আমি যদি হতাম
১.
ঈদ সংখ্যা সাপ্তাহিক-এ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী আত্মজীবনী লিখেছেন। সেখানে এক জায়গায় বলেছেন, ‘কে না জানে এই বাংলাদেশে সুস্থ থাকাই এখন সবচেয়ে বড় সাফল্য’।
কথাটা মাথার মধ্যে গেঁথে গেল। তারুণ্যের স্পর্ধা এখন আর নাই। কিভাবে সুস্থ্য থাকা যায় সেই চিন্তা মাঝে মধ্যে মাথায় খেলে যায়। আমার বাবা শেষ সময়ে প্রচন্ড কষ্ট পেয়েছিলেন। ব্রেইন স্ট্রোকের পর আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে গেলেন সবার চোখেন সামনে। শেষ বছরটি কাটলো বিছানায়। কথা বলতে পারতেন না, নড়তেও পারতেন না। বাবার সেই সময়টার কথা আজকাল খুব ভাবি।
বুক সেল্ফের বইগুলোর দিকে তাকিয়ে আজ মনের অজান্তে দীর্ঘশ্বাস বেড়িয়ে গেল। মনে হলো আমিও তো একদিন থাকবো না। এই বইগুলো হয়তো থাকবে। আমার ছেলে মেয়েরা কি এগুলো রাখবে, নাকি ফেলে দেবে?
২.
এই যুগের মানুষ বড্ড বেশি সাধারণ। বাংলাদেশের দিকে তাকাই, বর্ণিল চরিত্রের মানুষ আজকাল খুব একটা দেখি না, প্রথা বিরোধী মানুষ তেমন চোখেই পড়ে না। অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক, ড. আহমদ শরীফ, আহমদ ছফা, হুমায়ুন আজাদ-এরা ছিলেন প্রথা বিরোধী মানুষ। এই মাপের মানুষ তো আর দেখি না। চোখের সামনে যাদের দেখি তাদের বড্ড বেশি মিশে যাওয়া মানুষ মনে হয়, চলতি হাওয়ার পন্থী। আবদুল্লাহ আল মামুন, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, সেলিম আল দীন কিংবা শামসুর রাহমানের মতো মানুষ এই মাটিতে আর জন্মাবে বলে মনে হয় না। ফরহাদ মজহারের মতো মানুষদের রূপান্তর দেখে বর্তমান এই সময়টা নিয়ে ভাবি, মনে হয় সবাই আমরা আসলে এভাবেই বেঁচে বর্তে থাকবো।
তারপরেও কিছু মানুষ এখনো আছেন। সৈয়দ শামসুল হক কিংবা নির্মলেন্দু গুণের মতো মানুষ আছেন বলেই আশায় থাকি, ভাল কিছু পড়ার, জানান। এখনো আগ্রহ নিয়ে সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী পড়তে চেষ্টা করি। রেহমান সোবহান বা অধ্যাপক নূরুল ইসলামের ভাবনা-চিন্তা বোঝার চেষ্টা করি।
৩.
কথাগুলো মনে হলো আবদুল মান্নান সৈয়দের মৃত্যু সংবাদটা জেনে। সাহিত্যের প্রায় সব শাখায় তিনি বিচরণ করেছেন। পন্ডিত ব্যক্তি ছিলেন। সব শাখাতেই অসাধারণ কিছু ভাল কাজ আছে। এই মাপের মানুষও আর এই দেশে জন্মাবে বলে আশা হয় না। একটি মানুষ আজীবন কেবল সাহিত্য নিয়ে গবেষণা ও লিখে গেছেন। এরকম মানুষতো বিরল।
তাঁর এই কবিতাটি আমার অনেক পছন্দের।
আমি যদি হতাম
আমি যদি হতাম
পুরোনো কাগজ আর শিশিবোতলের ফেরিওয়ালা
আর তুমি যদি হতে কোনো গোপন পরী;
শহরের পথে পথে
অলিগলিতে
ঘুরতে ঘুরতে গিয়ে উপস্থিত হতাম
তোমার বাড়িতে।
তাহলে এরকম শ্রাবণের বিজন দুপুরে
আধ-খোলা দরোজার ফাঁক দিয়ে তুমি
গেরস্তবধূর বেশে বেরিয়ে আসতে
আধ-ময়লা অপরূপ অপরাজিতা-নীল শাড়ি
ঠিকঠাক করতে করতে।
তোমাকে মনে হতো একটা পরী-
আমার হঠাৎ চোখ পড়ত তোমার
লুকিয়ে-রাখা ডানায়-
আমরা সব ঘরবাড়ি কোলাহল ফেলে শূন্যে
গা ভাসিয়ে দিতাম-
তোমার ডানায় আমার ডানা-
শ্রাবণের মেঘ-ভাঙা রোদ্দুরে-
আকাশে রুপোর ডিমের মতো
শ্রাবণের সূর্য।
আমাদের উড়ে-যাওয়া দেখে
হয়তো নিচে লোকজনের বিস্মিত চিৎকার।
হয়তো গুলির শব্দ।
আমাদের ট্যারচা উড়ে যাওয়া-
আমাদের কণ্ঠে নতুন জন্মের উল্লাস-
আমাদের কণ্ঠে মুক্ত হাওয়ার গান।
হয়তো গুলির শব্দ আবার।
আমাদের স্তব্ধতা,
আমাদের শান্তি।
আমাদের দুজনার এই অসম্ভব কষ্ট আর থাকত না,
থাকত না ছোট ছোট সুখের বিমর্ষতা
আর দুঃখের আনন্দ।
আমি যদি হতাম ফেরিওয়ালা,
আর তুমি যদি হতে ডানাওয়ালা পরী,
কোনো-এক শহরের নিঝুম দুপুরবেলা!
৪.
প্রবীণ একজন সাংবাদিক মারা গেলেন গত সপ্তাহে। ৭০ বছর বয়সে। প্রেস ক্লাবে গেলেন, অসুস্থ্য বোধ করলেন। কিছুক্ষনের মধ্যেই চলে গেলেন সবাইকে ছেড়ে।
কেন জানি আমার ঈর্ষা হলো তাঁকে। আর আমার বাবার শেষ জীবনের কথা মনে হলো।





ছেলেবেলায় রাশিয়ান একটি অনুবাদ বই পড়েছিলাম। বই এর শিরোনামটা মাথায় এখনও গেথে আছে ''আমাদের সময়কার নায়কেরা'' ।
বিষাদবোধ হয় যখন চোখের সামনে আমাদের সময়ের নায়কেরা একে একে চলে যাচ্ছেন। নিজেদেরকেই একা একা মনে হয়। আজব একটি ফিলিংস। স্বান্তনাহীন এক দু:খবোধ।
স্বান্তনাহীন এক দু:খবোধ।
আমিও যখন শুনি এমন মৃত্যু র কথা, ভাবি আমারো যেন এমন ভাবেই মরণ আসে।
আমিও ভাবি। তাই একটু ঘুরাইয়া লিখলাম।
বস আপনার লেখাটা পড়ে, মনটা কেমন ভার হয়ে গেল।
সংবাদটা শুনে খুব খারাপ লেগেছে। ওঁর খুব বেশী লেখা পড়ার সৌভাগ্য আমার হয়নি তবে এই কবিতাটা আমার চেনা। অনেক দিন পর সেটা দেখলাম।
একজন জ্ঞানী মানুষ চলে গেলেন, তাঁকে কেন্দ্র করে বাস্তবতার যে ছবি আঁকলেন..তা হয়তো কম বেশী আমাদের সবার ভাবনা। "আমি চলে গেলে--কেউ মনে রাখবে তো!!!"
আমি জানি, আমাকে মনে রাখার কোন কারণ নেই কিন্তু আব্দুল মান্নান সৈয়দকে আমাদের মনে রাখতেই হবে।তাদের মানুষ একটি সমাজে বার বার আসেনা।
অসাধারন লিখছেন বস।
পুরাটা পোষ্টেই একমত, বেশি কিছু বলার নাই।
১. ঠিক এই আতঙ্কে আছেন আমার মা। সন্তানদের একজনের পাঠাভ্যাস চিকিৎসাবিদ্যায় সীমাবদ্ধ, আরেকজন ঠিকানাহীন। কোথায় যে যাবে এতোদিনের সঞ্চয়! দেখলাম নিয়ম করে কিছুদিন পরপর কোন লাইব্রেরিকে দিয়ে দিচ্ছেন কিছু কিছু।
২. রূপান্তরী হিসেব মজহারের সাথে সৈয়দ আলী আহসান, আল মাহমুদের মতো আরো কয়েকজনের নাম করা যায়। আশা-বাঁচিয়ে-রাখাদের কেউ কেউ নয়া দিগন্তে কেন যে লেখেন!
৩. গত সপ্তাহেই পড়ছিলাম "চেতনায় জল পড়ে শিল্পের পাতা নড়ে"। ৭২ থেকে ৮৯- এই আঠারো বছরের মধ্যে লেখা কিছু প্রবন্ধের সংকলন, বক্তৃতাও আছে। আবদুল মান্নান সৈয়দের অসাধারণ সৃষ্টিকর্ম অনুযায়ী প্রয়াণের পর দৈনিক পত্রিকাগুলোর কাছ থেকে আরেকটু বেশী আশা ছিলো।
৪. কিছু বলার নেই...
ভালো থাকা হোক
হুমম
খুব বিষন্ন একটা লেখা। কবিতাটা দারুণ সুন্দর। লেখকের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।
চারপাশে ঘটে যাওয়া ঘটনা মনের ইপড় প্রভাব ফেলে সত্যি। তবে মৃত্যুচিন্তা মানুষের মনকে দুর্বল করে দেয় বলেই জানি। মনকে বিষন্নতায় ভরিয়ে না দিয়ে ছেলে মেয়েদের নিয়ে, নিজেকে নিয়ে ভালো থাকুন আজীবন, দীর্ঘজীবী হউন।
অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক, ড. আহমদ শরীফ, আহমদ ছফা, হুমায়ুন আজাদ এ চারজনের কাতারে কেউ নেই। বাকী যারা তারা অল্পবিস্তর সমঝোতাকামী/ সমঝোতাগামী হয়েছেন। নুশেরা'পু যার কথা বললেন, আল মাহমুদ; তার লেখা খুব ভালো লাগতো। কিন্তু ভদ্রলোককে ভাল লাগে নি, তাই তার লেখাও পড়ি না। আর ফরহাদ মাজহার তো পঁচা মাল। মাস্টার্সের ক্লাসে একবার ডিপার্টমেন্টের নতুন এক টিচার তাকে অতিথি বক্তা হিসেবে নিয়ে এসেছিলেন। ওই টিচার আবার ফরহাদ মাজহারের আড্ডার সভ্য আর কি। তো সেই সিনিয়র সিটিজেন আমাদেরকে 'আধুনিক কৃষি' বিষয়ের ওপর ইনিয়ে-বিনিয়ে অনেক কথা বললেন। ডাগর লাউয়ের ডগা দেখতে কেমন, শীতের প্রথমদিকে ওঠা টাটকা সীমের ঝোল-ঝোল তরকারি খেতে কেমন, আমাদের গ্রামের পুকুরগুলোয় কি মাছের চাষ করা উচিত আর কি উচিত না; এরকম অনেক কিছু নিয়ে লেকচার দিলেন। ক্লাসটা করে শুধু মনে হয়েছিলো ওরকম জ্ঞান-গম্যি চাইলে যে কেউই অর্জন করতে পারে। সেজন্য এত ভাব ধরে থাকারও দরকার পড়ে না আবার এত বোল-চালও মারতে হয় না।
মৃত্যূর চেয়ে অনিবার্য কিছু নেই। কিন্তু কিছু কিছু মানুষ মারা গেলে নিজেকে ধরে রাখা যায় না। ইচ্ছে করে ডাক ছেড়ে কেঁদে উঠি। আহমদ ছফা আর হুমায়ুন আজাদ স্যার -এ দু'জন ছিলেন তেমন মাপের মানুষ। তাঁদের দূরতম ভক্ত হওয়ার যোগ্যতাও আমার নেই। নিশ্চিতভাবে ভক্তরূপে আমাকে দেখলে চূড়ান্ত একটা নাক সিঁটকানি দিতেন তাঁরা। কিন্তু তাঁদের প্রতি যে পরিমাণ শ্রদ্ধা বুকে ধারণ করি সেটিকে কোন পরিসীমায় বেঁধে প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
আব্দুল মান্নান সৈয়দের লেখা খুব বেশি পড়ি নি। খুব বেশি পরিচিত নই তার কাজের সঙ্গেও। সত্য কথা বলতে কি পরিচিতদের জন্য এক রকম দুঃখ হয়, অপরিচিতদের জন্য আরেকরকম। তবে উনার আত্মার শান্তি কামনা করি। ওস্তাদ তাঁর পরিবার-পরিজনকে শোক সহ্য করার শক্তি দিন।
হ ।
আবেগ্ ময় লেখা-------তারা তাদের কাজের মদ্ধেই বেচে থাকবেন---আমাদের ভালবাসায়---
কবি হিসাবে আব্দুল মান্নান সৈয়দরে খুব বেশি মনে না ধরলেও জীবনানন্দ গবেষক হিসাবে তার ভূমিকা সবসময়েই অনেক গুরুত্বপূর্ণ আমার কাছে। যদ্দূর মনে পড়ে তার হাত ধইরাই শিল্পতরু প্রকাশনা সংস্থার শুরু, যারা বাংলা সাহিত্যের আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ লেখকরে সামনে আনছিলো, শহিদুল জহির তার মধ্যে অন্যতম। এই গ্রুপের শুরুর দিককার আরো অনেকেই মৃত্যুবরণ করছেন...মান্নান সৈয়দ তাদের মধ্যে মনে হয় শেষ জন বাঁইচা ছিলেন।
আমাদের যাকে যাকে প্রয়োজন তারাই পালায়, দূরের সমুদ্রে চলে যায়...
আশা জাগানিয়া মানুষেরা চলে যাচ্ছেন। অ্যামিবা টাইপ লোকজন থেকে যাচ্ছে(লুঙ্গি মজহার)। আবদুল মান্নান সৈয়দের ছোট গল্পের একটা বই পড়েছিলাম বহুবছর আগে। তারুণ্যে টগবগ করা গদ্য। তার মৃত্যুসংবাদ পাবার পরপর সেই বইটির কথাই মনে পড়ে গেল কেন জানি।
আবদুল্লাহ আবু সাঈদের 'সেরা লেখা-১' ধরেছি কদিন আগে। যুবা এবং বুড়োদের নিয়ে চমৎকার একটা লেখা আছে। বুড়ো হবার আতংকটা অনেকটা প্রশমিত হয়েছে লেখাটা পড়ে। এরকম আশা জাগানিয়া মানুষেরা কমতেই থাকবে। আসলেই প্রথাবিরোধী মানুষের সংখ্যা কমে যাচ্ছে দারুণ ভাবে। এর কারণ এই প্রজন্মের মধ্যে হতাশাই হলো বেচে থাকার অনুপ্রেরণা যেন। ১৯ বছরের সদ্য তরুনও দীর্ঘশ্বাসের সাথে বলে, "এ জীবন লইয়া কি করিব, আয় চল ডাইল খাই"
আব্দুল মান্নান সৈয়দের লেখা দেশে থাকতে কিছু পড়েছিলাম। এখন সব ভুলে খেয়েছি। একে একে চলে যাচ্ছেন আলোকিত মানুষেরা, কষ্ট মিশ্রিত শ্রদ্ধা ছাড়া জানাবার আর কিছু নেই। মাসুম ভাইকে ধন্যবাদ লেখাটির জন্য।
চমৎকার একটা বিষণ্ণ লেখা। এই দূরদেশে বসে নিজের বুকশেলফের জন্য দুঃখ লাগে, যদি কোনভাবে নিয়ে আসা যেত পুরোটা!!
চিন্তা করি না। এভাবে কিংবা ওভাবে মরব।
মৃত্যূর চেয়ে অনিবার্য কিছু নেই...
।
বেশ কিছুদিন থেকে হঠাৎ হঠাৎ আমার মধ্যে
মৃত্যু নিয়ে ভাবনা হয়। মনে হয়, টুক করে একদিন
মরে যাব ! আচ্ছা, তখন কে কী করবে ? পরিচিত
এ পৃথিবীতে দু'দন্ড কেউ কি ভাববে আমাকে নিয়ে ?
পরের কথাই বা বলি কেন, আমার স্ত্রী- সন্তানরাই বা কী
করবে ? খুব জানতে ইচ্ছে করে। একবার, শুধু একবার
যদি মিথ্যে করে মরে গিয়ে আবার বেঁচে উঠতে পারতাম...!!
কত অল্প সময়ের জীবন মানুষের। আরো কত কী দেখার
ছিল। জানার ছিল। শোনার ছিল। কিছুই করা হলোনা
এক জীবনে...। হে ঈশ্বর, মানব জীবনটা এত ছোট কেনো ?
হুমম, একে একে সবাই চলে যাচ্ছে।
তবে বস্, আমার কিন্তু আশাবাদ আছে।
শুধু ব্লগগুলো পড়েই মনে হয় অনেক উঁচুমাত্রার প্রগতিশীল চিন্তা করার লোক আমাদের আরো তৈরী হবে।
প্রথা গুলো মনে হয় শীতিল হয়ে পড়ছে...তাই হয়ত আগের মত প্রথাবিরোধী দেখা যায় না...
কবিতাটা সুন্দর। লেখকের প্রতি শ্রদ্ধা।
দারুন একটা কবিতা শেয়ার করেছেন।
বিছানায় পরে থাকতে চাই না, একবারে শেষ হয়ে যেতে চাই।
আলোকময় মানুষের রিলে রেসের কাঠিটা নিয়ে নিশ্চয়ই কেউ দৌড়ে আসছে..হয়ত গতি তার খানিকটা মন্থর তাই হতাশা এসে ফুসমন্তর দিচ্ছে। এক্ষেত্রে আমি তাই জ্বীনের বাদশা ভাইয়ের সাথে একমত হতে চাই। সময়ের প্রয়োজনেই প্রথার যেমন চেহারা বদল হয় তেমনি প্রথাবিরোধী মানুষগুলোর প্রকাশভঙ্গিও..নইলে আমাদের বড়ভাই- বোনদের সময়কালেও যেখানে যুদ্ধবিরোধীদের বিচারের দাবীতে দেশ তেমন ফুঁসে ওঠেনি আজ দেখেন, কেমন জোড়েশোরেই রব ওঠেছে 'যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এখনই করতে হবে' ...এই সেক্টরে কী এটা কম আশার কথা কনদি? নীড়ুদার সাথে তাই দ্বিমত আমার..'চল যাই ডাল খাই'য়ের দল যেমন যুগে যুগে ছিলো( তখন হয়ত দারু কেরু হাবিজাবি কিছু খেতো.....কী খাইতো তার আমি কি জানি
) সেরকম
সারাদিনই আজ প্রায় ব্লগে
আলোকময় মানুষেরাও...আছেন, ছিলেন, থাকবেন.......আমাদের মত হতভাগাদের জন্য তাঁদের জন্ম নিতেই হয় যে! ...........বড়ভাই কী কইলাম না কইলাম
মাথা আউলা হইছে কিছু মনে নিবেন না......
পছন্দের কবিতার জন্য জাঝা। আব্দুল মান্নান সৈয়দের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।
কি জানি, আমি কেন জানি আশা ছাড়তে পারি না, কেউ কারো যায়গা নিতে পারে না, কিন্তু ছাড়িয়ে যেতেও তো পারে। সেই আশায় বসে আছি।
মন্তব্য করুন