ইউজার লগইন
ব্লগ
দিনগুলো, অতীতের মতো মনে হয়!
দিনগুলো, অতীতের মতো মনে হয়
মনে হয় যেন ঘুম থেকে উঠে
যেতে হবে স্কুলে
কিশোরের বিষন্ন স্বপ্নের মতো
এ যৌবন পুড়ে যায়
নিজের উত্তাপে।
পুড়ে যায় আশা-ভালবাসা
মমতার প্রিয় বন্ধন
চেনা চেনা মুখ
অচেনা হয়ে যায় চলে
চলে যায় বহু দূরে
ধোঁয়াশায় ঢাকা মন
পারে না জানাতে
জমে আছে কত ক্রন্দন।
পুড়ে যায় চেনা বনভূমি
স্বদেশের প্রিয় অঙ্গন
সময়ের মেঘ
কালো হয়ে জমে থাকে
জমে থাকে কালো হয়ে
জীবনের ছেঁড়া ছাতা
আমরা বুয়েটে পড়ি, আসেন একটা গালি, নিদেনপক্ষে একটা একটা মাইনাস দিয়ে যান।
হ! আমরা বাস ভাঙ্গছি। আমাগো ভার্সিটির জুনিয়র পোলা মারা গেছে। এমন ত কত মারা যায়। কিন্তু তা বইলা বাস ভাংমু? মানুষজনরে অসুবিধায় ফেলাইছি। আমাগো বিরাট ভুল হইয়া গেছে। দশটা বিশটা বাস ভেঙ্গে ফেলছি। এমনিই গরীব দেশ সেই দেশের বাস ভেঙ্গে বিরাট আর্থিক ক্ষতি করে ফেলছি। আমাদের মত বিশৃংখলা সৃষ্টিকারীদের মাইনাস দিয়া আর গালি দিয়া নিজেরে ঠান্ডা করেন।
গুল নাহার বেগম জেলহাজতে......!
প্রতারণার অভিযোগ
গুল নাহার বেগম জেলহাজতে
ঝালকাঠি প্রতিনিধি | তারিখ: ০৪-১০-২০০৯
প্রতারণা, জাল-জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাত্ মামলায় বরিশালভিত্তিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা দিশার চেয়ারম্যান জিয়াউল হক ও ঝালকাঠি শাখার হিসাবরক্ষক গুল নাহার বেগমকে ২৯ সেপ্টেম্বর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
লন্ডন রাজকীয় মোমের যাদুঘরে একদিন
ভাইবা দেখলাম ভালো লেখক হওনের যোগ্যতা আমার নাই, তবে ভালো দেখক হওনের আছে। পায়ের নিচে সরিষা নিয়া জন্মানোর কারণে কয়দিন পর পরেই একেকদিকে ছুটতে মন চায়। কপাল গুণে কায়কারবারও এমন জুটছে আমার ভাগ্যে যে বছরে অন্তত আধা ডজন বিদেশ ভ্রমণ বান্ধা। বিয়ার আগে হাফ চান্সরে ফুল চান্স বানাইয়া একেক সময়ে একেক দিকে উইড়া যাইতাম। ইদানীং ঘর সংসার নিয়া এতই ব্যস্ত যে সহসা কোনোদিকে যাবার সময় পাইনা, যদিও মন পাখি খালি উড়াল দিতে চ
আবজাব ভ্রমণ কাহিনী - নানার বাড়ি মধুর হাঁড়ি
ছুটির দিনে আমি বেশীরভাগ সময় বাসায় থাকতেই পছন্দ করি। নিতান্ত প্রয়োজন নাহলে ছুটির দিনটা বাসায় ঘুমিয়ে, আন্তর্জালিক জগতেই কাটিয়ে দিতে চেষ্টা করি। সপ্তাহের ছয়দিন অফিস করতে হয় বলে শুক্রবার দিনটা এমনিতেই একটু বিশ্রামে কাটাতে ইচ্ছে হয়। গতকাল বৌদ্ধ পূর্ণিমার ছুটির কারণে সপ্তাহে একদিনের বেশী ছুটি পেয়ে গেলাম। তাই চলে গিয়েছিলাম নানাবাড়ী। আমাদের নানাবাড়ী লোহাগাড়া, জায়গাটা কক্সবাজারের কিছুটা আগে। চট্টগ্রাম থে
আসেন দিল খুইলা হাসি, এমন সুযোগ আর পাইবেন না.......।।...
অনেক আগে এক মুভিতে রাজনীতিবিদদের নিয়ে একটা মজার ঘটনা দেখছিলাম। এক অশিক্ষিত সন্ত্রাসী কাম রাজনৈতিক নেতা সংসদ সদস্য হবার পর সংসদে গেছে। কে কি আলাপ করে বুঝে না সে, কিন্তু তার তো কিছু বলতেই হবে। সুযোগ খুজছে সে। এমন সময় যখন মন্ত্রী বললেন "অমুক নদীর পানি কৃষকরা সেচের কাজে ব্যবহার করে, আমাদের প্ল্যান হচ্ছে সেই নদীর পানি বা স্রোতকে ব্যবহার করে প্রথমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবো, তার পর সেই পানি কৃষককে দেবো সেচের
দ্রুত গতি দ্যা-স্পীডে "চলে এলাম"
মডুরা চিঠিতে বলছে "চলে এলাম" টাইপের ১/২ লাইনের পোস্টকে এবিতে নিরুৎসাহিত করা হয়। "১/২" বলতে মডুরা কি "অর্ধেক লাইন" বুঝাইলো নাকি "১ বা দুই লাইন" বুঝাইলো বুঝলাম না । আমি এমনিতেই নিজের নাম লেখতে কয়েকটা চাবি-বোর্ড ভাংগি, সেইখানে আমাকে হাফ লাইনের বেশী লেখতে বলা মানে হলো বাঘের সাথে কোলাকুলি করতে বলা। আফসুস। বাঘের সাথেই যখন কোলাকুলি করতে হবে তখন বাঘের বাচ্ছা বাঘকে চাবি-বোর্ড দিয়ে ১/২ ( এইটার মানে দু
আতকা
১
সেদিন যখন সুপ্রয় আর রত্নাকে মাতৃমঙ্গল দেখলাম, প্রথমে একটু আবাক হলাম। শেষে নিজে নজে ধরে নিলাম- হয়তো বেড়াতে এসেছে। আবার প্রশ্ন উঁকি মারে! রত্নার পরিবার তো অনেক কঠিন একটি পরিবার, সেখান থেকে সুপ্রয়ের মতো বেকুব কি করে রত্নাকে নিয়ে বের হলো। এইসব কিছু প্রশ্ন সেদিন সর্বক্ষণ আমাকে তাড়িয়ে গেছে তারপরও আমি সুপ্রয় এর কাছে জানতে চাইনি কিভাবে রত্নাকে নিয়ে বের হলো। এতোদূর আসার সাহস জন্মালো কবে?!
ভূতের মুখে রাম নাম: মুসা ইব্রাহীমকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সজল খালেদ
মুসা ইব্রাহীমের এভারেস্ট জয়ে পুরো জাতি যখন আনন্দে আত্মহারা, তখন সজল খালেদ একটি ফেসবুক নোট লিখে পুরো জাতিকে দ্বিধাগ্রস্ত করে দিলো। তার অযাচিত ব্যক্তিগত সন্দেহ আর ব্যক্তি আক্রোশের ফল ভোগ করলো পুরো জাতি। সন্দেহবাতিকগ্রস্তরা লুফে নিলো সজল খালেদের বক্তব্যকে। আনন্দের একটা বিষয়কে তিক্ত করে তুললো। সেজন্য তার কপালে ধিক্কারও কম জোটেনি।
খোলা চিঠি--
আমি প্রতিক্ষায় ছিলাম। হাসপাতালের রিসিপশনে বসে ছিলাম। কখন তার যাবার সময় হবে। আমি সেই তখন ভদ্রতা বজায় রেখে আবার আসবার কথা বলে বিদায় দেব। সেই সমটা কতক্ষন পর হবে , আধাঘন্টা একঘন্টা-------------------
জানি সে একজন নারী। তার রয়েছে প্রখর ব্যাক্তিত্ব। সেই ব্যাক্তিত্ব তোমাকে করেছে বিমোহিত। তার উচ্চারন, তার কথা বলবার ভঙ্গি একেবারেই গতানুগতিকের বাইরে। তোমার দিকে তাকিয়ে তোমার মুখ থেকে কথাগুলি শুনছি। তোমার অসুস্থ্য চোখে মুখে তার কথা বলবার সময় এক ধরনের উজ্জ্বলতা খেলা করছে। সেই নারী বিবাহিতা। তুমি বলছো সে তোমার বন্ধু।
বন্ধু তবে এতদিন বলনি কেন? বন্ধুর জন্য আমার সাথে এত লুকোচুরি কেন? বন্ধুর জন্য তুমি এত ব্যাকুল কেন? আমারও তো অনেক বন্ধু আছে কিন্তু সেখানে তো কোন লুকোচুরি নেই।
অনেক কিছুই বদলায় না
Life is Same!!!!
20 year back - School bag.
Today - Office bag.
20 years back - Lekhak Note book.
Today - HP Note book.
20 years back - Hero Ranger.
Today - Hero Honda.
20 years back - Half pants.
Today - Full pants.
20 years back - Playing with plastic car running on battery and remote.
Today - Playing with metal car running on petrol and gear.
নিজের সম্পর্কে কে কী ভাবেন
এবি'র ব্লগারদের মধ্যে (যাদেরটা পাওয়া গেছে) নিজের সম্পর্কে কে কী ভাবেন, আসুন একনজরে দেখে নেই :
১. আমার বলার কিছু ছিলনা ... সাঈদ
২. জন্ম বাংলাদেশে । জন্মভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন ছয় বছর যাবৎ ... দুরের পাখি
৩. যতবার আলো জ্বালাতে চাই নিভে যায় বারেবারে,
আমার জীবনে তোমার আসন গভীর আন্ধকারে।
যে লতাটি আছে শুকায়েছে মূল
কূড়ি ধরে শুধু নাহি ফোটে ফুল
আমার জীবনে তব সেবা তাই বেদনার উপহারে।
চুরিতে আর যদি যাই
আমি তখন খুব সম্ভবত ক্লাশ ওয়ানে পরি অথবা কেজি ক্লাশে। জাস্টিস এন আই চৌধুরীর বাড়িটা আমাদের খুদে বাহিনীর কাছে একটি রহস্যময় বাড়ি সব সময় মনে হত। বাড়ির ভেতরে কে কে আছে তারা কে কি করে কিছুই জানি না। বাড়িটির চারপাশে অনেকগুলি প্লটে কোন বাড়ি ছিল না। মাঠ ছিল আমরা সেখানে খেলতাম আর বাড়িটার দিকে তাকিয়ে অনেক গল্প করতাম যা সেই বয়েসে জন্য ছিল বেশ রমোহর্ষক।
একখানা দাম্পত্য কলহ ( পোলাপানের প্রবেশ নিষেধ)
বেশ ক'বছর আগের ঘটনা হে।
ভ্রমনের উদ্দেশ্যে গিয়েছিলুম এক বন্ধুর বাড়ীতে। ঢাকার আশে পাশেই হইবে তাহার বাটি খানি। বিদ্যূতের খুটি সর্বস্ব গ্রামখানি দেখিয়া যাহারপর নাই মুগ্ধ হইয়া দর্শন করিতে লাগিলাম। গ্রামের সেঁদো মাটির ঘ্রান , গুল্ম লতাপাতার ঘ্রান বার বার নাসাঃরন্ধ্রে প্রবেশ করিতেছিল আর আমরা তাহাতে ইষৎ পুলকিত বোধ করিতেছিলাম।
ক্রীড়াসামগ্রী তৈরিকারক প্রতিষ্ঠান নাইকি'র ফুটবল বিশ্বকাপ ২০১০ এর জন্য তৈরি চমৎকার একটি বিজ্ঞাপন - WRITE THE FUTURE
প্রতিটি ফুটবল বিশ্বকাপেই বিশ্বের বিভিন্ন ক্রীড়াসামগ্রী তৈরিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো নানাভাবে বিজ্ঞাপন তৈরি করে থাকে। এবারের বিশ্বকাপও তার ব্যতিক্রম নয়। অসংখ্য ক্রীড়াসামগ্রী তৈরিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো মাঝেও যেন নাইকি দুই পা এগিয়ে। এবারও তারা চমৎকার এবং মজাদার একটি বিজ্ঞাপন তৈরি করেছে। আসুন, দেখা যাক।
