ইউজার লগইন
ব্লগ
পিটার দ্য র্যাবিট- বিট্রিস পটার
এককালে ছিল চার খরগোশ- ফ্লপসি মপসি তুলোর-লেজ আর পিটার। মায়ের সাথে তারা থাকত নদীর চরায়, একটা মস্ত ফার গাছের কোটরে। এক সকালে মা খরগোশ তাদের ডেকে বললেন-সোনামণিরা, তোমরা সামনের রাস্তার বড় মাঠে খেলতে যেতে পার, কিন্তু ম্যাগ্রেগর সাহেবের বাগানে যেওনা যেন। তোমাদের বাবার একটা দুর্ঘটনার হয়েছিল ওখানে আর ম্যগ্রেগর গিন্নী তাঁকে পিঠেতে পুরে দিয়েছিলেন। এখন দৌড়ে যাও, কিন্তু দুষ্টুমি করনা। আমি একটু বাইরে যাচ্ছি।

মা খরগোশ তার ছাতা আর ঝুড়ি নিয়ে বেরিয়ে গেলেন বনের পথ ধরে রুটির দোকানে, কিনলেন পাউরুটি আর কিশমিশ দেয়া রুটি। ফ্লপসি মপসি আর তুলার-লেজ লক্ষী তাই, ওরা গেল জাম পাড়তে। আর দুষ্টু পিটার ছুটে গেল ম্যগ্রেগর সাহেবের বাগানে, বেড়ার তলা দিয়ে বহু কষ্টে চেপেচুপে! সেখানে খেল একটু লেটুশ, একটু বরবটি, তারপর খেল মূলা। তারপর, একটু খারাপ লাগছিল বলে ধনে পাতা খেয়ে নিল। আর কুমড়া মাচার কাছে এসেই কার সাথে দেখা হয়ে গেল জান? আর কার সাথে, ম্যাগ্রেগর সাহেব!
[sb]আমাদের চৌধুরীবাড়ী`র জন্য লেখা আহবান...[/sb]
[আমাদের চৌধুরীবাড়ী`র প্রথম সংখ্যার প্রচ্ছদ]
আজ আমার বন্ধু ব্লগে আমার প্রথম দিন। প্রথম দিনে বন্ধুদে একটি আহবান জানাই, পথ চলায় সকলের আন্তরিক সহযোগীতা চাই।
আসছে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অন্যমাত্রা মিডিয়া এন্ড পাবলিকেশন্স থেকে আমার সম্পদনায় প্রকাশিত হবে অস্তিত্ব জানান দেয়ার কাগজ ‘ আমাদের চৌধুরীবাড়ী’।
ছবি পোস্টের হাতে খড়ি
কোরিয়া এসে ছবি তুলেছিলাম কয়দিন খুব। কিন্তু ব্লগে দেই নাই।
আজ দিয়ে দেখি পারি কিনা।

বসন্ত এসেছিলো গাছে.।.।।

গাছেই থাকলো কিন্তু মনে আর আসলো না।

নদীর নাম মিরাং এই নদীর গল্প শুনতে শুনতে মাঝে মাঝে মনে হয় শালাদের পদ্মা,মেঘনা অথবা যমুনাতে যদি চুঁবাতে পারতাম

আমার জেলখানা।
হেথাক তোকে মানাইছে না রে...
সকালে ঘুম থেকে উঠেই সন্ন্যাসী হয়ে যেতে ইচ্ছে হল। ইচ্ছেটার পিছনে নিশ্চয়ই কোন না কোন কারন আছে। প্রধান কারনটা তখনই আবিষ্কার করে ফেললাম। গ্রামে ফেরার জন্য মনটা কাঁদছে। কান্নাটা বিলাপের রূপ নেওয়ার আগেই বিছানা ছাড়লাম। শুয়ে থাকলে মনটা আরও আস্কারা পেয়ে যাবে। কম্পিউটার অন করে লিখতে বসলাম। আমার কান্নাগুলো হয়ে গেল কিছু বাংলা অক্ষরের সমষ্টি।
গুরুর জন্য শুভকামনা

পপগুরু আজম খান গুরুতর অসুস্থ। জিহ্বার নিচে মাংস বেড়ে যাওয়ায় গত ১৫ দিন ধরেই নাকি তিনি স্বাভাবিক খাবার খেতে পারছেন না, গান গাওয়া তো দূরের কথা। আজ নাকি তাঁকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। শুনলাম তাঁর নাকি ক্যান্সার হয়েছে। কিন্তু ক্যান্সারের খবরটির সত্যতা জানতে পারলাম না এখনও।
ভয়ে ভয়ে বেঁচে বর্তে আছি।
যুদ্ধের সময় আমার বয়স ছিল ১৪। তখনো হাফপ্যান্ট পরে বনে বাদারে ঘোরাফেরা চলে দেদারসে। এর গাছের আমটা, ওর গাছের কলাটা চুরিতেই কেটে যায় খেলার সময়। এট্টু নুলোছাপা গড়নের ছিলাম বোলে গায়ে গতরের খেলাতে কেউ আমায় দলে নিতে চাইতোনা। কৈশোরের সম্পূর্ণ দুরন্তপনা সপে দিয়েছিলাম একলা একলা নিষেধের বেড়া ভেঙে অনিয়মের খেড়োখাতায়। যুদ্ধের ডামাডোলটা তেমন একটা ছড়ায়নি তখনো আমাদের গায়ে। কেমন একটা গুমোট বাতাস বয়ে যায় শুধু। আমি প
ব্লগ কি বিকল্প গণমাধ্যম হতে পারবে?
আমাদের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক (বেতার ও টেলিভিশন) মিডিয়াগুলো নিজেদের গণমাধ্যম হিসেবে দাবি করলেও সত্যিকার অর্থে সেগুলোর কতোটুকু শুধু ‘মাধ্যম’ এবং কতোটুকু ‘গণ-মাধ্যম’ তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতে পারে। একটি মিডিয়া বা মাধ্যম মানুষের কিছু বিষয় নিয়ে কথা বললেই সেটি গণমাধ্যম হয়ে যায় না। গণমাধ্যম হতে হলে মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকতে হয়; জনমানুষের নিজস্বতা, স্থানীয় ধ্যানধারণা ও সংস্কৃতি গণমাধ্যমে
বিশ্বকাপ শর্টনোট (৮)
ব্রাজিল হারার পর দুঙ্গার নামে এখানে ওখানে চলতে থাকা টুকটাক সমালোচনাগুলো খুব জোর বাতাস পেলো, যে বিশেষজ্ঞরা দু'দিন আগেও "জোগো বোনিতো"র জন্য মৃদু আক্ষেপ করলেও একই সাথে ব্রাজিলকে "সবচেয়ে ব্যালান্সড" দল, "অনন্য ধরনের একতাবদ্ধ" বা "যে কোন ম্যাচ জেতার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত" দল হিসেবে আখ্যা দিতে কার্পণ্য করেননি, তারাই হঠাৎ আবার আগের ফর্মে চলে গেলেন। এটাই ফুটবল, বিশ্বকাপে এমনটাই হয় -- এই ভেবেই হয়তো দুঙ্গাকে
প্রসঙ্গ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
একবেলার নোটিশেই যখন তিন তিনজন অন্যতম যুদ্ধাপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হলো একটি সাধারণ মামলায়, তখন সবাই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন যে এই মামলায় তো এরা দুয়েকদিনের মধ্যেই জামিনে ছাড়া পেয়ে যাবে। এবং এর ফলে আসলে যুদ্ধাপরাধীদের চলমান বিচার প্রক্রিয়ার ক্ষতিই করলো সরকার।
পুরানো কাসুন্দি (উৎসর্গঃ ব্রা-জিল সাপোর্টার ভাই বেরাদারগো...)
পুরানো কাসুন্দি : ১
আমার মেয়েরা, আমার মায়েরা-৩
সম্মানীত সূধীবৃন্দ,
পূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আবারও আপনাদের সামনে এসে হাজির হয়েছে মাসিক শিশুবার্তা। আমাদের এই পর্বে থাকছে ছোট্ট এষা এবং আয়লার ছয় মাসে পদার্পণের সুখবরের পাশাপাশি বাছাই করা কিছু ছবি।
একটি কারখানা বিষয়ক কবিতা...
এক.
আমি এক কারখানা
বিরামহীন উৎপাদন করেছি তাদের।
যারা আজো চোখ মেলে
দেখে নাই মেলা কিছু।
আমার শ্রমিক ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছে,
তার হাতুড়ি বাটাল পড়ে;
তবু নড়ে নাই যন্ত্রের সামর্থ্য।
যন্ত্রাদির সাথে শ্রমিকের কুস্তি চলে...
আমি কারখানা তবু ঠায় আচ্ছাদনের আড়ালে
শ্রমিকদের আর যন্ত্রাদিরে যতনে রেখেছি।
আমি প্রতিদিন যন্ত্র আর শ্রমিকের স্বার্থরক্ষা করে চলি
ঠেকাই রোদ্দুর-বৃষ্টিজল আর গোপনীয়তা...
আউট অব আফ্রিকা
১.
ওসামা বিন লাদেনকে মাঝে মধ্যেই টেলিভিশনের পর্দায় দেখা যায়। তিনি যে বেঁচে আছেন এটা জানাতে লাদেন হাজির হন গোপন জায়গা থেকে। লাদেন মাত্রই নতুন একটি ভিডিও বার্তা ছেড়েছেন। তিনি যে এখনো বেঁচে আছেন এটি তার নতুন আরেকটি প্রমান।
সেখানে তিনি বলেছেন, ইংল্যান্ড যেভাবে জার্মানির কাছে হেরেছে তা লজ্জাজনক। যদিও ব্রিটিশ গোয়েন্দারা লাদেনের এই ভিডিও টেপ যে ভুয়া তা সাথে সাথে জানিয়ে দিয়েছে।
ব্রাজিল-আর্জেন্টিনাঃ ধরিয়ে দিন!
আজ মনে হচ্ছে আমার দিন। নানা ব্লগে সকাল থেকে ঘুরে বেড়াছি। কেন ব্লগে নুতন নুতন লেখা নেই! টুকটাক কিছু ব্রাজিলের পোলাপাইন দুই তিন লাইন লিখে পালিয়ে যাচ্ছে! আজেন্টিনার ছাওয়ালদের তো দুরবীন দিয়েও দেখতে পারছি না! আজেন্টিনার ছাওয়ালরা পালাতে অবশ্য ২৪ ঘন্টা বেশী সময় পেয়েছিলো।