কী পড়ছি, কী দেখছি, কী শুনছি আর কী বলছি
কী পড়ছি:
বই পড়ার ধরণ ক্রমাগত বদলে যাচ্ছে। উপন্যাস এখন আর পড়তে ভাল লাগে না। অথচ এক বয়সে ঢাউস ঢাউস উপন্যাস চোখের সামনে নিয়ে বসেই থাকতাম। সমীর রক্ষিতের দেশ বিভাগ নিয়ে লেখা বিশাল উপন্যাস স্বপ্নের স্বাধীনতার কয়েক পৃষ্ঠা পড়ার পর আবার বুক সেল্ফে রেখে দিলাম। এখন উপন্যাস ছাড়া আর সব কিছুতেই কম বেশি আগ্রহ পাচ্ছি।
আজকাল রাজনৈতিক আত্মজীবনী পড়তে ভাল লাগছে। শেষ করলাম পাকিস্তানের শেষ কমান্ডার ইন চিফ জেনারেল গুল হাসানের বইটির অনুবাদ-‘পাকিস্তান যখন ভাঙলো’। রাও ফরমান আলী, নিয়াজী বা সিদ্দিক সালিক যে বই লিখেছেন তা মূলত ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে (সে সময়ের পূর্ব পাকিস্তান) যা ঘটেছে তা নিয়ে। আর গুল হাসান লিখেছেন সে সময়ে পাকিস্তানে যা যা ঘটছিলো সেসব নিয়ে। বেশ ইন্টারেস্টিং একটা বই।
আর এখন পড়ছি মওদুদ আহমেদের চলমান ইতিহাস। আরেকটি রাজনৈতিক আত্মজীবনী। অনেকেই বলে থাকেন মওদুদের কথা ও লেখা এক না। লেখার মধ্যে যতটা ভারসাম্য আছে, মুখে ততটা নেই। কথাটা বুঝতেই বইটা পড়া। মওদুদ নিয়ে প্রচলিত এই কথাটা পুরোপুরি সত্য না, আবার পুরোটা মিথ্যাও না। বইটায় অনেকগুলো ঘটনার বিবরণ যেমন আছে, তেমনি বিশ্লেষনও আছে। আর আছে বঙ্গবন্ধু, জিয়া ও এরশাদের মূল্যায়ন। আজীবন ক্ষমতার রাজনীতি করা এই ব্যক্তিকে অস্বীকার করা যাবে না। মেধাবী নন তাও বলা যাবে না। এ কারণে মওদুদের বইয়ের এক ধরণের গ্রহণযোগ্যতা আছে। তবে নিজেকে বার বার সৎ এবং দেশপ্রেমিক বলায় কেন জানি সন্দেহ তৈরি হয়। আরেকটা হাস্যকর যুক্তি আছে বইটিতে। এরশাদ সরকারে যোগ দেওয়ার যুক্তি দেখিয়েছেন যে, তার এলাকার লোকদের চাহিদা ও মতামতের কারণেই নাকি তিনি এ কাজটি করেছিলেন। পড়ে মনে হচ্ছে তিনি এলাকায় গণভোট নিয়েছিলেন নিজের ব্যাপারে। আবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিজে তার গাড়ির দরজা খুলে দেওয়ার বিবরণ যেভাবে দিয়েছেন তাতে নিজের দৈন্যতা বেশ ভাল ভাবেই প্রকাশ করেছেন। তার সময়ে বেসরকারিকরণ নীতি নাকি এতোই জোরদার ছিল তাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নাকি খুশী হয়ে এরশাদকে হোয়াইট হাউজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। মওদুদের বই পড়লে বুঝা যায়, ক্ষমতাসীন সরকার কতটা যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে চায় বা থাকে।
তবে সবচেয়ে মজার তথ্যটা এবার বলি। মওদুদ লিখেছেন, জিয়া তার ১২ জনকে মন্ত্রীকে প্রতি মাসে পার্টি ফান্ডে সাড়ে তিন লাখ টাকা করে অর্থ দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট করে দিয়েছিলেন। মওদুদের দাবী, তিনি আর জাহাজমন্ত্রী নূরুল হক এই অর্থ চাঁদা দিতে রাজী হননি এবং এর ফলে জিয়ার সঙ্গে তার ভুল বুঝাবুঝি হয়েছিল।
উপন্যাসের উপর থেকে ভক্তি উঠে গেলেও ছোটগল্প পড়ে সমান আনন্দ পাচ্ছি। ভাল লাগার একটা ছোট গল্প কে কতবার পড়ে? ভাবছিলাম আমি সবচেয়ে বেশি কোন ছোট গল্পটা পড়েছি? উত্তর পেতে খুব বেশি স্মৃতি হাতরাতে হলো না।
উত্তরটা হল, বুদ্ধদেব বসুর আমরা তিনজন। অসাধারণ এই গল্পটা বার বার পড়া যায়। আবার পড়ছি।
কি দেখছি:
বইয়ের মতো, সিনেমাও আমি একটা শেষ করে আরেকটা দেখি না। এখন আমার তিনটা সিনেমা অর্ধেকের বেশি দেখা। তিনটাই ভাল লাগছে। তিনটা দিন ধরণের। ফলে মুড অনুযায়ী দেখছি।
রবার্ট ডি নিরোর পর মার্টিন স্করসিজ জুটি তৈরি করেছেন লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিওর সাথে। সর্বশেষ ছবি শাটার আইল্যান্ড।

স্করসিজ মানেই আলাদা কিছু। তবে ছবিটা দেখতে অখন্ড মনোযোগ লাগে। বিদ্যুৎ থাকে না। একটানা দেখা যায় না। ফলে বেশিরভাগ অংশ দেখা হলেও এখনও শেষ করতে পারিনি।
এর মাঝেই আরেকটা ছবি দেখতে শুরু করতে হলো। টুটুলের ছেলে দেখতে যাবো। মাদার কেয়ার কিনিকের পাশেই রাপা প্লাজা। সেখানে ঢু মারলাম। একটা মুভি দেখিয়ে বললো কিনে নিতে, খুব নাকি ভাল। আমিও নিয়ে নিলাম, কিন্তু মুভিটা চালিয়ে আর দেখিনি। এর মধ্যে তানজিলা এই ছবিটির নাম দিয়ে ফেসবুকে আরও অনেকের সাথে আমাকেও ট্যাগ করলো। সাথে বেশ আবেগঘন কিন্তু মন্তব্য। তখন ভাবলাম দেখেই ফেলি। আজ সকালে একটানে অনেকখানি দেখে ফেললাম। কিন্তু বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শেষ করতে পারিনি।

ছবিটার নাম স্টোনিং অব সুরাইয়া এম। সত্য ঘটনা অবলম্বনে ফ্রেঞ্চ-ইরানি সাংবাদিক ফ্রেইদুন সাহেবজামের লেখা একটা বই থেকে মুভিটা করা। বইটা প্রকাশ পাওয়ার ব্যাপক হৈচৈ হয়েছিল। সাহেবজাম যাচ্ছিল গাড়ি করে। পথে গাড়ি নষ্ট হওয়ায় চলে যায় পাশের গ্রামে। সেখানে গোপনে এক মহিলা সাহেবজামকে জানায় আগের দিনের ঘটনা। সুরাইয়া নামের এক মেয়েকে কিভাবে শরিয়া আইন অনুযায়ী পাথর নিপে করে মেরেছে সেই কাহিনী। গ্রামের মেয়েরা চায় তাদের কথা বিশ্ব জানুক। মুভিটা যতদূর দেখেছি তাতেই মনের উপর গভীর এক চাপ পড়েছে।
কী শুনছি:
নতুন কিছু শুনছি না। পুরোনো অনেক গানই বার বার শোনা হয়। কারো কারো প্রতি আমার অন্ধ পপাতিত্ব আছে। যেমন জগজিত সিং। এক সময়ে জীবনের ল্য ছিল জগজিতের সব গান সংগ্রহে রাখবো। সেই ল্য থেকে বিচ্যুত হয়েছি অনেক আগেই। তবে গান শোনা বন্ধ হয়নি। এখন এই গজলটি আবার শুনছি।
সায়েদ ম্যায়নে জিন্দেগি কি শাহার লে কে আ গ্যায়া
কাতিল কো আজ আপনি হি ঘর লে কে আ গ্যায়া
কি বলছি:
ইদানিংকার ব্লগগুলো পড়ে দেখলাম আমি ভয়াবহ সুশীল হয়ে গেছি। এটা মনে হচ্ছে ঠিক হচ্ছে না। তাহলে কি ফান করা ভুলে যাচ্ছি? ব্লগে আমি সিরিয়াস ভাব ধরে থাকবো কেন?
তাহলে একটা গল্প বলি-
দীর্ঘ সংসার জীবন তাদের। এখন বয়স হয়ে গেছে। কদিনই আর বাঁচবে তারা। একদিন বৃদ্ধ স্বামী তাঁর স্ত্রীকে ডেকে বললো, বউ, আমরা কেউই আর বেশিদিন বাঁচবো না। মৃত্যুর আগে একটা সত্য জানতে ইচ্ছা করছে।
বউ জানতে চাইলো কি সত্য? কথাও দিল সে সত্য কথাই জানাবে। বৃদ্ধ স্বামী জানতে চাইলো-তুমি কি কখনো অন্য কারো সাথে সম্পর্ক করছো?
সত্যবাদী স্ত্রী সত্যি কথাই বললো-তিনবার ডার্লিং, মাত্র তিনবার। একার স্বামী ভদ্রলোক একটা তব্দা খেয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলো।
স্ত্রী-তোমার মনে আছে, তখন তুমি চাকরি করতে। তোমার প্রমোশন হচ্ছিল না, তোমার বস কিছুতেই তোমাকে প্রমোশন দিতে রাজী হচ্ছিল না।
স্বামী- হ্যা, খুব মনে আছে। তারপর হঠাৎ একদিন দেখি প্রমোশন হয়ে গেছে।
স্ত্রী-হ্যা, ঐবারই প্রথম আমি তুমি ছাড়া আরেকজনের সাথে সম্পর্ক করতে হয়েছিল। এই, তুমি কি রাগ করেছো?
স্বামী- না না, সে তো আমার জন্যই তুমি গেলা। তোমার মতো স্ত্রী পেয়ে আমি গর্বিত। এবার বলো দ্বিতীয় বার?
স্ত্রী-তখন তুমি চাকরি ছেড়ে ব্যবসা শুরু করেছো। একটা বড় টেন্ডারে অংশ নিয়েছিলে। কিন্তু কাজ পাচ্ছিলে না। তারপর আমি একদিন দেখা করলাম প্রকল্প পরিচালকের সাথে। তারপরেই তো তুমি কাজটা পেলে। তুমি কি এবার রাগ করলা?
স্বামী- না না, সব তো আমার জন্যই। তোমার মতো স্ত্রী পেয়ে আমি গর্বিত। সেই কাজটা পেয়েই তো আমার উত্থান। এবার বলো সবশেষটা।
স্ত্রী- তখন তুমি অনেক বড় ব্যবসায়ী। সেবার চেম্বারের প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচনে দাঁড়ালা।
স্বামী-তারপর?
স্ত্রী-মনে আছে সেবার ২৬টা ভোট কম ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কিন্তু তুমি ২৬ টা ভোটই পেয়েছিলা।





আফসুস এখনো রাজণৈতিক বই পড়ার মতো বড় হই নাই।
শাটার আইল্যান্ড ভালো পাইছি। ডি ক্যাপ্রিও আমার আরেকটা উস্তাদ, আপ্নারে জানায় রাখলাম।
ভালো থাকেন এবং শুভেচ্ছা নিরন্তর।
স্টোনিং অফ সুরাইয়া এম দেখেন। ভয়াবহ অভিজ্ঞতা হবে।
২৬ টা ভোট!!! খাইছে।
দারুণস..... দারুণস লেখা।
মাত্র ২৬
২৬ !
আমার হাতেও প্রচুর বই। বাংলা ইংরেজী দুই ধরনেরই। কিন্তু পড়ায় মনই বসাতে পারছি না। লিখতে ইচ্ছা করে না কিছু, কি গ্যাঞ্জাম!
প্রচুর ছবি দেখা বাকী, সময় পাই না। এই বছরটা এভাবেই যাবে মনে হচ্ছে।
জগজিৎ সিংয়ের গজল আমার বরাবরই প্রিয়। আপনার পছন্দের দুটোও চমৎকার লাগলো। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য মাসুম ভাই।
পড়া আসলে অভ্যাসের মতো। আবার শুরু করেন দেখবেন খালি পড়ছেনই।
বুদ্ধদেব বসুর আমরা তিনজন পড়তে খুব ইচ্ছা করছে। কবে যে পড়বো...!
চমৎকার একটা গল্প। কতবার যে পড়লাম।
ইমোর দোকান বসাইছেন দেখা যায়
বুদ্ধদেব বসুর আমরা তিনজন পড়েছি। এখন আবার পড়তে ইচ্ছা করছে। পড়তে হবে।
এখন মুভি দেখব, চিলড্রেন অব হেভেন। আজ অফিস ফাঁকি দিলাম।
জোকসটা তো...কি আর কমু!
আপনের লেখার তো ছুটুবেলা থেইকাই পাংখা।ব্যাপক ভালু পাইলাম।
মুভিটা দেখো, অসাধারণ।
হিন্দিটা তো দেখছি মুগ্ধ হয়ে, খুবই ভালো লেগেছিলো। কাল এটাও দেখছিলাম কিছুক্ষ পর ঘুমিয়ে গেলাম।
হিন্দিটা তো দেখছি মুগ্ধ হয়ে, খুবই ভালো লেগেছিলো। কাল এটাও দেখছিলাম কিছুক্ষ পর ঘুমিয়ে গেলাম।
মাসুম ভাই@জয়িতা ফুপি কিন্তু আপনারে চামে বুইড়া কইয়া ফেলায়ছে।

পেচ্ছাপেছি-১
ভাতিজা, আমি প্রশংসাই করলাম। ছুডুবেলা বলতে যেই সময় থেকে উনার লেখা পড়ছি সেই সময়ের কথা বললাম।
চামে বুড়া কমু কেন? আমার চোখ কি কানা? এই কথা কইলে মাইনষে তো আমারে কানা বলবে।
২৬ !!!
যাই হোক, আমিও ছোটবেলা থেইকা মাসুম ভাইয়ের লেখার পাঙ্খা ।
পেচ্ছাপেছি-২
শাটার আইল্যান্ডটা দেখতে হইবো...বছরের শুরুর দিকেই ঐটার কথা ভাইবা রাখছিলাম তখন ভালো প্রিন্ট আসেনাই বইলা কিনি নাই...
এখন ভাল প্রিন্ট পাওয়া যাচ্ছে। ছবিটা যে কোনদিকে যাচ্ছে একদমই বুঝা যায় না।
জোশ লিখা !
...
... )।
আমার হাতে রাজ্যের বই, কিন্তু কিছুই পড়তেসিনা রিসার্চ পেপার সাবমিটের চিন্তায় ( আর রিসার্চ নিয়া পড়তে বইলেই ঘুম আসে খালি...
গান অবশ্য আন্দাইজ্যা শুইনা যাইতেসি, অর্ণব, মহীনের ঘোড়াগুলি, মেঘদল, রাহাত ফতেহ আলি খান থেকে জগজিত.. এমনকি হালের আতেফ ইসলামও... কালকে বিটলস আর ডোরস এ ডুইবা ছিলাম... মুভি আপাতত দেখতেসি না.. শেষ দেখছি হাল আমলের দেবদাস কাহিনী 'দেব-ডি'।
দেব ডি কিন্তু আমার ভালই লাগছে। ইমোশনাল অত্যাচার গানটাও দারুণ।
আজকাল পড়ার চেয়ে দেখা শুনাটাই ভাল লাগে বেশি।
মার্টিন স্করসিজ বলে কথা। ডি ক্যাপ্রিও জোস অভিনয় করছে। "দ্যা স্টোনিং অব সুরাইয়া এম" ছবিটা দেখিনি দেখতে হবে মনে হচ্ছে।
শাটার আইল্যান্ড দেখছি, সারাক্ষন দেখলাম একচিন্তা নিয়ে ছবির শেষে দেখি ঘটনা যেই যেই দিকে সন্দেহ করছি তার একদিকেও যায়নাই
গান শুনি সব পাচ মিশালি।
ভোটের গল্প পড়ে মজা পাইছি।
শাটার আইল্যান্ড দেখে আমি মুগ্ধ। একদমই বুঝতে পারিনাই শেষটা। স্করসিজ আসলেই বস।
শওকত ভাই, বইয়ের নাম গুলো দিয়ে ভাল করেছেন। আস্তে আস্তে সংগ্রহ করে পড়ে ফেলতে হবে। তবে শাসন যন্ত্রের আশেপাশে থাকা মানুষদের যতগুলো আত্মজীবনী পড়েছি সেগুলো পড়ে মনে হয়েছে তারা বেশীর ভাগ সময় তাদের অতীত কে ধুয়ে ফেলবার একটা প্রয়াস হিসেবে আত্মজীবনী গুলো নেন।
আইয়ুব খানের বইটা পড়েছেন?
পর্যবেক্ষণ ঠিক। আইয়ুব খানের বইটা পড়া হয় নি। পড়তে হবে।
অনুবাদ করতে গিয়া লাইফ ইজ এল্সহোয়্যার পড়া হইতেছে আবারো...এইটা ছাড়া সিড ফিল্ডের স্ক্রীপ্ট আর স্ক্রীন রাইটিং'এর উপর বইগুলি পড়া হইতেছে ফাকে ফাকে।
দেখতেছি নতুন কিছু বৃটিশ ছবি, কেন লোচের ইটজ্ আ ফ্রি ওয়ার্ল্ড আর মাইক লেই'র সিক্রেট এন্ড লাইজ দেখলাম...আগের দেখা স্টিফেন চাওয়ের কাংফু হাসল্ দেখা হইলো এই সপ্তাহে।
শুনতেছি পুরানা আমলের গান...বীটলস-সায়মন এন্ড গারফাংকেল-ডেফ লেপার্ড-ব্ল্যাক সাবাথ...
সিক্রেট অব লাইজ ভাল লাগে নাই। কাংফু হাসলটা দেখতে হবে।
সায়মন-গারফাংকালের একটা লাইভ কনসার্টের ভিসিডি এখনও আমার কাছে আছে। ছোটবেলায় কেনা ছিল।
আমিও এখন কেন জানি জানি উপন্যাস পড়তে পারি না, অথচ এমন সময় গেছে যে শুধু বই শেষ করতে না পারার জন্য পাববিক লাইব্রেরিতে রাতে থেকে গেছি। রাজনৈতিক বই খুব বেশী পড়ি নাই । শেষ পড়ছিলাম তাহমিনা দূরানীর- My Feudal Lord।
ইদানিং অবশ্য অনেক মুভি দেখা হচ্ছে । গত সপ্তাহে দেখলাম - Mozart and the Whale, The Front, Atonement। The Stoning এর কাহানি শুনেতো মনে হচ্ছে দেখতে হবে।
Shutter Island দেখতে অনেক মনোযোগ দিতে হইছে। শেষের দিকের টুইষ্টটা জটিল হইছে।
গান যা পাই তাই শুনি। এখন মাঝে মাঝে পার্সী ইন্সট্রুমেন্টালও শুনি।
আপনার কৌতুকের ব্যাপারে বলার মত যোগ্যতা মনে হয় এখনও হয় নাই
শাটার আইল্যান্ড দেখে আসলেই মুগ্ধ। অখন্ড মনোযোগ দিয়ে দেথতে হয়।
কম লেখেন কেন? নতুন পোস্ট কই?
কাল রাতে স্টোনিং অব সুরাইয়া এম দেখলাম।দেখার পর চুপকরে বসে ছিলাম কিছুক্ষন।
এটা কিভাবে সম্ভব?
এটা কিভাবে সম্ভব?
বস, আফসুসে মাথার চুল ছিঁড়তে ইচ্ছা কর্তাসে.....। বছরের বড় ছুটিটা চলছে কিন্তু সময় বের করতে পারছহি না।
শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ।
আহা। জীবন এইরকমই। কী আর করা। নেক্সট টাইম
আমরা বন্ধু ও এফবি তে যা পড়া হয় ব্যাস এর বাইরে কিছু পড়ার মত সময় নেই .............
আহা। কি আর করা।
শাটার আইল্যান্ড টা নামাইয়াও দেখতে পারিনাই, ভিডিও ভালো, অডিও খারাপ আরকি....তবুও চেষ্টা কৈরা দেখা যাক--
এখন একটা এ্যনিমেশন নামাইতে দিছইলাম, সাথে সুরাইয়া এম ও দিলাম, দেখতেই হবে-----
ভাই, গুল হাসানের বৈটা অনুবাদ কার? নাকি ইংরেজিতে? পাওয়া যায় কি এভেইলেবেল?
বইটা অনুবাদ। মূল বইটা অনেক বড়। নির্বাচিত অংশ বের করেছে ইউপিএল। শামসুদ্দিন আহমেদের অনুবাদ
উপন্যাস পড়তে আর ভাল্লাগেনা !
কারণ, বয়সতে বসে নাইরে ভাই ।
বুড়ো হয়ে যাচ্ছেন, এইবার বুড়োদের বই ই পড়েন
তিনমাস আগে শাটার আইল্যান্ড নামাইছিলাম।কিন্তু একটু দেখার পর আর ধৈর্য্যতে কুলাতো না।আজ দেখেই ফেললাম।আসলেই একটা জোশ মুভি।
জটিল একটা মুভি। শেষ টুইসটা দারুণ।
shutter island আমার খুব ই পছন্দের মুভি,শেষ টকুতে একটা চমক আছে,না দেখে থাকলে মিস করেছেন!!!!
অন্য মুভিটা দেখার চেষ্টা করব!!!
A Very Long Engagement এই ফ্রেন্চ মুভিটা দেখতে পারেন। ভালো লাগবে
জ্ঞানী মানুষের পুষ্ট পড়লে অনেক জ্ঞানের কথা জানা যায়
মন্তব্য করুন