ইউজার লগইন
ব্লগ
ঃপল - The Octopus এর গণনার বহুমুখী ব্যবহারঃ - আপনাদের বুদ্ধি চাই।
এবারের বিশ্বকাপে পল - The Octopus কে গোল্ডের বুট দেয়া উচিত ছিল, এমন নির্ভুল গণনার জন্য ।
বেচারা যা কইছে তাই লাগছে। ঝড়ে বক পড়লেও এরকম ভাবে তো আর পড়ে না তাই পল কে আমাদের গণক ঠাকুর কইতেই হয়।
পল কে ইতঃমধ্যে খেয়ে ফেলার , মেরে ফেলার ছেড়ে দেয়ার হুমকী আইছে। খুবই খারাপ কথা। শুনে খুবই খারাপ লাগলো আমার।
আমরা বন্ধুর আয়োজনে চট্টগ্রামে ব্লগারদের সমাবেশ
আমরা বন্ধুসহ বাংলা ব্লগের ব্লগাররা ছড়িয়ে আছেন পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে। নিত্যনতুন বন্ধুদের সঙ্গে ব্লগের পাতায় পরিচিতি, মত বিনিময়, আলোচনা। কতো সম্বোধন, হাসিঠাট্টা, অম্লমধুর মিথস্ক্রিয়া। নিক-পিকের ভার্চুয়ালিটি ছাড়িয়ে কাছাকাছি মানসপ্রবাহের ব্লগারদের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠা।
আজিরা দিনপঞ্জী... ৬
''আমি তো অচিনপুর, তেরো নদী সমুদ্দূর দূরে, ভেবেছি জানবে না লোক, আমাকে ছোঁবে না শোক... ভেবে নেবো কেউ কোথাও রোদ্দূরে হাসছিলো।'
চন্দ্রালোকের ছায়া-২
![SadCryingAnimeGirl[1].jpg](/sites/default/files/users/anamika/SadCryingAnimeGirl%5B1%5D.jpg)
আমার মতে, একজন প্রেমিকের পাওয়া উচিত দীর্ঘজীবন। আমি যখন হিতোশিকে হারালাম, তখন আমি ২০। ওকে হারিয়ে এতটা কষ্ট পাব, কখনই বুঝতে পারিনি। আমার মনে হচ্ছিল, যেন ওর জীবন নয়, থেমে গেছে আমার জীবন।
যে রাতে হিতোশি মারা গেল, মনে হল এ মৃত্যু যেন আমার। আমি নিজেকে হারিয়ে ফেল্লাম। যেন আমার প্রাণ পাখিটা উড়ে গেল শূন্যে চিরতরে।
দিনগুলো কাটছিল, যেন আমি মরে বেঁচে আছি। সব কিছু ছিল বিষন্ন আর অর্থহীন।
অভ্র জনক মেহ্দি হাসান খান ও নাজমুন কে অভিনন্দন।
কিছুদিন আগে আমাদের প্রিয় ভাই অভ্র জনক মেহ্দি হাসান খান বিবাহ করেছেন। আমি অধির আগ্রহে আপেক্ষা করছিলাম আমরা বন্ধুতে আমাদের নজু ভাই এ বিষয়ে একটা আপডেট দিবেন, বিয়েতে তিনি হেভী পোজ দিয়ে ছবিও তুলেছেন এবং ভাল খেয়েছে! কিন্তু না, দেখছি না। বিয়ে খেয়ে মনে হয়, আমাদের ভুলে গেছেন!

হেথাক তুকে মানাইছে নারে, ইক্কেবারে মানাইছে নারে...
এক.
চন্দ্রালোকের ছায়া- ১ (ব্যানানা ইয়োশিমোতো)
![Eureka7_movie[1].png](/sites/default/files/users/anamika/Eureka7_movie%5B1%5D.png)
হিতোশি যখন যেখানেই যাক না কেন, আমার দেওয়া ছোট্ট ঘন্টাটা সব সময়ই ওর কাছেই থাকতো মানে ওর ওয়ালেটেই রাখা থকত । এই ছোট্ট তুচ্ছ জিনিষটা আমি ওকে দিয়েছিলাম, আমাদের সম্পর্কটা হবার আগে।
ছোট্ট ঘন্টাটা শেষ পর্যন্ত হিতোশির সঙ্গে থাকবে, এটাই যেন ওর নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
আমরা দুজন এক ক্লাসে পড়লেও, আমাদের সেকশন ছিল আলাদ.। আমাদের দেখা বা কথাবার্তা হত খুব কম।
আমি প্রথম ওকে ভালো করে দেখি, আমাদের "শিক্ষাসফর পরিচালনা" কমিটিতে। ঐ কমিটিতে অনেকের সাথে আমরা দুজন এক সঙ্গে কাজ করেছিলাম। এছাড়া আমাদের কখনই বিশেষ কথা এবং দেখা হয়নি।
অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী
যথারীতি হাতে আজাইরা সময় থাকলে যা হয়...মেহেদী হকের টিউটোরিয়াল দেখে কাকের ঠ্যাং বকের ঠ্যাং এঁকে ফেললাম। অবশ্য উনার মতো স্পেসিফিক পেন্সিল-রাবার, কলম-দোয়াত, স্ক্যানার এতো ব্যবস্থা করতে পারি নাই। ৫৳ এর পেন্সিল, ৫৳ এর ইরেজার, ১৫৳ এর জেল কলম, আর মান্ধাতার আমলের বোগাস সনি সাইবারশট দিয়ে কাজ সারলাম। ছবিতে কোথায় লাইট হবে আর কোথায় শেড হবে তা অবশ্য এখনো বুঝতেছি না। না বুঝাটাই স্বাভাবিক, বুঝলে তো বহুত আগেই আর্টিস্ট হয়ে যেতাম! যাই হোক...নতুন একটা শখ আর কি! অঙ্কুরেই মরে যাবে হয়তো।
সংস্কারবিহীন জনির সংস্কার
মসজিদের মোয়াজ্জেমের ছেলে হয়ে আশরাফ সাহেব যখন লেখাপড়া শিখে নাস্তিক আর্মি অফিসারের ছোটো মেয়েকে বিয়ে করে গ্রামের বাড়ির সম্পর্ক ছেড়ে শহরে এসে স্যুটেড বুটেড হয়ে উঠলেন, তখনই অনেকেই বুঝে নিলো, এই পরিবারের ছেলেদের মাঝে, জগৎ এর প্রচলিত নিয়ম কানুনের প্রতি আকর্ষন কমই হবে।
ডাইরী ১১৩
তবে পাহাড়েই যাই; পাহাড়ের কাছে প্রশ্ন রাখি, কোনক্ষণে পাহাড়েও নামে ধ্বস, কোনক্ষণে টলে গেছে পাহাড়ের ভিত?
এক.
কোন একদিন সমতল বলে কোন ভূমি ছিলো না হেথায় এমন বিশ্বাসে সাজিয়েছি চিন্তার রাশিমালা। পাহাড়ও টলেছে এমন আনন্দ বুকে নিয়ে ভেবেছি...কোন একক্ষণে নিমেষ ফুরাবার আগেই পাহাড় নিঃশেষ হবে।
অস্থির মানব জীবন জায়েজ হলো তবে...
এই নগরের প্রেসক্লাবে যেতে চেয়েছিলেন কোটালীপাড়ার নির্মল সেন...
সূর্য সেনের সহযোগী, আপসহীন সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা, সারা জীবন মানুষের জন্য কাজ করে যাওয়া বাম রাজনীতিবিদ নির্মল সেন। কৃষক-শ্রমিক সমাজবাদী দলের প্রধান এ মানুষটির সাংবাদিকতার জীবন শুরু হয় ইত্তেফাকের সহকারী সম্পাদক হিসেবে। ১৯৬৪ সালে দৈনিক পাকিস্তানে যোগ দেন তিনি। দৈনিক পাকিস্তানের নাম একসময় হয়ে যায় দৈনিক বাংলা। সহকারী সম্পাদক নির্মল সেন। উপসম্পাদকীয় লিখতেন অনিকেত নামে। ১৯৭৪ সালে তাঁর আলোচিত উপসম্পাদকীয়
বেড়াল এবং কাঁকড়া পূরাণ
ব্যাপক তত্ত্ব-তালাশের পরে একটা বিষয় জেনে মনটা একটু শান্ত হলো। অস্ট্রেলিয়ান সরকার অন্তত একটা ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানুষদের কুকুর-বিড়ালের চাইতে বেশিই মর্যাদা দেয়। সেটা হলো বাংলাদেশে শিক্ষিত, শান্তিপ্রিয়, ভদ্দরলুকদের জন্য বিস্তর কাটখড় পোড়ানোর পরে অস্ট্রেলিয়ায় ঘাঁটি গাঁড়ার সুযোগ থাকলেও, বাংলাদেশী কুকুর-বিড়ালদের জন্য সেই সুযোগ একেবারেই নাই, বেচারিরা এক্কেবারে অচ্ছুৎ সেই সব পেয়েছির দেশে। গত কিছুদিন যাবৎ
সরকারের নীতিমালাঃ মানুষের সততা।
প্রতিটি বিষয়ে সরকারের কিছু নীতিমালা বা সিদান্ত থাকে। সে নীতিমালার আলোকে সরকার পরিচালিত হয়। আর নীতিমালা গুলো বানানো হয় সে দেশের মানুষ কে সামনে রেখে। অর্থাৎ মানুষের মঙ্গলের জন্য অথবা মানুষকে সুষ্ট ভাবে পরিচালিত করার জন্যই এসব নীতিমালার প্রযোজন। সরকার যখন একটি নীতিমালা বানান তখন তার পিছনে অনেক গবেষনা থাকে, কি লাভ, কি ক্ষতি হতে পারে তার সবই চুল চোরা বিশ্লষন থাকে। এত সব কিছু পাশ করে তবেই একটি নীতিমা
আব্দুল কাদের মোল্লা আর কামরুজ্জামান গ্রেপ্তার
রাজাকার কামরুজ্জামান আর আব্দুল কাদের মোল্লা গ্রেপ্তার। মুক্তিযুদ্ধকালে গণহত্যার অভিযোগে পল্লবী থানায় দায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ডিবি অফিসে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
এর আগে গ্রেপ্তার হয়েছে শীর্ষ তিন যুদ্ধাপরাধী মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুজাহিদ আর দেলোয়ার হোসেন সাঈদী।
