ইউজার লগইন
ব্লগ
একটি পোষ্ট, নিজের ঢোল নিজে পিটানো এবং একখানা সাহায্যের আবেদন।
ছবি তোলার শখ অনেক আগে থেকেই।
শুভজন্মদিন রায়হান ভাই
কিছুক্ষণ আগে ফেসবুকে দেখলাম, রায়হান ভাইকে লোকজন জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। রায়হান ভাইকে জিজ্ঞেস করলাম জন্মদিন কবে আপনার? কিছুণ ভাব নিয়ে বলে, ”বস কলিং”। বুঝলাম ভাবসাগরে ডুব দিয়েছে। ইদানীং লোকটার কি যে হলো!
আমাদের মানিক ভাইকে অভিনন্দন
নুরুজ্জামান মানিক ... মানে আমাদের প্রিয় মানিক ভাই... আমার সাথে কমপিটিশন কৈরা হেরে গেল
... আমার বাবুটা ফাস্ট হৈয়া ২৫ তারিখে আইলো... আর মানিক ভাইয়ের বাবুটা একটু আইলসামি কৈরা আইজ আইলো...
অমা
পর্বত, তুমি যেভাবে দেখেছ আকাশ
চোখের গোলক থেকে নদী ছুঁয়ে গেছে শুধু তারে
তাহারে পারিনি ছুঁতে তোমারেও না
নৈবেদ্য অপেক্ষায় আজও প্রসাদের সুরে
দূরে দূরে সরে যায় জীবনের
বেদমন্ত্র সব।
ভোলগার প্রাচীন তটে আশ্রিত প্রজাপতি
আবারও ঠিকানা খোঁজে বিনা প্রার্থনায়
শিখিনি ঋষির কাছে, তোমার কাছেও তাই হয়নি যাওয়া
তোমার কাছে আর হবে না যাওয়া,
ও আকাশ,
বর্ষের ঝড়-জল সয়ে যাওয়া গাছ
ঘুরাঘুরি ব্লগ: ২০ টাকা সাশ্রয়ীদের কথা ও আমার গাইবান্ধা সফর
১.
গাইবান্ধায় আমার প্রথম পা রাখাটা বেশ নাটকীয় বলা যায়। গাইবান্ধায় আমাদের জেলা প্রতিনিধি তোতা ভাই অল্পক্ষণ পর পরই ফোন করছিলেন। আধঘন্টা ধরে তোতা ভাই বসে আছেন বাস স্টান্ডে। কিন্তু নামে গেটলক হলেও থেমে থেমে যায় বাস। ফলে এক ঘন্টার রাস্তা আসতে লেগে যায় ২ ঘন্টার বেশি।
জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (প্রথম ও দ্বিতীয় অধ্যায়)
আরিয়েন আকেলিনকে নিয়ে সোনার গাওয়ে এক দুপুর
আগের বার যখন আসে, একে তো খুব ব্যস্ত ছিল। তাছাড়া আমার মনেও ছিলনা মনে হয়। কিংবা মনে থাকলেও ইচ্ছা ছিলনা হয়ত। কিন্তু পরে যখন ভেবেছি খারাপ লেগেছে খুব। এইরকম আমার প্রায়ই হয়। যখন করার কথা তখন করিনা পরে আবার তা নিয়া মন খচখচ করে। আরিয়েন চলে যাওয়ার পর এমন খচখচ মনের ভিতর লেগেই ছিল অনেকদিন। ভেবেছিলাম আর কখনো দেখা হবেনা।
জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (সপ্তম কিস্তি)
দূর্ভাগ্যবশতঃ, নিজের শরীরের প্রতি তার ভালোবাসার জন্য বহুকিছুই সে এড়িয়ে যেতে শুরু করেছিলো, একদিন সে হঠাৎ আবিষ্কার করলো ইতোমধ্যেই তার পেটের ত্বকে ভাঁজ পড়তে শুরু করেছে, সাদা সাদা দাঁগ পড়েছে মধ্যভাগ জুড়ে, চামড়ার টান টান ভাবটা চলে গিয়ে কেমন আলগোছে বাঁধা প্যাকেটের মতোন ঝুলে পড়েছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো এসব নিয়ে তার আদৌ কোনো ভাবনা তৈরী হলো না। ভাঁজ পড়া পেট নিয়েই মা এবং তার শরীরের সুখ অব্যাহত রইলো কার
প্রিয় বন্ধুরা, আজকের এ আড্ডা তোমাদেরকে উৎসর্গ করলাম...
গতরাতে ছোট বোন সুলতানা শিপলু জানালো- চিটাগাং থেকে আমাদের পুরোনো দুই বন্ধু ঢাকায় এসেছে। স্যরি, ভুল বললাম। এক জন এসেছে, অন্য জন দীর্ঘদিন থেকে ঢাকাতেই থাকে- আমাদের কারো সাথে যোগাযোগ করে না। সেটা তিনি না করতেই পারেন। তিনি আবার ডাক্তারও বটে। সে যাই হোক, এক সময় আমরা সবাই ভোরের কাগজের পাঠক ফোরাম আর প্রথম আলোর বন্ধুসভা নামক পাতা দুটো মাতিয়ে রাখতাম। সেই আমাদের কেউ কেউ আজ সংসারে ব্যস্ত। কেউ মোটামুটি লেখাজোক
আমার দেখা সেরা কিছু মুভি সংলাপ-১
আমি ইংরেজি মুভি দেখি খুব বেশিদিন নয়।এই তো কলেজ জীবন থেকে শুরু।তখন দেখতাম সিডির দোকান থেকে ভাড়া নিয়ে।সত্য করে বলি খুব বেশি ক্লাসিক মুভি আমি দেখিনা(এক দমই বেশি বিখ্যাত হলে বাধ্য হয়ে দেখি )।কারণ
১. সিম্পলি বুঝিনা।
২.বেশ কটা অস্কার পাওয়া মুভি দেখে সিডির ভাড়া নষ্ট হয়ার আক্ষেপ
৩.অনেকগুলা সহজলভ্য না।
অনন্য রাতে আমি অন্য কিছু চাই
বৃষ্টি নয় এই অনন্য রাতে আমি অন্য কিছু চাই
দু-চারটে কথার মধ্যে আমি অন্য কারো কণ্ঠ শুনতে চাই
গান নয় শুধু গলার আওয়াজ...
আমার ঘুম গেছে তোমাকে খুঁজতে
বালিশকে তাই নিঃসঙ্গের গল্প শোনাচ্ছে অনিদ্রা!
আমার অসহ্য লাগছে
আমার অস্থিরতা বাড়ছে
তোমাকে কি কোথাও মিলবে?
তুমি এসে এই অনন্য রাতকে বিষাদ করে দাও
আঁধারের শরীরে ছিটিয়ে দাও তিক্ত খড়কুটো
তারপরও এসো
কিন্তু আসলে না
মনুসাহিত্য : হাগজ মনে করিলে বেপদ
বহুদিন পরে ধরা খেয়ে গেছি। কবি ফেরদৌস নাহার আবিষ্কার করে ফেলেছে—আমি বরিশাইল্যা। লিখেছে, এইবার, অ মনু—যাইবা কুনহানে?
যাব কই? যাওয়ার কি উপায় আছে? নাহারের কথা সত্যি। আবার কিছুটা মিথ্যেও বটে।
আগে মিথ্যেটা বলি। আমার মা অতি সাদাসিধা। মনে কোনো অন্ধিসন্ধি নাই। বাল্যকাল থেকে পই পই করে বলেছে, অ খোকন, উত্তরে যাবা, পূবে যাবা—পশ্চিমেও যাইতে পার। কিন্তু দক্ষিণে? নো--। নেভার। কদাপি নহে।
জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (ষষ্ঠ কিস্তি)
আর এর বাইরে যা ঘটছিলো: আগে নগ্ন শরীরে প্রেমিকের ছোঁয়ায় তার লজ্জাবোধ হতো; তাদের কাছাকাছি আসার অর্থ ছিলো ভিন্ন কোনো দেয়াল টপকে আসার মতোন, আর হঠাৎ জড়িয়ে ধরার বিষয়টা ছিলো রীতিমতোন বিব্রতকর কারণ এটা আসলে হঠাৎ'ই ঘটে যেতো। লজ্জার বিষয়টা যদিও তাকে নিরস্ত করতো না একেবারেই, উল্টো সঙ্গমের প্রবণতা বাড়তো, কিন্তু এ সময়ে তার সজাগ দৃষ্টি থাকতো নিজের শরীরের প্রতি, যেনো সঙ্গমের টানে শরীরটা আবার হারিয়ে না যায়। আর ন
জাহানারার তহবিল নিয়ে কিছু কথা...
জাহানারার বিষয়ে আপনাদের নতুন করে আর কিছু বলার নাই
... আমাদের সামর্থ্যের বাইরে এখন তিনি। ব্লগার রাসেল, লিনা দিলরুবা, হাসান রায়হান সহ যারা সরাসরি অনেক পরিশ্রম করেছেন তাদের কষ্টটা অনেক ... তাদের কাউকে ফোন করতে পারি নাই ... কি বলবো তাদের? আসলেই ... আপনাদের শত ব্যস্ততায় নিজেদের বিভিন্ন ঝামেলায় জীবন যাপনে যখন নাভিশ্বাস ... সেইখানে এমন করে এগিয়ে আসা মানুষগুলানের জন্য স্যালুট। ...
কানামাছি ভোঁ ভোঁ
কেমন আছেন সবই-অনেকদিন পর এই ব্লগে আসলম। একট সদ্য লেখা গল্প পোস্টাইলাম। সময় পাইলে পড়বেন। আর সবাই ভালো থাকবেন।