প্রিয় বান্ধবীদের বিয়ে হয়ে গেলে
প্রিয় বান্ধবীদের বিয়ে হয়ে গেলে উঠতি যৌবনে আমরা সবগুলো ছেলেবন্ধু পারস্পরিক শত্রুতা ভুলে দল বেঁধে দেবদাস হতাম। আমাদের চরণসমুদয় অনাথের মতো নিস্তেজ হয়ে পড়তো। বিরহীসংঘের সমাবর্তনে বিগত বান্ধবীকে প্রতারণার দায়ে গোষ্ঠি উদ্ধারে লিপ্ত হতাম।
বয়স বাড়ে; সময় বদলায়; দৃষ্টি ও দর্শন বদলে যেতে থাকে। পৃথিবীর সবখানে, সবকিছুতে ছড়িয়ে আছে আর জড়িয়ে আছে প্রেম।
মাঝরাতে কান্দায় পরদেশী...
চাঁদি য্যায়সা রাঙ হ্যায় তেরা গেয়ে পঙ্কজ উধাস কিন্তু একটা বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। মডার্ন মিউজিক সহকারে তার সেই পরিবেশনা আচমকাই গজলপ্রেমী করে তুলেছিলো একটা প্রজন্মকে। এই তারাই আরো শুদ্ধতার খোজে শুনেছে সেসব গজলের আদিরূপ। আদি গায়ন। বাংলা ফোকে ঠিক এই কাজটাই করেছিলেন মুজিব পরদেশী। না ব্যান্ড ফরম্যাটে গাননি তিনি, সেই আদি অকৃত্রিম হারমোনিয়াম ব্যবহার করেছেন। আমি বন্দী কারাগারে (যা পরে বেদের মেয়ে জ্যোসনা ছবিতেও
রাঙ্গামাটির রঙে চোখ জুড়ানো? (ছয়)
রাঙ্গামাটি ভ্রমণবৃত্তান্ত লিখতে গিয়া আমি নিজেই খানিকটা ক্লান্তি অনুভব করতেছিলাম...পাঠকের ক্লান্তিটাও ঠাহর করবার পারি সেই নিরীখে। একই পথের গল্প, স্মৃতির স্পর্শ নিয়া বাঁইচা থাকনের গল্প...এইসব বহুত পুরানা কেচ্ছা...ট্রাভেলগ লিখনের মজাটা তৈরী হয় তখনই, যখন সেইসব বৃত্তান্ত নষ্ট হইয়া যাওয়া স্মৃতি হয়। আমি নিজে এই স্মৃতিকাতরতা উপভোগ করি। যেই কারনে সেই কিশোরকালের ডায়েরীর ক্ষয়াটে চেহারার মাঝেও পুরানা বর্ণমালা
ki komu
কি লিখুমরে ভাই... exam is going on let me first finish the xams.. then..
মার্ক টোয়েন সিন্ড্রম
ছোটবেলা থেকেই আমার প্রিয় শখ গুলোর একটা হলো বই পড়া। তাই বলে আমাকে জ্ঞানের সমুদ্র ভাবলে ভুল হবে। আমার আগ্রহ ছিলো সব রকমের গল্পের বইতে। তিন গোয়েন্দা, ফেলুদা, টেনিদা, কাকাবাবু, টিনটিন এমনকি চাচা চৌধুরী পর্যন্ত। দিনের বেশীর ভাগ সময় কাটতো তাই ফেলুদা তোপসের সাথে মগনলালের পিছনে তাড়া করে, না হলে কিশোর পাশার সাথে গোলমেলে ঘড়ির রহস্য ভেদ করে। বই পড়ার পাশাপাশি আর একটা শখ ছিলো, সেটা হলো বই জমানো। স্কুলে পড়ি, এত
পরিক্রমা
চেনা বিন্দু স্বীকার্য নয়, অচেনায় মুগ্ধ পরিক্রমা-
বিগত দিনের গান শেখালো কি?
অসময়ে প্রকৃত স্থি্র
মাটির গন্ধে মুখ;
চেনা হেমন্তে্র ধানে বিগত বৈশাখ
স্মৃতি থেকে কোন কিছু
ঝেড়ে ফেলা যায় কি আসলে?
স্মৃতিতে লাঙল চলে,
বাতাসের স্পর্শ পেতে উঠে আসে
হাড়হীন প্রচ্ছন্ন প্রবাস
একা লাগে?
কার বলো একা লাগে না!
আধ পাকা প্রেম- ট্র্যাজিক কমেডি টাইপ আরকি
..রুপার সাথে দেখা করতে যাবে ভাবলেই চিরজীবন ক্যাজুয়াল টিপুও একটু সময় নিয়ে নেয় আয়নার সামনে। ঠিক এইরকমই টিপিকাল, টিপু আর রুপার কাহিনী।
টিপুদের গ্রুপের অনেকের প্রেম হৈলো সেই ক্যাম্পাসে থাকতেই। তিনজন ইতিমধ্যে বিয়েও করে ফেলছে।
একজন মেয়ে গ্রুপ মেট, দুইজন ছেলে গ্রুপ মেট। সবারই আলাদা আলাদা স্পাউসের সাথে কিন্তু।
কিন্তু টিপু সবসময়ই বৈলা আসছে,
ব্লগ আড্ডার আরো ছবি
আরো ছবি এ্যাড করা হল এই লিঙ্কে । আরো ছবি আসিতেছে।
ব্লগ আড্ডা
ডাইরী ৭৪
এক.
আমি বুঝে পাই নাই কখনো ভালোবাসারে, আর তাহারে। অথচ নিজের মতো বুঝে নিতে চাইছিলাম...অন্য সুরে, পরিচিত গান গাইছিলাম। যখন একান্তে ছিলো হারাবার ভয়, তখনো কখনো চাইনাই তাহারে...আহারে, আহারে!
এবারের বইমেলায় কেনা বইয়ের তালিকা
আমার সারাজীবনের বইয়ের সংগ্রহ অবহেলায় নষ্ট হয়ে গেছে। হাতের কাছে প্রিয় বইয়ের অভাব তীব্র হয় খুব। যতদিন ছিলো, ততদিন কষ্ট হয় নাই। মনে হইছিলো হোগ্গা। কিন্তু যেদিন সত্যি সত্যি বুঝলাম এগুলো আর পাওয়া যাবে না, সেদিন পাগল হয়ে গেছিলাম। কিছুদিন খুব খারাপ কাটলো। একথা কাউরে বলতে পারি নাই। বুঝাইতে পারি নাই। তখনই পণ করেছিলাম প্রিয় বইগুলো আবার সংগ্রহ করবো। গত বইমেলা থেকে শুরু করেছি। গত বইমেলাতেও প্রচুর বই কিনেছি। ক
অবশেষে যেই বই গুলো হাতে এলো .....
অবশেষে কিছু বই হাতে এলো............
দ্বিধা
কিভাবে তার সাথে পরিচয় হয়েছিল অনেক চেষ্টা করেও উদ্ধার করতে পারি নি। ইথারে বেতারে অনতিকাল যোগাযোগ ঘটিত হবার পর আচানক আবিষ্কার করি একটা মেয়ের সাথে আমার পরিচয় ঘটে যাচ্ছে। খুব দ্রুত একটা সম্পর্কও গড়ে উঠলো তার সাথে। অতীব অহিনেউলে এবং তীব্র আবেগের সে সম্পর্কের কোনো সংজ্ঞা জানি না আমরা।
এরপর একদিন তার ভাঙন দেখলাম। সেদিনই সে আমাকে ‘রাখি’ পরালো।
সেই যে আমার নানা রঙের দিনগুলি ০১
অনেকদিন ধরে অপেক্ষা করছিলাম ট্রেনিং এর অর্ডারটা পাবার জন্য। আমাদের প্রশিক্ষন হবে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই এ। দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একেবারেই গা ঘেষে আমাদের ট্রেনিং একাডেমী। সেখানে দেড় মাসের লম্বা ট্রেনিং।