ইউজার লগইন

আহসান হাবীব'এর ব্লগ

আস্তিক বা নাস্তিক

আমার অফিসের এক কলিগ সেদিন আমার চেম্বারে ঢুকে অনেকটা ফিস ফিসিয়ে বলল আপনি তো ব্লগ টগে লেখেন একটু সাবধানে থাকবেন যেমন চারদিকে ধর পাকড় আরম্ভ হইছে বলা তো যায় না। আমি তাকে আদর করে আমার সামনের চেয়ারে বসতে বললাম। কারন এ সময় তাদের কোন অবস্থায় চেতানো যাবে না। তার বিদ্যার দৌড় মাদ্রাসায় কয়েক বছর যাওয়া আসা। তাছাড়া আমি কার্য উদ্ধারের জন্য অনেকটা আলু স্বভাবের। যাকে যা মালিশ করলে কাজটা হবে তাকে তাই মালিশ করি। তবে তা কখনই নীতির বাইরে গিয়ে নয়। আমি তাকে বললাম আমি যদি ব্লগে লেখতে পারতাম তবে নিজেকে ধন্য মনে করতাম। তবে আমি বিভিন্ন বিষয়ে লিখি তা তো আপনারা জানেন, বিশেষ করে আপনি।
আমি যে কবিতা লিখি তা আপনি পড়েছেন, জি হাঁ
আমি যে গল্প লিখি তা আপনি পড়েছেন, জি, হাঁ,
আমি যে কয়েকটা গান লিখেছি পড়েছেন, জী,হাঁ

তাহলে বলুন তো এ লেখা গুলোই যদি আমি কোন ব্লগে লিখতাম তা হলে আপনার দৃষ্টিতে কি আমি নাস্তিক হয়ে যেতাম। না তা কেন?

হাওরের রাজা যে বাংলাদেশের রাজা

কালহ্যা রাইত থাইক্যাই আমার একটাই চিন্তা মাতাডার মইধ্যে ঘুরাঘুরি করতাছে, আমরার হাওরের রাজা যে বাংলাদেশের রাজা অইয়া গেছুন অহন আমগোর কি অইব। মাইনে আমাগোর সংসদের কিতা অইব। আমারে মিঠামাইনের মাইনষে পাইলে এমন পিডান ডাই না পিডাইব আড্ডি গোড্ডি খুইজ্যা পাওন মুশকিল অইব। এই ব্যডা তর বাড়ি অইছে গ্যা দিনাজপুর আর তুই বেডা এমন কইরা কইলি মনে অয় হের বাড়ি তোর দেশে। আর হারা দেশের পাবলিকে তো পাইলে হাটের মাইরের মতন আন্ধা গোন্ধা মাইর লাগাইব আর কঈব যে, অত গুলা মাইনষের রক্ত আর কত মা বইনের ইজ্জতের দাম দ্যায়া যে সংসদ আমরা আনছি হেইডারে লইয়া তুমি মশকরা কর। কি অইব মানে?
আমি তো রাজনীতি করি না আর এর জন্য যে মেধার দরকার তাও আমার নাই। তবু সময় পেলেই মাঝে মাঝে সংসদ অধিবেশনের চলতি বিবরণী দেখতাম। ঊনার মত মানুষের গুনের বিষয়ে একটি বর্ণ লেখা বা ঊচ্চারন করা আমার পক্ষে শুধু অসম্ভবেই না রিতিমত অন্যায়। শুধু বলব সংসদ অধিবেশন দেখেই ঊনার প্রতি আমার আশক্তি বা দুর্বলতা বলেন এমন পর্যায়ে পৌছে গিয়েছে যে বিরুধী দলের কেঊ যখন ঊনাকে বাজে কথা বলত তখন অন্তরে খুব ব্যথা পেতাম।

পিকাসোর নায়ীকারা ও একজন সজিব মাহফুজ।

তোমার লেখা প্রথম কবিতা পড়ে
মুগ্ধ, অভিভুত হয়েছিলাম।
তাও খুঁত বের করে টক জাল মিষ্টি নয়
ভীষন তিতা মন্তব্য করেছিলাম।
প্রস্তুতি নিয়েছিলাম আসন্ন আক্রমনের
কিন্তু না তুমি এলে যা ভেবেছিলাম তার
ঊল্টোটা নিয়ে,
হয়ে গেলাম তোমার লেখার অন্ধ ভক্ত।
গোগ্রাসে পড়তাম তোমার কবিতা
তোমার লেখা পিকাসোর নায়িকারা পড়তাম আর ভাবতাম
নিজের মত করে, নিজের নায়িকাদের মত করে ভাবতাম।
কি আশ্চর্য তোমার কবিতায় তুমি যে Photo caption গুলো দিতে
ঘুমের আড়ালে তারা হুবহু আমার কাছে আসত।
আমি কত দেশ মহাদেশ, কল্পনার সকল স্থানে
তাদের নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছি।
কিন্তু তুমি কোথায়?
কোথায় হারিয়ে গেলে তুমি
আমি তোমায় অনেক খুজেছি
অমিয় রহমান,পিয়াল, অনিমেষ রহমান
আর কত জনকে পুঁছেছি।
কেউ তোমার কথা বলল না।
আমি তো তোমাকে চিনতেও পাড়ব না।
তোমার ছবিটা তো ছবি ছিল না।
ছিল একটা camouflage বা ছদ্মবেশ।
আমি তোমাকে বহুবার বলেছি
যার লেখা এত সুন্দর সে কেন ছদ্মবেশ ধারন করবে।
নাকি খ্যাতির বিড়ম্বনা, হতে বাঁচার জন্য।
তুমি শুধু চুপ থাকতে।
জান, সজীব, তুমি আমাকে ভাঈয়া বলতে,
আমার কানে আজও সে আওয়াজ ভেশে আসে।