ইউজার লগইন
ব্লগ
আত্মমগ্ন কথামালা- (একমুঠো শহুরে জোনাকের স্মৃতি)
ওরা হাঁটছে করিডোর ধরে... আর এক এক করে জোনাকের লাশ গুনে চলছি আমরা।
.
শহুরে মানুষগুলো কখনো জোনাক দেখেনি
তাই তারা জানে না জোনাক হতে গেলে কাঁধে পাখা থাকতে হয়
নয়তো নিজের আগুনেই নিজের পুড়ে যাওয়ার নিয়ম লেখা গ্রন্থিত ইতিহাসে।
.
.
.
সেদ্ধ অর্ধসেদ্ধ জোনাকের দেহ জমে উঠছিল করিডোর জুড়ে।
.
.
.
ওরা হেঁটে আসছে করিডোর ধরে
.
ওদের হাতের মহামূল্যবান আংটি থেকে ঠিকরে পড়ছে মৃত্যুর রং
.
ব্যাটসম্যানগুলারে কি করা যায়?
গতকাল খুব উৎসাহ নিয়ে খেলা দেখছিলাম। টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৪১৯ খুব বেশি না। বাংলাদেশ ব্যাটসম্যানবহুল টিম। তাই সাকিবের ৫ উইকেট পাওয়ায় খুব খুশি ছিলাম।
তারপর ওপেনিং জুটি তামিম আর কায়েস মিলে করে ফেললো ১২৬ রান। খুশিতে তখন নাচার অবস্থা। এই অবস্থায় ম্যাচ নিয়ে আশাবাদী হওয়াই যায়। প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়াও সম্ভব।
অথচ তারপর কি হলো!
অহনার অজানা যাত্রা (পাঁচ)
বিদেশ মানে সুন্দর সুন্দর ছবির মতো বাড়ি, বাড়ির সামনে বড় লন যাতে নানা রঙের ফুল ফুটে আছে। ফুলের ওপর বর্ণিল প্রজাপতি উড়ছে। দামী গাড়িতে করে হাওয়া খেতে খেতে আজ এদিকে কাল সেদিকে বেড়াতে যাওয়া। ভালো রেস্টুরেন্টে ইকরি মিকরি নামের খাবার দিয়ে মোমবাতির আলোয় ডিনার করা, এই প্রাক রোমান্টিক ধারনাকে সর্বাংশে মিথ্যে করে দিয়ে অহনার জীবনে বিদেশ ধরা দিল কঠিন পার্বত্য জীবনের রূপে। অহনার কাছে বিদেশ মানে বাসে করে ডাচ স্কুলে যাওয়া, ভিন্ন ভাষায় লেখা ও অপরিচিত মোড়কে রাখা জিনিসপত্র থেকে তার প্রয়োজনীয় জিনিস বাজার করা এবং সে বাজার টেনে বাসায় আনা। রান্না করা, কাপড় ধোয়া এবং ইস্ত্রি করা, বাড়িঘর ডাষ্টিং করার রূপ নিয়ে। অতি অল্প দিনেই হাঁপিয়ে উঠলো অহনা। ইউনিভার্সিটির অবাধ ঘোরাঘুরি, ফুচকা, ঝালমুড়ি, মামা হালিম, গাওছিয়া, ইষ্টার্ন প্লাজা, মহিলা সমিতি সবকিছুর জন্য সে অধীর হয়ে উঠলো। পুরনো দিনের জন্য ব্যাকুল সে প্রায়ই কান্নাকাটির এক
মায়ের জন্য লিখা ডায়েরী
মা ----

ফেসবুক উন্মুক্ত
আপাতত খবর দেই. পরে বিশ্লেষণ। ফেইসবুক খুলে দিছে সরকার। কোনো প্রক্সি সার্ভার না, কোনো কিছু না, ফেসবুক এখন আগের মতোই ব্যবহার করা যাবে।
খবরটা পাওয়ামাত্র শেয়ার করলাম। এর আগেপিছে কিছুই এখনো জানি না। এই পোস্ট শুধু খবারটা শেয়ার করার জন্যই। বিশ্লেষণ পরে করবো
ফুলের বাগান
আমাদের এক স্যার আছিলেন রেসিডেন্সিয়াল মডেলে, তার নাম নাহয় নাই বল্লাম, ধরে নেন তার নাম নিব, জীববিদ্যা পড়াইতেন, জীববিদ্যা পড়াইতে পড়াইতে উনি মনে হয় একটু বেশি উত্তেজিত হয়ে গিয়েছিলেন, তাই পড়ানোর পাশাপাশি যাবতীয় জীববিদ্যার ব্যাপার স্যাপার দেখতে শুরু করলেন। সমস্যা হয়ে দাড়ালো যখন সেই সব গোপন কথা ফাঁস হয়ে গেল। আমাদের ক্লাসে আবার ৩ জন বন্ধু ছিল যাদের বাবা আমাদের শিক্ষক, তাই তারাও ক্যাম্পাসে থাকত, একই কারণে ত
বেঁচে আছি ভুল করে
প্রত্যেকটি মানুষের জীবনে সবচে' সত্য হলো মৃত্যু! সকল জীবে'র জীবন খেয়ে মৃত্যু বাঁচে, আশ্চর্য হলেও মানতে হয় মৃত্যুর মৃত্যু হয় না! মৃত্যুর ক্ষুধা মেটে না! আমরা জানি মরতে হবে আমাদের। সবকিছু অস্বীকার করতে পারি কিন্তু মৃত্যুকে কিভাবে অস্বীকার করি। তবু আমরা বেঁচে থাকার জন্যে কত কি করি, অন্যকে খুন করি নিজে বেঁচে থাকার জন্যে। রঙিন রঙিন স্বপ্ন গাঁথি, অন্যকেও স্বপ্ন দ্যাখাই নিজেও স্বপ্ন দেখি।
পুরানো সেই দিনের কথা-২
চারদিকে খালি খারাপ খবর।আর ভালো লাগতেছে না। আজ সকালে শুনলাম ঢাকা তে অনেক বৃষ্টি হয়ছে। একটা পুরান দিনের কথা মনে পড়ে গেল……।।তাই লিখতে বসলাম।
বিল্ডিংয়ে ফাটল, শান্তিনগরে আতংক ও একটি ফটো স্টোরি

কনকর্ড গ্র্যান্ড (১৬৯/১, শান্তিনগর)

বিল্ডিংয়ের বীমে দেখা দিয়েছে ফাটল। আতংক ছড়িয়ে পড়তে খুব বেশি সময় নেয় নি

ফায়ার সার্ভিসের এই ভদ্রলোক নিজেই হঠাৎ ফায়ার হয়ে গেলেন। কে জানে কেন..

বৃষ্টির মধ্যে গাড়িতে করে বাড়ি ছাড়ছেন মানুষ, দেখে খারাপ লাগলো
আতঙ্কের নগরী থেকে
১.
বেগুনবাড়ি আর নিমতলী বিভীষিকার পর ঢাকা পরিণত হয়েছে বিভীষিকার নগরীতে। টানা ঝড় বৃষ্টিতে নগর জীবন এমনিতেই বিপর্যস্ত। এরই মধ্যে একের পর এক খবর আসছে ভবন হেলে পড়ার অথবা ভবনে ফাটলের।
আজ শোক
আজ শোক!
পত্রিকায় শোক, টিভিতে শোক
রাস্তায় শোক, পাড়ায় শোক
গলিতে শোক, রাজপথে শোক
অর্ধনমিত জাতীয় পতাকায় শোক।
দিন শেষে শোকের রুটিন শেষ হলে পর,
আমাদের শোক আপাতত স্থগিত করা হবে পরবর্তী কোন দূর্ঘটনার জন্য।
'আল্লার দুনিয়ায় বেঁচে আছি' এই পরিতৃপ্তি নিয়ে আজ ঘুমাবো আমরা;
কেবল জেগে থাকবে স্বজন হারানো কিছু অনিবার্য শোকাতুর।
এর মধ্যে নিরাপদ শহরের দাবিতে আমরা কেউই রাস্তায় নামবো না;
মেজবাহ যায়াদ আহত...।।
কিছুখন আগে আমাদের মেজবাহ যায়াদ এক দুঘটনায় আহত হয়েছেন। বতমানে ভাল আছেন।
ঘটনাটি হছে - এক সেমিনারে/ অরিয়েন্টেশনে যোগ দিতে তিনি ল্যাব এইড এর ৮ তলায় যান। সেমিনারে/ অরিয়েন্টেশনে দেরী হওয়াতে তিনি এবং অন্নন্য কয়েকজন পাশে কথা বলছিলেন। এ সময় শুরু হ্লো ঝড়! হাল্কা তুফানের মত! ৫/৬ টি ওয়াল গ্লাস ভেগে পড়ে নিমিশেই। আচমকা। ৪ জন আহত - অনেক টা মত্যুর হাত থেকে ফিরে আসছেন।
লোকেন বোসের জর্নাল: ১
আমাদের প্রাণ পথের আহত মাছিদের মতো!
[জীবনানন্দ দাশ]
"নিমতলী হাহাকার" আমাদেরকে এখনো পর্যন্ত দিয়েছে ১১৭ টি মৃতদেহ। এর সঙ্গে আরো যোগ হবে কতজন? তা এখনো অনিশ্চিত। মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে এখনো অনেকেই। ধ্বংসস্তুপ থেকে আরো লাশ বের হয়ে আসার সম্ভাবনাও নাকচ করা যাচ্ছে না।
দাউ দাউ পুড়ে যায় কায়েতটুলী
দাউ দাউ পুড়ে যায় কায়েতটুলী। ঝলসানো মাংসের গন্ধে বাতাস ভারী হইয়া উঠে। সাথে চলে আহাজারী। প্রিয়জন হারাইয়া ফেলা মানুষের আতর্নাদে পরিস্থিতি উসকায় না বরং আরো থমথমে হয়। অনুভূতিগুলি হয় পাথর পাথর। ঠিক যেই মুহুর্তে এই লেখায় মনোনিবেশ করছি তার আগমুহুর্তে সংখ্যাটা ছিলো ১৫৫...ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্টে তামিম ইকবাল ১৫৫ রান করতে পারলে এই মহল্লার অধিবাসীরাই হয়তো মিছিল বাইর করতো। আর এখন ১৫৫ দুঃখের বার্তাবহ হয়। আমি অজা
"একটি খোলা চিঠি" জয়ীতাকে
প্রিয় বন্ধু আমার,
কেমন আছ তুমি? তোমার ভালো থাকার প্রত্যাশা নিয়ে লিখছি। তোমাকে লিখবো লিখবো করে দেরি করেই ফেললাম। আমি ভারাক্রান্ত মনে ফিরে এসেছি। আমার ব্যাথাতুর মন ব্যাথার ভারে আরো নূ্যে পড়েছিলো, যখন আমাদের দেখা হচ্ছেনা শুনে তোমার আবেগী কন্ঠে আকুলতা আর অনুযোগের সুর ধ্বনিত হলো।