ইউজার লগইন
ব্লগ
প্রকাশিত হল ফুটবল উৎসবে ইপুস্তক : ফুটবলানন্দ
লাল মনিরহাটের প্রথম যুদ্ধ
মুক্তিযুদ্ধ বাংলার মানুষের এক অহংকার।আমরা আমাদের অস্তিত্বের সাথে এক রকম মিশিয়ে দিতে চাই মুক্তিযুদ্ধকে-যেন স্মৃতিতে অটুট থাকে তাদের কথা যাদের আত্মত্যাগের কারনে আজ আমরা লাল সবুজের এই পতাকা নিয়ে নির্বিবাদে হেটে চলি, যাদের কারনে বলতে পারি আমার একটা দেশ নাম বাংলাদেশ।সে সব মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা আমার সারা জীবনের যাদের কারণে আমরা এদেশের সবকিছু আমাদের বলতে পারি।আর মুক্তিযুদ্ধ শুধুই একটা যুদ্ধ নয়।এটা এক অন
বিশ্বকাপ শর্টনোট (২)
জাপানীরা জার্মানদের সম্পর্কে একটা টার্ম ব্যবহার করা হয়, "গেরমান-দামাশি", যেটার অর্থ ইংরেজীতে দাঁড়ায় জার্মান-হার্ট বা জার্মান-সোল; বাংলায় বলা যায়, জার্মান-বুকের-পাটা। এই জার্মান-দামাশির যে বৈশিষ্ট্যটায় জাপানীরা মুগ্ধ সেটা হলো, "কোন অবস্থাতেই হাল না ছাড়া।" অবশ্য গতকালের ম্যাচে হাল ছাড়া বা না ছাড়ার কোন পরিস্থিতি হয়নি। তারপরও প্রসঙ্গটা টানি, বিশ্বকাপে সবচাইতে দৃঢ় এ্যাটিচিউড নিয়ে খেলে জার্মানী। সেটার প
কোলিয়া সিনিৎসিনের ডাইরী সম্পর্কিত নানা প্রসঙ্গ
আমরা বন্ধুতে আসার পর কয়েকটা হাবিজাবি পোস্ট দেবার পর ভাবছিলাম কি করা যায়। বুঝতেই পারছিলাম হয় আমাকে লেখা বন্ধ করতে হবে , নাহলে এমন কিছু দিতে হবে যা সত্যি সত্যি পাঠ্য। এরকম সময়ে ভাস্কর’দা, নজরুল, টুটুল’দা, জেবু (আপনাদের জেবীন), জয়িতা আপা সহ অনেক এবি সদস্যের সঙ্গে দেখা হয় বইমেলায়। ঝাড়ী খাই নজরুলের কাছে অনুবাদ না দেবার জন্য। বাসায় এসে অনেক্ষণ নেট ঘাঁটলাম কি অনুবাদ দেয়া যায় সেটা বের করার জন্য। আমি খুঁজছিলাম সহজ কিছু, কারণ এর আগে সম্পূর্ণ গল্প-টল্প অনুবাদের অভিজ্ঞতা আমার ছিলনা। অনেক ভেবেচিন্তে কোলিয়া সিনিৎসিনের ডাইরী নির্বাচন করি। শুরু করি অনুবাদ।
ফুটবল ফুটবল দুরন্ত ফুটবল (২)
বিরাশি'র বিশ্বকাপের সময় আমি নিতান্ত'ই বালক আর ছিয়াশি সালে উত্তুঙ্গ কিশোর। বিরাশিতে আমার সুনির্দিষ্ট দলের প্রতি সমর্থন ছিলো না আর ছিয়াশিতে জার্মানি-জার্মানি বইলা আমি গলা কাঁপাই। এই পছন্দের বিষয়টা আমি অকপট কইতে পারি অন্যগো চাইতে আলাদা হওনের চেষ্টা থেইকা হইছিলো। বাঙালিরা তখন আর্জেন্টিনা ব্রাজিল শিবিরে বিভক্ত হইয়া গেছে অলরেডি। মধ্যবিত্ত শহুইরা হিসাবে পপ্যুলার চয়েসের বিরোধী হওনের যেই ভন্ডামির স্বভাব আত
মধ্যবিত্তের ছবি "দহণ"
মধ্যবিত্ত সমাজ যুদ্ধ করে বাস্তবতার সঙ্গে। পৃথিবীর সমস্ত কঠিন বাস্তবতা যেন তাদের ঘিরেই তৈরী হয়। এক অদৃশ্য দেয়াল ঘিরে থাকে তাদের। তারা না পারে হার মানতে না পারে জয়ী হতে। মধ্যবিত্তরা রয়ে যায় হার-জিতের ঠিক মাঝখানটাতে। ভাগ্য যেন তাদের জালের মধ্যেই রেখে দেয়। এমনই বাস্তবতার; বলতে হয় ঢাকার মধ্যবিত্তদের এমনই টানাপড়নের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে শেখ নিয়ামত আলী রচিত এবং পরিচালিত “দহণ” ছবিটিতে।
খেলা দেখুন বিশ্বকাপে, ঝড় তুলুন চায়ের কাপে! ৩
বিশ্বকাপ শর্টনোট
বলপায়ে মেসির দ্রুতগতির দৌড়টা খুবই উপভোগ্য। কিন্তু এখানে একটা বড় সমস্যা আছে। বলপায়ে তার দৌড়ের ডিরেকশনটা প্রায়ই মাঠের প্রস্থ বরাবর হয়, যেদিকে ফাঁকা পাওয়া যায় সেদিকে দৌড়ানোর একটা টেন্ডেন্সী তার আছে। সেজন্য সাথে সাথে মার্ক করে দৌড়াতে থাকা ডিফেন্ডারও তাকে চার্জ করেনা, গার্ডে রাখে শুধু, শেষ "মাইর"টা না দিতে দিলেই তো হয়!
নাম দেই নি
কোথায় কখন দেখেছিলেম
মনে নেই
হয়তো হেমন্তের শিশিরের চিক চিক করা
সূর্যালোকে ক্ষনিকের তরে ঘাষের নরম ডগায়
বুঁনোহাঁসের পালকের নরম উষ্ণতায় কিংবা
ফেলে যাওয়া চড়ুইয়ের খড় কুটোর মত
স্বপ্ন বোনার মত নীড়ে
মেঘনায় ঢেউয়ে ডুবে যাওয়া সূর্যের মত লাল টিপ
আঁকা তোমার কপালের ভাজে
রক্তিম আকাশের প্রতিচ্ছবি বুকে নিয়ে
লাল হওয়া স্রোতের মত তোমার কপোলে
বয়ে চলা ভাবনার ঢেউ
বাদল রহমান, এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী

খুব ছোটবেলায় দেখছিলাম এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী সিনেমাটা। এখন অনেক কিছুই মনে নাই, কিন্তু তখন যে দারুণ ভালো লাগছিলো, তা মনে আছে স্পষ্ট। নায়ক নায়িকার প্রেম নির্ভর ছবির ভীড়ে এমিলের গোয়েন্দা বাহিনীর মতো সিনেমা বানাতে কইলজা লাগে। সেই কইলজাটা ছিলো বাদল রহমানের, এজন্যই বানাইতে পারছিলেন।
খেলা দেখুন বিশ্বকাপে, ঝড় তুলুন চায়ের কাপে ২
আমরা বন্ধু বিশ্বকাপ পাতার কল্যাণে নিশ্চই জেনে গেছেন আজকের খেলার সূচী। আজ ১২ জুন বিশ্বকাপে তিনটি খেলা অনুষ্ঠিত হবে। গ্রুপ বি'এর দুটি এবং সি গ্রুপের একটি খেলা।
দঃ কোরিয়া বনাম গ্রীস
আর্জেন্টিনা বনাম নাইজেরিয়া
ইংল্যান্ড বনাম যুক্তরাষ্ট্র্র
দঃ কোরিয়া বনাম গ্রীস
World Cup 2010 এর কোন ম্যাচ একসাথে সবাই মিলে কি দেখা সম্ভব ?
আমরাবন্ধু'র সবাই মিলে কোথাও কি এই World Cup'2010 এর ম্যাচ দেখার আয়োজন করা যায় ??
কারো বাসায় প্রজেক্টর থাকলে, বড স্ক্রীন'এর টিভি থাকলে অথবা কোন সমস্যা না থাকলে সবাই মিলে মনে হয় এক/দুইটা ম্যাচ দেখা যায়...
সেটাও সম্ভব না হইলে কোন ক্যাফে'তেও সবাই মিলে দেখতে পারি..
আমার ফিফা বিশ্বকাপ দেখা - ১
হারলেও আমরা ভালো খেলেছি। ইত্তেফাকে ১৯৭৮ সালে হল্যান্ডের অধিনায়কের এই কথা দিয়ে একটা রিপোর্ট ছিল বিশ্বকাপের ফাইনালের। তখন বিশ্বকাপ কি বুঝিনা। কোথায় খেলা হচ্ছে না হচ্ছে জানিনা। বাসায় টিভিও ছিলনা। আমার বিশ্বকাপ ফুটবল সম্মন্ধে সেই প্রথম কোনো ধারণা পাওয়া। তবে আজ এত বছর পরও মনে আছে সেই রিপোর্টের কথা, আর্জেন্টিনা তিন এক গোলে হল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়।
কল্পনা চাকমার অপহরণকারীদের খুঁজে বের করে শাস্তি দেওয়া হোক
১
পরানানে ডাগের তরে
হুদু তুই গেলে...
রেদত জাগি ছউগত ভাজে ...
ডাগানান কানথ এলে...
ও ও ও কল্পণা,
তুই আইনা,
হুদু তুই গেলে...।
(কল্পনা চাকমা স্মরণে চাকমা গান)
পুরানো সেই দিনের কথা-৩
আজ স্কুল,কলেজ আর ইউনি এর স্যার ম্যাডামদের কথা মনে পড়ে গেল।।
কি বান্দরামি টা করতাম ওই সময়ে।।
আমাদের স্কুলে স্যারদের সবার একটা আলাদা নাম ছিলো।পোলাপাইন আড়ালে আবডালে স্যারদের ওইনামে ডাকতো।।
আলাউদ্দিন স্যার উনি ইংরেজীর শিক্ষক ছিলেন খুব ভালো পড়াইতেন কিন্তু সাথে মাইরটাও সেই রকম দিতেন উনারে পোলাপাইন পাঠা বলে ডাকতেন কেন ডাকতো নিজেও জানতাম না। ক্লাস এইটের বৃত্তি কোচিং এর সময় আমাদের ফাস্ট বয় জুয়েলকে ধরে পিটাচ্ছে আর একজন রাজীব মাইর খাওয়ার জন্য ওয়েট করতেছে কারন পরের সিরিয়াল এই সময় জুয়েল বললো রাজীব তুই পালা।রাজীব পালানো বাদ দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলো আর স্যার জুয়েলকে আরো কিছু উপরি দিয়ে ছাড়লো কুবুদ্ধি দেয়ার জন্য। কিন্তু আমি কোন দিন এই স্যার এর কাছে মাইর খাইনি।
