কে এই আবুল

তিনি একসময় টিসিবির একজন সামান্য কর্মচারী ছিলেন। ১৯৭৪ সালের ঘটনা। তখন সব কিছু রাষ্ট্রায়াত্ব, টিসিবি ছিল আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। সব ধরণের পণ্য আমদানি করতো এই সংস্থাটি, রপ্তানিও করতে হত টিসিবির মাধ্যমে।
দুর্নীতিটি ছিল গম নিয়ে। দুর্নীতির ব্যাপকতা এতোটাই বেশি ছিল যে, শেষ পর্যন্ত চাকরি চলে যায় তার। বঙ্গবন্ধুর সময় সরকারি চাকরি হারানো এই লোকটির নাম ছিল সৈয়দ আবুল হোসেন। চাকরি চলে গেলেও লোকটির কোনো সমস্যা হয়নি। কারণ প্রচুর অর্থের মালিক হয়েছিলেন টিসিবিতে চাকরি করতেই। সেই টাকা দিয়ে একটা প্রতিষ্ঠান চালু করলেন। নিজের নামেই প্রতিষ্ঠান। নাম-সৈয়দ আবুল হোসেন কোম্পানি লিমিটেড-সংক্ষেপে এসএএইচসিও বা সাকো। ১৯৭৫ সালে এর প্রতিষ্ঠা।
সাকো বা সৈয়দ আবুল হোসেনের মূল উত্থান এরশাদ আমলে। এরশাদের সময়ে একের পর এক ব্যবসা পেতে থাকে সাকো। তবে সৈয়দ আবুল হোসেনের মূল খুঁটি ছিল রওশন এরশাদ। রওশন এরশাদের কয়েকজন পোষ্য পুত্র ছিল, যারা প্রকাশ্যে রওশন এরশাদকে মা বলে ডাকতো। তাদের মধ্যে সৈয়দ আবুল হোসেন অন্যতম।
শোনা যায়, শেখ শহীদের শিক্ষামন্ত্রীত্ব গিয়েছিল সৈয়দ আবুল হোসেনের কারণে। আবুল হোসেনের এলাকায় একটি কলেজ করা ও এর শিক্ষাক্রম অনুমোদন নিয়ে বিপত্তি বাধে। জানা যায়, গলফ খেলতে খেলতে সৈয়দ আবুল হোসেন এরশাদকে শেখ শহীদের বিরুদ্ধে নালিশ করেছিল। ওই রাতেই শেখ শহীদের মন্ত্রিত্ব চলে যায় আর নতুন শিক্ষা মন্ত্রী হন কাজী জাফর। কাজী জাফরের নামও বলে দিয়েছিল সৈয়দ আবুল হোসেন। কাজী জাফর মন্ত্রী হয়েই প্রথম যে কাজটি করেছিলেন তা হচ্ছে সৈয়দ আবুল হোসেনের চাহিদা পূরণ।
৯০ এর গণআন্দোলনে এরশাদের পতন হ্ওয়ার পর ভোল পালটে ফেলেন সৈয়দ আবুল হোসেন। রাতারাতি সবাইকে বিস্মিত করে নৌকায় উঠে পড়েন তিনি। বলা হয়, মোটা অংকের বিনিময়ে মনোনয়ন কিনেছিলেন তিনি। মন্ত্রী হয়ে যান ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী হলেও তা ধরে রাখতে পারেননি। দুই পাশপোর্ট ব্যবহার করায় মন্ত্রীত্ব চলে যায়।
তারপর আবার মন্ত্রী হন সৈয়দ আবুল হোসেন। যোগাযোগমন্ত্রী। এরপরের কাহিনী সবারই জানা।
সৈয়য় আবুল হোসেন পরীক্ষিত আওয়ামী লীগার নন। এই আউটসাইডাররাই একটি দলের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর। পদ্মা সেতুর এই সংকট এই লোকটির কারণেই। পুরানা কথাটাই আবার বলি, এক আবুল হোসেন আওয়ামী লীগের যে ক্ষতি করলো এবার, পুরো সাড়ে তিন বছরে বিএনপিও সেটা করতে পারেনি।





অসাম লিখসেন ভাই.। অজানা বহু কিছু জানলাম!
মডারেটর নোটঃ অতিথি কমেন্টি বাংলিশ থেকে বাংলায় করে দেয়া হইলো। অতিথি লেখকদের কাছে অনুরোধ থাকলো বাংলায় কমেন্ট করার জন্য।
ধন্যবাদ, পড়ার জন্য
ইনি তো দেখি বিরাট কামেল লুক।
আমাদের নরসিংদীতে আছেন..আব্দুল কাদির মোল্লা। একবার প্রথম আলোতে ধারাবাহিক একটা লেখা শুরু হয়েছিলো তাকে নিয়ে। তবে লুকটা দিলদরিয়া।এরম না।
তারে নিয়া লেখ, জ্ঞানার্জন করি
ছোট দুলাভাইয়ের সাথে দোস্তানি কীভাবে হলো? সেই গল্পটা একটু কইরেন মাসুম ভাই।
আমারে মারতে চান মিয়া?
ইনি তো সেই আদ্দিকাল থেকেই লাইনে আছেন।, জাত জানোয়ার থুক্কু খেলোয়াড়!
এই তাইলে আবুলের ইতিহাস !
হ,
মাসুম ভায় াবুল মানে াবাম, সেটা বাদ পোরেছে .।
কোথায় গিয়ে দাড়াইসে আমাদের রাজনীতি! এই লোকরে বাঁচানের জন্যও সরকারী দল থেকে গলা উঁচা করা কত কথা শুনা যায়! হাহা! আজীব!
পুরাই আজিব
অসংখ্য ধন্যবাদ। অনেক কিছুই জানলাম
আপনাকেও ধন্যবাদ
মাসুম্ভাইয়ের জন্য রইল অগ্রিম সমবেদন
দোয়া কইরেন
তবে মাস্টারমাইন্ড আবুলের হাঁড়ি ভাঙার সময় আমাদের খেয়াল রাখতে হবে এই মিছিলে যেন সুবিধাবাদী জামাত, হিজু অথবা ফরহাদী বাম ঢুকে না পড়ে।
আবুলের কারনে আম্লীগের বিশাল ক্ষতি হবে। জয়নাল হাজারী টাইপ ক্ষতি। কেউ সামাল দিতে পারবে না।
টাকার কাছে যদি হাছিনা জিম্মি হয়ে থাকে, সেই আম্লীগ না থাকাই ভালো।
অযোগ্য লোক দিয়ে দলের কোনো লাভই আসলে হয় না, বরং ক্ষতি হয় অনেকবেশি
আআআআআআআবুল
হায় আমাদের রাজনীতি
হায়
ইনি তো দেখি বিরাট কামেল লুক।
রূপকথার নায়ক তারেক জিয়ার খাম্বা কাহিনী ভুলিয়ে দেবার জন্য আবুল হোসেন একটা মাইলষ্টোন হয়ে থাকবে। প্রশ্ন জাগে আবুল হোসেনের গডফাদার/মাদার কে?
akhon bangladesher first lady to sheik rahana....uni chara aber ka hobaaa
উনি তো দেখছি বড়ই কামেল মানুষ। এই টাইপের লোকগুলারে আমরা গালি দেই...কিন্তু যারা এদের কালোটাকায় রাজনীতি করে তাদেরকেও লাত্থি মারা উচিত।
তথ্যসূত্র ছাড়া দারুন এক লিখা। লেখক ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যেকটি ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী না হলে তথ্যসূত্র উল্লেখ করা উচিৎ।
আর কি বলবো !
ora dhaklai to amer chor mona hoy.......!
আললআ ামাডের রোককা কোরো ডেসটারে রোককা কোরো ামবা লিগ ার বি ন পি ঠেকে
এই পোস্টটা ইতিমধ্যে ১৬৬৬ বার পঠিত!!!
~
এই পোস্টটা ইতিমধ্যে ১৬৬৬ বার পঠিত!!!
~
মাসুম ভাই মুনতাসির মামুনের "পাকিস্তানি জেনারেলদের মন" বইতে আবুল হোসেনের নাম আসছে, আবুল হোসেনকে শেখ হাসিনা চাচা বলে ডাকতেন, তার উদ্যোগেই বেনজির ভুট্টোর সাথে ৭৫ এর পর শেখ হাসিনার প্রথম সাক্ষাৎ হয়। টিসিবি দুর্নীতিতে অভিযুক্ত হলেও পারিবারিক সম্পর্কটা ফেলনা নয় এমনটাই মনে হয় আমার।
সৈয়দ সাহেবের বিরুদ্ধে আরও গুরুতর গুজব আছে- কেউ কেউ বলছে আওয়ামী লীগের নির্বাচনি খরচ উত্তোলনের দায়িত্ব আবুল সাহেবের, তিনিই অলিখিত ক্যাশিয়ার- সুতরাং বেশী টাকা পয়সার লেনদেন হয় এমন সব মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রীত্ব আবুলকে দিতে উৎসাহী প্রধানমন্ত্রী।
ei abul amader সকল কে`abul` banate ceyechilo ;;;
আমি শুনেছিলাম তিনি বিরাট প্রতিষ্ঠিত জমিদারের ছেলে। বাই বর্ন হেভি রিচ এন্ড ব্লু ব্লাড
মন্তব্য করুন