ইউজার লগইন
ব্লগ
স্মৃতির পহেলা বৈশাখ (২).....আরুলপারুল দুগ্গাবোন / নজরুল ইসলাম
আরুলপারুল দুগ্গাবোন
নজরুল ইসলাম
এক অসহায় মা সাহায্য চাই
আমি সাহায্য চাই। আমি আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব সহজ ভাবে আমার সমস্যার কথা বলছি। আমার চৌদ্দ বছরের মেয়েকে নিয়ে সমস্যা। অত্যান্ত মেধাবী মেয়ে আমার। ক্লাশ ফাইবে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। তাই বলে ভাববার কোন অবকাশ নেই যে তাকে তার অভিভাবকেরা ফার্স্ট হবার জন্য শুধু পড়িয়েছে। সে জন্মগত ভাবেই মেধাবী এবং অত্যান্ত সুন্দর পারিবারিক পরিবেশে বসবাসকারী। এদেশের তথাকথিত শিক্ষিত হবার দৌড়ে তার বাবা মা পাল্লা দেন নি। এ
ঘটনে-অঘটনে চট্টলা
১.
চট্টলার প্রথম ভ্রমণটারে অঘটন বলা যায়...নাকি ঘটন?
আমি আর মামুর ব্যাটা এক সন্ধ্যায় বসে আজাইরা ঝিমাচ্ছিলাম। হঠাৎ মনে হলো,- চল চট্টগ্রাম যাই, ভাবীরে নিয়া আসি। ভাবী পড়তেন চট্টগ্রাম ইউনিতে, ভাইয়ের পোস্টিং ঢাকায়। বৃহস্পতিবারের দিকে ভাবী ঢাকায় আসতো। তো আমরা ভাবলাম যে আমরাই গিয়ে নিয়ে আসি। মধ্যে দিয়ে চট্টলা ঘুরা হয়ে যাবে। মাথায় প্ল্যান আসার দশ মিনিটের মাথায় ফাইনাল করে ফেললাম। এবার যার বৌকে আনতে যাব, তার কাছে গেলাম। ভাই বললো, "ভাবীরে আনতে যাবি যা, আমারে জিগায়া তো প্ল্যান করস নাই!" আমাদের সামনে গা-ছাড়া ভাব ধরছে আর কি!
হু কেয়ারস! রাতের বাসে চড়ে বসলাম, সূর্য উঠতে না উঠতেই চট্টলা।
mithun chakma, conveinor, democratic youth forum, member UPDF central commitee
কথা বাড়ি-২(একটি চিঠি )
প্রিয় সাবিহা,
দিন ফুরায়না..
সত্যি বলছি দিন ফুরায়না..
কথা বাড়ি আজ DREAM,
কিন্তু আমার স্বপ্নেরা খেলেনা....।
তুমি চলে গিয়েছ.।
ভালোই হয়েছে.. তোমার আদরের ছেলের কান্ড যদি দেখতে
না সাবিহা তুমি আসলেই আদরে ওর মাথাটা খেয়েছ,
কাল বললাম বাবারে এই বাসায় আমার ভালো লাগেনা-আমি বরং বাড়িতে চলে যাই।
শব্দ চাই
একটা সিরিজ করবার ইচ্ছে আছে প্রাচীন চীনা ধর্ম Taoism নিয়ে। Taoism ঠিক প্রচলিত অর্থে ধর্ম নয়; ধর্মের অনুশাসনের চেয়ে দার্শনিকতা এর মধ্যে বেশি। বিভিন্ন কাহিনী ও রূপকের মধ্যে দিয়ে জীবনের গূঢ় সত্য তুলে ধরা হয়েছে বিভিন্ন Taoist বাণীতে। কখনো তা বিমূর্ত, আবার কখনো তা চমকে দেবার মতো। আর এর অধিকাংশই চিরায়ত... আবেদন আজও অটুট।
আড্ডা+ খাড্ডা
বহুদিন পার হয়ে গেলো ব্লগের পাতায় গোটা গোটা অক্ষরে ছাপানো নামের মানুষগলোর সাথে বাস্তবে দেখা হয় না, জম্পেশ আড্ডা হয় না। আজ ব্লগের ব্যানারে বন্ধুত্বের জয়গান দেখে মন ভরে গেলো। এর মধ্যে আবার বীর(!) চট্রলাবাসীর খাড্ডার ছবি দেখে ব্যাপক হিংসিত হয়েছি আমরা। আমরাও পারি আড্ডার সাথে খাড্ডাইতে। আমাদের আড্ডায় যোগ দেয়ার জন্য কমলা রংয়ের জার্সি পরে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলেছিলো যে দল, সেই দেশ থেকে আসবেন ব্লগার (ফটুকগ্রা
হেথাক তুকে মানাইছে নারে, ইক্কেবারে মানাইছে নারে...(শেষ পর্ব)
এক.
সরকার/প্রশাসন কি যথেষ্ট সচেতন?
দু'চারদিন আগে বাসায় ফোন করে এমন একটা ব্যাপার জানলাম যে অনেকক্ষণ বাকরুদ্ধ হয়েছিলাম। আমার বাবা-মা'র পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা হয়েছিলো। সেখানে যা আচরণ করা হলো সেটাই এই লেখার বিষয়বস্তু। তবে সেই প্রসঙ্গে যাবার আগে বাবার কিছু বর্ণনা না দিলেই নয়।
আজিরা দিনপঞ্জী... ৭
তেমন কোন কারণ নেই, তারপরেও আমি প্রায় প্রতিদিনই রাত এগারটা কি বারোটার দিকে অফিস থেকে বেরুই... অফিসে কেউ থাকেনা আরো অনেক আগে থেকেই। বিশাল ফুটবল মাঠ মার্কা অফিস স্পেসে আমি ফুল ভ্যলুমে গান শুনি, নিজেও চেঁচিয়ে সুরে-বেসুরে গান গাই, কখনো সখনো মন চাইলে এক দুই পাক নেচেও নেই। বারোটার শেষ বাসের জন্য যখন দাঁড়িয়ে থাকি, নিশীথ সূর্যের এই দেশে তার খানিক আগ থেকে মাত্তর রাতটা শুরু হয়... সন্ধ্যের নীলাভ ছায়া আকাশের অন্ধকারে কোথায় যেন মিশে থাকে তখনো। চাইলেই পারি, কিন্তু আমার কেন জানিনা কখনো বাসের টাইমটেবল দেখে বেরুতে মন চায়না। অপ্রয়োজনে এইটুকু সময় নষ্ট করার বিলাসিতা আমি বেশ আরামেই উপভোগ করি। আর বেশিরভাগ দিনই তাই কমের পক্ষে মিনিট দশেক বাস স্টপে দাঁড়িয়ে থাকা লাগে। বাসে যখন উঠি, আর কেউই প্রায় থাকেনা তখন... বাস ড্রাইভাররা কেউ ক্লান্ত মাথা নাড়িয়ে নড করে, কেউ হাই বলে...
অসংলগ্ন
কানাই ঘটক তার অস্থিসার পিঠটাকে টিনের মতো দেয়াল বা দেয়ালের মতো টিনের সাথে ঠেকিয়ে একটু ঝিমিয়ে নিচ্ছিলো। পায়ের সামনে লাঠিটাকে আড়াআড়ি করে রেখে নিয়েছিলো যাতে কুকুর এবং অন্যান্য নাগরিক পশুরা হুমড়ি খাবার আগে, একটু হলেও বিভ্রান্ত হয়।
হেথাক তুকে মানাইছে নারে, ইক্কেবারে মানাইছে নারে...(৪)
এক.
শুধই ফলফলাদি
মৌসুমি ফল অনেক উপকারী, এর উপকারিতা অনেক, স্বাদও। মৌসুমী ফলের উপকারীতা জানার শখ থাকলে পড়ে নিন এই লেখাটা । সাধারনত মৌসুমি ফল বলতে আম, জাম, কাঠাঁলের কথাই প্রথমে এসে যায়। এতো মজার ফল কিন্তু তাদের স্বাদ সারা বছর পাওয়া সম্ভব না। যারা দেশের বাইরে থাকেন তাদের আত্নীয়দের প্রায়ই বলতে শোনা যায়, “আহারে, ছেলে/মেয়ে টা এগুলো খেতে খু
একটি উপন্যাসের গল্প
অন্তু অনেক ক্ষন ধরে দাঁড়িয়ে আছে ফুটপাতের পাশের রেলিঙে হেলান দিয়ে।
সামনে দিয়ে অজস্র লোক আসা যাওয়া করছে কেউ দ্রুত পায়ে কেউ আস্তে ধীরে, ভীড় সামলে । সবারই প্রচন্ড তাড়া, সবারই বাসায় যেতে হবে কিংবা কর্মস্থলে কিংবা যার কোথাও যাবার যায়গা নেই তাকেও হয়তো যেতে হবে নতুন করে বানিয়ে নেয়া ঠিকানায়।