কারো বই-পত্রের আহবানকে করেন ''স্টিকি'' আর পত্রিকা পড়ার আহবান হলো নীতিবিরুদ্ধ?
মডারেটর, আমরা বন্ধুর চলতি ''স্টিকি' পোস্ট হচ্ছে --দুই ব্লগারের বইমেলায় প্রকাশিত দুটি বই এর বিজ্ঞাপন এবং প্রকাশনা অনুষ্ঠানের খবরসহ সময় ও তারিখের ঘোষনা, যা রীতিমত ব্যবসায়িক প্রচারনা । কিন্তু আমার অনলাইন পত্রিকার লিঙ্ক দিয়ে তা পড়ার আহবানও কি সেই পর্যায়ে পড়ে? তবু আপনারা ক'জন ব্লগারের আপত্তিতে আমার নির্দোষ লেখাটি নীতিমালার দোহাই দিয়ে প্রথমপাতা থেকে সরিয়ে দিলেন! এটা কি পক্ষপাতিত্ব ও বৈষম্যমূলক হলো না?
আপনারা স্বীকার না করলেও পাঠকরা কিন্তু সবই বুঝবে, তাদের চোখ-কান খোলা আছে।বইয়ের প্রচারণা চালালেও তাকে স্টিকি করবেন আর একটা পত্রিকা পড়ার আহবানকে নীতিবহির্ভূত বলবেন, এটা কেমন নীতি সেটাই আমার প্রশ্ন? আশা করি ব্যাপারটা পরিষ্কার করবেন।





চুপচাপ পড়ে গেলাম।
আপনি এমন করে চুপচাপ চলে গেলেন কেনো ভাই, তবুও ধন্যবাদ ।
এইগুলা নিয়ে প্রথম দিকে আনেক আলোচনা হয়েছে... সো নতুন করে আলোচনার কিছু নাই।
ব্লগে লিখে তারপর সেই লেখাগুলো নিয়ে বই বের করার আর প্রতি মাসে মাসে পত্রিকা বের করা দুইটা কি আপনার কাছে এক মনে হয়? অতীত অভিজ্ঞতায় দেখেছি, এখানে পত্রিকার জন্য লেখা আহ্বানের পোস্ট ও সরাইয়া দেয়া হয়। আর বই বের হয় বছরে ১বার। ফেব্রুয়ারীকে ঘিরে। এখনে বই পড়াকে উৎসাহিত করার জন্যই বইয়ের বিজ্ঞাপন উতসাহিত করা হয়। পত্রিকা পাঠ উৎসাহিত করার কিছু নাই। আমি আমার মত জানালাম।
আপনার মতামতের জন্য শুভেচ্ছা, কিন্তু পত্রিকাকে খাটো করার মানসিকতাকেও সমর্থন করা যায় না। অসির চেয়ে মসিই শক্তিশালী, এটা মানলে কেনো পত্রিকার প্রচারকে কম গুরুত্ব দেবেন ।
তাহলে শওকত হোসেন মাসুম সাহেবকে বলেন, তাদের পত্রিকা যেহেতু দৈনিক সেহেতু প্রতিদিন একটি করে বিজ্ঞাপন দিতে।
আর একটা অনুরোধ এমন শক্তিশালী মসির জন্য আমরাবন্ধু ব্লগে আর বিজ্ঞাপন দিয়েন না। আমরা বিরক্ত হই। আশা করছি এইটুকু বোঝার মত অবস্থা আপনার আছে।
বাঁশের চেয়ে নাকি কঞ্চি বড় আর মায়ের চেয়ে মাসীর দরদ বেশী। চাইলাম মডারেটরের কাছে জবাব, তারা চুপচাপ তামশা দেখছেন আর আপনারা সামান্য বিষয় নিয়ে কুরুক্ষেত্র বাধাচ্ছেন?
আমরা তো কত জিনিসেই বিরক্ত হই, সেখানে কি প্রতিবাদ করি যেমন--ইভটিজার-সন্ত্রাসী, যানজট, ডাস্টবিন, পরিবেশ দূষণ ইত্যাদি?? কিন্তু নিরীহদের ওপরই নিতে পারি একচোট, কী বীরপুরুষ আমরা, তাই না!! কে মডারেটর, কে যে ব্লগার--বোঝাই মুশকিল।
বিনা পয়সার নসিহতের জন্য ধন্যবাদ, ন্যাড়া বেলতলায় একবারই যায় ।
আমিও বুঝলাম না আমার মতো কম বুঝা এক রোগী ব্লগারের আপত্তিতে মডারেটর আপনার নির্দোষ পত্রিকা পড়ার আহবানটা সরায় ফেললো কেন?? এতে এত ওরিড হওয়ার কিছু নাই ব্রো কারন আপনার কথামতো পাঠকদের চোখ কান হাতের আংগুল সবই চালু আছে।
সো তারা ঠিকই খুজেঁ নিয়ে আপনার পত্রিকা পড়বে।
অফটপিকঃ আপনার পত্রিকায় দেখলাম সীমান্তে ফেলানীসহ সকল সীমান্ত শহীদ এবং ৫২ ও ৭১'র মহান শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছেন দিয়ে একটা ছবি দিয়েছেন এক মাওবাদী বিদ্রোহীর। এটা কি রকম হলো?? পাঠক কিন্তু বিভ্রান্ত হবে এমন প্রচারনাতে।আশা করি আগামী কিস্তিতে ঠিক করে নিবেন।
ভাই, এমনটি হবার কথা নয়। কোন ছবিটা নির্দিষ্ট করে বললে সংশোধন করে নেবো। আপনার কথা সঠিক হলে তা একটা ভুল ছাড়া কিছু নয়। ধন্যবাদ ।
ভাইজান দয়া করে খালি এই লিঙ্কটাতে ক্লিকান তাইলেই হবে।
আর এতো ভালবেসে ম্যাগাজিন বানাচ্ছেন সেখানে কি প্রকাশ করছে তা জেনেশুনে যাচাই বাছাই করে প্রকাশ করা উচিত।
আশাকরি ভুল সংশোধন করে নিবেন।
আপনাকে বহুত ধন্যবাদ ভুল ধরিয়ে দেয়ার জন্য ।
মূল্যবান এই পোষ্টখানা ষ্টিক করার জোর দাবী জানাই
রুবেলের সাথে সহমতের উপ্রে একমত।
রুবেল আর রায়হান ভাই এর সাথে একমত।অতি মূল্যবান এই পোষ্ট ষ্টিকি করা হোক।
আপনার মতামতের জন্য অনেক শুভেচ্ছা।
রুবেল শাহ, হাসান রায়হান এবং জয়ীতা'র সাথে একমত।
অনেক ধন্যবাদ
রুবেল শাহ, হাসান রায়হান, অরিত্রদা এবং জয়ীতা'র সাথে একমত।
জনাব, আপনার পরম ও চরম আমন্ত্রনে ধাবিত হইয়া আপনার সেই জাতীয়তাবাদী খিচুড়ী ম্যাগাজিনের উপর দিয়ে একচক্কর ঘুরে আসতে বাধ্য হলাম এবং অতীব দুঃখের সাথে জানাতে চাই যে, আপনার সেই মহান জাতীয়তাবাদী খিচুড়ি পত্রিকা আমার মতো নাদান পাঠকের পেটেও গ্যাস উৎপন্ন করিয়াছে।
সুতরাং ভবিষ্যতে এইসব আগাছার বিজ্ঞাপন দিয়ে কারো মূল্যবান সময় নিয়ে টানা-হেচড়ার না করার জন্য পাঠক হিসাবে আপনার কাছে আমার সবিনয় অনুরোধ।
ও বাবা আমি তো না দেখেই মন্তব্য করে ফেলেছি । আগে তো জানতাম না এই অবস্থা ।
রাসেল সাহেব, আপনি অন্তত শিকড়ের বাজে কথায় কান দেবেন না আশা করি। আর আপনার মন্তব্ তো পত্রিকাকে ও তার প্রচারণাকে নিয়ে, পত্রিকার লেখা নিয়ে নয়? আর আমি দুঃখিত যে, শিকড়কে জবাব দিয়েছি ভুলে আপনার কলামে। আপনার মাগাজিনের প্রতি দরদকে আমি সম্মান করি। অনেক শুভেচ্ছা।
ভাই, আপনার ভাষাপ্রয়োগ দেখে মনে হলো- আমার সাথে আপনার কতদিনের শত্রুতা । এটা কি ভদ্রলোকের ভাষা হলো? সমালোচনার অধিকার মানে কি গালাগাল, এ শিক্ষা তো আমি কথাও পাইনি । আপনি পারতেন চুলচেরা বিশ্লেষন করে পরামর্শ দিতে । সাহিত্য না বুঝলে সেটা আলাদা কথা, বলবেন বুঝি না। কিন্তু সাহিত্যেও খোঁজেন বস্তাপচা রাজনীতি? কারো স্বাধীনতায় কখনোই হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়, অবশ্য বর্ণচোরা থাকার এটাই লাভ যে, যাকে খুশি গাল দেয়া যায়।
তবুও আপনাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ।
ভাই আপনারা আর এগুলো (কথা কাটাকাটি) কইরেন না ।বাদ দেন । আমার নীচের মন্তব্যটি পড়ে সান্তনা নেন, আর আমি আপনার পত্রিকা পড়াতে গেলাম এসে মন্তব্য দিব ।
গালাগালের বিরোধীতা করছেন অথচ মন্তব্যকারীকে " বর্ণচোরা " বলে ঠিকই গালী দিলেন !!! অবাক হলুম দাদা আপনার স্ববিরোধী আচরন দেখে।
ভুল বললেন, আমি গালি দেইনি, দিতেও পারিনে। আপনি যেমন স্বনামে আমার মতই লিখেছেন । তাই আপনি আমি বর্ণচোরা নই। কিন্তু যে নিজেকে লুকায় তাকে তো কেউ চেনে না, তাই তাকে কী বলবেন, কী নামে ডাকবেন? ছদ্মবেশী নয়তো বর্ণচোরা--এটাকে গালি বলে কি?
দূঃখিত একমত না হতে পারবার জন্য।
ছদ্দ নামে লিখলেই কেউ ছদ্দবেশী বা বর্বচোরা হয়ে যাবে এটা আপনাকে কে বল্লো ? নীল লোহিত নামে যখন সূনীল লেখেন তখন তাকে কি ছদ্দবেশী বা বর্নচোরা বলা যায়? সাহিত্য এরকম অনেক উদাহরন দেয়া যায়, আশা করি সেটা আপনার জানা আছে। আর ব্লগে এটা একটা প্রচলিত আচার যেখানে ব্লগাররা নিজ নামের বাহিরেও সুন্দর নামে " নিক " নেন ও সেই নামে ব্লগিং করেন। আর যাকে উদ্দেশ্য করে বলছেন তার ব্যক্তি পরিচয় এখানে অনেকেরই জানা, হয়তো আপনার সাথে তার পরিচয় নেই বলেই এমনটি ভাবছেন। নীড় সন্ধানীর উদ্দেশ্য আপনার করা মন্তব্য চরম আপত্তিকর ও 'আমারা বন্ধু' ব্লগের সাথে যায় না এটা আদৌ।
আমি বা আপনি যে আসলেই নিজেদের আসল নামে লিখছি সেটাই বা নিশ্চিৎ হই কিভাবে ? হয়তো আপনি শাহ আলম বাদশা নামে এ ব্লগে লিখলেও আসল নাম হয়তো রইসুদ্দীন হাওলাদার বা আমি নরহড়ি কার্বারী ! তাই না ?
আমি দুঃখিত সুমন, বিতর্কে যাবো না অবসান হোক ভুল বুঝাবুঝির। তবে সাহিত্যের ছদ্মনাম আর ব্লগের ছদ্মনামের ব্যাপারটা আপনি গুলিয়ে ফেলেছেন। ব্লগের মত জাহাজী পোলা, আউল-বাউল, বেলের কাটা , বস্তির পোলা জাতীয় নিককে কি ছদ্মনাম নাম কেউ বলবে। এসব ফান জাতীয় নিক যা স্থায়ীভাবে কেউ ব্যবহার করেনা কিন্তু সাহিত্যের ছদ্মনাম হয় স্থায়ী, বুঝলেন। ধন্যবাদ।
আপনি নীড়দা'কে বলসেন
উনার লেখা পড়সেন আপনি?

বাণী চিরন্তনী।
নীড়'দার একটা লেখা শুধু পড়েন, তারপর নিজের এই "বানী চিরন্তনি" টা আবার এসে পড়েন... বাজি ধরে বলতে পারি লজ্জিত হবেন... কাকে কি বলছেন চোখকান খুলে দেখেশুনে একটু ভেবে নিন, নয়তো পদে পদেই লজ্জার স্বীকার হবেন নিজের কাছে নিজেই...
দু:খিত; আপনি আমার মন্তব্য ভুল বুঝছেন।
আমি নীড়দার লেখার ভক্ত। তাই ওনাকে উদ্দেশ্য করে বাদশা ভাইয়ের কমেন্টটা আমার কাছে হাস্যকর মনে হয়েছে। "বাণী চিরন্তনী" কথাটা ব্যঙ্গ করে বলা।
উলটচন্ডাল@ মিয়া আপ্নারে কইছি নাকি!!!... হুর!
আমার মন্তব্যের ভুল বুঝার জন্যে আবারো দুঃখিত হন জলদি!!
হায় হায়

এবার কান্না করা লাগবে
আমার মনে হয়, এই ভদ্রলোক সামুতেও এরকম বিজ্ঞাপনী পোস্ট দিয়ে অভ্যস্ত। সেখানে এরকম লেখাগুলো শূন্যবার পঠিত অবস্থায় থাকে। সে তুলনায় এবি'তে একটা ঝামেলা লাগিয়ে হলেও নিজের প্রকাশনাটির বাড়তি কাটতি হলো, মন্দ কি?
আর জেবীন আপু মনে হয় কথাটা পোস্টদাতার উদ্দেশ্যেই বলেছেন। @ উলটচন্ডাল
আপনারা দেখছি, রাজনীতিবিদদের মতই ফাও কথা বলায় অভ্যস্ত, কে কেমন, কার ব্যক্তিত্ব কেমন সেটা লেখায় প্রকাশ পায়, যিনি পত্রিকাকে ''আগাছা' বপ্লে গাল দিতে পারেন--তার ওজন পাঠকরা ঠিকই মূল্যায়ন করছেন ।
আর জন্ম আমার লেখালেখিরও পরে তাদের বালখিল্যতা দোষের নয়। সেজন্যই সম্ভব আবোল-তাবোল বকাটা।
আপনার পত্রিকাটা দেখেছি। ওটা আগাছাই। অনলাইন প্রকাশনা, ডেস্কটপ পাবলিশিং, সর্বোপরি সাংবাদিকতা বিষয়ে আপনার পড়া-শোনার ঘাটতি আছে বলে মনে হয়েছে।
নিয়মিত পাঠকরা কাকে কি মূল্যায়ন করছে সেটি আপনার এই পোস্ট ও আগের পোস্টের কমেন্টগুলোতে পরিস্কার।
'পাঠক' নিকটি একটি মডারেটর নিক। সেখান থেকে আপনাকে বলা হয়েছে
আসলে কি, কাউকে সরাসরি গলাধাক্কা দিয়ে বের করে দিলে সেটা খুব অপমানজনক হয়। আপনার মতো একজন ব্যক্তিকে সেটা করাটা শোভনীয়ও নয়। আশা করি বুঝতে পারছেন।
'বালখিল্যতা' শব্দটির প্রয়োগ যথাযথ হয় নি। কোথায় যেন দেখেছিলাম, আপনি যদি নিজেকে ৮০'র দশকের কবি হিসেবে দাবি করতে চান। সেক্ষেত্রে আপনার লেখালেখি আমার জন্মের অনেক পরে নিঃসন্দেহে। তদুপরি আপনি বয়সে বড় সেটি স্বীকারে আমার কুন্ঠা নেই। তবে কিনা আপনার আচরণ সেটি বলছে না। আমি প্রাপ্তবয়স্কদের কাছ থেকে আরো পরিণত আচরণ আশা করি।
মীরের কথায় একটা কথা মনে হলো
আমাদের বাদশাসাহেবদের হয়েছে সেই দশা।
ওনার গালাগালের ভাষার অশুদ্ধ গঠন ও শব্দচয়ন দেখেই বুঝেছি লেখার মান কী হতে পারে, আর পড়ার অবকাশ নেই।
ধন্যবাদ ।
আপনি সাহিত্যে রাজনীতি আনতে চান না ! অথচ নিজের সাইটেই ফারাক্কা নিয়ে কবিতা আছে যেখানে ছবিও দেয়া আছে। ফেলানীর কথাও বলেছেন ! অথচ এদুটোই কিন্তু বিগ পিকচারে রাজনীতির মাঝে চলে আসে
স্ববিরোধী আচরন হয়ে গেলো না !
আপনার মুখে এমন বেমানান কথা শুনে বিস্মিত হলাম, বলেন কী? দেশপ্রেম আর রাজনীতির ফারাক করতে পারছেন না কেনো? আমি রাষ্ট্রবিজ্ঞআনের ছাত্র, রাজনীতি আর সাহিত্যের ফারাক বুঝি, যা গুলিয়ে ফেললেন নীড়ের মতই। ফারাক্কা মানেই পরিবেশবিপর্যয় আর ফেলানী মানেই মানবতার প্রতি আঘাত, যা প্রকৃত সাহিত্যপ্রেমী-সত্য/সুন্দরের সাধকমাত্রই এড়িয়ে যেতে পারে না। আর একে বলছেন রাজনীতি??
হ , ঠিকাছে তাল গাছটা আপনার।
আমি ক্ষ্যান্ত দিলাম বাহে।
নীড়দার ফাসি চাই।
ঐ ডেভু ব্যাটা কই, ফাসির ইমো দেন
বই আর পত্রিকার গুরুত্ব একই হওয়া চাই । এটা আমি মনে করি ।
আর এটা খুবই দুঃখ জনক কেউ আওয়াজ তুললেই হলো, প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে ফেলতে দু মিনিট সময় লাগবে না । আমার মাঝে মাঝে মনে হয় গুটি কয়েক মানুষের জন্য এই ব্লগ । সংশ্লিষ্ট ব্লগার নিশ্চয় পত্রিকাটির সাথে জড়িত রয়েছেন বলেই পোস্টটা দিয়েছেন । আর প্রথম পাতা থেকে না সরিয়ে অন্তত বলা যেত যে ব্লগের নীতিতে এমন কিছুকে প্রাধান্য দেয়া হয় না, আগামীতে যত্নবান হবেন । দাদাগিরি থকবেই কিন্তু অন্যদের তো ভালোবাসতেও হবে । আমি ব্লগারদের অনুরোধ করব কথায় কথায় মডারেটর ডাকবেন না । একটা পত্রিকার কথা যদি এসেই থাকে তাতে আপনাদের কোন ক্ষতি হবে না । অযথা জেন এক জনকে কষ্ট দিবেন ।
আর অনেক হলো স্টিকি করা বই এর বিজ্ঞাপন এখন সরানো যেতে পারে । মডারেটর ভেবে দেখবেন আশা করি ।
দয়া করে ব্যাখ্যা করবেন কি? আমার বিশ্বাস, আমরা বন্ধু ব্লগ সম্পর্কে আপনার বেশির ভাগ ধারণাই ভুল।
উলটচন্ডাল@ মারজুক্স ভাই মাঝে মাঝে দু'এক্টা জুক্স ছাইড়া দেন, ব্যাপার না...
আমার কথা বিশ্বাস না হইলে উনার আজকের সেরা জুক্সটা দেখেন http://www.amrabondhu.com/farzana/2540#comment-70006
ইমোতে কুলাচ্ছে না।
ব্যক্তিগত ধারণা । দু একজন পীর আর গুটি কয়েক মুরীদের পাঠশালাও মনে হয় । তবে এ আমার একান্ত ব্যক্তিগত ধারণা । এটা ভুল হয়তো ।
নীড়দা বা জেবীনাপার মত ব্লগারদের কাছ থেকে শেখার অনেক কিছু আছে। তাই মুরীদ হতে আমার আপত্তি নাই। কিন্তু ব্লগ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য অত্যন্ত আপত্তিকর।
জনাব, আপনার পরম ও চরম আমন্ত্রনে ধাবিত হইয়া আপনার সেই 'জাতীয়তাবাদী খিচুড়ী ম্যাগাজিনের'' উপর দিয়ে একচক্কর ঘুরে আসতে বাধ্য হলাম এবং অতীব দুঃখের সাথে জানাতে চাই যে, আপনার ''সেই মহান জাতীয়তাবাদী খিচুড়ি পত্রিকা আমার মতো নাদান পাঠকের পেটেও গ্যাস উৎপন্ন করিয়াছে।''
সুতরাং ভবিষ্যতে ''এইসব আগাছার বিজ্ঞাপন'' দিয়ে কারো মূল্যবান সময় নিয়ে ''টানা-হেচড়ার'' না করার জন্য পাঠক হিসাবে আপনার কাছে আমার সবিনয় অনুরোধ।
আপনাদের নীড়দা'র পুরো গালাগালটা ওপরে তুলে দিলাম, আগে বলুনতো এটার কী ব্যাখ্যা আছে আর তার কত সুন্দর মিষ্টিভাষা, তাইনা ? তার ভক্ত বলে ভালো-মন্দ ন্যায়-অন্যায় ভুলে চোখ থাকতেও অন্ধ সাজলে আমার করার কী আছে!! যত দোষ নন্দঘোষ, যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা আরকি? এখন আপনারই দায়িত্ব হলো--আমরাবন্ধু ব্লগ সম্পর্কে কার ধারণা ভুল!!
আমি লজ্জিত যে, মারজুককে ভুলে লিখেছি-- রাসেল নামে। আর কঠোর ভাষী নীড় সন্ধানীর জবাব দিয়েছি মারজুকের কলামে, ভুলবোঝাবুঝি যাতে না হয়-তাই এ সংশোধনী। সবাইকে ধন্যবাদ।
আমরাবন্ধু'র নীতিমালায় আছে
আর স্টিকি পোস্টে বিজ্ঞাপনের থেকে বেশী প্রাধান্য পেয়েছে আমরাবন্ধু'র ব্লগারের এচিভমেন্টের ব্যাপারটি। এই এচিভমেন্টের ব্যাপারটিতে আমরাবন্ধু'র সকলেই গর্বিত বোধ করেছেন। সামনের বইমেলায় যদি আপনার বই আসে, এবং মোড়ক উন্মোচনের ব্যাপারে আমরাবন্ধু কে অবহিত করেন তবে হয়তো আমরা দেখবো আপনার বইয়েরও তথাকথিত বিজ্ঞাপন স্টিকি করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন-- বিজ্ঞাপনই রে ভাই, যুক্তিহীন কথা বললে তো হবে না? নিজের লেখা আর অন্যের লেখার কপি পেস্টের ফারাক আগে বোঝেন। ব্লগে কপি বলতে অন্যের লেখার কপিকেই বোঝায়।
আর আমিও কি আমরাবন্ধু'র ব্লগার নই নাকি আমি পর বা শত্রু? আমি নুতন লেখক নই যে, ব্লগের লেখার সংকলন বের করতে হবে আর ব্লগে তার স্টিকিও হতে হবে বা হোক। বলেন, এটা বৈষম্য হয়েছে আর আপনারাও তার সমর্থক। মডারেটর কি ভুল করতে পারে না, তা-ই বলে চোখ বুঝে তার সাফাই গাইতে হবে নাকি?
নীড় সন্ধানী কে করা কটাক্ষের তীব্র প্রতিবাদ করে গেলাম। সেই সাথে ছদ্মনামের প্রতি অবজ্ঞার জন্য আমার মতো দুনিয়ার হাজারো ছদ্মনাম(বর্ণচোরা)ধারীদের সোচ্চার হবার বিপ্লবী আহবান করলাম। জাগো বাহে......' অবশেষে মডুরামের পায়েধরে(পায়েধরার ইমু চাই
) মিনতি করছি, ওগো তুমরার বিবেক নাই? সাহিত্য বিশারদের এহেন পোষ্টরে অবহেলা করো!(করেন) ঠাডা পড়বেক তুমরার মাথাত বলে দিচ্চি হুম!' .........হে ঈশ্বর আমাদের শুভবুদ্ধির ভিটামিন যোগাও 
১। ব্লগার হিসেবে নীড় সন্ধানী, শওকত মাসুম, আ রা শিপনের পরিচিতি সম্পর্কে আপনি ওয়াকিবহাল নন বোঝাই যাচ্ছে।
২। নিজেকে ভালোই চেনালেন পোস্ট ও কমেন্টে।
৩। সরাসরি বলার জন্য দুঃখিত; ব্লগ জায়গাটা বোধহয় আপনার জন্য যথাযথ না।
আতেলগিরি কার কাছে রে ভাই, আগে আমার সম্পর্কে জানুন, তারপর লাফ-ঝাপ দেয়া শোভা পাবে। না বুঝে কথা বলাটা বা মন্তব্য করায় বাহাদুরী নেই। অহেতুক সময় নষ্ট করবেন না আর আমিও ফালতু প্রসংগটা ছাড়তে চাই। কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না শুধু খোচাখুছি।
আমি ৮০ দশকের লেখক, সীসার অক্ষরে বই-পত্র বের করেছি সেসময়। এখনকার এই আধুনিক মাধ্যমটাকে এড়াতে চাই না বলেই সময় শেয়ার করতে ইচ্ছুক, ঝগড়ার দরকার কী। অবসান হোক সব ভুল বুঝাবুঝির। ধন্যবাদ সবাইকে।
আপনি কি কখনো নীড় সন্ধানীর লেখা পড়েছেন? এভাবে সহব্লগারকে আক্রমন নিন্দনীয়।
ব্রাত্য রাইসুর নাম শুনেছেন কখনো? সে কারো লেখা পড়তো না। কিন্তু ঠিকি চুলকাইতো। এমন চুলকাইতো যে চুলকাইতে চুলকাইতে ঘা বানিয়ে ফেলতো। সম্ভবত রাইসুর প্রচণ্ড এলার্জির সমস্যা ছিল। সময় মত ডাক্তারের কাছে যায় নি। রাইসুর জন্য মায়া লাগে
গল্পটা মনে পড়লো
ব্রাত্য রাসুকেই আগে জিজ্ঞেস করো বাপু, আমি কে? আমার মতো দৈনিক আজাদ,ইত্তেফাক, দৈনিক বাংলা, কিশোরবাংলা, জাহানে নওয়ে লেখার মত তার বয়স ছিল কিনা? মায়ের কাছে মামার বাড়ির গল্প কেনো? জাতীয় পত্রিকায় আমার প্রথম কবিতা প্রকাশ পায় ১৯৭৬ সালে, সেসময় ভারতেও। ওই সময় লুৎফর রহমান রিটনরা লিখতো । আর আমার সতীর্থরা হচ্ছেন--রহিম শাহ, জাকির তালুকদার, ফারুক হোসেন, ফারুক নওয়াজ, আশরাফুল আলম পিন্টু, সিরাজুদ্দৌলাহ বাহাররা, এবার বোঝো কাকে কী বলো।।
দাদাভাইয়ের নাম শুনেছো, তিনি আমার ছড়া ছাপতেন ইত্তেফাকে। আমার পত্রিকায় এখনকার অনেক নামকরা লেখকরাও লিখতো ভারতেরসহ, তখন পত্রিকা ছাপা হতো সীসার অক্ষরে। এখকার মতো এতো সুন্দর সফটয়ার ফন্ট কল্পনাও করিনি।
তোমার আতেগিরি দেখে এটুকু না বলে পারলাম না।
পেন্নাম গুরু।
ওরে খাইসে রে আমারে

বাপ্রে!!!!

অন্যায় হইয়া গেছে।
বুঝতে ভুল হইছে ভৃত্য রাইছু তাইলে আপনারই সাগ্রেদ এইটা বুঝলাম
সরি
তবে এমন তুমি তুমি করতেছেন কেন? আমরা কেউ আপনার কোন কালেই বন্ধু ছিলাম না। আর অপরিচিত কাউকে অনুমতি ছাড়া তুমি বলতে পারেন না। এত বয়স হইছে অথচ এই কার্টেসিটাই তো দেখি জানেন না। এখন আবার বইলেননা যে আপনাকে ম্যানার শিখাইতেছি।
তবে ত্রিভুজদের জন্য পার্ফেক্ট যায়গা কিন্তু সোনা ব্লগ। সেখানেইতো ভাল ছিলেন। এবিতে নয়।
একটা গান হোক-
আসল সোনা রাইখা যে নয় নকল সোনা, সে জন সোনা চিনে না।
ভাইডি আপনার কাছথন সাহিত্য বুঝতে মুনঞ্চায়, আইজকা মেলায় আইসেন আমরা অনেকেই মেলাই থাকপো আজকে তাই আপনি সহিত্যের ক্লাস নিতে পারবেন। ভাইডি দায়া কইরা আইসেন কিন্তু
ব্রাত্য রাসুকেই আগে জিজ্ঞেস করো বাপু, আমি কে? আমার মতো দৈনিক আজাদ,ইত্তেফাক, দৈনিক বাংলা, কিশোরবাংলা, জাহানে নওয়ে লেখার মত তার বয়স ছিল কিনা? মায়ের কাছে মামার বাড়ির গল্প কেনো? জাতীয় পত্রিকায় আমার প্রথম কবিতা প্রকাশ পায় ১৯৭৬ সালে, সেসময় ভারতেও। ওই সময় লুৎফর রহমান রিটনরা লিখতো । আর আমার সতীর্থরা হচ্ছেন--রহিম শাহ, জাকির তালুকদার, ফারুক হোসেন, ফারুক নওয়াজ, আশরাফুল আলম পিন্টু, সিরাজুদ্দৌলাহ বাহাররা, এবার বোঝো কাকে কী বলো।।
দাদাভাইয়ের নাম শুনেছো, তিনি আমার ছড়া ছাপতেন ইত্তেফাকে। আমার পত্রিকায় এখনকার অনেক নামকরা লেখকরাও লিখতো ভারতেরসহ, তখন পত্রিকা ছাপা হতো সীসার অক্ষরে। এখকার মতো এতো সুন্দর সফটয়ার ফন্ট কল্পনাও করিনি।
তোমার আতেলগিরি দেখে এটুকু না বলে পারলাম না।
ভ্রাতঃ আপনার লেখা পড়িয়া যারপর নাই ভালো লাগিলো কেননাঃ
আপনি বিজ্ঞাপণ আর উৎসাহ কে গুলিয়ে ফেলিয়াছে বলিয়া মনে হইতেছে।
আর নীড় সন্ধানী কে নিয়ে যেরুপ মন্তব্য করিলেন তাহাতে আপনাকে বলিতেই হয় -
ব্লগের পাতায় দু'এক ছত্র লিখিলেই ব্লগার হওয়া যায় না।
আপনি বরং কবি শফিকুলের সাইটে গিয়া তাহার সহিত কাব্য রচনা করুন , কেননা উহাই আপনার একমাত্র স্থান ।
মায়ের কাছে মামার বাড়ির গল্প কেনো? জাতীয় পত্রিকায় আমার প্রথম কবিতা প্রকাশ পায় ১৯৭৬ সালে, সেসময় ভারতেও। ওই সময় লুৎফর রহমান রিটনরা লিখতো । আসলাম সানী আমার পত্রিকায় লিখতো আরো অনেকেই,
আর আমার সতীর্থরা হচ্ছেন--রহিম শাহ, জাকির তালুকদার, ফারুক হোসেন, ফারুক নওয়াজ, আশরাফুল আলম পিন্টু, সিরাজুদ্দৌলাহ বাহাররা, এবার বোঝো কাকে কী বলো।।
দাদাভাইয়ের নাম শুনেছো, তিনি আমার ছড়া ছাপতেন ইত্তেফাকে। আমার পত্রিকায় এখনকার অনেক নামকরা লেখকরাও লিখতো ভারতেরসহ, তখন পত্রিকা ছাপা হতো সীসার অক্ষরে। এখকার মতো এতো সুন্দর সফটয়ার ফন্ট কল্পনাও করিনি।
তোমার আতেলগিরি দেখে এটুকু না বলে পারলাম না। আমার তো নামের প্রচার দরকার নেই, হাজাহ লেখা ছাপা হয়েছে, আমি প্রচারবিমুখ ৮০ দশকের সবাই জানে।
মায়ের কাছে মামার বাড়ির গল্প কেনো? জাতীয় পত্রিকায় আমার প্রথম কবিতা প্রকাশ পায় ১৯৭৬ সালে, সেসময় ভারতেও। ওই সময় লুৎফর রহমান রিটনরা লিখতো । আসলাম সানী আমার পত্রিকায় লিখতো আরো অনেকেই,
আর আমার সতীর্থরা হচ্ছেন--রহিম শাহ, জাকির তালুকদার, ফারুক হোসেন, ফারুক নওয়াজ, আশরাফুল আলম পিন্টু, সিরাজুদ্দৌলাহ বাহাররা, এবার বোঝো কাকে কী বলো।।
দাদাভাইয়ের নাম শুনেছো, তিনি আমার ছড়া ছাপতেন ইত্তেফাকে। আমার পত্রিকায় এখনকার অনেক নামকরা লেখকরাও লিখতো ভারতেরসহ, তখন পত্রিকা ছাপা হতো সীসার অক্ষরে। এখকার মতো এতো সুন্দর সফটয়ার ফন্ট কল্পনাও করিনি।
তোমার আতেলগিরি দেখে এটুকু না বলে পারলাম না। আমার তো নামের প্রচার দরকার নেই, হাজাহ লেখা ছাপা হয়েছে, আমি প্রচারবিমুখ ৮০ দশকের সবাই জানে।
আমার মনে হয় আপনার বোঝায় কোথাও ভুল আছে। ওটা কিন্তু বিজ্ঞাপন নয়, আমরা বন্ধুর দু'জনের বইয়ের মোড়ক উন্মোচনে সবাইকে ডাকা হয়েছে। আর বোঝাই যাচ্ছে এর পর অনেক মজার একটা আড্ডা হবে। মন একটু উদার করুন।
না বুঝে না জেনে মন্তব্য করা কি ঠিক হলো, আমার পত্রিকা পড়ার আহবানটা আগে পড়েন। আমরা আড্ডা দিতে দিতে এখন ক্লান্ত। সেই ৭৬ সালে শুরু এখনো চলছে।
না বুঝে না জেনে মন্তব্য করা কি ঠিক হলো, আমার পত্রিকা পড়ার আহবানটা আগে পড়েন। আমরা আড্ডা দিতে দিতে এখন ক্লান্ত। সেই ৭৬ সালে শুরু এখনো চলছে।
আমি আজকে মোড়ক উন্মোচনে যাইতে পারমু না দেইখা কান্দি, আর উনি এইখানে এগুলি কি কয়?

পোষ্ট আর কমেন্টস পইড়া বুঝতেসিনা যে, আরো কান্দুম, নাকি এইবার হাসুম?
যাই, কান্দতে কান্দতে কেলাস কৈরা আসি
ভাই , আপনি এইখানে কেন ? ব্লগে আইছেন কি মরতে ? আপনি এত কিছু, আপনারে তো জাদুঘরে কাঁচের বাক্সের ভিতর বান্ধায়া রাখার দরকার ছিলো ।
কাঁচের বাক্সটা ইটা/পাত্থর/ঢিলপ্রুফ হওন জরুরি
এহহে দেরি করে ফেলছি!
নোবেইল, পুশিৎকার, বোকার, জোকার-- এতো এতো পুরীষ্কার বিজয়ীকে চিন্তে না পাইরা পুলাপান এইরাম বেদ্দপি করতেছে... লানত!!!
চুপচাপ আবার দেখে গেলাম।
মন্তব্য করুন