সিনেমা দেখচক্র : ইন দ্য হিট অব দ্য নাইট ও সিডনি পয়েটিয়র
নজরুলের প্রস্তাবটা মানলাম। অনেকে দেখলাম সমর্থনও করেছে। সিনেমা দেখচক্র। আসুন, তাহলে শুরু করি।
অনেক ভাবে শুরু করা যায়। পরিচালক ধরে আগানো যায়। যেমন ধরেন, ইদানীং রোমান পোলানস্কি সম্ভবত সবচেয়ে বিতর্কিত পরিচালক। পরিচালক হিসেবে আমার তাকে দারুণ পছন্দ। স্টানলি কুবরিক হতে পারে, থাকতে পারে সত্যজিত রায় কিংবা কুরোসিয়া। আবার দেশ ধরে আগানো যায়। যেমন, ইরান, ফ্রান্স বা ভারত। অভিনেতা ও অভিনেত্রী ধরে আগানো যায়। আবার বিষয়বস্তু ধরেও মুভি দেখা যায়। যেমন, রোমান্টিক, কমেডি কিংবা রাজনৈতিক থ্রিলার।
কিন্তু এই মুহূর্তে আমার মাথায় ঘুরছে সদ্য দেখা একটা ছবি। ছবিটা দেখে এর মূল অভিনেতাও মাথায় ঢুকে গেছে। ছবিটা পাওয়া যায়। তবে ইদানিং খুব আলোচনা শুনি না। মার্কিন দেশটিতে কালো অভিনেতা বললে অনেকেই ডেনজেল ওয়াশিংটনের কথা বলেন। কিন্তু মেইনস্ট্রিম প্রথম কালো অভিনেতা সম্ভবত সিডনি পয়েটিয়ার। আমি তার বিশাল ভক্ত হয়েছিলাম গেজ হু ইজ কামিং টু ডিনার ছবিটি দেখে। তার আরেকটা ছবির নাম আমি অনেক দিন ধরে জানতাম। কিন্তু পাওয়া যাচ্ছিল না। এখন পাওয়া যায় এবং প্রায় এক বছর ধরে সেটা আমার সংগ্রহেই ছিল। কিন্তু দেখা হচ্ছিল না। এবার দেখে ফেললাম।
সিনেমা দেখচক্র আমি এই ছবিটা দিয়ে শুরু করতে চাই। আর ছবিটার নাম ইন দ্য হিট অব দ্য নাইট। ১৯৬৭ সালের মুভি এটি। মিসিসিপির ছোট্ট একটি শহরের কাহিনী। সেসময় সাদা-কালো দ্বন্দ্ব ছিল প্রকট। রেস্টুরেন্টে গেলে সাদারা বলতো কালোদের খাবার দেবে না।

সিডিনি পয়েটিয়ার এই শহরে এসেছিল মাকে দেখতে। সেই রাতে খুন হয় ধনী এক ব্যক্তি, যিনি এই শহরে এসেছিলেন কারখানা তৈরি করতে। রেল স্টেশনে একা একা বসে থাকা সিডনি পয়েটিয়ারকে সন্দেহভাজন হিসেবে ধরে নিয়ে আসে পুলিশ। সিনেমার শুরু এখান থেকে। আসলে সিডনি পয়েটিয়ার নিজেও একজন পুলিশ। সেও এক সময়ে জড়িয়ে যায় খুনের রহস্য উদ্ধারে।
এইটা একটা সাধারণ মার্ডার মিস্ট্রি না। সাদা-কালো দ্বন্দ্বটি বার বার চলে এসেছে এই ছবিতে। এই প্রথম এক ছবিতে একজন সাদা ব্যক্তি কালো কাউকে চর মেরে পাল্টা চর খায়। এই মুভির একটা সংলাপ এখনো বিখ্যাত হয়ে আছে। ‘দে কল মি মিস্টার টিবস’। কেন বিখ্যাত সেটা ছবিটা দেখেই বুঝতে হবে।
সেরা ছবি ও অভিনেতাসহ ৫টি অস্কার পায় ছবিটি। সমালোচকদেরও অত্যন্ত প্রিয় এই মুভি। রটেন টমেটোজ-এ এটি ৯৬ শতাংশ রেটিং পাওয়া। আইএমডিবির রেটিং-এ এটি ১০ এ ৮.১ পাওয়া।
সিডনি পয়েটিয়র প্রথম ব্লাক যিনি সেরা অভিনেতার অস্কার পেয়েছিলেন। তাঁকে অত্যন্ত সম্মানজনক দৃষ্টিতে দেখা হয় এখনো। ১৯৬৩ সালে লিলিজ অব দ্য ফিল্ড থেকে সেরা অভিনেতার অস্কার পেয়েছিলেন। এই ছবিটা আমি এখনো খুঁজে পাইনি কোথাও। তবে মুভি প্রেমিদের অবশ্যই গেজ হু ইজ কামিং টু ডিনার দেখা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। সিনেমা দেখচক্রের সবাইকে এই ছবিটি দেখারও আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

নজরুলের দায়িত্ব হচ্ছে এই ছবিগুলোর ডাউনলোড লিঙ্ক দেয়ার। গেজ হু ইজ কামিং টু ডিনার এর ডিভিডি আমার কাছে আছে কিন্তু এটি দুষ্প্রাপ্য হওয়ায় আমার কাছে থাকার কথাটা স্বীকার করছি না। আর লিলিজ অব দি ফিল্ড কেউ নামাইয়া রাইট কইরা দিলে বেহেসতে আমার প্রাপ্য হুর তারে দিয়া দেবো, কথা দিলাম।






http://stagevu.com/video/zpftmgilvfoc
যারা আমার মত উবুন্টু ইউজার তারা বিনা বাক্য ব্যয়ে শুধু লিংকে ক্লিক করে মুভিটা দেখতে পারবেন। আর যারা জানালা ধরে বসে আছেন তাদের Divx প্লেয়ার ঢুকাতে হতে পারে। অনলাইনে অথবা ডাউনলোড করে দুভাবেই দেখতে পারেন।
ছবিটা দেখেন। তারপর বলেন কেমন লাগলো
ইউটিউবে লিলিজ অব দ্য ফিল্ড পুরাটা পাবেন, ঝকঝকে তকতকে। LlsOfThFldA দিয়া সার্চ মারলেই পাওয়া যাবে।
Lilies of the Field নয়টি পর্বে দেখুন ইউটিউবে এখানে
In the Heat of the Night ও ইউটিউবে পাওয়া যায় , সুন্দর ঝকঝকে কপি।
ইন দ্য হিট অফ দ্য নাইট এর টরেন্ট লিঙ্ক
http://thepiratebay.org/torrent/3974461/In_The_Heat_Of_The_Night_1967_Multisub_XviD_-_WunSeeDee_-
গেজ হু'জ কামিং টু ডিনার
http://www.torrenthound.com/hash/3edbada691b42fcb451d61983efcb148662d93df/torrent-info/Guess-Who-s-Coming-To-Dinner-1967-Sidney-Poitier-Katherine-Hepb...
লিলিজ অব দ্য ফিল্ড
http://www.torrenthound.com/hash/242ab47e76dda5ccf3a68b7636815f32169db790/torrent-info/Lilies-of-the-Field-1963-CineGaragem
মাসুম ভাই, আপনি কিন্তু এখান থেকে টরেন্ট ছাড়াই ডাউনলোড করতে পারবেন। আর হুর কিন্তু বুকিং দিয়ে রাখলাম। পরে আবার ক্যাচাল কইরেন না, জনগন সাক্ষী
এভাবে হবে না। আমারে কপি কইরা দিতে হবে, যাতে আমি ডিভিডি প্লেয়ারে দেখতে পারি।
ঠিকাছে, এখন হিট অব দ্য নাইট নামতেছে। এইটা শেষ হইলে আমি লিলিজ তুলুম টরেন্টে। আপনেরে ডিভিডিতে রাইট করে দিমুনে। তবু হুর আমার
মাসুমভাই এর পোস্ট পড়লে এই জিনিস হয় জট্টিল সব মুভির নাম জানা যায় ।
ডাউনলোড কইরা দিলে সাফারি চকোলেট দিমু!!!
খুব কাজে দিতাছে জিপির নেটে ভাই-------৫ ঘন্টা গেছে, এখনো আরো ২২ ঘন্টা চায়--------!!!!!....ডাউনলোড হৈতে!!!
আমারও জিপি, ৪ ঘন্টা গেছে, আরো ঘন্টা দশেক লাগবে ঠিকঠাক থাকলে আজকে রাতেই দেখে ফেলতে পারবো মনে হয়
একটা শেষ নামানো!!! আখন ডিনারে কে আসবে, সেইডা দেখা দরকার!!!
ইউটিউবে পর্ব করে করে দেখতে ভালো লাগে না। তারচেয়ে আমি টরেন্ট দিয়েই নামাই। ছবিটা থেকেও গেলো। ডিভিডিতে রাইট করে রাখি।
ইন দ্য হিট অফ দ্য নাইট ডাউনলোডে বসাইলাম। হইলেই দেখে ফেলবো। তারপর এটা নিয়ে আলোচনা।
ধন্যবাদ মাসুম ভাই
আমি আজ নামাচ্ছি লা লুই বেঙ্গলী। এটা নামাতে আমার সারা রাত লাগবে। তার পর দেখা। ধন্যবাদ মাসুম ভাই।
মাসুম ভাই আর নজরুল ভাইকে ধইন্যা । তবে ডিভিডি তে দেখতে পারলেই ভালো হতো।পোষ্ট প্রিয়তে রাখলাম। দেখব এক্টা এক্টা।
ঠিকাছে।
নামানো শুরু করলাম।
এই ম্যুভিটা দেখা গত শীতে ,খুঁটিনাটি খুব একটা এই মুহুর্তে ইয়াদে নেই।তবে সিডনি পয়েটার এককথায় দুর্দান্ত ছিলেন ,একথা বলতেই হবে।
ছবির মিউজিক ছিল দারুণ ,আর বর্ণবাদের নগ্ন ছবি বেশ ভালভাবেই এসেছে ।তবে ছবিটির থ্রিলার ভাবটা মাঝে মাঝে একটু প্রকট হয়ে উঠেছে ,আর তাই আসল মেসেজটাও শেষে এসে ফিকে হয়ে গিয়েছে মনে হয়।ও হ্যাঁ ,পুলিশের ক্যাপ্টেনও দারুণ অভিনয় করেছেন ।
বাকিদুট দেখা না হলেও পাঠচক্রের শুরুটা এমন একটা ম্যুভি দিয়ে করায় মাসুম ভাইরে ধইন্যা।
সিনেমা দেখার ধৈর্য্য নাই কেন জানি, কোন মুভিই দেখা হয় না ।
গেজ হু ইজ কামিং টু ডিনার যোগাড় করতেই হবে! চল্লিশ বছরের পুরানো ছবি খুজে পাওয়া মুশকিল পাইরেটেড মার্কেটেও
বস আপনার সাথে বরাবরের মত আছি। ছবি নিয়ে তথ্য দিতে না পারলেও, আপনার লেখা পড়তে এবং ছবি তো দেখতে পারবো---------এই বা কম কি!
আমিও সাথে আছি, অন্তত জানতে পারব মুভি সম্পর্কে।
সোবাই এক সাথে দেখার কি বেবোসথা
http://www.utorrent.com/downloads/complete?os=win
বুঝছি ...এইটা ডাউনলোড করতে হয় আগে
মাসুম ভাইরে ধইন্যা। কিনবো এবং দেখবো।
মাসুম ভাই রে ধইন্যবাদ.। গেজ হু ইজ কামিং ইন দ্যা ডিনার.। ডাউনলোড এ দিলাম ।।কইলো এক ঘন্টা লাগবে.। যাই খাওয়া দাওয়া শেষ করে আসি। তার পর দেখতে বসব।সিরিয়ালি দেখি। কিন্তু টরেন্ট ছারা ডাইরেক্ট ডাউনলোড এর লিঙ্ক দিলে ভাল হয়। আমি মানুষ ভাই এর লিঙ্ক ফলো করছি। টরেন্ট কখনো ব্যাবহার করিনি। ঝামেলা লাগে।
দুঃখিত নামে ভুল লিখছি.।।-হু ইজ কামিং টু ডিনার- হবে
কমপ্লিট ডাউনলোড.।
নামাইতে শুরু করলাম!
সিনেমা দেখচক্রে আমি কি আপনাদের সঙ্গে যোগ দিতে পারি??
ইন দ্যা হিট অভ দ্যা নাইট ডাউনলোড করতে দিয়েছি। দেখি জুম দিয়ে কতক্ষণ লাগে।
নজরুল ভাইকে লিন্কের জন্য ধন্যবাদ।
আরে অবশ্যই... তারাতারি যোগ দেন
কার কার নামানো শেষ হৈছে, কার কার দেখা শেষ হৈছে, হাত আঙ্গান.....
সবার তো নিশ্চই নামানো শেষ। কে কে দেখলেন? আলোচনা না হলে সিনেমা দেখচক্র কেমনে আগাবে?
পোস্টটা কেবল দেখলাম। এখনই ডাউনলোড দিতেসি।
ভাই কেমন আছেন?
অদ্ভুত মুভি ইন দ্য হিট অব দ্য নাইট। পুরান আমলের বিখ্যাত মুভি সব যে সুখাদ্য তা নয়। তবে এই মুভি অত্যন্ত সুস্বাদু। একবার সিনেমা শুরু হলে কখন যে নিজেই শেষ হয়ে যায় টেরই পাওয়া যায় না।
অফিসার গিলেস্পিকে দারুণ লেগেছে। শক্তিমান অভিনেতা। বিভিন্ন বিষয় এমনভাবে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ফুটিয়ে তুলেছে, নানা পাটেকরের কথা মনে পড়ে যায়। ভার্জিল টিবস্-এর সঙ্গে প্রথম দেখার দৃশ্যটুকু বারবার দেখার মতো।
আগে ড্যানজেল ওয়াশিংটনের ভক্ত ছিলাম। এখন সিডনি পয়েটিয়ারও যুক্ত হলো। এরকম একটা থ্রি ব্ল্যাকম্যান কালেকশন হতে পারে, ইন দ্য হিট অব দ্য নাইট-দ্য পারসুইট অব দ্য হ্যাপিনেস্-দেজা ভ্যূ।
ও, অফিসার উডরে যখন খুনের অভিযোগে ধরে তখন মজাক পাইছি। আর মেয়েটা আইসা পুলিশরে কয়, সত্য সত্যই অফিসার উড আমারে করসে।
ছবির সাজেশনদাতারে দশ কেজি ধইন্যা। আর বেহেশতে আমার থেকে তাকে আড়াইশ হুর দেবো। কথা দিলাম।
কতো কী বাকি রয়ে গ্যালো জীবনে
ইদানিং প্রজেক্টর দিয়া মুভি দেখি
একটা কিনা ফেলছি।
আপনাকে নির্জলা হিংসা
মন্তব্য করুন