐ সিনেমাগুলো কতটা ভালো ছিল আর ঐদিন আমার নিজের মুড কতটা সিনেমার অনুকূলে ছিল।
জগজিৎ এর সব গান ই কম-বেশি ভালো লাগে তবে "হোশ ওয়ালো কি খবর কিয়া হে" -- এই গানটা আমার নিজের এক নম্বর ফেভারিট তার সব গানের মধ্যে
তিনটাই ভালো ছবি। তুমি ডিম্পল আর শেখর কাপুরের দৃষ্টি দেখছো?
আর্থ দারুণ একটা ছবি। মহেশ ভাট যে কত ভাল পরিচালক এইটাই তার প্রমান। লোকটা বড় বেশি কমার্শিয়াল মুভিতে চইলা গেলো।
এই লোকের আরেকটা ছবি ছিল সারাংশ, দেখছেন।
আর দৃষ্টি আমি প্রথম দেখি যখন মুক্তি পাওয়ার ঢাকায় আসে তখন, ভিসিআরের যুগে। মুগ্ধ হইছিলাম। তারপর আবা ভিডিডির যুগে খুইজা বার করছি। আবার দেখলাম।
গোবিন্দ নিহালনির এই ছবিটা নিয়া আলোচনা কম হয়, কিন্তু খুব পছন্দের একটা ছবি।
কণ্ঠস্বর পড়ছি । গড়পড়তা খারাপ না । তবে আত্মজীবনীতে বেস্ট লাগছে এপিজেকালাম এর , তারপর মাই ডেইজ (এইটা অবশ্য অনুবাদ)
বই মেলার একগাদা বই জমা আছে । সেগুলা একেক্টা একেক সময় পড়ি । মল্লিকা সেনগুপ্ত এর দে'জ কালেকশন পরশু কিনলাম , মূলত সেটাতেই আছি । জটিল ----
কিছু দেখতেছি না । মুভি লাইক করি না ।
অজয় শুনি ।
আহা, মল্লিকা আমার তুমুল প্রিয়! তারা মিয়াবিবি দুইজনেই দারুণ! এখানে দেখো সুবোধ সরকারের দুইটা কবিতা আছে-
http://banglapoems.wordpress.com/category/%E0%A6%AF-%E0%A6%B9/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%A7-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6...
আপু দেজ এর সুবোধ কালেকশন ও পাইছি আজিজে । কয়েক দিন বাদে কিনবো ।
আর আমি সেদিন আরেকটা লিংক পাইছিলাম সেইটাও বেশ কয়েকটা সুবোধের লেখা ছিলো । আমি স্ক্রিনে কবিতা পড়ে ঠিক মজা পাই না
ভাললাগে না
তুমি মুভি লাইকাওনা, আত্মজীবনী ভালু পাও এপিজেসাহেবের (আমি উনার ইগনাইটেড মাইন্ডস পড়ছিলাম, ঠ্যাকায় পইড়া, পিএটিসিতে ট্রেনিংএর সময় রিভিউ করতে হইছিলো তাই), গান শুনো পণ্ডিত অজয় চক্কোত্তির, স্ক্রিনে কবিতা পইড়া মজা পাওনা........।
মাসুমভাই ঠিকোই কইছিলেন, এপুটা আগে ভালো ছিলো...
এপিজের মত স্পিরিটেড আত্মজীবনী আমি আর পাই নাই আপু । আর অজয় কি রোমান্টিক গায়
কাকন্দিও গালি দিছে ----
কাক্না সমঝদার
আপু সে যেমনে আমারে গালি দিসে কইতেসে তাতে তো মনে হয় সে আঁতেল উপাধি পাইয়া মহা খুশি
আপনি কি আমারে পচানোর প্ল্যান হাতে নিতেছেন ? খুব খারাপ কাকন্দি আশরাফ নাই বইলা আপনি আমারে টারগেট করতেছেন এইটা ঠিক না
তোমারে পচানোর কোন প্ল্যান আমার নাই কিন্তু যেমনে পাগলারে তুই নাও ডুবাইস না কইতাসো তাতে তো মনে হয় তুমি পচার জন্য উন্মুখ
মাসুম ভাই কালকে আন্দোলন শুরু করবে ক্যান এবিতে ব্লক অপশন নাই । নারীজাতি আইসা আড্ডা দিয়া পোস্টের ১২ টা বাজাইলো
হ; মাসুম্ভাই তখন উন্নয়নকর্মীর পোস্টে বলবে সে ব্লক & কমেন্ট মোছার অপশন চায়
না মনে হয় মাসুম ভাই কি মেয়েদের সাথে এমন কঠোর হইতে পারবেন ? ওনার ইমেজ খারাপের ভয়ে
একটু ভাব নিল আর কি? সত্যি সত্যি কি আর মুছবো নাকি
কী যে কও মাসুমভাই ভর্দোলুক
খুশও হইতে পারে । জনপ্রিয় লিস্টে উঠায়া দিতে পারি
মাসুম্ভাই ভদ্রলুক জনপ্রিয়তার কাঙাল না
জবাব দিতে সাহস পাইতাছি না। বেশি চিপায় চইলা যাইতে পারি
চইলা যাইতাছি তো। বাচাও.............
আসলেই এপুটা আগে কত ভাল ছিল।
http://vimeo.com/user244514 এখানে কিছু গান পাবেন অজয় চক্রবর্তী, রামকুমার চট্টোপাধ্যায়, এসডি বর্মন প্রমুখের।
পড়ছি- আংড়েজিতে লেখা খুব ভয়ংকর হিজিবিজি
দেখছি- দুই চোক্ষে আন্ধার দেখতাছি, মাঝে মধ্যে চোখ মেইলা আবার হিজিবিজি দেখি
শুনছি- কাউয়ার ডাক
কেমন লাগতাছে
সামুতে আপনার এই ধরণের লেখাগুলো খুব আগ্রহ নিয়ে পড়তাম। অন্যরা কি পড়ে শুনে দেখে এটা জানতে ইচ্ছে করে, আপনার দেখা পড়া শোনা বরাবরের মত অনবদ্য।
আমি হইলাম তেলাপোকা টাইপ পাঠক। যা পাই তাই পড়ি।
মধ্যাহ্ণ প্রথমটা পড়ছিলাম, কারো থেকে নিয়া। মনে হইছিল সময় নিয়ে যত্ন করে লিখলে ভাল হইতে পারত। পরেরটা পড়ি নাই...
দি আদার ম্যান দেখতে হবে, এই টাইপের ড্রামা টাইপ মুভি আমি ভাল পাই, থ্যাংকু এইটার খবর দেয়ার জন্য ...
বিশাল কোনো প্রত্যাশা নিয়া দেখতে বইসেন না।
সামনে এক্সাম ,আপাতত পাঠ্যবই ছাড়া আর কিছু পড়ার ফুরসত পাচ্ছিনা ,আর মাঝে মাঝে সময় পেলে থ্রিলার ট্রিলার পড়ছি।
কদিন আগে দেখলাম ক্যাপ্রার আর্সেনিক এন্ড দ্য ওল্ড লেইস ,স্যাটায়ার হিসেবে বেশ ভাল ,আর ফাঁকে ফাঁকে ফ্রেন্ডস ,বিং ব্যাং থিওরি তো মওকা পেলেই দেখা হয়ে যাচ্ছে ।
তবে কানের ব্যায়াম মোটামুটি খারাপ হচ্ছেনা
,গানটান ভালই শোনা হচ্ছে ,আমার আবার পড়ার ফাঁকে গান শোনার অভ্যাস কিনা ।
বিগ ব্যাং থিওরী টা জটিল;

টু অ্যান্ড আ হাফ মেন দেখো না? আমার ঐটা মজা লাগে।
বহুদিন পর আজকে একটা মুভি পুরা দেখলাম। রোড ট্রিপ। কলেজপড়ুয়া ছেলেপেলের কমেডি, অবশ্য একটু স্থূল। মাসুমভাই বোধহয় দেখছেন
কাহিনী কি? আপনি রোডট্রিপ দেখতে শুরু করছেন কেন? রেডট্রিপ, ইউরোপট্রিপ টাইপ মুভি তো টিনএইজদের জন্য।
নুশেরা আপু কি টিনএজ নয় ? এত বড় একটা কথা আপনে কইতে পারলেন মাসুম ভাই
সেইটা কি নুশরাকে বোটট্রিপ দেইখা প্রমান করতে হইবো?
টিভিতে মাগনা দেখাইছে তাই দেখছি। দ্য হলিডেও দেখাইছে আজকে কিন্তু ঐ টাইমে কাজ ছিলো দেখতে পারিনাই।
আমার মেয়ে বড় হইতেছে, এইসব দেইখা এই জেনারেশনের ভাবচক্কর বুঝতে হইবো হুঁ হুঁ
রোডট্রিপ!!! আস্তাগফিরুল্লাহ মিন জালিক!! বহুত লুকায়া চুরায়া কলেজে থাকাকালীন সময়ে দেখছিলাম। এরপর লাস্ট কবে টিনএজ মুভি দেখছি বলতে পারি না। নুশেরাপু সিনেমা দেইখা বয়স কমানোর চেষ্টা করতাসেন নাকি??
বয়স কমবো ক্যাম্নে বরং বাড়তেছে বইলাই দেখি। মেয়ে বড় হইতেছে না? কয়দিন বাদে টিনএইজে যাইবো, তাগো কাজকারবারের আইডিয়া কইরা রাখলাম
তুমি যে বয়সে দেখছো তাতে আস্তাগফেরুল্লা অংশটাই মনে থাকার কথা। আমার ভালো লাগছে শেষে কে কী করলো/হলো সেই পরিণতিটা।
আমিও রোড ট্রিপ, ইউরো ট্রিপ দেখসি মেলা আগে; খালি নাম মনে আছে আর কিছু মনে নাই; কালকে নতুন কইরা হলিডে দেখলাম ডায়াজ আর উইনস্লেট এর
হলিডে যখন প্রথম রিলিজ করে, তখন আমার খুব খারাপ সময় যায়। এক ইরানি মেয়ে আমাকে হলিডে দেখাতে নিয়ে গেছিলো থিয়েটারে, তার মনে হইছিলো আমার একটু রিল্যাক্স করা দরকার। টিকেট কেটে সারিনাই, একটা দুঃসংবাদ চলে আসছিলো, আবার ব্যাক করতে হইছিলো। সেই থেকে এই মুভিটা আর আমার দেখাই হয় না, একটা না একটা ফ্যাকড়া লাগে।
কিছুই পড়ছি না, দেখছি না। খালি ঘুমাইতাছি
আত্মজীবনি পড়লে ঘুম পায় আমার....গরীব মানুষ, আই.পি.এলের খেলা দেখতাছি, সেডাও ভাল্লাগতাযছেনা, অখন মনে হয় একটা সিনেমা দেখুম....
)
আর ব্লগ পড়ি তো...
(ইমো দেয়ার সিস্টেম বন্ধ কৈরা দিছে...
বন্ধ হয় নাই তো। এইযে দিলেন।
আর গল্প কৈ?
হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস/গল্প খুব মনোযোগ দিয়ে পড়তাম। পড়ার সময় মুগ্ধতা থাকতো। সব যে মনে থাকতো তা না।তবে অনেক কিছুই মনে থেকে যেতো। বন্ধুরা হু আ নিয়ে উল্টাপল্টা বললে খুব খেপে যেতাম। কিন্তু ইদানীং যা পড়ছি আমার নিজেরই মেজাজ খারাপ হয়।মাতাল হাওয়া পড়লাম গত ছুটির দিন সারাদিন সব বাদ দিয়ে। যখন শেষ পাতাটা পড়লাম রাগে, ঘৃণায় আমার কান্না পাচ্ছিলো। মনে হলো ছুঁড়ে ফেলে দেই।মনে হলো পারলো কিভাবে এমন লিখতে?
মুভি দেখি না অ-নে-ক-দি-ন।
গান শুনি এককেসময় একেকরকম পছন্দ।তবে বাংলা বেশী পছন্দ।
আত্মজীবনী পড়তে ভাল লাগে..।
হার্ট লকারের মত ফালতু মুভী কমই আছে..।
দ্য আদার ম্যান ভাল হৈছে..।
আমি বিগত দশ বছর জগজিতের জন্য ফিদা.....প্রায় সব অ্যালবাম কালেকশনে আছে....।
হার্ট লকার দেখিনাই, তবে বোদ্ধা বন্ধুদের কাছে শুনে ফালতুই মনে হয়েছে। সেদিন একচোট অস্কারকে গালাগালি করলাম এজন্য।
বর্তমান সময়ের সাহিত্যিকদের মধ্যে নিঃসন্দেহে নির্মেলন্দু গুন সবচেয়ে সৎ এবং সত্যবাদী। আহমদ ছফাও ছিলেন।
ক্যাসান্দ্রা ক্রসিং দেখলাম গতকাল। অনেক আগের না দেখা মুভি। সোফিয়া লরেনের নেশা আবার পেয়ে বসছে।
পড়ার, দেখার, শোনার অনেক কিছু বাকী অাছে জীবনে...
জগজিতের অল টাইম হিট : ইয়ে দোলত ভি লেলো, ইয়ে শহরত ভি লেলো...
মানেটা এরকম : টাকা-পয়সা-শান-শওকত সব নিয়ে যাও, অামার ছোটবেলার সব ফিরিয়ে দাও...
মন্তব্য করুন