ইউজার লগইন
ব্লগ
ফুলের বাগান
আমাদের এক স্যার আছিলেন রেসিডেন্সিয়াল মডেলে, তার নাম নাহয় নাই বল্লাম, ধরে নেন তার নাম নিব, জীববিদ্যা পড়াইতেন, জীববিদ্যা পড়াইতে পড়াইতে উনি মনে হয় একটু বেশি উত্তেজিত হয়ে গিয়েছিলেন, তাই পড়ানোর পাশাপাশি যাবতীয় জীববিদ্যার ব্যাপার স্যাপার দেখতে শুরু করলেন। সমস্যা হয়ে দাড়ালো যখন সেই সব গোপন কথা ফাঁস হয়ে গেল। আমাদের ক্লাসে আবার ৩ জন বন্ধু ছিল যাদের বাবা আমাদের শিক্ষক, তাই তারাও ক্যাম্পাসে থাকত, একই কারণে ত
বেঁচে আছি ভুল করে
প্রত্যেকটি মানুষের জীবনে সবচে' সত্য হলো মৃত্যু! সকল জীবে'র জীবন খেয়ে মৃত্যু বাঁচে, আশ্চর্য হলেও মানতে হয় মৃত্যুর মৃত্যু হয় না! মৃত্যুর ক্ষুধা মেটে না! আমরা জানি মরতে হবে আমাদের। সবকিছু অস্বীকার করতে পারি কিন্তু মৃত্যুকে কিভাবে অস্বীকার করি। তবু আমরা বেঁচে থাকার জন্যে কত কি করি, অন্যকে খুন করি নিজে বেঁচে থাকার জন্যে। রঙিন রঙিন স্বপ্ন গাঁথি, অন্যকেও স্বপ্ন দ্যাখাই নিজেও স্বপ্ন দেখি।
পুরানো সেই দিনের কথা-২
চারদিকে খালি খারাপ খবর।আর ভালো লাগতেছে না। আজ সকালে শুনলাম ঢাকা তে অনেক বৃষ্টি হয়ছে। একটা পুরান দিনের কথা মনে পড়ে গেল……।।তাই লিখতে বসলাম।
বিল্ডিংয়ে ফাটল, শান্তিনগরে আতংক ও একটি ফটো স্টোরি

কনকর্ড গ্র্যান্ড (১৬৯/১, শান্তিনগর)

বিল্ডিংয়ের বীমে দেখা দিয়েছে ফাটল। আতংক ছড়িয়ে পড়তে খুব বেশি সময় নেয় নি

ফায়ার সার্ভিসের এই ভদ্রলোক নিজেই হঠাৎ ফায়ার হয়ে গেলেন। কে জানে কেন..

বৃষ্টির মধ্যে গাড়িতে করে বাড়ি ছাড়ছেন মানুষ, দেখে খারাপ লাগলো
আতঙ্কের নগরী থেকে
১.
বেগুনবাড়ি আর নিমতলী বিভীষিকার পর ঢাকা পরিণত হয়েছে বিভীষিকার নগরীতে। টানা ঝড় বৃষ্টিতে নগর জীবন এমনিতেই বিপর্যস্ত। এরই মধ্যে একের পর এক খবর আসছে ভবন হেলে পড়ার অথবা ভবনে ফাটলের।
আজ শোক
আজ শোক!
পত্রিকায় শোক, টিভিতে শোক
রাস্তায় শোক, পাড়ায় শোক
গলিতে শোক, রাজপথে শোক
অর্ধনমিত জাতীয় পতাকায় শোক।
দিন শেষে শোকের রুটিন শেষ হলে পর,
আমাদের শোক আপাতত স্থগিত করা হবে পরবর্তী কোন দূর্ঘটনার জন্য।
'আল্লার দুনিয়ায় বেঁচে আছি' এই পরিতৃপ্তি নিয়ে আজ ঘুমাবো আমরা;
কেবল জেগে থাকবে স্বজন হারানো কিছু অনিবার্য শোকাতুর।
এর মধ্যে নিরাপদ শহরের দাবিতে আমরা কেউই রাস্তায় নামবো না;
মেজবাহ যায়াদ আহত...।।
কিছুখন আগে আমাদের মেজবাহ যায়াদ এক দুঘটনায় আহত হয়েছেন। বতমানে ভাল আছেন।
ঘটনাটি হছে - এক সেমিনারে/ অরিয়েন্টেশনে যোগ দিতে তিনি ল্যাব এইড এর ৮ তলায় যান। সেমিনারে/ অরিয়েন্টেশনে দেরী হওয়াতে তিনি এবং অন্নন্য কয়েকজন পাশে কথা বলছিলেন। এ সময় শুরু হ্লো ঝড়! হাল্কা তুফানের মত! ৫/৬ টি ওয়াল গ্লাস ভেগে পড়ে নিমিশেই। আচমকা। ৪ জন আহত - অনেক টা মত্যুর হাত থেকে ফিরে আসছেন।
লোকেন বোসের জর্নাল: ১
আমাদের প্রাণ পথের আহত মাছিদের মতো!
[জীবনানন্দ দাশ]
"নিমতলী হাহাকার" আমাদেরকে এখনো পর্যন্ত দিয়েছে ১১৭ টি মৃতদেহ। এর সঙ্গে আরো যোগ হবে কতজন? তা এখনো অনিশ্চিত। মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে এখনো অনেকেই। ধ্বংসস্তুপ থেকে আরো লাশ বের হয়ে আসার সম্ভাবনাও নাকচ করা যাচ্ছে না।
দাউ দাউ পুড়ে যায় কায়েতটুলী
দাউ দাউ পুড়ে যায় কায়েতটুলী। ঝলসানো মাংসের গন্ধে বাতাস ভারী হইয়া উঠে। সাথে চলে আহাজারী। প্রিয়জন হারাইয়া ফেলা মানুষের আতর্নাদে পরিস্থিতি উসকায় না বরং আরো থমথমে হয়। অনুভূতিগুলি হয় পাথর পাথর। ঠিক যেই মুহুর্তে এই লেখায় মনোনিবেশ করছি তার আগমুহুর্তে সংখ্যাটা ছিলো ১৫৫...ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্টে তামিম ইকবাল ১৫৫ রান করতে পারলে এই মহল্লার অধিবাসীরাই হয়তো মিছিল বাইর করতো। আর এখন ১৫৫ দুঃখের বার্তাবহ হয়। আমি অজা
"একটি খোলা চিঠি" জয়ীতাকে
প্রিয় বন্ধু আমার,
কেমন আছ তুমি? তোমার ভালো থাকার প্রত্যাশা নিয়ে লিখছি। তোমাকে লিখবো লিখবো করে দেরি করেই ফেললাম। আমি ভারাক্রান্ত মনে ফিরে এসেছি। আমার ব্যাথাতুর মন ব্যাথার ভারে আরো নূ্যে পড়েছিলো, যখন আমাদের দেখা হচ্ছেনা শুনে তোমার আবেগী কন্ঠে আকুলতা আর অনুযোগের সুর ধ্বনিত হলো।
শিশ্নবাদী সন্ধ্যায়
একদা সন্ধ্যায় চুল ছেড়ে হেটেছিলে;
আর সেই সুখে প্রবীণ আনন্দে
অন্ধকারে হেসে উঠেছিলেন প্রসন্ন শিশ্নবাদী;
ক্ষয়ের রোগ নিয়ে মহার্ঘ চুলে
এলোমেলো মিশে যাচ্ছেন তিনি ...
বিপন্ন শাড়ির কাছা ধরে তরতর করে উঠে যাচ্ছেন
সত্যসাক্ষী লেজ ভাঙ্গা টিকটিকি; -- ভোগ;
আর দ্বিধা-নমিত মুখে ক্রোধ ঢেলে দিলে বৈধ
শয্যাসঙ্গী নিমেশই মুছে যেও অদৃশ্য অঙ্গীকারে
অথবা কেশগুচ্ছে জ্বেলে দিও ‘না’ এর প্রবল শিখা
হুদাই পোস্ট, জাতির বিবেকের কাছে কোনো প্রশ্ন নাই
উড়ুক্কু কথা-১
ক্লাশ টেনের কথা।স্কুলের চৌকাঠ পেরুবো পেরুবো করছিলাম।পড়াশোনার হালকা পাতলা চাপও ছিল।স্যারদের কাছে প্রাইভেট তো দূরে থাক ,মায় স্কুলের ক্লাস কামাই করাটা রীতিমত দুষ্কর ছিল।ক্যাণ্ডিডেট ব্যাচ বলে স্যাররা আমাদের ওপর একেবারে শ্যেন দৃষ্টি রাখতেন,একদম এদিক ওদিক করার সুযোগ দিতেননা।ক্লাস শেষে তাই খেলার মাঠে দাপিয়ে বেড়ানোর মওকাও খুব একটা মিলতনা।সব মিলে বেশ শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা,কদিন পরেই আমরা দস্তুরমত হাঁপিয়ে উঠলা
ঢাকার কায়েতটুলিতে আগুন! [আপডেট ২]
ঢাকার আগামসি লেনের কায়েতটুলিতে আগুন লেগেছে। জানা গেছে, বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরনে এই অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত। সেখানে অবস্থিত বেশ কটি প্লাস্টিক কারখানা থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে। আজকে [৩ জুন, ২০১০] রাত ৯টায় আগুন লাগে, ইতোমধ্যে তা ছড়িয়ে পড়েছে প্লাস্টিক কারখানার আশেপাশের ভবনেও। ইতোমধ্যেই ২০টি লাশ পাওয়া গেছে বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে। প্রতিমুহূর্তেই এই সংখ্যা বাড়ছে। মৃতের সং
তিনি আমার বড় মা ছিলেন
তিনি ১২ বছর বয়সেই আমার নানার মা হয়ে আসেন, নানার আপন মা মারা গেলে নানার বাবা তাঁকে বিয়ে করে নিয়ে আসেন সংসারে। তাঁর ছেলে ছিল তাঁর খেলার সাথী।
দূর্ভাগ্যক্রমে তিনি ১৬ বছর বয়সেই বিধবা হন। নিজের কোন সন্তান হয়নি, অন্য কোথাও বিয়ে বসার কথা তখনকার সমাজে কেউ কল্পনাও করতে পারতোনা বলে তিনি বিধবা হয়েই, সাদা শাড়ী পড়েই সারা জীবন কাটিয়ে দিলেন , নানা কে আগলে ধরে রেখে।