ইউজার লগইন
ব্লগ
একটি রূপকথা
অনেক অনেক দিন আগে , এক দেশে দুই রানী ছিল। হা - রানী আর খা - রানী । রানী হলে কি হবে !!! সেই দেশের লোকজন ঠিক করতো কে দেশ চালাবে। খা রানী ৫ বছর দেশ চালায় তো হা রানী ৫ বছর দেশ চালায়। এভাবেই তারা একজনের পর আরেকজন দেশ চালাতে লাগলো।
উত্তরাধুনিক নীতিগল্প
একদা প্রত্যূষে অতিকায় এক চিনার বৃক্ষের মূলে বসিয়া অস্থিচর্মসার এক শকুন পরম মনোযোগ সহকারে সদ্যধৌত তুলসীপাতা ভক্ষণ করিতেছিল। দূর হইতে এই দৃশ্য দেখিয়া চোখেমুখে সহানুভূতি আর আগ্রহের ছাপ ফুটাইয়া আগাইয়া আসিল এক ধাড়ি ছাগ। নিকটবর্তী হইয়া শকুনকে শুধায়—‘ওহে মহাকাশচারী দিগ্বীজয়ী খেচর, মগডালে উপবিষ্ট না হইয়া এই গান্ধা মর্ত্যে তুমি কী করিতেছ?’
আসেন একটা গফ শুনি
সে বহুকাল আগের কথা যখন আরব্রা গুহায় বাস কর্তো... আম্রা তখন সামুতে খাইয়া না খাইয়া পইরা থাক্তাম... অচিনদা পোস্টানোতো দুরের কথা ... কোন কিছু ভাবলেই ব্যান খাইতেন... সেই বর্ণিল সময় পেরোতে পেরোতে কত্ত কি দেখলাম এর মধ্যে ময়ুরাক্ষী নদীতে কত রঙের জল গড়াইয়া গড়াইয়া পর্লো.. এখন শুকাইয়া সেখানে ময়ুরাক্ষী হাউজিংও উইঠা গেল... 
রুতি, তোমার জন্য
রতনবাইয়ের জন্য মন পুড়ছে। আহা মেয়েটি, ষোল বছরের মোমের আলোয় হেসে ওঠা মেয়েটি মাত্র উনত্রিশ বছরেই নিভে গেল। নিভে যাওয়ার আগে হাত ইশারা করে বলার চেষ্টা করছিল--কুকুর দুটোকে খেতে দাও। কে খেতে দেবে?
হয়ত এই ইশারাটাই ভুল। কেউতো ছিল না পাশে। শুধু কুকুর দুটো। শুকনো আর হতবাক।
আজ সারাদিন রতনবাই ওরফে রুতিকে পড়েছি। এই মেয়েটির মৃত্যুই একজনের জীবনে একবারমাত্র কান্না এনেছিল।
লোকটি মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
নতুন পৃথিবীর পথে, হলিউডি সিনেমার নতুন যাত্রা...
সিনেমা দেখাটা আসলে একধরণের অভ্যাস। মানুষ আসলে বিনোদিত হইতে চায় বইলাই সিনেমা দেখে, মানুষ সিনেমা দেখে নিজেরে সামাজিক সম্পর্কের অ্যাসপেক্টে যাচাই করতে, মানুষ সিনেমা দেখে উদ্বুদ্ধ হইতে...এইরম অসংখ্য সাবটেক্সটের উল্লেখ করা যায় সিনেমার উপস্থাপণ বিষয়ক আলোচনায়। কিন্তু যে সিনেমা দেখে এইটারে আসলে তার অভ্যাস মনে হয় আমার কাছে। তার এই অভ্যাসরে জায়েজ করতে গিয়া সে হেতু নির্ধারণ করে। আমিও অভ্যাসবশতঃ সিনেমা দেখি।
আত্মমগ্ন কথামালা (পাখিসূত্র)
.
.
একঝাঁক পাখি উড়ে যাবে জমাট বরফের ভিতর দিয়ে
ছন্দহীন ডানায় বয়ে নেবে সুখ ও দুঃখের সকল বিশ্লেষণ
পায়ের নখে ছিঁড়ে দেবে ফুলেদের রঙিন সঙ্গম
সূর্যদেবতার পাপ ছড়িয়ে দেবে মঠের দেয়ালে জানালায়
গৃহত্যাগী সন্যাসীরা কোষ মুক্ত তরবারি হাতে হত্যায় নিবিষ্ট হবে
সদ্যজাত শিশুদের রক্ত পানের উত্সব শেষে ঘরে ফিরবে কিষাণীর এলোমেলো পা
পাখিসুত্র লেখা হবে স্বর্ণকারের কষ্টি পাথরে|
পদাধিকার বলে
পদাধিকার বলে আয়েশ হয় বেশ
গদির পেছনে তোয়ালে ঝুলে
গালে তলপেটে পশ্চাদ্দেশে
পুরুষ্টু চর্বি ছলছল করে।
পদাধিকারীর উত্থিত পূজাবেদীতে
ধুপ ঘি সুগন্ধী মাখে কুমারী পৌত্তলিক।
পদাধিকার বলে মিসেস পদাধিকারীর
দশাসই হাতে বাইশ ক্যারেট অহঙ উঁকি দেয়।
পদাধিকারীর নাতিশীতোষ্ণ কক্ষে শহরের
ভাঁড় সম্প্রদায় গোলটেবিল স্তুতিসভা করে।
পদাধিকার বলে উন্মুক্ত মঞ্চে
বিশিষ্ট আলোচক বনে যায় কেউ কেউ।
সকলের দোয়াপ্রার্থী
১.
তিনি খুবই বিখ্যাত ব্যক্তি। নোবেলও পাইয়া যাইতে পারেন। একসময় তিনি মিডিয়ার সামনে আসতেন না। একটা রহস্য রাখতে চাইতেন। হঠাৎ কি যেন হইলো. মিডিয়া ক্রেজ শুরু হইলো তার। দুষ্ট লোকেরা বলে তাঁর শুভাকাঙ্খিরা নাকি কইছে নোবেল-টোবেল পাইতে হইলে মিডিয়ায় ঘন ঘন আসতে হবে। তারপর নাকি তার মন ঘুরছে, তিনি মিডিয়ায় পারলে প্রতিদিন আসেন।
ইচ্ছেঘুড়ি
প্রিয় বান্ধবীদের বিয়ে হয়ে গেলে
প্রিয় বান্ধবীদের বিয়ে হয়ে গেলে উঠতি যৌবনে আমরা সবগুলো ছেলেবন্ধু পারস্পরিক শত্রুতা ভুলে দল বেঁধে দেবদাস হতাম। আমাদের চরণসমুদয় অনাথের মতো নিস্তেজ হয়ে পড়তো। বিরহীসংঘের সমাবর্তনে বিগত বান্ধবীকে প্রতারণার দায়ে গোষ্ঠি উদ্ধারে লিপ্ত হতাম।
বয়স বাড়ে; সময় বদলায়; দৃষ্টি ও দর্শন বদলে যেতে থাকে। পৃথিবীর সবখানে, সবকিছুতে ছড়িয়ে আছে আর জড়িয়ে আছে প্রেম।
অদৃশ্য দানব (শেষ পর্ব)
![]()
পার্কার হ্যানিফিন - যারা বোয়িং ৭৩৭ বিমানের রাডার কন্ট্রোল ইউনিটটি তৈরী করেছিলেন, তাদের সাথে কথা বলে অনুসন্ধানকারী দলটি বিমানের রাডার সংক্রান্ত বিষয়ে কোন সমাধানে পৌছাতে পারেন না। কাজেই তারা দৃষ্টি দেন সেদিনের আবহাওয়ার দিকে।
আজকের হাবিজাবি (গান আমি গেয়ে যাব এই আসরে..........)
১)
মাঝরাতে কান্দায় পরদেশী...
চাঁদি য্যায়সা রাঙ হ্যায় তেরা গেয়ে পঙ্কজ উধাস কিন্তু একটা বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। মডার্ন মিউজিক সহকারে তার সেই পরিবেশনা আচমকাই গজলপ্রেমী করে তুলেছিলো একটা প্রজন্মকে। এই তারাই আরো শুদ্ধতার খোজে শুনেছে সেসব গজলের আদিরূপ। আদি গায়ন। বাংলা ফোকে ঠিক এই কাজটাই করেছিলেন মুজিব পরদেশী। না ব্যান্ড ফরম্যাটে গাননি তিনি, সেই আদি অকৃত্রিম হারমোনিয়াম ব্যবহার করেছেন। আমি বন্দী কারাগারে (যা পরে বেদের মেয়ে জ্যোসনা ছবিতেও
রাঙ্গামাটির রঙে চোখ জুড়ানো? (ছয়)
রাঙ্গামাটি ভ্রমণবৃত্তান্ত লিখতে গিয়া আমি নিজেই খানিকটা ক্লান্তি অনুভব করতেছিলাম...পাঠকের ক্লান্তিটাও ঠাহর করবার পারি সেই নিরীখে। একই পথের গল্প, স্মৃতির স্পর্শ নিয়া বাঁইচা থাকনের গল্প...এইসব বহুত পুরানা কেচ্ছা...ট্রাভেলগ লিখনের মজাটা তৈরী হয় তখনই, যখন সেইসব বৃত্তান্ত নষ্ট হইয়া যাওয়া স্মৃতি হয়। আমি নিজে এই স্মৃতিকাতরতা উপভোগ করি। যেই কারনে সেই কিশোরকালের ডায়েরীর ক্ষয়াটে চেহারার মাঝেও পুরানা বর্ণমালা
ki komu
কি লিখুমরে ভাই... exam is going on let me first finish the xams.. then..