ইউজার লগইন
ব্লগ
হেথাক তুকে মানাইছে নারে, ইক্কেবারে মানাইছে নারে...
এক.
চন্দ্রালোকের ছায়া- ১ (ব্যানানা ইয়োশিমোতো)
![Eureka7_movie[1].png](/sites/default/files/users/anamika/Eureka7_movie%5B1%5D.png)
হিতোশি যখন যেখানেই যাক না কেন, আমার দেওয়া ছোট্ট ঘন্টাটা সব সময়ই ওর কাছেই থাকতো মানে ওর ওয়ালেটেই রাখা থকত । এই ছোট্ট তুচ্ছ জিনিষটা আমি ওকে দিয়েছিলাম, আমাদের সম্পর্কটা হবার আগে।
ছোট্ট ঘন্টাটা শেষ পর্যন্ত হিতোশির সঙ্গে থাকবে, এটাই যেন ওর নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
আমরা দুজন এক ক্লাসে পড়লেও, আমাদের সেকশন ছিল আলাদ.। আমাদের দেখা বা কথাবার্তা হত খুব কম।
আমি প্রথম ওকে ভালো করে দেখি, আমাদের "শিক্ষাসফর পরিচালনা" কমিটিতে। ঐ কমিটিতে অনেকের সাথে আমরা দুজন এক সঙ্গে কাজ করেছিলাম। এছাড়া আমাদের কখনই বিশেষ কথা এবং দেখা হয়নি।
অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী
যথারীতি হাতে আজাইরা সময় থাকলে যা হয়...মেহেদী হকের টিউটোরিয়াল দেখে কাকের ঠ্যাং বকের ঠ্যাং এঁকে ফেললাম। অবশ্য উনার মতো স্পেসিফিক পেন্সিল-রাবার, কলম-দোয়াত, স্ক্যানার এতো ব্যবস্থা করতে পারি নাই। ৫৳ এর পেন্সিল, ৫৳ এর ইরেজার, ১৫৳ এর জেল কলম, আর মান্ধাতার আমলের বোগাস সনি সাইবারশট দিয়ে কাজ সারলাম। ছবিতে কোথায় লাইট হবে আর কোথায় শেড হবে তা অবশ্য এখনো বুঝতেছি না। না বুঝাটাই স্বাভাবিক, বুঝলে তো বহুত আগেই আর্টিস্ট হয়ে যেতাম! যাই হোক...নতুন একটা শখ আর কি! অঙ্কুরেই মরে যাবে হয়তো।
সংস্কারবিহীন জনির সংস্কার
মসজিদের মোয়াজ্জেমের ছেলে হয়ে আশরাফ সাহেব যখন লেখাপড়া শিখে নাস্তিক আর্মি অফিসারের ছোটো মেয়েকে বিয়ে করে গ্রামের বাড়ির সম্পর্ক ছেড়ে শহরে এসে স্যুটেড বুটেড হয়ে উঠলেন, তখনই অনেকেই বুঝে নিলো, এই পরিবারের ছেলেদের মাঝে, জগৎ এর প্রচলিত নিয়ম কানুনের প্রতি আকর্ষন কমই হবে।
ডাইরী ১১৩
তবে পাহাড়েই যাই; পাহাড়ের কাছে প্রশ্ন রাখি, কোনক্ষণে পাহাড়েও নামে ধ্বস, কোনক্ষণে টলে গেছে পাহাড়ের ভিত?
এক.
কোন একদিন সমতল বলে কোন ভূমি ছিলো না হেথায় এমন বিশ্বাসে সাজিয়েছি চিন্তার রাশিমালা। পাহাড়ও টলেছে এমন আনন্দ বুকে নিয়ে ভেবেছি...কোন একক্ষণে নিমেষ ফুরাবার আগেই পাহাড় নিঃশেষ হবে।
অস্থির মানব জীবন জায়েজ হলো তবে...
এই নগরের প্রেসক্লাবে যেতে চেয়েছিলেন কোটালীপাড়ার নির্মল সেন...
সূর্য সেনের সহযোগী, আপসহীন সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা, সারা জীবন মানুষের জন্য কাজ করে যাওয়া বাম রাজনীতিবিদ নির্মল সেন। কৃষক-শ্রমিক সমাজবাদী দলের প্রধান এ মানুষটির সাংবাদিকতার জীবন শুরু হয় ইত্তেফাকের সহকারী সম্পাদক হিসেবে। ১৯৬৪ সালে দৈনিক পাকিস্তানে যোগ দেন তিনি। দৈনিক পাকিস্তানের নাম একসময় হয়ে যায় দৈনিক বাংলা। সহকারী সম্পাদক নির্মল সেন। উপসম্পাদকীয় লিখতেন অনিকেত নামে। ১৯৭৪ সালে তাঁর আলোচিত উপসম্পাদকীয়
বেড়াল এবং কাঁকড়া পূরাণ
ব্যাপক তত্ত্ব-তালাশের পরে একটা বিষয় জেনে মনটা একটু শান্ত হলো। অস্ট্রেলিয়ান সরকার অন্তত একটা ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানুষদের কুকুর-বিড়ালের চাইতে বেশিই মর্যাদা দেয়। সেটা হলো বাংলাদেশে শিক্ষিত, শান্তিপ্রিয়, ভদ্দরলুকদের জন্য বিস্তর কাটখড় পোড়ানোর পরে অস্ট্রেলিয়ায় ঘাঁটি গাঁড়ার সুযোগ থাকলেও, বাংলাদেশী কুকুর-বিড়ালদের জন্য সেই সুযোগ একেবারেই নাই, বেচারিরা এক্কেবারে অচ্ছুৎ সেই সব পেয়েছির দেশে। গত কিছুদিন যাবৎ
সরকারের নীতিমালাঃ মানুষের সততা।
প্রতিটি বিষয়ে সরকারের কিছু নীতিমালা বা সিদান্ত থাকে। সে নীতিমালার আলোকে সরকার পরিচালিত হয়। আর নীতিমালা গুলো বানানো হয় সে দেশের মানুষ কে সামনে রেখে। অর্থাৎ মানুষের মঙ্গলের জন্য অথবা মানুষকে সুষ্ট ভাবে পরিচালিত করার জন্যই এসব নীতিমালার প্রযোজন। সরকার যখন একটি নীতিমালা বানান তখন তার পিছনে অনেক গবেষনা থাকে, কি লাভ, কি ক্ষতি হতে পারে তার সবই চুল চোরা বিশ্লষন থাকে। এত সব কিছু পাশ করে তবেই একটি নীতিমা
আব্দুল কাদের মোল্লা আর কামরুজ্জামান গ্রেপ্তার
রাজাকার কামরুজ্জামান আর আব্দুল কাদের মোল্লা গ্রেপ্তার। মুক্তিযুদ্ধকালে গণহত্যার অভিযোগে পল্লবী থানায় দায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ডিবি অফিসে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
এর আগে গ্রেপ্তার হয়েছে শীর্ষ তিন যুদ্ধাপরাধী মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুজাহিদ আর দেলোয়ার হোসেন সাঈদী।
সিগারেট
অন্ধকার রাত। সবাই বিড়ালের পায়ে হেঁটে যাচ্ছে। দলবেঁধে। দলে কতজন লোক তা কেউ বলতে পারবে না। কেউ কাউকে চেনেও না। অন্তত, আগে থেকে চিনতো না। এখন চেনে। সবার একটাই পরিচয় এখন। তাড়া খাওয়া মানুষ।
সবাই পালাচ্ছে। যে যে দিকে পারে। অন্ধকারে, নিজের ছায়া লুকিয়ে।
তবে কেউ এখন আর অন্ধকারকে ভয় পায় না। তাদের ভয় দিনের আলো। আরো নির্দিষ্ট করে বললে, মানুষকে।
এবি ফ্যান্টাসী কাপ: শেষরাতের মারে চ্যাম্পিয়ন হলো এবি রাইডার্স!!!!
মাঝপথে উত্তেজনা হারিয়ে ফেললেও শেষমেষ বেশ জমজমাট হয়ে উঠেছিলো ফ্যান্টাসী কাপ। পুরো টুর্ণামেন্ট জুড়ে চালকের আসনে থাকা সাহাদাত ভাইয়ের আখাউড়া এক্সপ্রেসকে শেষরাতে ওস্তাদী মাইর দেখিয়ে হারিয়ে দিয়েছে মীর ভাইয়ের দল "এবি রাইডার্স"!!!
থ্রি চিয়ার্স ফর এবি রাইডার্স
আখাউড়া এক্সপ্রেসকেও অভিনন্দন (হল্যান্ডের খেলোয়াড়দের অনুভূতি উদরাজী ভাইয়ের চেয়ে বেশী এখণ আর কে বুঝবে?
)
“অক্রোধেন জয়েৎ ক্রোধম”
"রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন" হরহামেশাই শোনা যায় কথাটা। রেগে যাবার সময় কতোটাই বা মনে রাখতে পারি এই হেরে যাওয়াকে। ক্ষণিকের একটা অনুভূতি সারাজীবনের বড় বড় কতো ভবিষ্যত অনুভবগুলোর সাথে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িয়ে যায় বুঝেই উঠতে পারিনা। একটা "রাগ" মুছে দিয়ে যায়, সারাজীবনের স্বপ্ন, অনুরাগ, আশা, সব কিছুকে।
কুফা কাল ও সুপারী নেওয়া বিষয়ক ঘোষনা
"একটি বিশেষ ঘোষনা!!"
"আমার বর্তমানের কুফা কালের যথাযোগ্য ব্যবহারের উদ্দেশ্যে আপনার অপছন্দীয় পাত্র/পাত্রীকে যে কোন প্রতিযোগীতায় হারানোর সুপারী নেয়া হচ্ছে। ১০০% নিশ্চয়তাসহ। বিফলতা সেলিব্রেট করা হবে।"
অমল ধবল চাকরি
আমি একটা পত্রিকায় লেখতাম। একদিন তারা জানাইলো আমারে তারা চাকরি দিতে চায়। চাকরির কাগজপত্র রেডি, আমি যোগদান করি যেন।
আমি করলাম না।
তখনো পর্যন্ত একটাই সিদ্ধান্ত, চাকর হইতে রাজী না।
