ইউজার লগইন

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে'এর ব্লগ

নিশিকাব্য, অসমাপ্ত কথকতা.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]

গাছের একটা পাতাও -
নড়ছে না যেন আজ..

ফ্যাকাসে ঘাসের ভাজে ভাজে,
কল্পনার ঝরে পড়া শিশির -
আর;
নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গের গান..।

বৃদ্ধ ল্যাম্পপোষ্ট,
ছড়িয়ে দিয়ে যায় -
সাদামাটা বিষণ্ণতা..

মহাকালের ক্যানভাসে,
নিযতির নিষ্ঠুর কারুকাজ..

আজ প্রদীপের নিচে অন্ধকার..।

আবছা আলোর বোকা বোকা ছায়ায়,
ক্লান্ত ঝিঁঝিঁর কোলাহল..

আঁধারের প্রান্তর জুড়ে,
কংক্রিটের খাঁচা..

জং ধরা,
পুরানো গ্রীলের গা'য় -

ভেসে যাওয়া মেঘ,
বৃষ্টির ছাঁয়া..।

পায়ে পায়ে হাটা আদুরে বিড়াল..
নিঃশব্দের পদধ্বনি সংগীতে,
আলতো আদরের পরশে;
ঘুম লাগা চোখে..

এখন অনেক রাত..।

কোন এক বিকেলে..[এলোমেলো কাব্যকথন!]

কোন এক বিকেলবেলায়..

চারদেয়ালের জীবন থেকে নেয়া একটু ছুটি..।

ঝরো হাওয়ায়;
উথাল পাতাল ভালোলাগা,
সীমাহীন উচ্ছ্বাস..।

একলা ছাদে,
গোধূলি আভার ছায়ায়..
কল্পনার তেপান্তরে,
সবুজ-ভেলভেট হাতে আঁকা জলছবি..

পটে তার..
স্বাধীনতার সোনালী সুরুজ,
রক্ত ঝরে লাল..।

চেনা শহরের ব্যাস্ত রাজপথ..

অগোছালো তরুণের দৃপ্ত পদক্ষেপ,
টি-শার্টে প্রিয় দেশটার তরে প্রার্থনা..

রিকশায় বসা আদুরে তরুণীর,
আলতো হাতে..
সবুজ পাতায় লাল গোলাপে;
দিবস-ওয়ারী চেতনার উদযাপন,
আর ভুলে যাওয়া ভালবাসা..।

সময়ের তালে..
বড় বেশি বদলে যাওয়া শহরটার,
কোন এক কোণে..
উদাসী বাতাসে;
প্রাণ আকুল করা,
পুরানো দিনের বাংলা গানের সুর..

আজ বিকেলের হাওয়া..যেন,
হৃদয় টাও দোলা দিয়ে যায়..

এলোমেলো ,ভাবনায়..
হাওয়ায় হাওয়ায়..।।

স্বাধীনতা তুমি..

স্বাধীনতা তুমি..

তীব্র শোকে স্তব্ধ প্রহর,
রক্তস্নাত জীর্ণ শহর..

অন্ধরাতের আঁধার চীরে;
রক্ত শপথ,
সূর্যোদয়ের গান..।

নীল আকাশে শ্বেতকপোত,
আর;
লাল সবুজের স্বর্গ স্বপন-

লক্ষ হৃদয়;
মুক্ত ভোরের বিজয়োল্লাস,

উচ্ছ্বসিত প্রাণ..।

শুভ জন্মদিন, সুপ্রিয়তম জন্মভূমি-
ভাল থেকো, আমার বাংলাদেশ..।

ডায়েরীর একটি খালি পাতা ও অন্যান্য কথকতা..

আমি ডায়েরী লিখি, ছয় বছর হল কয়েকদিন আগে। কলেজে থাকতে ইন্টার লাইফে হঠাৎ খেয়ালে শুরু। ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৬-এ লেখা শুরু করে আর থামা হয়নি এই পাগলামির। আস্তে আস্তে দিনে দিনে পুরোই নেশার মত হয়ে গেছে আমার এই ডায়েরী লেখা। নিতান্তই সাধারণ, বিন্দুমাত্র সাহিত্যের ছোঁয়া ছাড়া একঘেয়ে প্রতিদিনকার দিনলিপি - মনের অজান্তেই কবে থেকে যেন আমার প্রতিদিনকার ধরাবাঁধা জীবনের অবিচ্ছেদ্দ অংশ হয়ে গিয়েছে। সকালে বা প্রায়-দুপুরে ঘুম থেকে উঠার পর থেকে রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত, কিছুই লেখার বাকি থাকেনা তাতে। এতটাই লম্বা বৃত্তান্তে ধুলো জমা ডায়েরীর গায় জমা থাকে আমার দিনগুলি, যে যখনি পড়তে ইচ্ছে হয় নিমেষে চোখের সামনে ভেসে উঠে এই কটা বছরে আমার জীবনের স্বপ্নের মত সুন্দর অথবা তীব্রতম কষ্টের একেকটা দিন। ডায়েরী ছাড়া কোথাও বেড়াতে গেলেও দিনগুলো জমা থাকে মুঠোফোনের নোট হয়ে অথবা কোন ছেঁড়া পাতায়, পড়ে ডায়েরীতে টুকে নেবো বলে। এতটা লম্বা সম

প্রার্থনা..

ও আল্লাহ!

তোমার সৃষ্টি সুবিশাল পৃথিবীতে
মাত্র ১৭ কোটি মানুষের ছোট্ট একটা দেশ, আমার প্রানপ্রিয় বাংলাদেশ।

সারা বছর জুড়ে একটা না একটা ঝামেলা লেগেই থাকে,তুমি তো জানোই!

আজ অনেক দিনের পর, এই ছোট্ট দেশটার মানুষ গুলা তোমার কাছে হাত তুলবে। তুমি না চাইলে, কিছুই তো হবে না। আর তুমি সাথে থাকলে, কে আছে আজ এই ছোট্ট দেশের বিশাল বিশাল হৃদয়ে মানুষ গুলার মন ভেঙ্গে দিবে?!

তোমার তো ঠিকই জানা, কিসে আজ এই ছোট্ট দেশের সবকটা মানুষ এক হয়ে হেসে উঠবে।

ও সর্বশক্তিমান,
২৫ হাজার ধুকধুক করা বুকের সাথে ১৭ কোটি মানুষের করজোড়ে প্রার্থনা।

সবুজের বুকে লাল পতাকা বুকে ধরা
১১ টা বাঘের বাচ্চার সাথে থাইকো তুমি,ঘাসের গালিচায় এক ফোঁটা অশ্রু যেন না ঝরে আজ।তুমি ওদের মান রাইখো, সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা সকল বাঙ্গালির এই ভালবাসার দাম রাইখো।

তুমি ই সর্বশক্তিমান।
তাই তোমার কাছেই আজ এই প্রার্থনা।

আঁধার আলোর বৃষ্টিবিলাস..[এলোমেলো কাব্যকথন!]

কোন এক ঘুম ঘুম দিনের শেষে..

দুচোখের পাতায়;
তখনো -
ফেলে আসা দিনের,
স্বপ্নছোঁয়ার স্মৃতি..।

সবুজের ক্যানভাসে,
কোন চীরসবুজ শিল্পীর;
কোমল তুলির অমর আঁচড়..

আঁধার গড়ানো শহরের,
সকল আলো গড়ানো প্রান্তরে..

হৃদয়ের স্পন্দনে যখন,
যুদ্ধজয়ের গান..
পঁচিশ হাজার তিনশ এগারো থেকে,
সতের কোটি হয়ে যায় -
ওরা এগারো জন..।

ঘুম ভেঙ্গে দিয়ে যায়,
আনন্দ আভার পরশে;
মৃদু আলো হাসির সুর..

অনেক দেরি হয়ে যাওয়া,
সন্ধ্যার রাস্তায়..

বিকেলের নরম আলোর পথে,
হঠাত্‍ মেঘলা মনের ছায়া..।

দিনের আলো নিভতেই,
মেঘেদের হাঁতছানি..

কত্ত কত দিনের শেষে,
পাগলা হাওয়া -
আবারো এলোমেলো চুল..।

জানলার কাঁচে,
উড়ে যাওয়া পর্দার গায়ে জল;
ভালবাসা মেঘকণা..
মেঘবালিকাকে,
না বলা কথার উত্তর -
মেঘের চিঠি..।

ধোঁয়া উড়া কফি টেবিল জুড়ে -
স্মৃতির রাজ্যপাট,
কাছের দুরের যত প্রিয়মুখ;
প্রিয়ক্ষণ..।

আবোল তাবোল - ৮

#

যে কোন লেখা, বিশেষত ব্লগরব্লগরের ক্ষেত্রে সবচাইতে বড় সমস্যা বোধহয় একটাই - তা শুরু করা!

মাথার ভেতর রাজ্যের যত চিন্তাভাবনার দৌড়াদৌড়ি কিন্তু লিখতে নিলেই সব উধাও। সবাই যেন বাইরে যাবে বলে এক্কেবারে ফুলবাবুটি সেজে রেডি কিন্তু সময় হলে কাউকেই পাওয়া যায় না। এ ঠেলে ওকে, ও ঠেলে তাকে। এই চলতে থাকে, আর লেখা হয় না। আজ তাই আর এত চিন্তা ভাবনার দিকে না যাই, আজ ডাইরেক্ট একশন। যা যা মাথায় আছে থাকুক, টাইপিং শুরু করলাম যা লেখা হবার হোক!

#

অনেক দিন হল আবোল তাবোল কিছু লিখিনা। ভাল লাগতেছে না ব্যাপার টা।

আসলে, কাহিনী হইল কিস্যু ভাল্লাগেনা! দিনে দিনে দিনকাল এমন হইছে যে একটা কিছু মনোমত হয়না। সবার সাথে খালি ঝামেলা হয়, তাই এখন সবার কাছ থেকেই একটু দুরে দুরে থাকার চেষ্টায় আছি। এইসব প্যানপ্যানানি কথাবার্তা লিখতেও ভাল্লাগেনা। এই মন নিয়া ভাল কিছু লেখার উপায় আছে!

চিঠি

মেঘবালিকা,

কেমন আছো তুমি? নিশ্চয়ই ভালো! এখনও কি মনে পড়ে আমায়?
তুমি নেই তাতে কি,
আমার কাছে এখনো বেঁচে থাকার মানে হল প্রতিটি মুহুর্ত তোমার স্মৃতির কাছেই ফিরে আসা..
কখনো তোমায় ভেবে,
কখনো অন্য কারো চোখের নিরন্তর ছায়াপথে ভেসে আসা ভালবাসায়।
মনে পড়ে,
কত্ত স্বপ্ন ছিল তোমার আমার?
কিছুতেই কিছু হল না..
কি সব দিন যে ছিল তখন।
মনে হত,
প্রত্যেকটা দিন ভোরের প্রথম আলো ছড়াতো
তোমায় দেখবো বলে।
প্রখর রৌদ্র দিনের শেষে
মেঘ করে যেত
বৃষ্টিকণা যত তোমায় ছুঁয়ে যাবে বলে।
খুব ভাল লাগতো গোধূলির আলো,
সে তো তোমার চোঁখের পাতায় জল মুছে দিত বলেই।
তুমি যে কখনো এভাবে চলে যেতে পারবে, কেই বা ভেবেছিল বল?
কিছু করার ছিল না সেদিন, কেবলি নিজের ছায়ার মত আঁধার ভাগ্য কে দোষ দেওয়া ছাড়া।
জানো, ওইদিন সমূদ্রস্নানে গিয়েছিলাম। খুব বেশিক্ষণ একা থাকতে পারিনি,
বারেবার মনে পড়ে যাচ্ছিল-
কথা ছিল আঙ্গুলের ফাঁকে থাকবে তুমি..

সমুদ্রবিলাসে বাউন্ডুলে.. [কাব্য লগ!]

#

রাতের ট্রেন..

জানলার অন্ধকারে;
তারা হয়ে পথ দেখায়,
প্রিয় কোন স্বপ্ন..।

আড্ডামুখর পথচলার কথকতায়;
ভুল সুরে গাওয়া প্রিয় গানে,
মৃদু হাসিতে ছুঁয়ে যায় বিষাদ..

অস্বাদিত কোন উচ্ছ্বাসে,
বুকে বেঁজে উঠে অবাক আক্ষেপ..
আর গাওয়া হবে না-
‘আমি শুনেছি সেদিন তুমি…’।

#

অপেক্ষার রাত শেষ হয়ে আসে..

চোখ খুলতেই,
নতুন দিনের আলো..

কল্পনার অনুভূতিতে;
মিছিমিছি-
দোলা দিয়ে যায়,
লোনা জল হাওয়া..।

গুনগুন গুঞ্জনে গুঞ্জরিত গান,
সাগর ডাকে..আয়..আয়..আয়..।

#

বিষণ্ণ দুপুর,
কিছু রোদ্দুর..

অলস হাওয়ায়;
ভেসে আসে ঘ্রাণ,
বহুদূরের সমুদ্দুর..

কালান্তক সময় আজ,
নির্বিষের বিষে নীল..

জলে তার ছায়া..

সমুদ্দুর ডুবে যায়,
আকাশনীলায়...।

#

চিরচেনা বিকেল হাওয়ার গান,
বদলে গেছে আজ..

তপ্ত ধুলির বাঁধ পেরুতেই;
অপার্থিব জলরাশি,
স্বপ্নছোঁয়া আবেশের সমুদ্দুর..

শুধুই চেয়ে থাকা,

এক সকালে..

-মুকু, এই মুকু..শুনে যা তো একটু..

বাসা থেকে বের হতে গিয়ে-ও দাড়িয়ে গেল মুকু, ভাইয়া ডাকছে ভেতরের ঘর থেকে।

ওর ভার্সিটি পড়ুয়া একমাত্র ভাই স্নিগ্ধ'র ঘরে ঢুকতে ঢুকতে ভ্রু কুঁচকে গেল মুকুর। ঘর অগোছালো রাখা মুকুর একদম সহ্য হয়না।

সকাল দশটা বাজে, এখনও বিছানাই ছাড়া হয়নি!

- কীরে, এক কাপ চা করে দে না..

- কলেজ যাচ্ছি তো ভাইয়া, এখন তো একদম সময় নেই।
তাড়াহুড়া করে বের হয়ে এলো মুকু।

ফার্স্ট পিরিয়ডে আজ ওর প্রিয় রাবেয়া মিস্ এর বাংলা ক্লাস।
এত্ত সুন্দর করে কবিতা গুলা পড়েন মিস্, প্রেমে পড়ে যেতে ইচ্ছে করে!

বাসার গেইট টা খুলতেই - একটা লেজ ফোলা লাল সাদা বেড়াল হেটে যাচ্ছে, সাথে দু'টা পুচকি ছানা।
ইস্, কি সুন্দর দেখতে! সকাল সকাল এত্ত সুন্দর কিছু দেখলে কার না মন ভাল হয়ে যায়?!

কি ভেবে আবার বাসায় ঢুকল মুকু।
ধীরে সুস্থে এক কাপ চা বানিয়ে ঢুকল ভাইয়া'র ঘরে।

একুশে..

একুশ মানে বাংলা ভাষা,
মাতৃভাষার জোর..

একুশ;
সে তো রক্তে ভেঁজা,
স্বাধীনতার ডোর…

একুশ হল হৃদয় মাঝে,
আত্মত্যাগের ঘোর..

একুশ;
লাখো স্বপ্নে দেখা,
সম্ভাবনার ভোর..

চক্র

#১#কোন এক দিন..

শুক্রবারের সকাল। সাইফ আর সায়েম দুই ভাই, আর কেউ নেই বাসায়। গরমের ছুটি চলছে। বাবা মা দুজনেই বেড়াতে গেছেন গ্রামের বাড়িতে, জমিজমার কি যেন একটা কাজে।

সাইফ ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে আছে এইবার, ছোট ভাই সায়েম ক্লাস সেভেনে।

সাইফের প্ল্যান ছিল আজ বারোটা পর্যন্ত ঘুমাবে, একে ছুটির দিন তার উপর বাসায় মা বাবার ডাকাডাকিও নাই। যাকে বলে, একেবারে সোনায় সোহাগা।

কিসের কি, ঘুম ভেঙে গেছে সেই ভোর ছয়টায়।
নামাজ পড়ে কিছুক্ষণ ছাঁদে হাটলো সাইফ, ভোর হতে দেখার মত সুন্দর দৃশ্য মনে হয় কম-ই আছে।

ছাঁদের ফুলগাছ গুলাতে পানি দিয়ে সায়েমকে ডেকে তুললো সাইফ। সায়েম প্রথমে স্কুলে দেরি হয়ে যাচ্ছে ভেবে ধড়ফড় করে উঠতে নিচ্ছিল,
দিনটা শুক্রবার মনে পড়ায় আরো ঘন্টাখানেক আড়মোড়া ভেঙে তারপর গিয়ে উঠেছে।

ভালবেসো.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]

ভালবেসো;
তারে,
যে তোমারে ভালবাসে..।

যে জন তোমার
দুঃখ-দিনে;
ঠিক রয়ে যায় পাশে,
তোমার সুখে আনন্দে যে ভাসে..

জেনো;
সে তোমারে ভালবাসে..।

তোমার চোঁখের জল মুছে যে,
হঠাত্‍ হাসির ছলে..
হাল না ছাড়ে;
দেখতে হাসি,
তোমার চোঁখের কোলে..।

যারে;
দুঃখ দিলে-ও,
সব ভুলে যায়;
একটু মৃদু হেসে..।

যত্ত দুরেই যাক চলে যাক,
সঙ্গী হয়ে হৃদয় জুড়ে থাকে..

চাও যখনি;
হৃদয় মাঝে,
এক লহমায় -
স্মৃতির তোড়ে ভেসে..

মন জুড়ানো ভালবাসায়,
জড়িয়ে ধরে এসে..।

জেনো;
সে তোমারে ভালবাসে..।

ভালবেসো তারে..

কত্ত শত মন ভোলানো
ভালবাসার ডাকে;
যে জন তোমায় একটু খানি,
'সত্যি' ভালবাসে..।

[ অনেক অনেক ভালবাসা, সব্বাই কে.. <3 Smile ]

অস্ফুট ভালবাসা..[এলোমেলো কাব্যকথন!]

ভোরের আলোয়
সতেজ প্রাণে,
মিষ্টি সুরে অচীন গানে..

উদাস মনে;
চা'য়ের কাপ-এ
আধ-এক চুমুক,
আবছা ধোঁয়া-
ক্লান্ত দুপুরবেলা..

বিকেল জুড়ে;
মনের আকাশ,
মেঘের আনাগোনা..

মনের ভুলে-ও;
হয়না তো ভুল..
হৃদয় জুড়ে -
তোমার সনে;
কল্পনার-ই স্বপন বোনা,
স্বপ্নলোকের খেলা..

সাঁঝের মায়ায়,
আঁধার ছায়ায়..
তোমায় ভেবে;
ঠোটের কোনে,
একটু খানি হাসি..

রাত গভীরে;
তোমায় নিয়ে,
স্বপ্ন রাশি রাশি..

হয়তো তবু
মনের ভুলে;
যায় হয়ে ভুল,
হয়না বলা -
'কত্ত ভালবাসি'..

এমন করে
ক'জন বল,
ভাববে তোমায়..
একলা;
রোজ-ই,
বাসবে এমন ভাল?

যায়না দেখা..
তাই বলে কী;
ফেলবে না তা,
মনের ঘরে -
একটু খানি রেখা?

হৃদয় তোমার উজার করে;
বলবে না কী?
একটু হেসে,
'তোমায় ভালবাসি'..?!

অণু কবিতায় তুমি ছবি'টা..[ভালবাসার অনুপদ্যমালা!]

তুমি এলে..
কিছুই না বলে;
হেসে, চলে গেলে..

তবুও,
কী আশ্চর্য সুন্দর আজকের এই নীলাকাশ..

# # # # #

ভুল সময়ে,ভুল নিয়মে..
ভুল কারনে;
ভুল মানুষেরে
ভালবেসে,ভুল হয়ে যায়..

তুমি যেই না একটু হাসলে-

অমনি,
ভুল গুলো সব ফুল হয়ে যায়..

# # # # #

সারারাত,
নিকষ কাল অন্ধকার-
আমারই থাক..

সকালের প্রথম সূর্যালোক..
আদুরে রোদ্দুর;
এক সতেজ ভোরের ঘ্রাণ,
তোমায় দিলাম..

# # # # #

পথ চলা,
গন্তব্যহীন..

আঁধারের চোখ,
নিষ্পলক..

কিছুই বলার নেই..

কিছু কথা,কিছু নিস্তদ্ধতা..

আলতো হাসিতে,
চীড়ে নীরবতার বুক..

আজ নক্ষত্রের রাত..