টুকরো ইতিহাস-১
এইটা আমার নতুন ব্লগ প্রকল্প। ইতিহাসের ছোট ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা নিয়ে ছোট ছোট পোস্ট লেখা। সবাই পছন্দ করলে এটা চলতে পারে।
শুরুটা মওদুদ আহমদকে নিয়ে।লেখক মওদুদকে আমার খানিকটা পছন্দ। তাঁর বলা ও লেখার মধ্যে কিছুটা পার্থক্য আছে। তাঁর একটা বই চলমান ইতিহাস-জীবনের কিছু সময় কিছু কথা ১৯৮৩-১৯৯০। দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড থেকে প্রকাশ, ২০০৯ সালে। সেখানে তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অনেক কিছুই লিখছেন। তবে আমার কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে এ বিষয়টি।
তিনি লিখেছেন,
দলের জন্য আমি কোন চাঁদাও তুলিনি, আর তাই অন্যায়ভাবে কোন কাজও আমাকে কারো জন্য করতে হয়নি। ......এই চাঁদা নিয়ে প্রেসিডেন্ট জিয়ার সাথে আমার ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। মাসে তিন লাখ টাকা করে দশজন মন্ত্রীকে দলের জন্য চাঁদা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু আমি এভাবে চাঁদা দেওয়ার পদ্ধতির বিরোধিতা করেছিলাম।
মওদুদ আরও লিখেছেন তিনি আর জাহাজমন্ত্রী নুরুল হক ছাড়া আর কেউ এর প্রতিবাদ করেননি। আর তিনি রাজী হননি কারণ এর বিনিময়ে সুযোগ সুবিধা দিতে তিনি পারবেন না্ তার অর্থ বাকিরা সেই ৭৬-৭৭ সালে মাসে মাসে তিন লাখ করে টাকা দিয়ে গেছে। আর বিনিময়ে ব্যবসায়ীদের বিএনপি সরকার কি কি সুবিধা দিয়েছিল তা অবশ্য মওদুদ লেখেননি।
ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা নিয়ে রাজনৈতিক দল গঠন ও চালানোর ইতিহাস মনে হয় এখান থেকেই জোরেসোরে শুরু। এখনও তা চলছে..........





পোস্ট আরেকটু বড় ... এবং আরো কিছু কথা সহ দিলে মন ভরে
ধইন্যা বস
বড় কেমনে করবো। এইটা তো টুকরা ইতিহাসের প্রকল্প। ছোট ছোট কিছু ঘটনা তুলে ধরবো । প্রয়োজনে বড়ও হতে পারে।
পোস্ট আরেকটু বড় ... এবং আরো কিছু কথা সহ দিলে মন ভরে
মওদুদ যদি এতো সৎ তাহলে অন্য মন্ত্রীরা না জানি কতো সৎ
কৌতুকের প্যারোডি লিখলাম আর কী। ধলা মিয়া যদি এতো কালা তাহলে কালা মিয়া না জানি কতো কালা
ভাল বলছেন। এদের আত্মজীবনী পড়লে মনে হয় তিনি ফেরেসতা আর বাকি সবাই অসৎ
আপনার নূতন ব্লগ প্রকল্পকে সাধুবাদ। পরবর্তী লেখার অপেক্ষায় থাকলাম। ইয়ে...দাদা, একটা কথা। আমার কাছে ছোট লেখাই ভালো মনে হচ্ছে। কারণ ইতিহাসের মতো কাঠখোট্টা বিষয় জানতে ইচ্ছা করলেও বেশি পড়তে বিরক্ত লাগে। অনেক ধন্যবাদ।
এই তো সমর্থক পাওয়া গেছে।
মওদুদের সবগুলো বইকে একখন্ডে আনতে পারলে নাম দেয়া যেত 'ডিগবাজি অমনিবাস'। এত ইন্টারেস্টিং চরিত্র বাংলাদেশে আর একশো বছরেও আসবে না। তার কথা তো মাখন, বই যে মাখনের চেয়ে সাধুতর হবে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু এরকম এক চিমটি লেখা দিলে চলবে না। আরো বড় সাইজ চাই।
বইয়ের নামটা পছন্ত হইছে। মওদুদরে বলতে পারলে ভাল হইত।
প্রশ্ন:
১. ৭৬-৭৭ সালের ঐ সময়ে রাজনৈতিক দল এবং সরকারী দল হিসেবে বিএনপির বয়স কতো ছিলো?
২. তখনকার তিনলাখ টাকার মুদ্রামান এখন কতো?
--------------------------------------------------------
মাসুম ভাইয়ের ব্লগ-প্রকল্পগুলির কোনওটাই ফ্লপ হয় নাই। এটাও চলুক। একটাই কথা, ডটসমষ্টি দিয়ে শেষ না করে কিছু উল্লেখযোগ্য উদাহরণ দিতে পারতেন। ইন্টারেস্টিং তথ্যের তো কোন অভাব নাই আপনার ভাণ্ডারে।
একটু চেক করে দেখলাম। এটা আসলে ১৯৭৮ সালের পরের ঘটনা হবে। মওদুদও কোনো তারিখ উল্লেখ করেন নাই। তবে বিএনপির প্রতিষ্ঠা ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর।
১৯৭৮ সালের টাকার মূল্যমান পাওয়া এখন একটু কঠিন। তবে তবে সে সময়ে ১৫ টাকা ছিল ডলারের দাম।
এই প্রকল্প চলবে মানে।দৌড়াবে.।.।।
তয় লেখাগুলো আরেকটু বড় করে দিতে হবে দিতে হবে.।
বিষয়ের উপর নির্ভর করে লেখা কত বড়ো হবে।
প্রকল্প পছন্দ হৈসে।
থেংকু
ভালো লাগল। তবে পোস্ট আরেকটু বড় হতে পারত!
বড় করার চেষ্টা করবো।
প্রকল্প চলুক আর পোষ্ট আরেকটু বড় হোক, পড়ে যেনো মন ভরে।
বড় করার চেষ্টা চলিবেক
এক কাজ করা যাইতে পারে, ঘটনা সত্য কিন্তু দবির-সবির নাম দিয়ে এমন ভাবে গল্প লেখা যায় যাতে সাপও মরে লাঠিও নোংরা না হয়
হাহাহহাহা। ভাল বুদ্ধি।
ভালো লাগলো মাসুম্ভাই। পরের পর্বের অপেক্ষায় আছি।
আসিতেছে......
বস, মাজা লাগলো পড়ে।
ঠাকুর ঘরে কেরে? আমি কলা খাইনি হুজুর.....
এই মওদুদ কিন্তু ২০০৭ সালে কালো টাকা সাদা করতে চাইছিল।
টুকরা ইতিহাস ভালো হৈছে মামা।
১। টুকরার আকার বাড়ানো হউক।
২। জাহাজমন্ত্রী নুরুল হক কি নুরুল হক সিকদার?
৩। মাসুম ভাই মামা হলেন কবে? কিছু মনে হয় মিস করে গিয়েছি।
খোঁজা লাগবে।
না এইটা শিকদার না। শিকদার কখনো মন্ত্রী ছিল না। এইটা অন্য নুরুল হক।
পড়বো....
মন্তব্য করুন