বিষণ্ণ বাউন্ডুলে'এর ব্লগ
আজো.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
আজো..
প্রতিদিনকার বিকেলবেলায়,
প্রতীক্ষা..
এলোমেলো চুলে;
আনমনা আঙ্গুল,
আদুরে শাসন..
অলস বিষণ্ণতায়;
বেড়ে উঠে-
ইট কাঠের খাঁচা,
বাতাসের ব্যারিকেড..
বেখেয়ালে বন্দি;
মনের কুঠুরি জুড়ে,
স্মৃতিধুলোর পোস্টার..
বদলে যাওয়া প্রিয়মুখ,
ছুটির নোটিশ..
দখিন দুয়ার জুড়ে,
সমুদ্দুরের হাওয়া..
হারিয়ে যাওয়ার;
সুনীল জলরাশি,
বালুকাবেলার হাতছানি..
দুঃচিন্তা ভোলার একলা প্রহর,
আধো ঘুমে রেখে দেয়া বই..
ভুলে ভরা প্রার্থণায়,
অবাক আলোর নিশ্চিন্তিপুর..
আজো..
অগাধ নির্ভরতায় ছুঁয়ে যাওয়া হাত,
ভালবাসার আশ্বাসে খুঁজে পাওয়া চোখ..
প্রতীক্ষার..
খোলা আকাশ জুড়ে,
এক ঝাঁক পায়রার উচ্ছাস..
সাঁঝের মায়া,
অন্ধকারের বদ্ধ সময় শেষে..
ফিরে চাওয়া,
সূর্যের দিন..
নির্জন নিশীথে.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
টিক টক টিক টক..
নিরবতা ভেঙ্গে পড়ে,
কালের অতল গহ্বরে..
নিস্তদ্ধতার মেঝে তে পা ফেলতেই,
চারিদিক শীতল অন্ধকার..
অবাক শিহরনে-
কেঁপে উঠে,
নিমেষে হারায় আলোর পরশ..
ঝড় তোলা চায়ের কাপে,
আজ মাতাল প্রানের ঘ্রান..
বদ্ধ বাতাস আজ পাগলপারা,
আনন্দে হারিয়ে যাবার ছলে..
অনেক অনেক দিনের পর,
আজ অন্ধকার..
মুঠোফোন মূহুর্ত যত,
হাতে ছুঁয়ে যায় হাত..
স্নিগ্ধ দুচোখে,
আলতো হাসির ঢেউ-
ভেসে চলে নিয়নে..
ভুল সুরে গাওয়া গান,
নিরর্থক কথকতায়-
অপার্থিব মুগ্ধতার;
অসম্পূর্ন সিম্ফনী..
স্মৃতির শহর জুড়ে,
পথিকের পথ-
নির্জন নিশীথে,
অকারন কারনে-
ভাবনাবিহীন..
সঙ্গী কেবল;
একরাশ বিস্ময়ের,
অফুরান ভালবাসা..
আমাদের ভারতপ্রেম, বি.পি.এল ও কিছু প্রশ্ন..
একটা কিছু দেখলেই তা নিয়ে প্রশ্ন করে বসার সেই বয়স পার হয়ে এসেছি অনেক অনেক দিন আগে।
তবু-ও আজকাল মাঝে মাঝেই মাথায় নানান প্রশ্ন জাগে, কার্যকারণ খুঁজে পাইনা। তাই, শেষমেশ বন্ধুদের-ই সরন নিলাম।
ছোট থাকতে বড়দের সাথে কোন খেলায় অংশ নিলে 'দুধভাত' হয়ে খেলতে হত, অর্থাৎ সবকিছুতে অংশ নিলেও তার কিছুই গোণার মধ্যে পড়তো না।
বাংলাদেশের সীমান্তে ভারতীয় সহিংসতা বোধহয় আজকাল সবার কাছে 'দুধভাত' হয়ে গিয়েছে। কয়েকদিন পরপর-ই একটা কিছু হবে, সব পত্র-পত্রিকায় একটুআধটু লেখালেখি হবে। দুই তিন দিন হয়ত ফলোআপ পাওয়া যাবে, তারপর-ই আবার যে-ই কে সে-ই।
আগে তাও রাষ্ট্রপর্যায়ে কিছু আলোচনা হতো, এখন আর সে বালাই-ও নেই।
রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিনিধি নির্দ্বিধায় জানিয়ে দেন যে, এত 'তুচ্ছ' বিষয়ে মাথা ঘামিয়ে সময় নষ্ট করার মত 'সময়' রাষ্ট্রের হাতে নেই!
অনুভূতির ছেঁড়া পাতা - টুকরো স্মৃতি...
আজও বেঁচে আছি..
আজও ঘুম ভেঙে যায় বৃষ্টির সুরে, চেনা অচেনা ডাকে..
আজও হাটি, চলি..খাই, গান গাই..
আজও হাসি, কারও এক দুকথায় চোখের কোল ভিজাই..
আজও বেঁচে আছি..
হাসায়- কাঁদায়-জ্বালিয়ে মারে প্রিয় যত মুখ..
হঠাৎ হাওয়ায় বুক ভেসে যায়, আনন্দেতে দুঃখ উড়াই..
একটুতেই রাগ করে বসি..অভিমান হয়, দুঃখবিলাসি কাব্য করি..
আজও বেঁচে আছি..
খবরের কাগজ পড়ি, দিব্যি দেখে যাই..
সারাদিনে কত মন ভেঙে পড়ে,
কত না জন হারিয়ে যায় হুট করেই..
কত না কচি প্রাণ ভোরের পথে বের হয়ে যায়,
সাঁঝে আর বাড়ি ফেরা হয়না..
ঝড়ে যায় কত তাজা প্রাণ, এক নিমিষেই..
দেখেই যাই..
কিছু ক্ষণ বুকের গভীরে এক দুটা আঁচড় ফেলে, দুদিনেই ভুলে যাই..
আজও বেঁচে আছি..
প্রতিদিনকার বেঁচে থাকার ছলে তিলে তিলে মরে যেতে যেতে,
এই তো দিব্যি বেঁচে আছি..
[হায়াৎ মউৎ সবই তোমার হাতে..তবু-ও..
ও খোদা..
একটাই প্রার্থনা তোমার কাছে..
আবোল তাবোল -৭
# # # # #
বিষয়ঃ 'সুরের ধারা:রবীন্দ্র উৎসব' ও অন্যান্য কথকতা।
# # # # #
মন ভাল নেই, মন ভাল হয়না..
প্রত্যেকটা দিন একই রকম নিস্তরঙ্গ জীবনযাপন। খাওয়া- দাওয়া- ঘুম। মুভি- মিওজিক- গেম।
কখনও কখনও ঘরোয়া আড্ডা আর বন্ধুদের সাথে ঘুরাঘুরি। মন চাইলে গল্পের বইয়ের পাতায় ডুব।
মাঝে মাঝে প্রচণ্ড বিরক্তি জাগে নিজের উপর, এই বেঁচে থাকার উপর।
অবসর সময়টা খুব বেশি পেয়ে বসলে ভাল লাগেনা, ভয়ংকর একটা অস্থিরতা ভর করে সব কিছুতেই।
খুব ছোট ছোট কারনে আজকাল মন খুব বেশি খারাপ হয়ে যায়। ভাল লাগে না।
মন খুব বেশি খারাপ হলে মন একটু ভাল করতে কি করা যায়? সকলের পরামর্শ প্রার্থনীয়!
# # # # #
অনেক দিন কিছু লেখা হয়না, আজ একটু নিজের উপর জোর খাঁটিয়েই লিখতে বসলুম!
এবি আসি প্রায় প্রতিদিন-ই, কিন্তু কেন জানি কিছুই লেখা হয়না।
অনেক লেখাই পড়তে ভাল লাগে। ভাবি, একটা কিছু বলব। লগইন করা হয়না।
ঘাসফুল..[এলোমেলো কাব্যকথন]
ঘুম পোষা চোখে;
আলসেমি ঘোর,
ঘুম ঘুম ভোর..
এলোমেলো চুলে;
আনমনে,
বিলি কেটে যায়-
ঝিরঝিরে রোদ্দুর..
নীলাকাশ;
মেঘ সারি সারি,
মন ভাবে-
ক্ষতি কি?
যদি,হয় তা বাড়ি..
কুয়াশায়;
সজীব ঘাসে-
নিষ্পাপ শিশির কণা..
শীত কবে আসবে..
পথ চেয়ে থাকা,
আর দিন গোনা..
আর কত দিন?
মিষ্টি ভোর আর-
ধোঁয়া উড়া ভাপার অপেক্ষা..
উফ্,আর ভাল্লাগে না..!
আকাশটা ভালবেসে;
দিন কেটে যায়,
আসে রাত্তির..
আকাশের তারা..
প্রত্যাশা;
যেন,
ভোরে হয়ে উঠে-
সেই..চিরচেনা..
ঘাসফুল..
বাংলাদেশ..
কত্ত ত্যাগের প্রাপ্তি তুমি,
স্বাধীন বাংলাদেশ..
রক্তে ভেজা সবুজ মাঝে,
বিজয় সুরের রেশ..
তোমায় নিয়ে স্বপ্ন কত,
রোজ দেখে যাই অবিরত..
দুঃখ ভোলার লগন শত,
সুখ ভরা দিন অনাগত..
তোমার লাগি প্রাণ বিলালো,
যত্ত বীরের দল..
শহীদ ওঁরা;
ওঁদের দোয়া-ই,
তোমার অসীম বল..
তোমার বুকের বাসিন্দা সব,
হাসবে যেদিন বেশ..
মিলবে সেদিন আসল বিজয়,
প্রিয় বাংলাদেশ..
[সব্বাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা..
]
শীতে..[এলোমেলো কাব্যকথন]
শীতের আমেজ গায় জড়িয়ে,
শীতের অপেক্ষাতে..
দিন গুনে দিন,
যায় গড়িয়ে..
শীতে;
অসুখ যত নিত্যি মিতে..
চায় না যেতে ছেড়ে,
যদি বা যায়,
আসে-
আবার ফিরে ফিরে..
শীতে;
আলসেমি-তে পেয়ে বসে,
দিন ভর সব কাজে..
এমন সময় কলেজ-অফিস,
কার না লাগে বাজে..?!
শীতে;
একটু ব্যাথাই লাগে ভীষণ,
চক্ষে আনে জল..
হঠাৎ হাওয়ায় শিউরে উঠা,
এসব কেমন ছল..?!
শীতে;
রাত ভর ঘুম,
লেপের আরাম-
ভাপার ঘ্রাণে ভোর..
শিউলি ঝরা;
শিশির স্নাত ঘাসের মত-
খুনসুটি-তে;
মায়ের মুখে স্নিগ্ধ হাসি,
মিথ্যে বকায় উষ্ণ আদর..
কুয়াশার-ই চাঁদর ঢাকা;
রহস্যময় প্রকৃতি আর
ঝিরঝিরি রোঁদ,
আনন্দের-ই হাওয়া..
টুকরো যত ভালোলাগা,
তাদের তরে-
যন্ত্রণা সব ভোলার সনে,
শীতের-ই পথ চাওয়া..
আগমনী...[এলোমেলো কাব্যকথন]
ঠাণ্ডা
হিম হিম বাতাসে,
কি সুখে মন যে হাসে..
ঝিরঝির মৃদু
হাওয়া,
শুকনো পাতার
উড়ে যাওয়া..
গায়ে কাঁটা
শিহরন,
প্রতিক্ষণ অকারন..
গা ভাসানো;
মন ভরানো,
অপার্থিব এক ঘোর..
মিষ্টি রোদের উষ্ণতাতে,
প্রাণ জুড়ানো ভোর..
আহা;
ক্ত্ত দিনের পর..
শীত বুঝি আজ-
ঘুমের শেষে;
আলসেমিতে দুষ্টু হেসে,
খুললো তার-ই দোর..
[সব্বাইকে আগমনী শীতের শুভেচ্ছা..
]
দেখা অদেখার ভোর..[এলোমেলো কাব্যকথন]
রাত্রি জেগে ভোর,
আঁধার ফিকে হয়ে আসে..
পাখির ডাকে,
সকাল এসে যায়..
কত দিন,
কত দিন হয়ে গেল..
ভোরের স্নিগ্ধতা ছুঁয়ে;
পবিত্রতার অনুভবে,
সূর্যোদয় দেখা হয়না..
চাঁদ নিয়ে কাব্যের পালা শেষ,
সূর্যালোকে সকাল হয়ে আসে..
দিনের প্রথম রবি রশ্মিতে,
ডানা ঝাঁপটায় পাখি..
জীবনের জয়গান গেয়ে;
আকাশের গায় ছড়িয়ে পড়ে,
সৃষ্টির সুবাতাস..
কত দিন,
কত দিন হয়ে গেল..
চোখ মেলে থাকি,
পৃথিবীর জেগে উঠা দেখা হয়না..
জীবনের পথচলায়;
হারিয়ে যাবার আগেই,
ফাঁকা রাস্তায়..
খোলা আকাশ ছাদের নিচে;
কুয়াশা চাদর গায়ে ঘুমায়,
তৃপ্ত হাসিমুখ..
নিরাশার হাওয়াতে-ও দোলে,
আশার স্বপন ভেলা..
ভোরের আলোয়,
স্বচ্ছ দু'টি চোখ..
তিরতির কাঁপা ঠোঁটে,
ভালোবাসার আশ্রয়..
ধীরে ধীরে;
এক পা দু'পা করে,
ছড়িয়ে পরে-
সূর্য কিরণ..
কচি সবুজ পাতা,
ঘাসে..
সদ্যস্ফোটা,
যত ফুলের ঝাড়ে..
আলোর পরশে,
নিশিকাব্য..[এলোমেলো কাব্যকথন]
রাত্রি নিঝুম,
চোখে নেই ঘুম..
ঘুমপরী আসেনিকো,
দেয়নিকো চুম..
পিচ ঢালা রাস্তায়,
আঁধারের আবাসন..
রাত্তিরে আলো খুঁজে,
একিতর প্রহসন..
ওই আঁধারে..
আলোর প্রহর;
কড়া নেড়ে যায়,
আমার দ্বারে..
আঁধার আকাশ;
মেঘে ঢেকে,
হায়..
নীরবতা সুর;
প্রানে,
গান গেয়ে যায়..
আমার আকাশ;
আমার থাকুক,
প্রিয় যত দুঃখ,
প্রিয় যত সুখ..
আবোল তাবোল- ৬
# # # # #
অনেক দিন পর, খুব মন ভাল একটা দিন গেল আজ। গতকাল এক্সাম শেষ হয়ে গেছে। এটা একটা বড় কারণ। আজ থেকে আবারও ছুটি, বছরখানেকের জন্য স্বস্তি। কোথাও ঘুরে আসতে পারলে ভাল ছিল, আপাতত সময় সুযোগ হবে বলে মনে হচ্ছে না।
কোনো কিছু পাওয়ার আগে পর্যন্তই বেশি থাকে তার আবেদন ,আর পাওয়ার পর থেকেই শুরু হয় আর সময়ের সাথে সাথে বাড়তে থাকে তা হারিয়ে ফেলার শঙ্কা। কি বিচিত্র এই মানব মন!
কাল সারারাত জেগে থাকায় আজ ফজরের নামায জামাতেই পড়তে পারছি। তার তার ধারাবাহিকতায়ই হয়তো দিনের বাকি চার ওয়াক্তও কিভাবে কিভাবে জানি জামাতের সাথে পড়া হয়ে গেছে। বেশ অনেক দিন পর, এইক্ষেত্রেও। এটাও একটা কারণ বটে।
আবোল তাবোল -৫
পরীক্ষা চলছে তো চলছেই,শেষ আর হয় না। তাই, আগের মত আসতে পারছিনা খুব একটা। যদিও মাঝে মাঝেই উঁকি দিয়ে যাই,দেখি কে কি বলে। বেশ কয়েকদিন হয়ে গেল কিছু লেখা হয়না। তানবীরা (আপু) জাদুতে আমরা বন্ধু আবারও জেগে উঠতেছে। অনলাইন সংখ্যা বাড়তেছে, সাথে লেখা আর কমেন্টও। এসব দেখে দেখে মনটা চুলবুল করে উঠলো কিছু লেখার জন্য। তাই ল্যাপি কে সাথে সাথে নিয়ে সটান শুয়ে পড়লাম, আঙ্গুল ঘুরছে কীবোর্ড জুড়ে টুক টাক টুক টাক! দেখা যাক কতটুকু কি লেখা হয়, আবারও আবোল তাবোল।
# # # # #
তানবীরা আপুর 'ব্যাবচ্ছেদ' পড়ে ও কমেন্টগুলি দেখে দেখে মন ভাল হয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে সামনে জমজমাট কিছু দিন কাটবে ব্লগ বন্ধুদের সাথে। 
ভালোবাসার বন্ধু আমার..
বন্ধু তুমি মনের ভুলে-ও যেয়োনাকো ভুলে বন্ধুকে,
রেখে দিও তারে দৃষ্টি মাঝে না’ই যদি দেখো দুই চোখে..
বন্ধু তুমি বন্ধুকে রেখো মনের কোণেতে আনমনে,
স্মৃতির পাতায়; ভবিষ্যতে, বর্তমানে – সব ক্ষনে..
বন্ধুকে কভূ ভুল বুঝোনাকো ভুল অভিমানে ভুল করে,
রাগ ভেঙ্গে সদা; দুঃখ মুছে তার, হাসি-খুশি রেখো মন ভরে..
বন্ধু জ়েনো গো; আজো বন্ধুর, বন্ধু বিহনে মন পোড়ে,
চোখের পাতা’য় মেঘ করে আর বর্ষা বিনে-ও জল ঝরে..
বন্ধুর পথে বন্ধু’র গানে তাল দিয়ে যেও সুরে,
ভালো থেকো তুমি; ভালোবাসা নিও, রও কাছে কী বা দূরে।।
আবোল তাবোল -৪
বেশ কয়েকদিন ধরে ভাবছি একটা কিছু লিখব, লিখতে বসা হয়না। বসলেও কোন ভাবনাই শিকড় বা ডালপালা কিছু একটা মেলার আগেই মোড় ঘুরে চলে যায়,ফুরিয়ে যাই। তাই আজ একেবারে ব্লগে এসেই লিখতে বসে গেলাম,মাথায় টুকরো টুকরো যত সব ভাবনা ঘুরে তার ই কিছু নামানোর অপচেষ্টা।
বিষয়ঃ এটা সেটা, কত কথা কথকতা!
# # # # #