বিচ্ছিন্ন ভাবনা ১ : মাসুম ভাইয়ের টক শো, সার্কের খেলা, জাতির লজ্জা
অফিসে সারাদিন কারেন্ট নাই। একঘন্টা জেনারেটর চলে একঘন্টা বন্ধ। কী করা যায়! সার্কের খেলা দেখার ইরাদা নিয়া মিরপুর ইনডোরে গেলাম। ভলিবল খেলা, শ্রিলংকা বনাম আফগানিস্থান। আফগানিরা লম্বা ঢ্যাংগা কিন্তু খেলায় বাঙালিদের মতই অবস্থা। দুর্ভাগা জাতি খেলবে কি বোমা খেতে খেতেই জান কাবার। ওদের তো আল্লা শরীর দিছে আমাদের তাও দেয় নাই। একতরফা খেলা, শ্রিলংকা ধুইয়ে দিচ্ছে। না দেখেই ভাগলাম।
কাল গেলাম কাবাডি স্টেডিয়ামে। বাংলাদেশ বানম ভারতের মেয়েদের কাবাডি। ওরে বাপ ইন্ডিয়ান মেয়েদের কি শরীল! একেকটা মৈনাক পর্বতের মত। বুঝলাম খবর আছে । বাঙালি মেয়েরা জাপটাইয়া ধইরা আটকাইতে পারেনা। বেইজ্জতি পুরাটা না দেখার আগেই ফুটলাম এখান থেকেও। গেলাম ফুটবল স্টেডিয়ামে। এইখানেও মেয়েদের খেলা
বাংলাদেশে বনাম পাকিস্তান। পকি মেয়েরা আবার ট্রাউজার পরে নামছে। হাফপ্যান্ট পড়লে মনে হয় ওদের দেশের মোল্লারা কল্লা ফালায় দিবে। বাঙালি মেয়েদের তুলনায় শরীরে স্বাস্থে বড়সর হলেও খেলায় লবডংকা। পাকিস্তানে মনে হয় মোল্লা তালেবানদের ভয়ে মাঠে নামতে পারেনা। ঘরের মধ্যেই বল নিয়া লাথ্থা লাথি করে। সারাক্ষণ আমাদের মেয়েদের পিছনে দৌড়াদৌড়ি করল। যদিও অযুত নিযুত গোলের সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ । গোল হয়েছে দি্যেছে মাত্র একটা। তারপরো খেলা দেখে বিস্তর আমোদ পাইলাম। কাবাডিতে যে অবস্থা দেখে আসছি!!
সকালে অনেকদিন পর ইটিভি ছাড়লাম। মাসুম ভাইয়ের খোমা। প্রথম আলো ও এবি'র শওকত হোসেন মাসুম। টকশো করে ভালোই মাল পকেট ভর্তি করছেন উনি। এবি'র পিকনিকের জন্য কিছু ডোনেশন বাফার রাখবেন আশাকরি।
বাহাত্তরের সংবিধানে ফিরে যাওয়া নিয়ে আলোচনার শুরুতে কিঞ্চিত টেনশনে ছিলাম, ধরি মাছ না ছুঁই পানি টাইপের কথা বলেন কীনা এই নিয়ে। তাইলে এই লেখায় ছিলে ফেলতাম দুলাভাইরে। আশংকা অমূলক। ভদ্রলোক ভদ্র ভাষায় ধর্মনিরপেক্ষতা, ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ কারা বিষয়ে যতটুকু বলা যায় ততটুকুই বলেছেন আইমিন পারফেক্ট। মাসুম ভাইরে ধন্যবাদ হিসাবে অতি উত্তম জাঝা।
সাইকেল প্রতিযোগিতায় কর্মকতার নিম্মমানের দুই নম্বরি নিয়ে হালকা বললেন। এই যে বাইরের দুনিয়ার সামনে নিজেদের লেংটা করে তুলে ধরা, এ নিয়া আসলে হৈহল্লা করার তেমন স্কোপ নাই। আমাদের জাতীয় চরিত্র ঐ দুজন সাইকেল ফেডারেশনের কর্মকর্তা আসলে জাস্ট তুলে ধরেছেন। আমরা এখন কোনো কিছু পরিশ্রম করে দক্ষতা অর্জন করে পাওয়ার কথা চিন্তাও করিনা। আমাদের লক্ষ্য এখন মুফতে লাভ। সেইটা পেতে যত রকমের দুই নম্বরি করে, নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে, নিজেরে উলঙ্গ করে যত নীচে নামায়া হোক আমারা করতে পারি।





আপনে খালি মেয়েদের ফুটবল কাবাডি এইসব খেলা দেখতে যান ক্যান? বিষয় কী? (চোখটিপি ইমো)
ছেলেদের ফুটবল কাবাডি মাইন্ষে দেখে !!!
আমিও তো তাই কই, কিন্তু আপনে একলা একলাই গেলেন? আমারে একটু কইতে তো পারতেন...
আমার প্রশ্ন হইল মেয়েদের সাথে ছেলেদের কুন খেলা নাই? সেইটা হইলে আমারেও নিয়েন।
আর টক শো নিয়া যা কইলেন তার ইমো হইবো



ইয়ে মানে এই পুস্টটা লেমিনেট কইরা রাখা যাইবো?
আপনে খেলোয়ার না দর্শক?
প্রতিপক্ষ কে সেইটার উপর নির্ভর করে।
এই পুস্ট স্টিকি করা হউক
মাসুম ভাই ক্রস জেন্ডার একশন লাইক করে। বাই দ্যা ওয়ে, আজকের টকশোর হোস্টও কিন্তু ছিল মেয়ে।
আমি কি কইছি লাইক করি না??

ও, মাসুম ভাই তাইলে টক শোতে খেলে? আমি ভাবছিলাম অন্যকিছু...
লাইভ খেলাধুলার মধ্যে আমি নাই
টক শোতে কি তাইলে অফ দ্য রেকর্ড খেলেন?
এর্পরে কি মাসুম ভাইয়ের নেট ডিসি খাইলো?
সেটাই ছেলেরা আবার খেলতে পারে নাকি ? পারেখালি টকশো করতে আর ব্লগাইতে
কাঁকন্দি কি ব্লগাইতে পারেন?
টুটলকে কালকে জিগাইলাম, রায়হান ভাইকে দেখি না কেন?বলে, ব্যন্ত।এখন বুঝলাম, কি নিয়া ব্যন্ত।মেয়েদের খেলা দেখতে স্টেডিয়াম চলে যায়। সকালে মাসুম ভাই এর টক শো দেখলাম।খুব ভালো লাগছে, ধরম ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা বিষয়ক কথা।
দেশের খেলোয়াড়দের উৎসাহ না দিলে ভালো খেলবে কেমনে?
হ। মহিলা খেলোয়ার বলে কথা
আরে মেয়েদের খেলাতে যদি দর্শক না থাকে তাইলে আমাদের খেলোয়াররা উৎসাহ পাবে কোত্থেকে?
রায়হান ভাইয়ের এই যে সহযোগীতা প্রদান নিশ্চয় এটা ঘড় থেকে শুরু হৈছে?
সকলের মধ্যে সহযোগীতার সেতু বন্ধন গড়ে উঠুক 
সর্বে সত্তা ভবন্তু সুখিতা।
সেইরম...
সত্যি, সাইক্লিংয়ের খবরটা পড়ে খুব খারাপ লেগেছিলো। ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টের জন্য।
হ্যা বস এইসব এত খারাপ লাগে!
মাসুম ভাইয়ের টকশোতে আসতে হইলে ওনারে কতো দিতে হবে? আমিতো অনেক টক করি সারাদিন, তাই এট্টু জিগাইলাম আর কী? ঃ)
আরেকটু প্র্যাকটিস করেন। আপনে মনে হয় দক্ষ টকার না । তাইলে উল্টা টকা দিতে চান কেন। মাসুম ভাইতো টক কৈরা ট্যাক ভর্তি করতেছেন।
সাইক্লিংয়ের সেইটা মনে করে মেজাজটা আবার গেল।
সেটাই
১. লেখা উমদা হইসে।
২. এর পরের সিরিজ কোনটা আসবে? (ইতোপূর্বে নারিকেল জিঞ্জিরা ১ম পর্বের পর আর আসে নাই)।
৩. মাসুমভাইয়ের টকশো ইউটিউবে দেখার কোন বন্দোবস্ত আছে? আছেন কোন সহৃদয় আপলোডার?
১. শুক্রিয়া
২.
মাসুম ভাইএর কি একটা জানি আছে। দিন দিন ইয়াং আর স্মার্ট হইতেছে। পরশ্রীকাতর লোক জন হুমায়ূন শাওন টাইপের কিছু একটা বলাবলি করতেছে।
জনতা শাওন এর নাম জান্তে চায়
শিওর না মানে ধারণা করতেছে যে লোকটার এই বয়সে হঠাৎ করে এত চেকনাই বাড়ছে কেমনে। তবে আমার মনে হয় এইসব ভিত্তিহীন। হিংসা কইরা লোকজন মাসুম ভাইয়ের মত সাধু সন্ত টাইপ ভদ্রলোকের নামে ঝুটা ইলজাম দেয়ার চেষ্টা করতেছে।
ঘটনা তাইলে এই। একটু দেখেন আরেকটু বিস্তারিত জানা যায় কিনা। আমরা কৃষ্ণপত্র (ব্ল্যাকমেইল) কইরা কিছু খানাখাদ্য বাগাইলাম
আমি মাসুম। আমার মাসুমীয়াত্ব দিন দিন খালি বাড়তাছে। এইটাই আসল রহস্য।
মাইয়াগো খেলা দেইখ্যা বেড়াইতেছেন! গুড, গুড!
উৎসাহ দিতেছি ।
ধরি মাছ না ছুঁই পানি টাইপের কথা বলেন কীনা এই নিয়ে........
হাসান ভাইয়ের বয়স বাড়তেছে বুঝা যায়। স্বভাব চেঞ্জাইতেছে।
মজাক পাইলাম। দেশিভাইদের উৎসাহ দেয়া খুবই ভালো কথা।
মন্তব্য করুন