ইউজার লগইন
ব্লগ
সংবিধিবদ্ধ সতর্কী করণ- কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিবেন্না
*সংবিধিবদ্ধ সতর্কী করণ- কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিবেন্না
*সংবিধিবদ্ধ সতর্কী করণ- কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিবেন্না
*সংবিধিবদ্ধ সতর্কী করণ- কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিবেন্না
*সংবিধিবদ্ধ সতর্কী করণ- কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিবেন্না
*সংবিধিবদ্ধ সতর্কী করণ- কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিবেন্না
*সংবিধিবদ্ধ সতর্কী করণ- কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিবেন্না
*সংবিধিবদ্ধ সতর্কী করণ- কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিবেন্না
বাংলাদেশে পাকিস্তানী সন্ত্রাসবাদ প্রসারের নীলনকশা: একটি প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা
আজকের প্রথম আলোতে দেখলাম পাকিস্তান ’৭১ এ বাংলাদেশে গণহত্যার জন্য ক্ষমা চাইতে অস্বীকার করেছে, দেখে মুখ ভরে গেল থুথুতে, মাথায় উন্মাদ রাগ চাড়া দিয়ে উঠলো। মনে পড়ে মাস কয়েক আগে আরেকটা খবরে দেখেছিলাম পাকিরা কূটনৈতিক পর্যায়ে বিনা ভিসায় বাংলাদেশ ভ্রমণের জন্য দেন-দরবার করছে। এইসব দেখে পুরানা কিছু কথা আবারও মনে পড়ে গেল। কথাগুলো গত বেশকিছুদিন যাবতই মাথায় ঘুরছে। লিখবো লিখবো বলে যখনই অলসতার কাছে আত্মসমর্পণ কর
খেলা দেখুন বিশ্বকাপে, ঝড় তুলুন চায়ের কাপে! ১২
আপনারা কিভাবে নেবেন আমি জানিনা, তবে ব্রাজিল ডিফেন্স যে একজন চৌকষ বল প্লেয়ারের বিরুদ্ধে এখনো পরীক্ষিত নয় সেটা আমি বলতে চাই। উত্তর কোরিয়া কিংবা আইভরি কোস্টে উইথ বল ছুটতে পারে এমন কাউকে তাদের আটকাতে হয়নি। কিন্তু রোনালদো'র কমসংখ্যক দৌড়েই জুয়ান কিংবা লুসিও তাল মেলাতে সমস্যায় পড়েছিলো। বাস্তোসের আসল পজিশন রাইট উইং হলেও তাকে খেলানো হচ্ছে লেফট ব্যাক হিসাবে। গতো খেলায় চিলির বলপ্লেয়ার স্যাঞ্চেজকে আটকাতে মাইক
বিষাক্ত মানুষের মৃত্যুতে মোদের দু-ফোঁটা অশ্রুপাত
হে মুমূর্ষু,
তব দখিন বাতায়নে আজি সমীরণের মৃদু সঞ্চালন। ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক, হোক এ ঘোর বরষা, তথাপি তুমি বসন্ত বিলাপে মত্ত। সর্বাঙ্গে টারমারিক মাখিয়া সর্বদন্ত বিকশিত রাখিয়াছ তুমি। আসন্ন ফুলশয্যার সুখস্বপ্নে তুমি মগ্ন।
হে বেকুব,
"সংগা"--একটি অনুবাদ
DEFINITIONS
by C Hottran
Sunday, August 27, 2006
Love
A pleasant illusion of unity
Joy
Dreams in war with reality.
Hope
A fading light inside of thee.
Faith
A thing that’s lost in misery.
Life
Existence on the road of insanity
সংগা
অনুবাদঃ মামুন ম. আজিজ
গুইশ
১.
"মেয়ে জেগে আছে, আস্তে কথা বলো," চাপা গলায় টুম্পার মা যেন গর্জে উঠলো। টুম্পা অবশ্য সবই শুনতে পেল। প্রতিদিনই বাবা-মা'র এরকম নোংরা ঝগড়া হয়। প্রতিদিনই দুজন দুজনকে বলে, "টুম্পা জেগে আছে, আস্তে কথা বলো" ,- তারপরেও টুম্পা প্রতিদিনই সব শুনতে পায়। প্রথম প্রথম খুব মন খারাপ হতো...মন খারাপ হয়, এখনও। আজ বিছানা থেকে আলতো পায়ে নামলো, আস্তে করে ঘরের দরজাটা ভিড়িয়ে দিল। এখনো অবশ্য বাবা-মায়ের চাপা গলার ঝগড়া শোনা যাচ্ছে, শুধু দরজার বাধা পেয়ে শব্দগুলো দুর্বোধ্য হয়ে উঠেছে...এই বা কম কি?
শালগাছটিতে ফুল ফোটে, বর্ষাকালে পাহাড়ে ময়ূর ডাকে
আমার কবি বন্ধু কবি পলাশ দত্ত একটি অন্তর্জালীয় আলোচনায় এসেছিলেন ফেসবুকে। সেটা গেল বছরের ঘটনা। মাঝখানে অনেক বৃষ্টি ঝরে গেছে। কিন্তু কবিতা ঝরে নি। ইচ্ছে করলে পড়া যেতে পারে।
.................................................................................................
পলাশ দত্ত-- কবিতা লেখা বিষয়ে একটা কথা।
কুলদা রায়--বলুন-
এক ফোটা গল্প-১
রিমান্ডের পর ডিবি অফিসে নেওয়ার পরই তারা তিনজন হুড়মুড় করে ঢুকল ডিবি অফিসের কিচেনে। ঢুকেই প্রধান পাচকের পা জড়িয়ে সে কি হাউমাউ করে কান্না তাদের। পাচক তো রীতিমত টাশকিত এবঙ বিরক্ত। রান্নাবান্নার সময় এ কি উৎপাত। সমস্যা কি? সমস্বরে তারা তিনজন আর্জি জানাল পাচকের কাছে, হুজুর আপনিই এখন আমাদের মা-বাপ। একটাই খালি রিকোয়েস্ট। সাপ্লাই দেওয়ার সময় আমাদের ডিমটা একটু হাফ বয়েল করে দিয়েন।
এবি ফ্যান্টাসী লীগ (ফাইনাল): তাড়াতাড়ি দল জমা দিন (সময় -- আর মাত্র পাঁচ ঘন্টা)
দ্বিতীয় লীগের নিয়মকানুনই মোটামুটি অনুসরন করা হবে, তবে বেশ কিছু পরিবর্তন/সংযোজন আনার চিন্তা করতেছি। নিয়মগুলো ভালোভাবে পড়ুন, সবার মতামত জানান। আগে এক রাউন্ডে এক টুর্নামেন্ট হয়েছে, এবার কোয়ার্টার থেকে শুরু করে ফাইনাল পর্যন্ত এই টুর্নামেন্টটাই চলবে। আগে সবাই ৮ টি করে দল জমা দিয়েছে, এবার ৪ (চার) টি করে দল দেবেন। আগেরবার "৮ টি খেলার বিজয়ী হিসেবে ৮টি
বয়ে চলা জীবন কাব্যের পান্ডুলিপি - ৪
চলতে চলতে একদিন হঠাৎ থেমে গিয়েছিলাম। হঠাৎ করেই মনে হল , আমি চলছি কেন ? এই যে নিত্য ছুটে চলা বিরামহীন ভাবে সকাল সন্ধ্যা... কি হবে এই ছুটে চলে ?
শুভ জন্মদিন সচলায়তন
আজ ১৭ আষাঢ় ১৪১৭, জুলাই ০১, ২০১০ খ্রিষ্টাব্দ - বৃহস্পতিবার
আজ থেকে ঠিক তিন বছর আগে ঠিক এই দিনে বাংলা ব্লগের আরেক দিকপাল সচলায়তনের ডট কম এর আগমন ঘটে। চমৎকার সব লেখালেখির প্রতিশ্রুতি নিয়ে ব্লগারদের মাঝে হাজির হয়। এবং সচল তার কথা রাখে... এখনো লেখালেখির জায়গা হিসেবে সচলায়তন অপ্রতিদ্বন্দী। ব্যপক চাঞ্চল্যের মধ্যে দিয়ে জন্ম নেয়া এই ব্লগ সাইটটির আজ জন্মদিন।
বিবর্তনের পথ ধরে হরতাল: গণমানুষের হাতিয়ার যখন দলবাজদের মুঠিতে
ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে দোকানপাট-যানবাহন বন্ধ করে এক অভিনব অসহযোগের কর্মসূচি নিয়েছিলেন মহাত্মা গান্ধী। গুজরাটি ভাষার প্রচলিত শব্দ হরতাল নামে অভিহিত এই ধর্মঘট কর্মসূচি প্রতিবাদের ধরন হিসাবে সে সময় থেকেই উপমহাদেশীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি জনপ্রিয় পদক্ষেপ। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে প্রথম হরতাল কর্মসূচি পালনের নজির পাওয়া যায়। স্বাধিকারের এই আন্দোলন যাত্রা থেকে স্বাধী
ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস আজ
আজ ৩০ জুন, ব্রিটিশবিরোধী সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস। ১৮৫৫ সালের এদিনে ভারতের বর্তমান ঝাড়খণ্ড রাজ্যের সাঁওতাল পরগনার সদর শহর বারহাইতের কাছাকাছি ভাগনাডিহি গ্রামের নিপীড়িত সাঁওতাল পরিবারের চার ভাই সিধু, কানু, চাঁদ, ভৈরব মুর্মু এবং দুই বোন ফুলমনি ও জান মুর্মুর নেতৃত্বে হাজার হাজার সাঁওতাল জুলুমবাজ ব্রিটিশ শাসন আর অন্যায় নিপীড়নের বিরুদ্ধে এক দীর্ঘ গণপদযাত্রার সূচনা করেন। পরবর্তী সময়ে সাঁওতালদের ঐক্যবদ্ধ এই শ্রেণী সংগ্রামে অংশ নেন স্থানীয় আদিবাসী এবং নিপীড়িত প্রান্তিক বাঙালিরাও। (১)
“একজন দারোগা অন্যায়ভাবে কতিপয় সাঁওতালকে গ্রেপ্তার করিয়া থানায় লইয়া যাইতেছিল। পথে বিদ্রোহীরা তাহাদিগকে আটক করিয়া তাহাদের নায়ক সিদু ও কানুর নিকট লইয়া যায়। দারোগা ক্রোধে চিত্কার করিয়া উঠিল: ‘কে তুই সরকারি কাজে বাধা দিস!’ একজন বলিল: ‘আমি কানু, এ আমার দেশ।’
দ্বিতীয়জন বলিল: ‘আমি সিদু, এ আমার দেশ।’
