বর্ষবরণ ই-পুস্তক: রঙিলা বৈশাখ
মূলকথার বাইরে [অ.ট.?]: প্রথমেই জানিয়ে রাখি স্বাধীনতা দিবসের ই-পুস্তক কথা। যারা লেখা ও ছবি পাঠিয়েছেন, প্রত্যেককে অশেষ ধন্যবাদ। আর সবাইকেই ফিরতি পত্র পাঠানো হয়েছে। ফিরতি পত্র না পেলে বুঝতে হবে আপনার লেখাটি আমাদের হস্তগত হয়নি। সেক্ষেত্রে মন্তব্যের ঘরে জানালে কৃতজ্ঞ থাকবো। ধন্যবাদ।
চলুন এবার সাজি বৈশাখের রঙে।
ডাইরী ৭১
এক.
শহরটা গিয়েছে থেমে রূপবতী বৃষ্টিরে সামাল দিতে। আহা বৃষ্টি তুমি বড়ো অসময়ে এলে! গরাদের মতো বৃষ্টি দেখে যে কবির বিবমিষা ছিলো তারে আমি ভালোবাসি আজ। শহরের দূরবর্তী প্রান্ত থেকে আমারে যদিবা যেতে হয় কোন এক নারীর ভালোবাসায় আমি তারে কেনো দূরে ঠেলে যাবো...সে নারী ভালোবেসেছে সব লেখকজনেরে।
দুই.
যাপিত জীবন ২
আমি মানুষটা দেখতে বেশ ছোট খাট। ঠিক এই কারনে কিনা জানি না। আমার চাহিদাটা সবসময় বেশ কম। সেটা কাপড় চোপড়ের মতন অগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ই বলেন অথবা ক্যারিয়ারের মতন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমি খুব বেশি চাই না। খুব অদ্ভুত ব্যাপার, আমার ছোট ভাই বোন দুইটার মধ্যেও এই ব্যাপারটা বেশ খুঁজে পাই। এর কারন মনে হয় অল্পতে ভাল থাকার দুর্লভ ব্যাপারটা কিছুটা হলেও আমরা আয়ত্ত্ব করতে পেরেছি। এই বাক্যটা পড়ে কি মনে হচ্ছে কিছুট
স্বর্গীয় কিন্তু খাইস্টা (১৮+?)
অনেক আগে লিখছিলাম, সামুতে, ঝালাই কইরা দিলাম। এবির অনেকেই হয়তো পড়েননাই 
---------------------------------------------------------------------------------------
স্বর্গে সেদিন সেন্ট পিটারের মন ভাল না।
এর আগের কয়েকদিন যাবৎ তার ওপর বিচারের দায়িত্ব পড়েছে দাগী দাগী সব আসামীর; বেচারা ফাদার মানুষ, মন-দিল নরম। এতগুলো মানুষের নরক গুলজার করতে করতে মুষড়ে পরেছেন।
এসেও আমি নেই।
এখানে রেজিষ্ট্রেশন করেছি প্রায় ১ মাসের ওপর হয়ে গেল। তবুও আমার দ্বারা কোন পোষ্ট দেওয়া হয়নি। আসলে কিছু কিছু কারণে ব্লগিং নামক জিনিসটার ওপর থেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিলাম। আগে দিনের বেশিরভাগ সময়ই ব্লগিং করেই কাটাতাম। এখন সেটা হয় না অনেকদিন যাবৎ।
একটি দীর্ঘশ্বাস নদী হয়ে যায়
এখন আমার ত্রিশ। দশ বছর আগে মুনিরার বয়স ছিলো ত্রিশ। আমার থেকে মুনিরা দশ বছর বেশি বড়। মুনিরার সাথে কোনো যোগাযোগ বা সাক্ষাত নাই প্রায় সাত বছর। এই সাত বছরে আমি ত্রিশে এসে চাকরী করি একটি প্রাইভেট হসপিটালে। মুনিরা সাত বছরে কই পৌছায়ছে জানি না তবে সে যদিও তেমন কিছু না হয়, খারাপ নেই জানি। যখন চিনতাম তখনই সে উচ্চ পরিবারের বঁধূ ছিলো। আজ এই সাত বছর পর মুনিরাকে তুমি করে লিখতেও আমার ক্যামন ক্যামন লাগছে। সত্যি ক
হাবিজাবি (হুমায়ূন আহমেদের চামরা তুলে নেব আমরা; হুমায়ূন আহমেদের চামরা লাগিয়ে দেব আমরা)
১)
"এই পথ যদি না শেষ হয়, তো বাইক চড়লে বেশ হয়
কি জন্ডিস কেস হয় ব্রহ্মা জানে.........."
ই-পুস্তক: সময় গেলে সাধন হবে না
"স্বপ্নের বাংলাদেশ" শীর্ষক ই-পুস্তকের জন্য এখনো পর্যন্ত মাত্র ৯টি লেখা পাওয়া গিয়েছে। অনেকেই এখনো লেখা জমা দেননি। কিন্তু হাতে সময় আছে মাত্র আর একদিন। এখনো পর্যন্ত একটি ছবিও জমা পড়েনি। অথচ আমরা বন্ধুতে অনেকেই আছেন যারা ভালো ছবি তোলেন।
দুর্বিসহ ভ্রমন কান্ড (দুই)
চরম হতাশার মধ্যেও দুটো সুখবর পাওয়া গেল। এক. এই ট্রেনটা চট্টগ্রামেই যাচ্ছে। দুই. ট্রেনটা সামনের একটা স্টেশানে থামবে যেখানে নেমে গিয়ে সুবর্ন এক্সপ্রেসের জন্য অপেক্ষা করা যায়, যদিও সুবর্ন এক্সপ্রেস ওখানে থামবে না।
আমি একটুও কাঁদতে পারিনি
হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে আমার ছোট আপা (পিঠাপিঠি বোন ) নাসিমা । ডাক্তার আমাকে একটা প্রেসক্রিপশন দিয়ে বললেন ,ইনজেকশন গুলি আনুন । আমি এক দৌঁড়ে ইনজেকশন নিয়ে এসে দেখি ছোট আপাকে ডাক্তার বুকে পাম্প করছে , তারপর সাদা চাঁদরে ঢেকে দিল তার নিথর শরীর । আমার পাশে অচেতন হয়ে মেঝেতে পড়ে গেলেন আম্মা ।
ডাইরী ৭০
I can't remove the past nor the present...
carrying the smell of her favorite scent...
going through,
5th avenue...
এক.
