ইউজার লগইন
ব্লগ
''অসদুপায় অবলম্বনের জন্য ...'' - 1
আইজকা পত্রিকায় পড়লাম শিক্ষকদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নাকি ফাস-মাস হয়া পুরা একাকার.। কয়েকটা গাধারে নাকি পুলিশ ধইরাও ফেলছে
.. গাধাগুলা ঠিকমত একটা অপকর্ম-ও করতে পারলো না... আফসুস... যাউগ্গা এদেরে নিয়া কোন স্যাটয়ার করুম না কথা দিলাম.. সেল্ফ-রাইচাস বাস্টার্ড সাজার রাইট অনেক আগেই ফরফিট করছি... আমি নিজেই খানিক এইসবের সাথে জড়িত কিনা তাই 
সেইবার আমাদের অনার্স সাবসিডিয়ারি পরীক্ষা... গায়ে বাতাস লাগায়া ঘুরতাছি... সাবসি নিয়া কোন টেনশান নাই মনে... তখন দোস্ত রেড ইন্ডিয়ান দিল আসল খবর- সাবসি তে পাশ না করলে অনার্সের রেজাল্ট আটকায়া রাখা হয়
... আমার তো মাথায় বাজ পড়ল..। সাথে সাথে রওয়ানা দিলাম লাইব্রেরীতে.. নোট কিইনা কাইটা কাইটা পকেটস্হ করলাম... প্ল্যান নকল করুম
... নকল করা আর অসদুপায় অবলম্বন করার মাঝহে কোন তফাত নাই জাইনাও এর একটা লজিক খাড়া কইরা ফেললাম...
প্রিয় মুসা ভাই, আপনি বিষয়টা খোলাসা করুন।
প্রিয় মুসা ভাই,
মুসা ইব্রাহীম ভাই, আপনি আমাদের জাতীয় বীর। আপনার এভারেস্ট বিজয় আমাদের জাতিকে সারা জীবন অনুপ্রেরণা দিবে।
প্রিয় মুসা ভাই,
আপনি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা নিন। আমি এর পূর্বেও আপনাকে শুভেচ্ছা জানিয়াছি। কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন ব্লগ ও নিঊজ দেখে আমার কাছে মনে কেমন সন্দেহ জাগছে।
প্রিয় মুসা ভাই,
আজ ও একটা পেইজ দেখে এমন মনে হচ্ছে। আমরা লজ্জিত হয়ে পড়ছি।
বিট্রিস পটারঃ ১৪৪তম জন্মদিনের অগ্রিম শুভেচ্ছা
মুখে সোনার চামচ নিয়ে জন্মেছিলেন বিট্রিস পটার ২৮ জুলাই, ১৮৬৬ সালে বৃটেনের কেন্সিংটনে। ছেলেবেলা কেটেছে তাঁর অসীম নিঃসঙ্গতায়। মা হেলেন বিট্রিস পটার আর বাবা রুপার্ট পটারের সামান্য মনযোগ পাননি বিট্রিস। তাঁকে পুরোপুরি দেখাশোনা করতেন নার্স মিসেস ম্যাকেঞ্জি। মা-বাবার সাথে তাঁর দেখা হত মাঝে মাঝে গুড নাইট বলার জন্য। বাইরে যাওয়া পড়ত মিসেস ম্যাকেঞ্জির সঙ্গে পার্কে হাঁটতে যাবার সময়।এ ছাড়া তাঁর সমস্ত সময় কাটত বাড়ির ৩য় তলায়। নার্সের কাছে গল্প শুনতেন পরীদের। তাঁর কল্পরাজ্যের দুয়ার এরকম সময়েই খুলে যায়।
পনেরো বছরের বিট্রিস
ডাইরী ১১২
এক.
ভুলে গেছি কারখানার পথ, জলে ধোঁয়া পথের কাঁদায় পদচিহ্ন রেখে এসেছিলাম সেদিন। আজ দেখি তার 'পর দিয়ে ট্রাকের চাকায় চাকায় ঢেকেছে বিস্মৃতিরা। সেইদিন অন্ধকারে নিয়নের আলো ফুটছিলো বেশ...আজ বৃষ্টিতে ভেসেছে আলোকের রাতগুলি। কারখানা চলেছে বোরাকের পিঠে সময়ের শূন্যতায়।
দুই.
কবিতার মতো: একদিন আমিও ছিলাম
একদিন আমিও ছিলাম
তোমার খুব কাছাকাছি;
ইচ্ছে মতো সাজিয়েছো-
কখনো শো-কেসের ভিতর
কাঁচবন্ধী তাকে,
কখনো শো-কেসের উপর
শিশি-বোতলের ফাঁকে।
একদিন আমিও ছিলাম
তোমার খুব কাছাকাছি;
ইচ্ছে মতো ভালোবেসেছো-
কখনো বুক; কখনো চিবুক
ছুঁয়েছো কামনায়,
কখনো বিষিয়েছো চোখ-মুখ
অবজ্ঞা আর অবহেলায়।
একদিন আমিও ছিলাম
তোমার খুব কাছাকাছি;
ইচ্ছে মতো পড়েছো-
কখনো কবিতার ভাবে
উচ্চস্বরে,
কখনো গল্প-উপন্যাসের মতো
ব্রেকিং নিউজ
পৃথিমী সামনের দিকে আগাইতাছে, আমাদের ঈমান এখন সামনে নেয়া দরকার। দুনিয়ার যতো বুদ্ধিমান প্রানী আছে অক্টোপাস, তোতা - ময়না তাদের ওপর ঈমান আনার সময় হয়েছে। তারা তাদের নির্ভুল ভবিষ্যতবানী প্রদান করে দিনের পর দিন মানব সমাজের উপকার করে চলেছেন। ফুটবল মানবের জীবন ধারনের একটি আবশ্যিক উপকরন। সেখানেতো তোতা ময়নারা বসে থাকতে পারে না। মানব জাতির কল্যানের লক্ষ্যে সেখানেও তারা অবদান রাখছেন।
চলো হাতে হাত রেখে..
এবারের নির্বাচনে বিজয়ী-বিজিত নির্ধারণে একটা বড় নিয়ামক ছিল যুদ্ধাপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে পরিচিত আওয়ামী লীগ এই ব্যাপারটাকে পুঁজি করে তরুণ প্রজন্মের অধিকাংশের ভোটে নির্বাচিত হয়। কিন্তু, এখন অবস্থাদৃষ্টে যা দেখা যাচ্ছে, তাতে সরকার নিজের ঘর সামলাতে ব্যস্ত। আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠনকে সামলাতে গিয়েই নিজেদের হিমসিম খাওয়ার মত অবস্থা। তার উপর বিরোধী দলের সরকার বিরো
সাময়িক পোস্ট: বিশ্বকাপ ফাইনাল জমাইতে হবে
এবি ফ্যান্টাসী কাপ দুরন্ত গতিতে চললেও উদরাজী ভাইয়ের কাপ জয় একরকম নিশ্চিত হয়ে গেছে বলা যায়। তাই ভাবতেছি বিশ্বকাপ ফাইনাল উপলক্ষ্যে পরিস্থিতিকে আরো জমজমাট করার জন্য বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়া এবিতে একটা ফাইনাল ম্যাচই আয়োজন করে ফেলবো। এর আগে সামুতে চ্যাম্পিয়নস লীগ নিয়া একটা আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচ আয়োজন করছিলাম। জমছিলো ভালোই, অনেকটা সেইরকমই এইটাও। তবে দিন দিন যেইভাবে পুলাপান আবাহনীর সাপোর্ট শুরু করছে
, ত
আজ রোদ্দুরের ১০ পূর্ণ হলো...
রোদ্দুর। আমার ছেলে। চার ক্লাসে পড়ছে। গবর্ণমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলে। একদম বাপের ন্যাওটা। বাবার যা কিছু তার ভালো লাগে তা সে অনুকরণ করবে। শত বাধা দিলেও শুনবেনা। বাবা পাকিস্তানের নাম শুনতে পারেনা, সেও না। পাকিস্তানী কোনো জিনিস জ্ঞানত সে স্পর্শ করেনা। বাবার প্রিয় দল আর্জেন্টিনা। রোদ্দুরেরও প্রিয়।
দ্বিতীয় সেমির পর আপডেট: এক্সপ্রেস ছুটছেই
কোয়ার্টারের আগে শুরু হওয়া এই রাউন্ডে শর্ত রেখেছিলাম যে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে যত বেশী দল সেমিতে তুলতে পারবেন ততই লাভবান হবেন, আর সেখানে চার চারটি দলকে কোয়ার্টারে তুলে এর পূর্ণ সুবিধা ভোগ করছে একমাত্র আখাউড়া এক্সপ্রেস, দলের মালিক উদরাজী ভাইকে টুর্ণামেন্ট পয়েন্ট দিচ্ছে উদারভাবেই ;)।
মুভিব্লগ: ৮ শিক্ষামূলক সিনেমা
মানুষজন খামাকাই আলতু ফালতু সিনেমা বানায়। সিনেমায় যদি শিক্ষামূলক কিছু নাই থাকে, তাহলে সেসব সিনেমা দেশ বা জাতিকে কি দিতে পারে? শিল্প থেকে শিক্ষার উপাদান আমাদের নিতে হবে। সিনেমা থেকে উচ্ছন্নে যাওয়া কাজের কিছু না। বরং সিনেমা থেকে শিক্ষা নিয়ে জীবন গড়াই হওয়া উচিৎ আমাদের ব্রত। বিশেষ করে যারা বেশি সিনেমা দেখেন তাদের জন্য এটি বেশি প্রযোজ্য। আজকে আমি কিছু শিক্ষামূলক সিনেমার তালিকা দিলাম।
একখানা পলিটিকাল কোবতে
লিডার আমায় শিক্ষা দিল
ক্যাডার হতে ভাইরে
বোমাবাজির মন্ত্র আমি
নেতার কাছে পাইরে
মান্ত্রী শিখায় তাহার সমান-
ক্ষমতা নাই; করতে প্রমান
হাটের মাঠের দখলদারি
পুরোটা তাই চাইরে
গড ফাদারে মন্ত্রণা দেন
তাহার তেজে জ্বলতে
চাঁদে চাঁদে হেসে হেসে
চাঁদার কথা বলতে
ইঙ্গিতে তার করি মার্ডার
প্রয়োজনে ক্রস দা বর্ডার
ইন্ডিয়াতে পিন্ডিখানা
চটকে ফিরি ভোটতে
দেশের নেতা, দশের নেতা
আমি তাদের ছাত্র
এবি ফ্যান্টাসী কাপ আপডেট: শীর্ষে এখনও আখাউড়া এক্সপ্রেস
এবি ফ্যান্টাসী কাপের আরেকদফা আপডেট হলো, ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা শকে মোটামুটি সবাই পিছিয়ে পড়লেও সমানের লাইনে দাঁড়ানো কয়েকজনের মধ্যে জমে উঠতে পারে জমজমাট লড়াই। সবকিছু নির্ভর করবে আজকের সেমিফাইনালের ওপর।
পিটার দ্য র্যাবিট (শেষ পর্ব) -বিট্রিস পটার
পিটার অনেক হাঁপাচ্ছিল আর ভয়ে কাঁপছিল, তাই বিশ্রাম নেবার জন্য একটু বসল। ও বুঝতেই পারছিল না কোনদিক দিয়ে যাবে, আর ভিজে চুপচুপে হয়েছিল। এদিক ওদিক থুপ থুপ করে আস্তে আস্তে হাঁটাহাঁটি করে সে এদিক ওদিক দেখা শুরু করল। একটা দেয়ালের গায়ে দেখল একটা দরজা, কিন্তু তালা বন্ধ আর এটার নীচ দিক থেকে তার মত একটা মোটাসোটা খরগোশের যাবার কোন উপায়ই নেই। একটা ইঁদুর দরজার সামনে দিয়ে মটরশুঁটি আর সিম নিয়ে যাচ্ছিল বনের দিকে তার বাড়ির জন্য। পিটার তাকে দরজাটা কোনদিকে জিজ্ঞেস করল, কিন্তু ইঁদুরটার মুখে এত বড় মটরশুঁটি ছিল যে, সে বলতে পারলনা, শুধু মাথা নাড়ল। পিটার কাঁদতে লাগল। তারপর নিজেই বাগানের উলটা দিকে যাওয়া শুরু করল রাস্তা খুঁজতে, কিন্তু সে বারবার ধাঁধাঁয় পড়ে যাচ্ছিল। গিয়ে দাঁড়াল একটা পুকুরের কাছে, যেখান থেকে ম্যাগ্রেগর সাহেব তাঁর পানির ঝাঁঝরি ভরেন। একটা সাদা বেড়াল কতগুলো গোল্ডফিশের দিকে তাকিয়ে আছে স্থির হয়ে, মাঝে মাঝে লেজ নড়ছে তাইই বোঝা যাচ্ছে ওটা বেঁচে রয়েছে। পিটার ভাবল- থাক, ওর সাথে কথা না বলাই ভাল। কারণ বেড়ালরা কেমন হয় তার চাচাত ভাই বেঞ্জামিন বানির কাছে শুনেছে।