মন্ত্রী মহোদয়ের মুঠোফোন আলাপ
আমরা মন্ত্রী মহোদয়ের জন্য বসে আছি। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ৪টায়। দুজন মন্ত্রী থাকবেন। কেবিনেট মিটিং আছে, তাই দেরি হচ্ছে। একজন মন্ত্রী চলে আসলেন সাড়ে ৪ টায়। আরেকজনের অপেক্ষায়।
মূল মিলনায়তনের পাশেই আয়োজক সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের অফিস। সেখানে বসানো্ হলো মন্ত্রীকে। চা খেতে খেতে গল্প হচ্ছিল নানা বিষয়ে।
এ সময়ে মন্ত্রীর সেলফোনটা বেজে উঠলো। মন্ত্রী কি কথা বলেন, কার সাথে বলেন-উৎসুক আমরা সবাই।
ওপাস থেকে...........
মন্ত্রী-লেখাটা পড়ছি। লিখলে কী করবো বলো। .........ভাই, অনেক সিনিয়ার মানুষ। তাকে আমরা সবাই ভালবাসি। তিনি যদি লেখেন মন্ত্রী সভা পরিবর্তনের সময় এসেছে তা তো তিনি বলতেই পারেন।
ওপাস থেকে-----------
মন্ত্রী-ঠিকই ধরছো, আমাকেও ইঙ্গিত করছে। আমার কী করার আছে বলো। তিনি একটা টেলিভিশনের লাইসেন্স চাইছে। আমি কি লাইসেন্স দেই নাকি। আমি খালি সরকারের কাছে প্রস্তাবগুলো উপস্থাপন করি। সরকার ঠিক করবে কে পাবে আর কে পাবে না। তবে আমি সরকারকে দেওয়ার সময় জানাইয়া তেই কে কোনটা চাইছে, কারটার জন্য কে সুপারিশ করছে। এখন তারটা যদি সরকার না দেয় তাহলে আমি কী করবো? আমারে দোষ দিলে চলবে?
ওপাস থেকে............
মন্ত্রী-আরে না। তার নিজের জন্য না।সে আরেকজনের পক্ষে সুপারিশ করছে। সরকার সেইটা বাতিল করছে। আমি এখন কী করবো বলো?
ওপাস থেকে.........
মন্ত্রী-আরে শোনো, তারে কয়টা ডলার ধরাইয়া দিলে তোমার পক্ষেও সুপারিশ করবে।
ওপাস থেকে...........
মন্ত্রী- আমার এখানে এখন অনেক সাংবাদিক আছে। সব আমার ছোট ভাই। পরে কথা বলবোনে।
ফোনটা রেখে মন্ত্রী-কী করবো বলেন। সবার সব কথা কি শোনা সম্ভব। আর কথা না শুনলেই শুরু হয় লেখালেখি। কত কিছুই যে তথন লেখে। আর ধরেন আমি কি নিজে বলছি যে মন্ত্রী হবো। আমাকে বানাইছে। তারউপর আবার দুইটা মন্ত্রণালয় দিছে। আমার দলের লোকজনও তো চায় মন্ত্রী হইতে। আর আমি দুইটার দায়িত্ব নিয়া আছি। .........
এটা হচ্ছে গতকালকের ঘটনা।
ভাল কথা, আপনাদের দৃষ্টিতে সেরা কলাম লেখক কে? সেদিন দেখলাম একটি জরিপে বলা হয়েছে,
১. আনিসুল হক
২. আবদুল গাফফার চৌধুরী
৩. মুহম্মদ জাফর ইকবাল
ডিসেক্লেইমার-উপরের অংশের সাথে নীচের অংশের কেউ কোনো মিল খুঁজে পেলে সে দায় দায়িত্ব তার নিজের।





এগিলি তো ওপেন সিক্রেট।
নীচের অংশের ফলাফল নিয়া ফেসবুকে ক্যাচাক্যাচি হৈতে দেখলাম কয়দিন।
উপরের অংশে:
আজকাল মণ্ত্রী পর্যায়ে সুপারিশে ডলার ইউজ হৈতাছে?
এডা নয়া নিউজ
মন্ত্রী সরকারের কাছে সুপারিশ করে
আমার প্রশ্ন , সরকার টা কে আসলে ???
এইটাও জানে না !!!!!!! সরকার হইলো অমিতাভ বচ্চন ।
ফেইসবুকের মত 'আমরা বন্ধু'তেও কমেন্ট লাইক করার অপশন রাখার জোড় দাবী জানাচ্ছি।।.।

ঠিক কইছেন?আমরা বন্ধুর মডু,ডেভু কোন কামের না।
আগাচৌ
লেখার শেষে কুইজ দিলে খেলবো না
এটাতো এই সরকারের আমলের কুইজ, সরকারের সাথে কলম প্লাস কলাম লেখকও ঘুরেন ।
নৈর্বক্তিক প্রশ্নটি হতে পারে এরম :
১. আনিসুল হক
২. আবদুল গাফফার চৌধুরী
৩. মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৪ উপরের কেউ নন
আমার জবাব : ৪
সহমত।
পাগলদের সাকোঁর সামনে নিয়া দা'ও হাতে ধরাইয়া যদি বলেন, "পাগলা সাকোঁ নাড়াঁইস না"... এখন সে সাকোঁ কাটা শুরু করলে দায়িত্ব কার?...
কেন জানি ফ্রুটিকা'র বিজ্ঞাপনটার কথা মনে পড়ে গেছে...
মন্ত্রীদের দোষ দেন কেন? মানুষই তো এমন। আজকে টেকনাফের টিকেট কাটতে গেলাম। শ্যামলী পরিবহণ। তো সেখানে কোলকাতার টিকেট কাটলো এক আওয়ামী নেতা(বয়স্ক, তবে পাতি নেতা মনে হলো)। বেশ ভাব নিয়ে বললো যে, "এখন একটা টিকেট দেন। আরেকটা আমার কার্ড দেখায়া আমার কর্মী নিবে।" বলেই কার্ডটা বের করলো। তো বুকিং কর্মচারীরা ব্যাপারটা পুরোপুরি ধরতে পারে নাই। একটা নাকি দুইটা টিকেট বুক করবে...কেমনে করবে বা কে নিবে। তো অনেক প্রশ্নের পর বুকিং কর্মচারী জিজ্ঞেস করতাছে, "আরেকটা টিকেট বুকিং যে দেব...কই দেব? আপনার সাথেই? নাকি অন্য বাসে যাবে?" নেতা জবাব দিল, "আরে...ও আমার কর্মী। ওরে আমার সাথে বসাইতে হবে নাকি? এক জায়গায় দিলেই হবে। আমার কর্মী তো...একই বাসে দিও। তয় আমার সাথে না আর কি..."
শুনতে হয়তো স্বাভাবিক, কিন্তু আমার কেমন যেন লাগলো।
আমগো শ্রদ্ধেয়, মন্ত্রী মহোদয়ের মোবাইলের এত কথা আপনে মুখস্ত করলেন কেমনে... সেইটা আগে কন !
মানিক ভাইয়ের উত্তর পছন্দ হইছে, তাই তারে তার বাম হাত দিলাম
লেখা ভালু পাইলাম, "দলের বেকটি মন্ত্রী হইতাম চায়" এইটা সত্যি কথা, কুনু সন্দেহ নাইকা!
গাফফার চৌধুরীর এনার্জি আছে বটে
হুমমম
You are right
এখন পর্যন্ত হুমায়ুন আজাদের উপরে কলাম লেখক নাই।
মন্তব্য করুন