ভ্রমণ প্রমাদ
(এইটা একটা আজাইরা পোস্ট, নিজ দায়িত্বে পড়ুন)
জামায়াত-শিবিরের প্রতিষ্ঠান: আসুন চিনে রাখি ও বয়কট করি
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা সরকারের রাজনৈতিক ও নৈতিক দায়িত্ব। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অনেক তরুণ ভোটারকে আকৃষ্ট করে ক্ষমতায় এসেছে। মাঝে অনেকেই এ নিয়ে হতাশ ছিলেন। এখন বিষয়টি আবার আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে। আমরা আবার আশায় বুক বেঁধেছি।
চকলেটের জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ
আইজকা বিকাল বেলায় নগরীর জিইসি মোড়ের কাছেই কিছু পরিচিত-অপরিচিত মানুষ(সাকূল্যে সাড়ে তের জন) সহ বইসা কিছু চকলেট খাইছি আর কিছু পকেটে কইরা চামে বাসায় নিয়া আইছি।

আল্লাগো, এই রকম আরো চকলেট খাইতাম, মন চায়...
খুব মজা লাগ্ছে।
শুজুর আলহাম্দুলিল্লাহ্...
কর্তৃপক্ষের জয় হোক....।
পোষ্ট শ্যাষ....।

আড্ডা!! আড্ডা!! আড্ডা!! বীর চট্টলার আড্ডা!!
চ্রম একটা আড্ডা হইছে।
আগে জান্তাম না, খানাপিনা নাকি মডু'র স্পন্সরে!!! কম কম কইরা খাইছিলাম।
আগে জানলে আরো বেশি কইরা খাওয়ন যাইত....

আড্ডা মূলত শুরু হয়, ৫টা থেইকা... কারণ, আমি গেছি তখন!!! 
আমার আগে কে কে গেছে এইটা জাইনা কাজ নাই, বরং আমি কার কার আগে গেছি, এইটা বলি... 
তারার হাসি পু
ঃপল - The Octopus এর গণনার বহুমুখী ব্যবহারঃ - আপনাদের বুদ্ধি চাই।
এবারের বিশ্বকাপে পল - The Octopus কে গোল্ডের বুট দেয়া উচিত ছিল, এমন নির্ভুল গণনার জন্য ।
বেচারা যা কইছে তাই লাগছে। ঝড়ে বক পড়লেও এরকম ভাবে তো আর পড়ে না তাই পল কে আমাদের গণক ঠাকুর কইতেই হয়।
পল কে ইতঃমধ্যে খেয়ে ফেলার , মেরে ফেলার ছেড়ে দেয়ার হুমকী আইছে। খুবই খারাপ কথা। শুনে খুবই খারাপ লাগলো আমার।
আমরা বন্ধুর আয়োজনে চট্টগ্রামে ব্লগারদের সমাবেশ
আমরা বন্ধুসহ বাংলা ব্লগের ব্লগাররা ছড়িয়ে আছেন পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে। নিত্যনতুন বন্ধুদের সঙ্গে ব্লগের পাতায় পরিচিতি, মত বিনিময়, আলোচনা। কতো সম্বোধন, হাসিঠাট্টা, অম্লমধুর মিথস্ক্রিয়া। নিক-পিকের ভার্চুয়ালিটি ছাড়িয়ে কাছাকাছি মানসপ্রবাহের ব্লগারদের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠা।
অভ্র জনক মেহ্দি হাসান খান ও নাজমুন কে অভিনন্দন।
কিছুদিন আগে আমাদের প্রিয় ভাই অভ্র জনক মেহ্দি হাসান খান বিবাহ করেছেন। আমি অধির আগ্রহে আপেক্ষা করছিলাম আমরা বন্ধুতে আমাদের নজু ভাই এ বিষয়ে একটা আপডেট দিবেন, বিয়েতে তিনি হেভী পোজ দিয়ে ছবিও তুলেছেন এবং ভাল খেয়েছে! কিন্তু না, দেখছি না। বিয়ে খেয়ে মনে হয়, আমাদের ভুলে গেছেন!

অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী
যথারীতি হাতে আজাইরা সময় থাকলে যা হয়...মেহেদী হকের টিউটোরিয়াল দেখে কাকের ঠ্যাং বকের ঠ্যাং এঁকে ফেললাম। অবশ্য উনার মতো স্পেসিফিক পেন্সিল-রাবার, কলম-দোয়াত, স্ক্যানার এতো ব্যবস্থা করতে পারি নাই। ৫৳ এর পেন্সিল, ৫৳ এর ইরেজার, ১৫৳ এর জেল কলম, আর মান্ধাতার আমলের বোগাস সনি সাইবারশট দিয়ে কাজ সারলাম। ছবিতে কোথায় লাইট হবে আর কোথায় শেড হবে তা অবশ্য এখনো বুঝতেছি না। না বুঝাটাই স্বাভাবিক, বুঝলে তো বহুত আগেই আর্টিস্ট হয়ে যেতাম! যাই হোক...নতুন একটা শখ আর কি! অঙ্কুরেই মরে যাবে হয়তো।
সংস্কারবিহীন জনির সংস্কার
মসজিদের মোয়াজ্জেমের ছেলে হয়ে আশরাফ সাহেব যখন লেখাপড়া শিখে নাস্তিক আর্মি অফিসারের ছোটো মেয়েকে বিয়ে করে গ্রামের বাড়ির সম্পর্ক ছেড়ে শহরে এসে স্যুটেড বুটেড হয়ে উঠলেন, তখনই অনেকেই বুঝে নিলো, এই পরিবারের ছেলেদের মাঝে, জগৎ এর প্রচলিত নিয়ম কানুনের প্রতি আকর্ষন কমই হবে।
ডাইরী ১১৩
তবে পাহাড়েই যাই; পাহাড়ের কাছে প্রশ্ন রাখি, কোনক্ষণে পাহাড়েও নামে ধ্বস, কোনক্ষণে টলে গেছে পাহাড়ের ভিত?
এক.
কোন একদিন সমতল বলে কোন ভূমি ছিলো না হেথায় এমন বিশ্বাসে সাজিয়েছি চিন্তার রাশিমালা। পাহাড়ও টলেছে এমন আনন্দ বুকে নিয়ে ভেবেছি...কোন একক্ষণে নিমেষ ফুরাবার আগেই পাহাড় নিঃশেষ হবে।
অস্থির মানব জীবন জায়েজ হলো তবে...
এই নগরের প্রেসক্লাবে যেতে চেয়েছিলেন কোটালীপাড়ার নির্মল সেন...
সূর্য সেনের সহযোগী, আপসহীন সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা, সারা জীবন মানুষের জন্য কাজ করে যাওয়া বাম রাজনীতিবিদ নির্মল সেন। কৃষক-শ্রমিক সমাজবাদী দলের প্রধান এ মানুষটির সাংবাদিকতার জীবন শুরু হয় ইত্তেফাকের সহকারী সম্পাদক হিসেবে। ১৯৬৪ সালে দৈনিক পাকিস্তানে যোগ দেন তিনি। দৈনিক পাকিস্তানের নাম একসময় হয়ে যায় দৈনিক বাংলা। সহকারী সম্পাদক নির্মল সেন। উপসম্পাদকীয় লিখতেন অনিকেত নামে। ১৯৭৪ সালে তাঁর আলোচিত উপসম্পাদকীয়


