ইউজার লগইন

মীর'এর ব্লগ

কবিতা: তোমাকে জানাতে চাই

কোনো বৃষ্টি ছাড়াই শুভ্র আকাশের শাদায় সেদিন
রঙধনু ছড়িয়েছিলো সাতটি সুন্দর রঙ
তার সবগুলো ধরে নিয়ে তুমি হয়েছিলে অনন্যা,
তোমায় যত যাই বলি- জেনে রেখো তাতে
কোনোদিন পুরোপুরিভাবে তোমাকে ফুটিয়ে তোলা যায় না।

সেই অক্ষমতা মেনে নিয়েই মাঝে মাঝে মহানগরীর অলি-গলি থেকে
তোমায় খুঁজে বের করে জানতে চাই, কেমন আছো সুন্দরী?
সে তো কেবল তোমার সঙ্গে কিছুদিন কথা না হলে
অনেক অ-নে-ক বেশি
মিস্ করি,
তাই।

তাই তোমাকে আমি জানাতে চাই,
তোমার ভালো থাকাটা অনেক বেশি জরুরি
কারণ তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে
আমার একটা লক্কর-ঝক্কর গরুর গাড়ি।
---

বাংলাসিংহের রত্ন-প্যাক এবং ব্যংকক ডেঞ্জারাস

বৃহস্পতিবার বসুন্ধরা সিটি পিং পিং প্লেক্স থেকে একটা বাংলাসিংহ 'রত্ন-প্যাক' মডেম কিনেছিলাম। আনার পরদিনই সেটা ফিরিয়ে দিয়ে আসতে হয়েছে।

ইয়াক! কি বিশ্রী মার্কেটিং পলিসি! জিনিসটা বিক্রির সময় বলে নাই- ওদের কোথায় নেটওয়ার্ক আছে আর কোথায় নাই। পই পই করে জানতে চেয়েছিলাম, আমি যেখানে থাকি সেখানে আপনাদের নেটওয়ার্ক আছে তো?

-হ্যাঁ স্যার কি যে বলেন না! ঢাকার কোথাও আমাদের কোনো সমস্যা নাই।

বাসায় এসে দেখি সিআইএনআর পায় মাইনাস ৫ থেকে সর্বোচ্চ ২ পর্যন্ত। কাস্টমার কেয়ারে ফোন করলাম। তখন আর আসল কথা বলে না, খালি প্যচায়। বলে, দুই-তিনদিন দেখেন স্যার, যদি নেট না পান। ফিরিয়ে দেবেন। আমাদের পলিসি আছে। পুরো টাকা রিফান্ড করা হবে।

পলিসি-পলিসি শুনে কান ঝালাপালা হয়ে গেলো। আরে ভাই, আমি তো পলিসি কভারেজ পাওয়ার জন্য জিনিসটা কিনি নাই। কিনছি সার্ভিসের জন্য। সার্ভিস দিতে না পারলে প্রোডাক্ট সেল করছেন ক্যান?

যাও পাখি বলো তারে গানটা শুধু ঘুরপাক খাচ্ছিলো সেই সন্ধ্যায়

অফিস শেষ করে বের হওয়ার সময় ঘড়িতে দেখলাম সোয়া নয়টা বাজে। মনে মনে হিসেব করে দেখলাম, বাসায় ঢুকতে ঢুকতে সোয়া দশটা থেকে সাড়ে দশটা বাজবে। ভাটারা ইউনিয়ন টু শহীদবাগ। ফার ওয়ে টু গো। শহরটা এত লম্বা! মাঝে মাঝে আশ্চর্য লাগে আমার।

কৈশোরের ছোট্ট শহরটার কথা মনে পড়ে গেল। তার কেন্দ্র থেকে যেদিকেই যাই, বড়জোর পাঁচ কিলো পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব। এরপরে গ্রাম। মেঠোপথ। জমির আইল। ইউক্যালিপটাস। সবুজ ঘাস। দূরে ছোপ ছোপ ঘন গাছপালা ঘেরা গেরস্থ-বাড়ি। মেঠোপথে দাঁড়িয়ে সেদিকে তাকালে মনে হয় এক টুকরো সবুজ বনভূমি বুঝি তাকিয়ে আছে। তার চোখের দৃষ্টিতে গভীর মায়ার পরশ। উপস্থিতিতে শীতল প্রাণজুড়ানো হাতছানি। সে ছিলো এক অন্যরকম পরিবেশ। ঢাকায় এমনটা নেই। অথচ সেই স্নিগ্ধ শহরকে পেছনে ফেলে চলে এসেছি মহানগরীতে। ভালবাসা সম্পর্কে কিছুই জানে না, কেবল স্বার্থপরের মতো জীবন চুষে খেতে জানে- এমন এক প্রেমিকার উদ্দেশ্যে সঁপেছি দেহ-প্রাণ।

আবোলতাবোল এবং ভীষণ হ-য-ব-র-ল

ভাটারা ইউনিয়ন ঢাকা থেকে খুব বেশি দূরের কোনো জায়গা না। ১৫-২০ কিলো হবে বড়জোর। আমার যাওয়া-আসা করতে ভালোই লাগে। জ্যামধূলিময় প্রেমিকার বুকে আমি চুলে আঙুল দিয়ে বিলি কাটার মতো করে ঘুরে বেড়াই। কি হবে একটা জীবন যাপন করে? প্রতিদিন সকালে সংশয়টা আমার মনের ভেতর সরকারী কর্মচারীদের মতো একটা টিফিন ক্যারিয়ার হাতে এসে চেয়ার-টেবিল পরিস্কার করে নিয়ে বসে। তারপর আমি গ্যারেজে গিয়ে চোক টেনে ধরে প্রিয় কপ্টারে কিক দিই। মিনিট দু'য়েক চোকটা টেনে ধরে থাকি। কপ্টারের এঞ্জিন গরম হয়। মেলমিনকে নিয়ে গেছে বাড়িতে। তারপর থেকে নতুন সঙ্গী হয়েছে সে আমার।

কবিতা : বউচি খেলা

সময় পাচ্ছি না, সময় পাচ্ছি না
তোমার জন্য ফুল কিনেছি
দেবো কবে বুঝতে পারছি না,
হাজার কথার উল বুনেছি
বলবো কবে-বলতে পারছি না,
মিলিয়ে দেখার ছবি এঁকেছি
তোমার সঙ্গে বসতে পারছি না।
সময় পাচ্ছি না, সময় পাচ্ছি না।

মহাকাল তোমায় দেখতে দিচ্ছে না
মনের চোখেও দ্বন্দ, তোমার জন্য
মিলাবো বলে ভেবে রেখেছি ছন্দ।
আর তোমার কথা ভাবছি যখন
ঘুমাচ্ছি আর জাগছি, তোমায় নিয়েই মাতছি
যখন থাকছি কিংবা যাচ্ছি।

শুধু সময় পাচ্ছি না বলে তোমার সঙ্গে
দেখা হচ্ছে না, তুমি ভেবো না তোমায় ভুলেছি;
সুযোগাভাবে ঠেসে-ঠুসে
সুখ বুনছি না, তুমি যেও না খেলতে বউচি।
---

ধূলিময় জীবনের বৃত্তান্ত : যেভাবে মানুষ থেকে পশুতে রূপান্তরিত হয়েছিলাম

নগরজীবন ধূলিময়! শহরের অলমোস্ট সবখানে এখন নির্মাণ কাজ চলছে, আর ধূলা উড়ছে। দিন নেই, রাত নেই; সবসময়, সবখানে। এমন যদি আইন থাকতো যে, কোনো একটা নির্মাণ-সাইটে নির্দিষ্ট ভলিউমের চেয়ে বেশি ধূলা উদগীরণ করলে নির্ধারিত হারে জরিমানা গুণতে হবে; তাহলে বোধহয় এই অত্যাচারের হাত থেকে আমরা নগরবাসী সবাই একটা রেহাই পেতাম। যানজটের মতোই আরেকটা মহাসমস্যা হয়ে দাঁড়াতে যাচ্ছে ধূলার অত্যাচার।

একটা দুঃখের কথা

সেদিন গৌতমদা' একটা পোস্টে লিখেছিলেন, রাত্রে বউএর সঙ্গে টাংকি মারার কথা। আমি ছোট মানুষ। বিষয়টা এক চান্সে ধরতে পারি নাই। তাই সরলমনে তার কাছে জানতে চাইলাম, ভাই নিজের বউএর সঙ্গে কিভাবে টাংকি মারে? তিনি প্রত্যাশিত উত্তর দিলেন- পুলাপান এগুলি বুঝবো না।

বুঝায়ে দিলেন মাসুম ভাই। বউ ব্লগ পড়লে নাকি এমন কথা লেখা লাগে। নাইলে নাকি বিপদ। তো আমি গতকাল সকালে ১১ টা ২৯ মিনিটে সেইটা দেখে পোস্টটায় একটা কমেন্ট দিলাম- প্রথমে যে বিষয়টা বুঝতে পারি নাই, সেটা বুঝায় দেয়ার জন্য মাসুম ভাইকে ধন্যবাদ।

হৃৎপিন্ড আক্রান্ত: আশায়, অপেক্ষায়, উত্তেজনায়, শিহরণে অস্থির (সাময়িক পোস্ট)

সকালবেলা গিয়েছিলাম মিরপুর। ইনডোর স্টেডিয়ামে। রাস্তায় গাড়ি-ঘোড়া অনেক কম। মজার বিষয় হচ্ছে দোকান-পাটও দেখলাম অনেক জায়গায় খোলে নাই। মালিবাগ, মৌচাক, ওয়্যারলেস গেট, মগবাজার এলাকায়। বিজয় নগরের দিকেও। এক বন্ধু ফোন করে বললো, সুপারভাইজারকে বলে নাকি তাড়াতাড়ি বাসায় চলে যাবে আজ। সে সপ্তাহে পাঁচদিন নয়টা-পাঁচটা অফিস করা, তিনদিন ইভনিং এমবিএ আর দুইদিন স্পোকেন ইংলিশের ক্লাস করা সিরিয়াস ধরনের মানুষ। কিন্তু আজ তার তাড়াতাড়ি ছুটি চাই।

‘ভৃত্য হবার দায়, হায় এড়াই কিসে’

পৃথিবীর সবকিছু ক্রমে কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠছে। আমরা যারা সাধারণ মানুষ, এক্কেবারে খাঁটি চাঁপাই'এর আম; তাদের জন্য। যারা সাধারণের স্তর থেকে উপরে উঠেছেন, তাদের জন্য আবার সবকিছু সহজ। সাবলীল ও মসৃণ।

বিষয়টা অনেকটা ব্যংকক-সিঙ্গাপুর-হংকং'এর ট্রাফিক ব্যবস্থার মতো। আমি নিজে এসব জায়গায় কখনো যাই নি। মানুষের মুখে শুনেছি। সেখানে অপেক্ষাকৃত কম যান চলাচলকারী রাস্তা দিয়ে চলতে হলে বেশি পয়সা গোনা লাগে। যাদের সে সামর্থ্য নেই, তারা যানজটে আটকে থাকে। আমাদেরও আজ সেই দশা।

উল্লিখিত জায়গাগুলো বাংলাদেশের চেয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উন্নত। তার মানে আমাদেরও জাতিগত উন্নতি ঘটছে। কারণ আমাদের গরীবরা প্রতিদিন আরো গরীব হচ্ছে। আর ধনীরা প্রতিদিন আরো ধনী। পয়সা নাই, ফাঁকে যাও। পয়সা আছে, আরাম নাও।

সময়গুলো দ্রুত পার হয়ে যাচ্ছে

ইদানীং সময়গুলো খুব দ্রুত পার হয়ে যাচ্ছে। এটা বোধহয় আমাদের সবারই হচ্ছে। সেদিন সাকিব আল হাসানকে দেখলাম, এ নিয়ে আক্ষেপ করতে। বিপিএল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট সম্পর্কিত নিজের একটা লেখায়। সাকিবকে আমি পছন্দ করি ওর রেগুলার পার্ফর্মেন্স আর পজিটিভ অ্যটিটিউডের জন্য। আর প্রথম আলোতে ছাপা হওয়া ওর লেখাগুলো পড়ে পড়ে যেটা মনে হয়েছে, লেখালেখির কাজটাও বেশ পারে ছেলেটা। সব মিলিয়ে একজন অলরাউন্ডার যাকে বলে আরকি। আমার আরেকজন পছন্দের খেলোয়াড় হচ্ছে আশরাফুল। যদিও বেচারা এখন পর্যন্ত নিজের সেরা সময়টা খুঁজে পায় নি এবং নিজের সেরা খেলাটাও খেলতে পারে নি। তবু আমি আশায় আছি, একদিন সে ফর্মে ফিরবে এবং অনেকদিন পর্যন্ত একটানা স্বীয় ঝলকানিতে প্রকম্পিত করে রাখবে চারদিক। প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো, আমার অপছন্দের একজন খেলোয়াড় হচ্ছে তামিম ইকবাল। ছোকড়াকে ডেঁপো আর বেয়াদপ ধরনের মনে হয়েছে আমার। এ ধরনের ধারণা অবশ্য এমনি এমনি তৈরি হয় নি আমার ভে

সময়গুলো দ্রুত পার হয়ে যাচ্ছে

ইদানীং সময়গুলো খুব দ্রুত পার হয়ে যাচ্ছে। এটা বোধহয় আমাদের সবারই হচ্ছে। সেদিন সাকিব আল হাসানকে দেখলাম, এ নিয়ে আক্ষেপ করতে। বিপিএল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট সম্পর্কিত নিজের একটা লেখায়। সাকিবকে আমি পছন্দ করি ওর রেগুলার পার্ফর্মেন্স আর পজিটিভ অ্যটিটিউডের জন্য। আর প্রথম আলোতে ছাপা হওয়া ওর লেখাগুলো পড়ে পড়ে যেটা মনে হয়েছে, এ কাজটাও বেশ পারে ছেলেটা। সব মিলিয়ে একজন অলরাউন্ডার যাকে বলে আরকি। আমার আরেকজন পছন্দের খেলোয়াড় হচ্ছে আশরাফুল। যদিও বেচারা এখন পর্যন্ত নিজের সেরা সময়টা খুঁজে পায় নি এবং নিজের সেরা খেলাটাও খেলতে পারে নি। তবু আমি আশায় আছি, একদিন সে ফর্মে ফিরবে এবং অনেকদিন পর্যন্ত একটানা স্বীয় ঝলকানিতে প্রকম্পিত করে রাখবে চারদিক। প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো, আমার অপছন্দের একজন খেলোয়াড় হচ্ছে তামিম ইকবাল। ছোকড়াকে ডেঁপো আর বেয়াদপ ধরনের মনে হয়েছে আমার। এ ধরনের ধারণা অবশ্য এমনি এমনি তৈরি হয় নি আমার ভেতরে। তার

উপন্যাস : অচল পয়সার জবানবন্দি (৬)

৬.

দ্রুত খান ভাইকে ধরে ফেললাম। আমাকে দেখে তিনিও বেশ অবাক! কি সমাচার জানতে চাইতেই, তিনি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়লেন, কই যান আপনি? বললাম গুলশানের দিকে। একটা বিশেষ কাজে।

তার প্রশ্নের পিঠে কেবলই প্রশ্ন। কাজটা কি বিশেষ জরুরি?

আমার মনে হলো তিনি বোধহয় আমাকে দেখে খুশি হয়েছেন। কিন্তু কারণটা বুঝতে পারছিলাম না। যদিও ঢাকা শহরের স্বাভাবিক নাগরিক নিয়ম হচ্ছে, রাস্তায় পরিচিত কাউকে দেখে মুখটা একটু বাড়তি গম্ভীরতার আড়ালে ঢেকে ফেলা। নাহলে আবার বিকাশমান কর্পোরেট সংস্কৃতি এবং তারও আড়ালে বিকাশমান স্বার্থবাদী মনস্তত্বের চর্চাটুকু বজায় থাকে না। মানুষে মানুষে যে একসময় সুসম্পর্ক ছিলো, তারা যে একে অপরকে দেখলে খুশি হতো; এখনকার মানুষের মেলামেশা দেখলে কে সেই কথা সত্য বলে মানবে?

গল্প: একটা সাধারণ ছেলের গল্প

১.

মধ্যরাত আজকাল এত দ্রুত পার হয়ে যায় যে, পুরো রাতটাকেই কিঞ্চিৎ একটা সময়ের গণ্ডির মতো লাগে আমার কাছে। মানুষ বাস করে একটা দ্বিধার ভেতর। ভালো-খারাপের দ্বন্দ। এর কোনোটাই গ্রহণের ক্ষমতা তার নেই। খারাপ ও ভালো কোনোটাই ধারণ করতে পারে না সে। তাই যখন মানুষের ভালো সময় যায়, তখন সে শঙ্কিত থাকে। আবার যখন খারাপ সময় চলে, তখন তার মনের একটা অংশ সান্তনাস্বরূপ এই ভেবে খুশি হয় যে, মেঘ দেখে কেউ করিস নে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে। মানুষ শুধু সবসময় চায় একটা ভিন্ন কোনোকিছু। কিন্তু সেই ভিন্ন কোনোকিছুটা কি, সেটা সে জানে না।

চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ১৭

হে দুর্ভাগ্যনাশিনী তোমার জন্য সাতটি রক্তিম গোলাপ রেখেছি
কিন্তু এর চাইতে বেশি কিছু রাখা সম্ভব হয় নি।

আমি জানি তুমি আমার উপহার পেতে খুব বেশি ভালোবাসো
তাই আমি তোমায় কোনো উপহার দিই না।

সম্ভবত এটাই তোমার সবচেয়ে বড় উপহার হয়ে উঠবে একদিন,

কেননা কাছে টেনে এনে আঘাত দেয়ার চেয়ে
দূরে ঠেলে রেখে গোলাপ দেয়া উত্তম।

---

উপন্যাস : অচল পয়সার জবানবন্দি (৫)

৫.

আসিফকে আগেই বিদায় দেয়া হয়েছে। তবে এই একটা বন্ধুকে আমার কখনোই ছাড়তে ইচ্ছে করে না। ও নিজেই মিরপুরে বোনের বাসায় হাজিরা দিতে চলে গেলো। আমি জানি রাত হতে হতে সে ফিরে আসবে। আমার ডেরা তার অপরিচিত নয়।

যুথীরা চলে যাবার পর ঠিক সন্ধ্যে নামার মুখে আমি আবারো একা হয়ে গেলাম। একটা বিষয় ভেবে আশ্চর্য লাগলো। কেন আজ কোথাও বেশিক্ষণ বসতে পারছি না?