বিষণ্ণ বাউন্ডুলে'এর ব্লগ
আবোল তাবোল - ১২
আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা,
ব্যাস- তারপরেই বর্ষা!
ভাবতেই, মন ভাল হয়ে যাইতাছে।
বাংলা দিনপঞ্জি অনুসারে কাল সকালে, ভোরের সুয্যিমামার রাতের ঘুম ভাঙতেই আষাঢ়, পুরো এক মাস। তারপরেই আবার শ্রাবণ। কি মজা! দুই দুইটা মাস আমাদের বর্ষাকাল।
সারাবছরই তো একটু আধটু বৃষ্টি হয়। কিন্তু পুরো দুই দুইটা মাস জুড়ে কথা নাই বার্তা নাই ঝুম বৃষ্টি, এর কোন তুলনা আছে নাকি?!
দুর্জনে অনেক কথা বলে, এত কথা শুনতে গেলে রাত শেষ হইয়া যাইবো!
তা, বর্ষাকালের বহুত দুষ আছে মানি!
আমাদের রোবটিক জীবনযাপনে অনেক ঝামেলায় ফেলে দেয় হুট করেই!
তাই বইলা বৃষ্টিরে দুষ দেওয়াটা কি ঠিক হইব?!
আমাদের কি দোষ গুন কম আছে?! বৃষ্টি বইলা কি সে মানুষ না?! হুহু!!
কথা হইলো কথা সেইটা না।
বর্ষা আইলেই বৃষ্টি আইব এইটা তো সবাই জানে!
তা, নাম শুনলেই তো আন্দাজ করা যায় তার মধ্যে মেয়ে মেয়ে ভাব বেশ ভালই থাকব!
তা একটা মেয়ে টাইপ কেউ সারা বছর অপেক্ষার পর আমাদের সাথে দেখা করতে আসতেছে, তারে নিশ্চয়ই কিছু ভাল ভাল কথা বইলা একটু আদর যত্ন করা উচিৎ! নাকি?!
একবার যদি গোস্বা কইরা বসে, কি একটা অবস্থা হইব ভাবা যায়?!
বিষয় - বিসিবি, পাইবাস ও সাহারা : কিছু কথকতা
বিসিবি।
আজকাল মাঝে মাঝেই মনে সন্দেহ জাগে,
এই শব্দটার অর্থ
'বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড' নাকি
'বাংলাদেশ কেয়ারলেস বোর্ড'?!
ক'দিন আগেই আর একটু হলেই,
লোটাস কামালের আজব খেয়ালের বলি হয়ে আজকালকার ক্রিকেট বিশ্বের জ্বলজ্যান্ত নরক পাকিস্তানে যেতে হত আমাদের টাইগার দের।
এই মহান ব্যাক্তির ব্যাক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য কিছু পোলাপাইনের জীবনের ঝুঁকি নেওয়াটাই যুক্তিযুত হবে ভেবেছিল বিসিবি।
এই ভযংকার কাজটা যদিও আদালতের নির্দেশেই বন্ধ হয়,
এর নেপথ্য নায়ক যে আমাদের দেশের অগনিত সাধারন দর্শক - তা সবারই জানা।
গতকাল রিচার্ড পাইবাস কে দুই বছরের জন্য বাংলাদেশের ক্রিকেট কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বিসিবি, যার সেরা সাফল্য হল দুই মেয়াদে পাকিস্তানের কোচ হওয়া।
জেমি সিডন্স আর স্টুয়ার্ট ল এর উত্তরসুরি হিসেবে এই নিয়োগ কতটুকু যুক্তিযুত হয়েছে তা সময়েই বোঝা যাবে, তবে আমার নিজের কাছে একদমই ভাল লাগছে না।
অনেকটা, বার্সেলোনা কে বার্সেলোনা করে তোলার কারিগর পেপ গার্দিওলার যায়গায় টিটো ভিলানোভার ব্যাপারটার মত লাগছে।
ভরসা পাচ্ছি না খুব একটা।
তবুও,
অনাগত দিনগুলোতে টাইগার দের জন্য রইল অসংখ্য শুভকামনা।
আবোল তাবোল - ১১
মন ভাল নেই, মন ভাল হয় না।
আমি নিজেই কবে কোথায় যেন বলেছিলাম, এই মুহূর্তে ঠিক এমনটাই মনে হচ্ছে।
রাতের শেষে দিন আসে এটাই স্বাভাবিক,
কিন্তু খুব ভাল কোন দিনের শেষে যখন রাতটা একটু বেশি অন্ধকার হয়ে নেমে আসে তখন খুব খারাপ লাগে।
মনে হয়, এ আঁধার কিছুতেই ফিকে হয়ে আসার নয়। খুব অসহায় লাগে।
আমি খুব দুষ্টু প্রকৃতির একটা ছেলে। ছোটবেলা থেকেই অভ্রাস, আশেপাশের মানুষজন কে না জ্বালালে আমার সময়ই কাটেনা!
স্কুল আর কলেজ বেলায় সমস্যা হয়নি কোন,
নানাবাসায় জ্বালানোর জন্য মানুষের অভাব ছিল না কখনো।
প্রাণের শহর ব্রাক্ষণবাড়িয়া ছেড়ে ঢাকা আসলাম আট এর শুরুতে।এতদিন কোনই সমস্যা হয়নি।
আব্বু আম্মু আর ভাইয়া তো আছেই, সাথে আরো থাকেন ছোটমামা আর নানু।
আর যেখানে আছি সেই একই বিল্ডিং এর আমাদের নিচের তালায় থাকে মেঝ খালারা। বড় দুই ভাই চাকরী করে। তার ছোট জন দুষ্টামিতে আমার নমস্য, সারাদিন ওর সাথেই চলি বলা চলে। আর একটা ছোট বোন, তা সেও আমার যন্ত্রনার হাত থেকে রেহাই পায় না কখনো। ছোটবোন তো কি হইছে, আমাদের কাজিনদের মাঝে তো সবার বড় বোণ; সবার আপুমনি।
প্লিজ ঘুম হয়ে যাও চোখে, আমার মন খারাপের রাতে..
আজ আমার মন ভাল নেই..।
কারন আর কিছুই না। আজ আমার একটা বন্ধুর খুব মন খারাপ, একটু বেশিই খারাপ।
ক'দিন হল এফবি থেকে একটু ছুটি নিয়েছি,
আর নয়তো এখন আমার স্ট্যাটাস জুড়ে থাকতো সানী জুবায়ের।
আজ আমার মন ভালো নেই
বসছে না মন কিছুতেই
খোলা জানালায় দাঁড়িয়ে
সুদূর আকাশ থেকে কিছু রঙ এনে দাও না
আজ আমার মন ভালো নেই
ভালো নেই ভালো নেইনদী মরে যায় শুকোলেই
এমন তো কোনো কথা নেই
আবার শ্রাবণ এসে ভরে দিয়ে যায়
তৃষিত নদীর বুক
তেমন শ্রাবণ হয়ে তুমি আজ ভরে যাও না
আজ আমার মন ভালো নেইআলো নেভে দিন ফুরোলেই
এমন তো কোনো কথা নেই
জোনাকি প্রদীপ হয়ে জ্বেলে দিয়ে যায়
তিমির রাতের মুখ
তেমন প্রদীপ হয়ে তুমি আজ জ্বলে যাও না
আজ আমার মন ভালো নেই
ভালো নেই ভালো নেই
কাছের বা দুরের প্রিয় কোন মানুষের মন খারাপ জানতে পারলে,
আবোল তাবোল - ১০
#
অনেকদিন হাবিজাবি কিছু লিখি না, এবি তে এসে অভ্রাস খারাপ হইয়া গেছে।
মাঝে মাঝে কোন প্ল্যান ছাড়াই হাবিজাবি কিছু না লিখলে ভাল্লাগে না!
অন্যান্য দিন তাও মাথায় কিছু না কিছু থাকে, যে এই এই জিনিস নিয়া লিখুম।
আজকে তাও নাই, মাথা পুরা খালি। টাইপ করতে করতে যা আসে তাই স-ই!
তাই, আগে ভাগেই কইয়া রাখতেছি। এই হাবিজাবি পইড়া ভাল না লাগলে আমার কিস্যু করার নাই!
#
দিনকাল ভাল যাচ্ছে না, বিভিন্ন কারনে মন মেজাজও তাই।
কয়েক দিনের জন্য নিজের ভেতর ডুব দিতে পারলে বেশ হত, তাও পারছি না আরও কিছু কারনে।
বাসায় অসুখ বিসুখ লেগেই আছে, কিছুতেই যাচ্ছে না।
আমরা নিজেরা অসুস্থ হলে খুব একটা অস্বাভাবিক লাগে না। বাসার দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ও হয়ত খুব বেশি পরিবর্তন টের পাওয়া যায় না। জ্বর হলে সারাদিন শুয়ে শুয়ে গান শুনবো, খুব খারাপ লাগলে আম্মু এসে মাথায় পানি ঢেলে দিলে খুব ভাল লাগবে। খারাপ কি?!
একদিন হঠাৎ.. [এলোমেলো কাব্যকথন]
একদিন হঠাৎ..
রাত জাগা চোখ;
খানিক ঘুমের পর,
হঠাৎ জেগে দেখে ভোর..
অবাক চেয়ে রয়;
বোকা, চেনা দেয়াল ঘড়িটা.।
এদিক ওদিক একেক কাজে;
ঘুম চোখে,
কেটে যায় খানিক সময়..।
অলস দুপুর..
অসময়ের ঘুমে;
পথ হারায়,
চেনা অচেনা স্বপন ভিড়ে..।
দুপুরের শেষ সীমায়,
আবারও, জেগে উঠা..
এক ফালি বারান্দায়,
শেষ বিকেলের মরা রোদ্দুর..।
গ্রিল-এর অপাশে;
অনেক দূরে আনমনে,
আকাশ দেখে মেঘলা চোখ..।
চেনা মুখের স্মৃতির খেলা;
ঝাপসা হয়ে আসে,
ক্ষণিকের বাস্তবতায়..
অচেনা গানের সুরে;
উদাসী হাওয়ায়,
ভিজে আসে চোখ..
থেমে থেমে চুমুকে;
কফির কাপে,
ভোরের সতেজ শুভ্রতা..।
সাঁঝের আলোয়;
বিকেল ছাঁদে,
মেঘের খেলায় আকাশ বদল..
অবাক আলোয়,
হৃদয় ভরার নিমন্ত্রন..।
দুরের আকাশের গা'য়..
হেটে চলে নানা রঙ মেঘ..
আকাশের ক্যানভাস জুড়ে,
কুসুম লাল; ফিরোজা তুলির ছোপ..।
মেঘেদের ভিড়ে উঁকি দেয়,
চেনা রবির অচেনা কিরণ..
বাউন্ডুলের বৃষ্টিপ্রহর..
এ ডেলিশিয়াস ইভনিং উইদ ফ্রেন্ডস্,
ফুলফিলড উইদ দ্য ডিলাইটফুল ডেজার্ট অফ রেইন.. <3 
ছোট্ট পাখি..
খাঁচা মাঝে ছোট্ট পাখি;
দাড়ে বসে গাইছিল গান,
আপনমনে -
কাটছিল দিন,
বেড়ে বুঝি উঠছিল বেশ..
আধো ছাঁয়া অন্ধকারে;
বুনো ঝড় আছড়ে মরে,
খাঁচার পরে..
পাখি?
চোখে তার আনন্দ রেশ..
খাঁচা মাঝে ছোট্ট পাখি;
স্বপ্ন বুকে-
মুগ্ধ চোখে,
পথ চাওয়া তার..
সময়ে;
ঠিক পালাবে,
নীল আকাশে..
পাখি?
সে তো রইল খাঁচায়..
হঠাত্ ঝড়ে;
বুঝি তা-ও হারিয়ে গেল,
অচিনদেশে..
ঝড় শেষে,
চারদিকে ভীড়-
ছোট্ট পাখির..
নিথর দেহ;
তবু বুঝি চোখের কোণে,
একটু হাসি..
বুঝি সে,
দেখছে সবাই..
চোখের জলে,
মুচছে বিষাদ-
বলছে,
'তোকেই ভালোবাসি'..।।
পথের পথিক, পথিকের পথ..[এলোমেলো কাব্যকথন!]
প্রখর রোদ্দুরে,
ভারি হয়ে আসে নিঃশ্বাস..
দু দন্ডের বিশ্রামে নেই,
স্বস্থির বিশ্বাষ..।
দুরে;
বহুদুরে-
তেপান্তরের সুদুর পারে,
অপেক্ষায় অস্তরাগের অবাক আলো..।
ভবঘুরে মেঘ যত..
ছায়া পড়ে,
তোমার মনের পরে..
চোখের পাতায়,
স্ফটিক জ্বলা ঘোলা দৃষ্টিতে;
বিকেলের কোমল নরম ছোঁয়া..।
একলার পথ,
দীর্ঘ মৌনপ্রহর..
নিকশ কালো আঁধারের আয়নায়,
বিস্মৃত স্মৃতির বালিয়ারি..
ভোলা যায় না কিছুই,
কিছুই ভোলার নয়..।
অথচ -
দুচোখে রাজ্যের ক্লান্তি মেখে,
আদরের চাদর গায়ে;
নেমে আসে ঘুম..।
মহাকালের ছায়াপথে,
সময়ের ক্যানভাসে..
সকরুন জলস্পর্শে;
আল্পনা এঁকে যায়,
পথিক ও পথ..।
অপেক্ষায়;
তখনো,
অত্যাশ্চর্য ভালোবাসা -
নিঃশ্চুপ নিঝুম নিলাচল..।
অনুকাব্যে নববর্ষ
# ১ #
আজি নববর্ষে;
মাতো সবে হর্ষে,
কর সুখ গান..
ধুয়ে মুছে যাক যত,
রাগ - দুঃখ - মান!
# ২ #
রঙ ঢং আদিখ্যেতা,
একদিন-ই বাঙালি..
কর ক্যানে কাউ কাউ?!
গরু নাকি?
যাও দূরে,
মাঠে গিয়া ঘাস খাও..
# ৩ #
বৈশাখেরই রঙ্গে;
ভিজুক হৃদয় স্বর্গসুখে,
কালবোশেখির সঙ্গে..
# ৪ #
পাঞ্জাবী আর সাদার মাঝে লালচে শাড়ি,
পান্তা গরম আর ইলিশে;
লোক দেখানোর বাড়াবাড়ি..
# ৫ #
কালবোশেখির হাওয়ায়..
যাক ভেসে যাক;
দুঃখ সকল,
দিনের আসা যাওয়ায়..
# ৬ #
আর কোন দিন নাই তো খবর,
একটা দিন-ই বাঙ্গালি..
রঙ ঢঙ্গে-তে পান্তা ইলিশ,
বাঙ্গালি নাম ভাঙ্গালি..
# ৭ #
তপ্ত হৃদয়
পথ চেয়ে রয়
ইশান কোণের পানে,
আসবে ধেয়ে কালবোশেখি
বর্ষবরণ গানে..
স্বস্তি মিলুক বৃষ্টিধারায় স্নিগ্ধ শীতল স্নানে,
বছর জুড়েই যাক রয়ে রেশ শান্তি থাকুক প্রাণে..
# শুভ নববর্ষ #
একটি গান আর একটি মুভি, দুটি কথা..
#
আমার একটা অনেক পুরান অভ্যাস হল,
হঠাৎ করেই কোন একটা গানের লুপের ভেতর আটকা পড়ে যাই।
একই গান শুনে যাই দিন থেকে রাত, রাত থেকে দিন। ক্রমাগত, বলা চলে বিরামহীন!
ইদানিং, একটা গানেই আটক ছিলাম অনেক দিন। এখনও আছি, কিছু টা।
যাই হোক, অতঃপর মিফতাহ জামানের অতঃপরের খপ্পর থেকে কিছুটা হলেও রেহাই মিলেছে।
কাহিনী আর কিছুই না, এ নিঊ ক্রাশ ইন মাই ওয়ার্ল্ড অফ মিউজিক।
বিশ্বকাপ ক্রিকেট উপলক্ষে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের 'স্কুল অফ লাইফ' এর ভক্ত নয়,
এমন মানুষ বোধহয় কমই আছে।
তা, সেই মিউজিক ভিডিওটার মিউজিক কম্পোজিশন করেছিল অদিত।
সেই, অদিতের নতুন ডাবল সিডির এ্যালবাম ' অদিত ফিচারিং ফ্যাটম্যানজ ইঙ্ক' বাজারে আসতেই কিনে আনতে দেরি হয়নি। কেনা হলেও একবার শুনেই এতদিন ডুবে ছিলাম সেই অতঃপর-এ।
কাল থেকে, এই এলব্যাম এর একটা গান এক কথায় পাগল করে দিচ্ছে। মাথা অলরেডি পুরাই আওলাইয়া দিয়েছে।
চৈত্রের শেষ বেলায়..[এলোমেলো কাব্যকথন]
চৈত্রের শেষ সাঁঝ..
দূরে ..
মেঘের গায়ে হারিয়ে গেছে,
রক্ত রবির আভা..।
ঝিরঝিরে হাওয়া; ছুঁয়ে যায় এলোচুল,
হেসে উঠে প্রাণ..।
মেঘ করে আসছে খুব..
পেঁজা তুলোর মত মেঘ যত,
আঁধারে ঢেকে যাক নীলাকাশ..।
প্রকৃতির উন্মাতাল সুর;
যাক দুলিয়ে সকল হৃদয়,
কালবোশেখির তালে ..।
আরও একবার..
অপেক্ষায়,
পথ চাওয়া..
আকাশপানে..।
চিরচেনা ছবির খাতা,
বদলে যাক ঝড়ের গানে..।
ঝড় আসুক,
বা;
না আসুক -
তবুও,
কাল বৈশাখ..।
[ অফটপিকঃ বছর দুয়েক আগের এক চৈত্রের সাঁঝে লেখা কিছু এলোমেলো লাইন। কিন্তু মনের ভেতর আজও এই দৃশ্যকল্প বেশ চেনা চেনাই লাগছে। আজ আরও এক চৈত্রের শেষ দিনের শুরুতে এসে মনে হচ্ছে, আজও হয়তো বিকেল শেষে বুকের ভেতর এইসব কথামালাই খেলা করে যাবে। এই কথকতা আজও যদি অচেনা সুরে চেনা গান অথবা চেনা সুরের অচেনা গান হয়ে ফিরে আসে, কি ই বা যায় আসবে তাতে! আনন্দম! ]
বৃষ্টিবিলাস কথকতা..
#
''ভালোবাসি, বৃষ্টিদিন..
চায়ের কাপে আনমনা মেঘ;
চিলতে রোদে সাতরঙা সুখ,
প্রাণের গানে মন রঙ্গিন.. ♥ :)''
এই কটা লাইনই এখন আমার এফবি স্ট্যাটাস।
ওইদিন দেখলাম সচলেও এখন স্ট্যাটাস দেওয়া যায়, একটু হিংসাই লাগলো বলা যায়। ইশ্, আমাদের এখানেও স্ট্যাটাস দেওয়ার ব্যাবস্থা থাকলে কত্ত ভাল হত!
# #
আমার মনে বৃষ্টি লেগে আছে, পরশু রাত থেকেই।
কিছুতেই যাচ্ছে না। মাথার ভেতর মন ভিজিয়ে ক্রমাগত পড়ে যাচ্ছে
টুপটাপ ঝিরঝির আর ঝুম বৃষ্টি।
অসাধারণ একটা বৃষ্টিদিন গেল কাল, আজকের আকাশেও ঘুরেফিরে আসতেছে তার স্মৃতি। কালকের কথা ভেবে ভেবে আজকেও সকালে একটু বৃষ্টি হল। এখনও আকাশে কিছু কিছু মেঘ দৌড়াদৌড়ি করতেছে। মাঝে মাঝে একটু আধটু রোঁদ, আবার ঝিরঝির বৃষ্টি। এই চলছে।
এবি'র জন্য ভালোবাসা : কিছু প্রস্তাব ও কথকতা
আমার ভার্চুয়াল জীবনের খুব প্রিয় অংশ আমাদের এই ব্লগ।
শুনতেই কি ভাল লাগে, আমরা বন্ধু।
নেটে ঘুরাঘুরি করি কম দিন হয় নি, ৬/৭ বছর তো হবেই।
তবে বাংলা ব্লগের কথা শুনি এবং ঘুরে দেখার শুরু বছর দুয়েক হবে।
প্রথম দিকে অনেকটা সময় কাটত সচলে ঘুরে, পরে অন্যান্য ব্লগ ঘুরে ফিরে এই এবি তে এসে একটু অন্যরকম ভাল লাগায় এখানেই থিতু হওয়া।
হঠাত্ করেই গালাগালি বা ঝগড়া নেই, কারো কথা পছন্দ না হলেই সবাই মিলে এক হয়ে তুলোধুনা করা নেই। যে যার মত করে বলছে, শুনছে।
ব্লগিং এর জন্য এরকম সুষ্ঠু পরিবেশ যে থাকা সম্ভব, এবি তে না এলে হয়তো জানাই হতো না কখনো।
নেই নেই করেও প্রায় বছর খানেক হয়ে আসছে আমার এই ভালবাসার ব্লগে।
শুরু থেকেই একটা জিনিস দেখে খারাপ লাগতো, এখানে যে পরিমান ব্লগবন্ধু রয়েছে সে তুলনায় লেখা খুবই কম আসে। অনেকেই অনেক সময় এ বিষয়ে এক আধটু লিখেছেন, তা হয়তো কিছু সময়ের জন্য কিছুটা কাজেও লেগেছে।
আবোল তাবোল - ৯
#
প্রায় সপ্তাহখানেক ঢাকার বাইরে থেকে আজ রাতে বাসায় ফিরলাম। ঘরোয়া একটা কাজে সিলেট গিয়েছিলাম। ছিলাম সিলেট সদর থেকে প্রায় ৩০/৪০ কিমি দুরে। গ্যাস ফিল্ডের কোয়ার্টারে, ওখানে ২৪ ঘন্টাই নিজস্ব জেনারেটর স্বারম্বরে কাজ করে যাচ্ছে তাই ওখানে কারেন্ট বলতে গেলে যায় ই না!
তা সেই গ্যাসফিল্ডের সীমানা প্রাচীরের চারিদিকে চা বাগান আর দুরে বিশুদ্ধ গাওগেরাম। দিনে দুপুরেই ঝিঝির ডাকে মাথা ধরে. আর মাঝে মাঝেই আশেপাশের পাহাড় থেকে বানরেরা নেমে আসে। দুয়েকটা পুরাই বাঘা বাঙালি; ঘরে ঢুকে পায়চারী করে, এটা ওটা খেয়ে যায়।
ওদিকে আবার ইলেকট্রিসিটি যায়নি এখনো, আশেপাশে কোথাও লোকজনের বসতি নাই। তাই সন্ধ্যা পেরুতেই ওখানে নিঝুম অন্ধকার। এ কারনেই হয়তো, ওদিকে সবাই ১১ টার মাঝেই দেখা যায় ঘুমিয়ে কাদা হয়ে গেছে!