ইউজার লগইন
ব্লগ
চিলতে রোদে
সদ্য গজিয়ে উঠা ব্যালকনির দেয়ালে ঝিকিমিকি একটা রোদের ছায়া তিরতির করে কাঁপছিলো। আকাশছোঁয়া বাড়িঘরের ফাঁকফোঁকড় গলে রোদটা কেমন করে দেয়ালের গায়ে ঠিকানা খুঁজে পেলো কে জানে? ব্যালকনির ধার ঘেঁষে কতোদূর এগিয়ে একটা লাল ছোট টবে একটা ফ্যাকাশে হলুদ চারাগাছ খুঁজে পেলো রোদটা। চারাগাছটাকে ঘুমিয়ে থাকতে দেখে রোদটারও ভীষণ ঘুমিয়ে পড়তে ইচ্ছে হচ্ছিলো। একটু ভালো করে উঁকিঝুঁকি মারতেই চারাগাছের মাথা ফুঁড়ে উঁকি দিতে চাওয়া একটা বেগনি রং এর ফুলের আধাফোঁটা কলি চোখে পড়লো। চারাগাছে ফুল? এই ভাবতে ভাবতেই হঠাত কলিটা মাথা নেড়ে খ্যাঁক করে উঠলো, ''ড্যাবড্যাবিয়ে কি দেখছো শুনি? জানোনা, অন্যের বাড়িতে উঁকিঝুঁকি দিতে নেই!'' বাড়ি?
আগামী সৌভাগ্যের রজনী কি জাহানারার জন্য সৌভাগ্য বয়ে আনবে- আপনারা চেষ্টা করলে তাই হবে। আশা করি তাই যেনো হয়।// আপডেটঃ
ভেবেছিলাম হাতে খানিকটা সময় আছে তবে সকালে ফোন পেয়ে বুঝলাম আমার/আমাদের হাতে তত বেশী সময় নেই।
আমি কেন খেলোয়াড় হইলাম না
অনেক চিন্তা ভাবনা করে দেখছিলাম যে আসলে খেলোয়াড় হওয়া উচিত না আমার জন্য, তাই আর খেলোয়াড় হই নাই জীবনে, সে ফুটবল হউক, ক্রিকেট হউক আর লন টেনিস হউক ।
বিশ্বজয়ী স্পেনকে অভিনন্দন!
শেষ হলো ফুটবলের সবচাইতে বড় উৎসব। আগামী কয়েকদিন হয়তো রাতে ঘুম ভেঙে যাবে মাঝপথে। রাত জেগে ফুটবল ম্যাচ দেখার মহোৎসবকে মিস করবো নিশ্চিত। তবু শেষটা মনমতো হোলো বলে ভালো লাগছে। যোগ্য দল হিসেবেই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জিতে নিলো ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেন। প্রথম খেলায় পরাজিত হলেও পরবর্তী সবগুলো ম্যাচেই তারা মন ভরিয়ে দেয়া ফুটবল খেলেছ। একটা ঘাটতি যদিও ছিলো তাদের খেলায়, স্কোরার সংকটের কারনে তাদের সবচাইতে ভাল
আমার তাঁতীজীবন
সামু ব্লগে মাসুম ভাইয়ের কোন লেখাটা প্রথম পড়ছি ঠিক মনে পড়তেছে না। তবে আমার ও বউয়ের বিয়া হইছিলো একই দিনে, আইজ সেই দিন -এই লেখাটা পইড়া পাংখা (রাপুখাপাং না কিন্তু!) হইছিলাম মনে আছে। ঐটা পড়ার পর পরই আরও কিছু মাসুমীয় রসগ্রহণ শেষে ঐদিনই ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাইলাম ফেসবুক মারফত। অ্যাকসেপ্টও হইল যথাসময়ে। এরপর কয়দিন খেয়াল করলাম সামুতে উনার নতুন লেখা নাই, ঘটনা কি!
ফুটবলের জীবন, জীবনের ফুটবল...(১)
এক.
অনাঘ্রাত দীর্ঘশ্বাস
এইসব প্রেম কি মিথ্যা ঘটনা? রটনার বাইরেও গোপনে গোপনে প্রেম চরে বেড়ায় আকাশে বাতাসে। আমাদের কতদিন কথা হয় না জানো তুমি চাঁদ?। হয়না দেখা কতোটা কাল!
আমি বাতাসের কাছে প্রান খুলে দেই....হাওয়ার শীতল পরশে ভেতরে লুকোনো ব্যাথা বুদবুদ হয়ে উড়ে চলে যায়। ঘুমঘরের চর্চিত মাটি ছুঁয়ে ফিরে আসে তার দীর্ঘশ্বাস।
আমরাবন্ধু বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ : বিয়াইত্যারা জিতে গেলো
অবশেষে বিয়াইত্যাদেরই জয় হলো।
এখন খাওয়া-দাওয়ার পালা, আমরা জ্বীন ভূতেরা তো আলো বাতাস খাইয়া থাকি, তাই ঐ বিষয়টা নিয়া আমাদের তেমন উৎসাহ নাই। যার যার পাওনা খানাটা নিকটস্থ জ্যাতা সদস্যদেরর কাছ থেকে আদায় কইরা নেন।
এখন বিয়াইত্যারা ক্যামনে জিতছে সেইটা কই। হিসাব করতে গিয়া দেখি,
অবিবাহিত দলের স্কোর ৭/১১=৬৩.৬৩৬৩৬৩৬৩৬৩৬৩৬৩৬৩৬৩৬৩৬৩৬৩৬৩....%
(হিসাব শেষ হয়না, ৬ আর ৩ খালি আসতেই আছে) 
১১২১২১
এই ব্লগটাতে নতুন আসলাম, মানে রেজিস্ট্রেশন করলাম আর কি!
আজিরা দিনপঞ্জী...৫
আজকাল কেমন ঘোরের দুনিয়ায় আছি, যা কিছু ঘটছে আমার মনে হয়... ওহ! আচ্ছা... দেখা যাক সামনে কি আছে। ভালোবাসা বড়ো অদ্ভুত অনুভবের খেলা। না ভালোবেসে উপায় নেই, আর বাসতে লাগে ভয়। সামনের মানুষটাকেও ছুঁয়ে দেখতে ভয় লাগে... মনে হয় রংগিন বুদবুদের ভেতরের স্বপ্ন বুঝি এক। আয়নার নিজের চোখে ক্রমাগত বিষাদের ছায়া দেখতে দেখতে খুশির ঝলকটুকু কেমন অদ্ভুতরকমের অচেনা লাগে... নিজের প্রতিবিম্বের দিকেও ভয়ে তাকাইনা, মনে হয় পাছে ভুল স্বপ্ন ঢুকে যাই। আবার মনে হয় অনেক তো হলো, এইবার বুঝি হাত বাড়িয়ে ছোঁয়া যায় অন্য একটা হাত। কিন্তু ভেতরে ভেতরে বরফ হয়ে যাওয়া আমার হাতের ঊষ্ণতা ফেরত আনবার স্পর্শটার অপেক্ষা করি। হয়তো আসবে, হয়তো আসবে না। তবু দিবাস্বপ্ন নেহায়েত মন্দ লাগেনা।
''অসদুপায় অবলম্বনের জন্য ...'' - 1
আইজকা পত্রিকায় পড়লাম শিক্ষকদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নাকি ফাস-মাস হয়া পুরা একাকার.। কয়েকটা গাধারে নাকি পুলিশ ধইরাও ফেলছে
.. গাধাগুলা ঠিকমত একটা অপকর্ম-ও করতে পারলো না... আফসুস... যাউগ্গা এদেরে নিয়া কোন স্যাটয়ার করুম না কথা দিলাম.. সেল্ফ-রাইচাস বাস্টার্ড সাজার রাইট অনেক আগেই ফরফিট করছি... আমি নিজেই খানিক এইসবের সাথে জড়িত কিনা তাই 
সেইবার আমাদের অনার্স সাবসিডিয়ারি পরীক্ষা... গায়ে বাতাস লাগায়া ঘুরতাছি... সাবসি নিয়া কোন টেনশান নাই মনে... তখন দোস্ত রেড ইন্ডিয়ান দিল আসল খবর- সাবসি তে পাশ না করলে অনার্সের রেজাল্ট আটকায়া রাখা হয়
... আমার তো মাথায় বাজ পড়ল..। সাথে সাথে রওয়ানা দিলাম লাইব্রেরীতে.. নোট কিইনা কাইটা কাইটা পকেটস্হ করলাম... প্ল্যান নকল করুম
... নকল করা আর অসদুপায় অবলম্বন করার মাঝহে কোন তফাত নাই জাইনাও এর একটা লজিক খাড়া কইরা ফেললাম...
প্রিয় মুসা ভাই, আপনি বিষয়টা খোলাসা করুন।
প্রিয় মুসা ভাই,
মুসা ইব্রাহীম ভাই, আপনি আমাদের জাতীয় বীর। আপনার এভারেস্ট বিজয় আমাদের জাতিকে সারা জীবন অনুপ্রেরণা দিবে।
প্রিয় মুসা ভাই,
আপনি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা নিন। আমি এর পূর্বেও আপনাকে শুভেচ্ছা জানিয়াছি। কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন ব্লগ ও নিঊজ দেখে আমার কাছে মনে কেমন সন্দেহ জাগছে।
প্রিয় মুসা ভাই,
আজ ও একটা পেইজ দেখে এমন মনে হচ্ছে। আমরা লজ্জিত হয়ে পড়ছি।
বিট্রিস পটারঃ ১৪৪তম জন্মদিনের অগ্রিম শুভেচ্ছা
মুখে সোনার চামচ নিয়ে জন্মেছিলেন বিট্রিস পটার ২৮ জুলাই, ১৮৬৬ সালে বৃটেনের কেন্সিংটনে। ছেলেবেলা কেটেছে তাঁর অসীম নিঃসঙ্গতায়। মা হেলেন বিট্রিস পটার আর বাবা রুপার্ট পটারের সামান্য মনযোগ পাননি বিট্রিস। তাঁকে পুরোপুরি দেখাশোনা করতেন নার্স মিসেস ম্যাকেঞ্জি। মা-বাবার সাথে তাঁর দেখা হত মাঝে মাঝে গুড নাইট বলার জন্য। বাইরে যাওয়া পড়ত মিসেস ম্যাকেঞ্জির সঙ্গে পার্কে হাঁটতে যাবার সময়।এ ছাড়া তাঁর সমস্ত সময় কাটত বাড়ির ৩য় তলায়। নার্সের কাছে গল্প শুনতেন পরীদের। তাঁর কল্পরাজ্যের দুয়ার এরকম সময়েই খুলে যায়।
পনেরো বছরের বিট্রিস
ডাইরী ১১২
এক.
ভুলে গেছি কারখানার পথ, জলে ধোঁয়া পথের কাঁদায় পদচিহ্ন রেখে এসেছিলাম সেদিন। আজ দেখি তার 'পর দিয়ে ট্রাকের চাকায় চাকায় ঢেকেছে বিস্মৃতিরা। সেইদিন অন্ধকারে নিয়নের আলো ফুটছিলো বেশ...আজ বৃষ্টিতে ভেসেছে আলোকের রাতগুলি। কারখানা চলেছে বোরাকের পিঠে সময়ের শূন্যতায়।
দুই.
কবিতার মতো: একদিন আমিও ছিলাম
একদিন আমিও ছিলাম
তোমার খুব কাছাকাছি;
ইচ্ছে মতো সাজিয়েছো-
কখনো শো-কেসের ভিতর
কাঁচবন্ধী তাকে,
কখনো শো-কেসের উপর
শিশি-বোতলের ফাঁকে।
একদিন আমিও ছিলাম
তোমার খুব কাছাকাছি;
ইচ্ছে মতো ভালোবেসেছো-
কখনো বুক; কখনো চিবুক
ছুঁয়েছো কামনায়,
কখনো বিষিয়েছো চোখ-মুখ
অবজ্ঞা আর অবহেলায়।
একদিন আমিও ছিলাম
তোমার খুব কাছাকাছি;
ইচ্ছে মতো পড়েছো-
কখনো কবিতার ভাবে
উচ্চস্বরে,
কখনো গল্প-উপন্যাসের মতো