ইউজার লগইন
ব্লগ
ভেতর-বাহির (চতুর্দশ পর্ব)
ভেতর বাহির উভয়ের আলোড়ন চিরতরের। আবহানমান কালের সে আলোড়ন আমার। পঁচে ও না ভেতরবাহির এত এত পঁচার এই জাগতিক মহামূল্যবান টানেলে জীবনটাকে এগিয়ে নেয়ার পরও। তাই জমে যাওয়া ক্ষোভ আর স্মৃতি আর অভিজ্ঞতা বারবার নিষপেশিত করে। দুলাইন লেখার এ ব্লগ যাত্রা তখন স্বার্থকতা দেয়।
জাতীয় সংগীত - ছি! ছি! ব্যবসা পণ্য।
কষ্ট হলে পোষ্ট দেই-- (ক্ষতিপূরণ দেন)-১
গত পরশু থেকে মনটা ভয়াবহ খারাপ। এক জুনিয়র বন্ধু ভীষন সংকটে ছিলেন। তারা ব্যপারটা আর কাউরে জানাতে চাননি। শুধু এই অধমরে মনে করেছেন। পরশু দিন সারাদিন একটানা হাসপাতালে কাটি্যে, মধ্য রাতে ক্লান্ত হয়ে ফিরলাম। আমি হাসপাতালে ভাব ধরে ছিলাম, একটুও কষ্ট পাচ্ছিনা। কর্তা প্রমিজ করে পাঠিয়েছিল যেন শক্ত থাকি---
বাসায় এসে আর পারলাম না। আমার ভগ্ন-হ্রদয় দেখে, কর্তা গতরাতে ঠিক করলেন, একটু বাইরে খাওয়াবেন। বেরুবার মুখেই পড়ে গেলাম অতি উতসাহী একজন বাঙগালীর সম্মুখে।
ফ্রী থাকলে যার কাজ হল, সবাইরে জিঞ্জাসা করা--'কৈ যাও? কৈ থেকে আস? কি বাজার করলা দেখি?' ভিনদেশীরাও রক্ষা পান না।
যথারীতি পড়লাম, প্রশ্নের মুখে- 'আমার বলতে ইচ্ছা করছিল না। তাই বল্লাম, দেখি কর্তা কোথায় নিয়ে যায়--'
ব্যস! একগাদা কথা শুনি্যে দিল। তাতে তার সমগোত্রীয় আরো দু একজন যোগ দিলেন।
দু একজন আমাকে উদ্ধারে এগিয়ে এলেন।
ঝরাপাতার সময়ে মুদ্রিত
পৃথিবীর সকল নিয়মকে পাপোষ করে আয় শুধু ভালোবাসার কাছে করি আপোষ। অন্তত একবার আয় হারিয়ে যাই বিজন সান্দ্রে। পাতায় পাতায় মুদ্রিত হোক আরো এক গল্পের মহিমা। সবুজে সমাহিত হয়ে যাক পুরান কেচ্ছাগুলো...
গান গল্প- ১ [চাঁদের ঐ আলো হয়ে আসো মোর ভাঙ্গা ঘরে..]
এমন একটা সময় ছিল, যখন খুব করে তোমার সান্নিধ্য পেতে চাইতাম। এখনও চাই, হয়ত। কিন্তু, তোমার কাছে পাত্তা পাই না। তোমার সময় হয় না, তুমি সারাদিন ব্যস্ত থাকো। আগের কাজগুলো থেকে মুক্তি পেয়েও তোমার ব্যস্ততা কমেনি, বরং আমাকে আগে যে সময়টুকু দিতে, সেখানেও এখন অনেক ভাগিদার। তুমি এখন কত বড়, কত বিস্তৃত তোমার পরিধি।
ঘোর শ্রাবণে পৌষ মাস, আয়লা-এষার ছয় মাস
দেখতে দেখতে ছয় মাস হয়ে গেল! হ্যাঁ ভাই, আয়লা আর এষার আজকে হাফ জন্মদিন। অর্ধ দিবস হরতালের মতো, বা জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার মতো উপলক্ষ নয়, ছোট্ট পরীদের মুখের স্বর্গীয় হাসি এবং অনাবিল আনন্দের আভা বন্ধুদের সাথে ভাগ করে নেয়ার এখনই সময়।
শিরোনামহীন।
ঝিঝি পোঁকার বিরামহীন ডেকে চলা , মাঝে মাঝে তা ছাঁপিয়ে সুপারির পাতায় হুমড়ী খেয়ে পড়া বাতাসের সাথে সুপারির পাতার ধস্তাধস্তির শব্দ। সেই বাতাসের কিছু অংশ মাঝে মাঝে পথ ভুলে ঢুকে পড়ছে জানালার ভিতরে, বের হবার পথ না পেয়ে আবার ফিরে যায় অজানায়।
আপনার স্বামী কেমন? (শুধু মাত্র বোনদের জন্য, ভাইদের পড়া নিষেধ!)
আমি আজকাল অনেক বিষয় নিয়ে ভাবি। আজকের নাইট ডিউটির সময় ভাবনা ছিল বোনদের নিয়ে! দেখুন তো আপনার 'স্বামীধন' কেমন? নীচের প্রশ্ন গুলোর সঠিক উত্তর দিন।
১) আপনার স্বামী ঠিক টাইমে অফিস কিংবা তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যান কি না?
২) অফিস কিংবা তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছুটির পর বন্ধুদের সাথে আড্ডা মেরে রাত ১১টার পর ফিরেন কি না?
৩) সত্য কে মিথ্যা বলে চালিয়ে দিতে পারেন কি না?
কোথাও তাল কেটে গেছে
দুঃখ আর হতাশা ভুলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে, দীঘদিন তিক্তস্মৃতিচারণে বিষন্নতাই বাড়ে শুধু। আবার হাসছি, আড্ডা দিচ্ছি রোজকার মতো, সব ভুলে দিব্যি মেতে উঠেছি খুনসুটিতে, জীবন থেমে থাকে না, বিভিন্ন রকম অর্থনৈতিক ঝক্কি নিয়েই জীবনযাপন, পেটের দায়ে সদ্যোজাত সন্তান ফেলে মা দুয়ারে হানা দিলে বুঝি কংক্রীটের শহরটা নির্মম, এখানে ফিরে তাকাবার অবসর নেই।
মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট সম্পর্কিত তথ্যাদি
প্রচলিত পাসপোর্টের মতোই দেখতে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি)। কেবল পার্থক্য হলো এই পাসপোর্টে থাকা তথ্য এয়ারপোর্টে থাকা কম্পিউটার পড়তে পারে । দেশের বাইরে যেতে বা প্রবাসীদের দেশে ফেরার সময় এয়ারপোর্টের ভোগান্তি এড়াতেই চালু করা হয়েছে এই পাসপোর্ট। এপ্রিলে চালু করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও যারা আগের পাসপোর্ট ব্যবহার করছেন, তাঁদের পুরোনো পাসপোর্টেই চলবে ২০১৫ সাল পর্যন্ত।
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, এতো তাড়াহুড়ার কি কোনো দরকার আছে?
আগামী জানুয়ারি থেকে প্রাথমিক বিদ্যালেয় কারিগরি শিক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রতি উপজেলার অন্তত একটি বিদ্যালয়ে এ শিক্ষা চালু করা হবে এবং ওই বিদ্যালয়ের তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণী শিক্ষার্থীদের এর আওতায় আনা হবে।
হোয়াট হ্যাপেনস ইন ভেগাস...
শিরোনামের কথাটা শুনতে শুনতে কান পঁচে গেছে। নাটিকে, সিনেমায়, বন্ধুবান্ধবের আড্ডায় সবাই লাস ভেগাসের প্রসঙ্গ উঠলেই কথায় কথায় বলে বসে হোয়াট হ্যাপেনস ইন ভেগাস স্টেইজ ইন ভেগাস। কিন্তু কেউ ব্যাখ্যা করে বলে না, আসলে এর মানে কী। অনেকদিন যাবতই ইচ্ছা ছিল আমরিকা গেলে ভেগাসে একবার একটা চক্কর মেরে আসব। এমনই কপাল এবার কনফারেন্সের ভেন্যুই গিয়ে পড়ল একেবারে মালীর ঘাড়ে--মানে লাস ভেগাসে। আর পায় কে, লাস্ট মিনিটে টিকেট
খেরোখাতা
কিছু ব্যক্তিগত সমস্যার কারনে অনেক দিন ব্লগে লেখা লেখি করা হয় না। শুক্রবার মনে হল কিছু সমস্যার সমাধান হয়ে গেল একেবারে। এখন ব্লগে আগের মত সময় দেওয়া যাবে :)। শনিবার সকালে আলফ্রেড হসপিটালে গেলাম মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে দেখা করতে। ছোটখাটো একটা পরীক্ষা দেওয়ার পর শুনলাম কোন সমস্যা নেই। ডাক্তার বাবুকে বললাম ঘটনাটা তোমাকে আগেই বলেছি তাহলে অবসেশন এর কি হবে?
জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (অষ্টম কিস্তি)
৩.
