অভিনন্দন তোমাদের :: এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা ছোট্ট বন্ধুরা
শুধু আমি নয়... আমাদের অনেকের জীবনের সবচাইতে বড় পরীক্ষাটাই ছিল এসএসসি। প্রথম সার্টিফিকেশন এক্সাম। আর কোন এক্সামের কথা এত পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে মনে নাই। বাসার সব্বাইকে ছালাম করে হলের দিকে রওনা দিয়েছিলাম। সাথে মসজীদের হুজুরের দেয়া তাবিজ ডান হাতে বেধে দেয়া ;)। আম্মা গিয়ে ছিলেন সাথে। এক্সাম শেষে সাথে করে আবার নিয়েও এসেছেন। মনে হইতে ছিল নয়া... চিনিনা কিছু :)। তখন বাংলা প্রথম পত্র এবং দ্বিতীয় পত্র এক সাথে হত। সকাল এবং বিকাল। আম্মা খাবার নিয়ে সারাদিন বসে ছিলেন এক্সাম হলের পাশে :(।
রেজাল্টের সময় আমি আর আমার মেঝ মামা গিয়েছিলাম স্কুলে। অফিসের সামনের নোটিশ বোর্ডে ঝুলিয়ে দেয়া হতো রেজাল্ট। বুকের মধ্যে ধুরফুরানি। হার্টবিট এত বেশী বাড়ছিল এবং দরদরিয়ে ঘামছিলাম।
... আর এখন রেজাল্ট পায় সব্বাই ঘড়ে বসে বসে 
ইংরেজীতে ৩৩ পাইতে জান বের হইয়া যাইতো। আর এখন প্রতি বিষয়ে A+। বীজগণিত ভালো পারতাম ... টার্গেট থাকতো বীজগণিতে ৩০ আর জ্যামিতি থেকে একটা দিতে পারলেই পাশ
... আহা কি সময় পার করেছি
আজ সব কাগজে... টিভিতে তোমাদের হাস্যোজ্জল মুখ... ভালো লাগছে। সকলের মুখে চিকচিক করছে আনন্দের ঝলকানি। জীবনের প্রথম সার্টিফিকেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ তোমরা। তোমাদের ঝলমলে এই খুশির উচ্ছলতা মাখা মুখগুলো দেখতে সত্যি খুব ভাল লাগছে।
ছোট্ট বন্ধুরা তোমাদের অভিনন্দন জানাই তোমাদের এই সফলতার জন্য। কিন্তু মনে রেখ... এটা মাত্র শুরু... তোমাদের অনেক দুর যেতে হবে। ঠিক এই উচ্ছাসটুকু নিয়েই তোমরা জীবনের বাকি পথগুলো পেরিয়ে যাও। এই দোয়া সব সময়।
সকলেই উত্তীর্ণ হবে না এটা ঠিক। যে ছেলেটা/মেয়েটা আজ উত্তীর্ণ হতে পরে নাই তার কষ্ট আর কারো বোঝা সম্ভব নয়। আমরা প্রতিবারই অনেক হৃদয় বিদারক ঘটনার সম্মুখীন হই। এই সংবাদ গুলো অনেক পীড়া দেয়। কিন্তু কিছুই করার নেই
... পাশ ফেল তো থাকবেই। এইটা আমরা কেউ মানতে চাই না।
ছোট্ট বন্ধুরা... আজ যারা এই আন্দের মিছিলে নেই... তাদের অনুরোধ... তোমরা আগামীতে আরো ভালো করার দৃঢ়প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করো। ব্যার্থতা থেকেই কিন্তু সফলতার পথ তৈরী হয়
শুভ কামনা তোমাদের সকলের জন্য





সবাইকে অনেক অনেক অভিনন্দন ...
আমার এসএসসির সবচেয়ে প্রিয় স্যারটা পরীক্ষার রেজাল্ট বের হবার পর আমাদের কয়েকজনকে ডাকলো। বললো, "এদ্দিন তো বয়েজ স্কুলে পড়ছিস। এখন যাইতেছিস কলেজে। ছেলেমেয়ে একসাথে ক্লাস। পড়াশুনা কর অসুবিধা নাই। কিন্তু খবরদার মিলামিশা করবা না। "
কথা রাখছি, মিলামিশা সত্যিই করি নাই। কারন মিলামিশার অর্থই বুঝি নাই
আহারে। আপনার জন্য সমবেদানা।
অভিনন্দন ও শুভ কামনা জানাই
সবাইকে অভিনন্দন
যারা পাশ করোনি, তাদেরকে একটা গোপন কথা বলি, পৃথিবীর অধিকাংশ কাজেই আসলে গ্রন্থগত বিদ্যার তেমন কোন প্রয়োজন নেই।সার্টিফিকেটের প্রয়োজন তো আরো বেশী নেই।
হ... এক্কেরে সত্য কথা...
সবাইকে অভিনন্দন
(অঃটঃ এখন এরকম অভিনন্দন দেখলে ভার্সিটি/বুয়েট/মেডিকেল ভর্তি কোচিং, আমাদের সময় ছিল কলেজ ভর্তি কোচিং - এসবের কথা মনে পড়ে)
আমাদের ব্যাচটা সব জায়গায় বিখ্যাত। প্রাইমারি, হাই স্কুল, কলেজ সবখানেই। আমাদের হেড স্যার একবার বলছিলেন, এই ব্যাচের পোলাপাইনগুলাই সবচাইতে শয়তান, আবার এরাই আমার গর্ব। তার মাঝে আমরা দিবা বিভাগের পোলাপাইনগুলা ছিলাম আরো এক কাঠি সরেস
আমাদের বান্দরামিতে কোন স্যার-ম্যাডাম শান্তিতে ক্লাস নিতে পারতো না। সবার মুখে সুশীল হিসেবে প্রাত:বিভাগের পোলাপাইনদের প্রশস্তি।

হু কেয়ার'স??
আমরা কথা রাখছিলাম। আমাদের বার চট্টগ্রাম থেকে A+ পাইল মোট ৩০ জন। তার মাঝে FCC পাইল ২০ টা মনে হয়। শহরে সবচাইতে বেশি A+ পাইলো আমাদের কলেজিয়েট, ৬টা। আর, এই ৬টাই আমাদের দিবা বিভাগের। প্রাত:বিভাগের পোলাপাইনদের মুখে পুরা চুনকালি
সব পরীক্ষার্থিদেরই শুভেচ্ছা।
সত্যি কথা বলতে কি, সব ব্যাচের পোলাপানই নিজেদের বিখ্যাত ভাবতে ভালবাসে
কতা অতিশয় সইত্য। অস্বীকার করার উপায় নাই
আজকেও আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে টুটুল ভাই।
যাইহোক, আমি এ একটা পোস্ট দিচ্ছি দেইখেন।
হ, আবারো একটা ম্যাট্রিক পরীক্ষা দিলে ভালোই লাগতো---
আমারো আবার দিতে ইচ্ছা করতাছে
সত্যি
সবাইকে অভিনন্দন।
টুটলের পোষ্ট পড়ে আমার নিজের পরীক্ষার কথা মনে পড়ছে। আমাদের সময়ে দুই বেলা পরীক্ষা ছিলো না।একবেলা হতো। আমার বাবার হাতে জুস জাতীয় কিছু থাকতো্ই। বাইরে বসে থাকতো।রাতে পড়ার সময়ে জেগে বসে থাকতো। আর রেজাল্ট পেয়ে খুব খুশী। আহারে সেই দিনগুলি যদি ফিরে পেতাম!
কয় কি! কোন মতে ফাঁড়া পার হইছি। আবার সেই ফাঁদে পড়ব? জীবনে না।
দেখতে দেখতে চোখের সামনে টুটুল পোলাটা বড় হইয়া গেল। কেমন মুরুব্বি টাইপ পোস্ট দেয়।
হ। সেইদিনও টুটুলরে দেখছি ছুডু। হাফপ্যান্ট পইড়া খেলতাছে কমু? নাকি থাক।কিছু না কই।
ফেইল মারা ছত্রদলের উদ্যেশ্যে এক খানা জ্বালাময়ি ভাসন দেওয়ার ইরাদা আছে আমার। এই লাইনে আমার প্রচুর অভিজ্ঞতা।
ঝাইড়া দে্ও তারাতারি
গুরু, একটা ছুটু ফ্রশ্ন করি বস! এত পুলাপাইন যে পাশ করল, এগো পড়নের নিগা কলেজে কি সিট আছে? এর জন্যে আমাদের দেশের সরকার কি করবেন?
আমার ইন্টার ছিল ১৯৯৭ এ, আমার মনে, রেজাল্ট আর দেয় না, কারণ পাশের হার ছিল বলে ৮ না ১২%, শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের তো ইয়েতে বাঁশ, তাও আবার নাকি সব ইংরেজিতে ফেল। পরে গ্রেস দিয়া ঠেলা ঠেলি শুরু হইল, এর পর এইটারে ঠেইলা তারা ২৬% বানাইলো, এতেও মন ভরে না, পরে আরো ২ দফা ঠেলা দিয়ে মনে হয় ৪১ বা ৪২% করছিল।
কলেজে ভর্তি এইটা নিয়া একটা আলোচনা পোস্ট শুরু করেন
এ বি এক্টা কলেজ বানানোর উদ্যোগ নিতে পারে না?ভবিষ্যতে কাজে লাগতো।
তোমাদের সাফল্যে আমরা আনন্দিত! সবার জন্য শুভেচ্ছা নিরন্তর!!! আর যারা ব্যর্থ হলে এবার, পরেরবার যেন ভালো করো, সে কামনা।
অভিনন্দন
অভিনন্দন ।
মনে হইতে ছিল নয়া... চিনিনা কিছু :)। তখন বাংলা প্রথম পত্র এবং দ্বিতীয় পত্র এক সাথে হইত। সকাল এবং বিকাল।.....................টুটুল ভাই, আহা ... মনে করাইয়া দিলেন। অভিনন্দন সবাইকে।
যারা এস এস সি পাশ করলে সবাইকে অভিনন্দন।
যারা এস এস সি পাশ করলে সবাইকে অভিনন্দন
টুটুল ভাই কি নাজের দেয়া বুইড়া নাম সার্থক করার জন্য এমন ভাবগম্ভীর পোষ্ট দিলেন?
মন্তব্য করুন