ইউজার লগইন
ব্লগ
বিশ্বকাপ নিয়ে গেসবল

বিশ্বকাপ এসে গেলো গেলো বলে। কি আছে দুনিয়ায়! আমরাবন্ধুর এই চমৎকার স্লোগানটার কথা মনে পড়ে যায়, যখন মনে মনে ঠিক করি আবারও বিশ্বকাপের উন্মাদনায় কেয়ার করবোনা কিছু; কাজের চাপ, ব্যস্ততা, বসের হুকুম, সেমি-বসের ঝাড়ি -- কোনোকিছুকেই তোয়াক্কা না করে বুঁদ হয়ে যাবো বিশ্বকাপে।
দূর্ভাগ্য আমাদের পিছু ছাড়ছে না!!
একটার পর একটা দূর্ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে। আকাশের কালো মেঘটা থামানো যাচ্ছে না। প্রতিদিন কোন না কোন দূর্ঘনার সংবাদ আমাদের হৃদয়ের রক্তক্ষরণকে বাড়িয়ে তুলছে। আজ সকলের খবর:
.
মিডিয়া ভাবনা: আমার দেশ ও দিগন্ত টিভি
১.
মাহমুদুর রহমানকে পছন্দ করার আমার তেমন কোনো কারণ নাই। পেশাগত কারণে তাকে আমি চিনি বহুদিন ধরে। তাঁর কান্ডকীর্তি লিখে শেষ করা যাবে না। যে লোকটির পত্রিকায় লেখা হয়, কেন হিন্দুরা পদোন্নতি পায়-তার তাকে পছন্দ করার মতো কিছু থাকে না। মতায় থাকতে এই লোকটি কীরকম বাড়াবাড়ি করেছে সেটি অনেকেই হয়তো জানেন। এই লোকটির সবচেয়ে বড় সখ্যতা জামায়াতের সাথে।
সময়টা বড় বেশি খারাপ যাচ্ছে
সময়টা বড় বেশি খারাপ যাচ্ছে। গত বুধবার বিকেলের পর থেকে আমি ছিলাম নারায়ণগঞ্জে। ছোট বোন আর ছোট ভাইয়ের বৌও গিয়েছিল সেখানে বৃহস্পতিবার। শুক্রবার আমার শ্যালকের বিয়ের রিসেপশন। এর আগের শুক্রবার বিয়ে হয়েছে।
বুধবার
বুধবার রাতে টিভির দিকে চোখ পড়তেই চমকে উঠেছি। বেগুন বাড়িতে একটি ৫ তলা বাড়ি হেলে পড়েছে। কয়েকজন নিহত হয়েছে। আহতদের সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি।
কুয়োর ব্যাঙের স্বর্গ ভ্রমন- ২
রিসোর্টটি কাঠের বটে..তবে এতো সুন্দর করে সাজানো গোছানো। ঠিক যেন নীল রঙের মাঝে কাঠ আর সবুজের ছিটেফোঁটার আকিবুকি।
ভেতর -বাহির (ত্রয়োদশ পর্ব) [ আঁতকে উঠি প্রতিদিন প্রতিকাল....]+
[ আঁতকে উঠি প্রতিদিন প্রতিকাল....]
একদা আঁতকে ওঠাটা ছিল বকেয়া , তারপর সেটা হলো নিত্য , আর পরে সেটা বর্তমানে এসে হয়ে গেলো অগ্রীম।
এই যে আমার আঁতকে ওঠার ক্রম বিবর্তন ধারা , তার কার্যকারন দৈনিক পত্রিকার সাদা কালো এবং রঙিন হরফে লেখা খবর বিষয়ক।
কক্সবাজার নারিকেল জিঞ্জিরা ভ্রমন ৪ : বিদায় দারুচিনি দ্বীপ এবং ২০০৯
সকালে জিশান জানায় মাঝ রাতে মাছ ধরার নৌকা দিয়ে সমূদ্রে ঘুরে এসেছে। এখানে তার বন্ধুদের সাথে দেখা হয়েছে, তাদের সাথে। খুব আফসোস লাগে, এমন সুযোগ কি আর পাওয়া যাবে!
স্মৃতির পহেলা বৈশাখ (১)........সীমানা পেরিয়ে / তানবীরা
অনেকদিন থেকেই ব্লগে প্রকাশ হওয়া ইবুকের লেখাগুলি ক্রমান্বয়ে সবার সামনে উপস্থাপনের অনুরোধ ছিলো। আলোচনা সমালোচনার খরগ তলে আনাটা হয়তো লেখকেরো কাম্য। অনেক দেরীতে হলেও আজ থেকে ই বুকের লেখাগুলি ব্লগে প্রকাশ করা শুরু হলো। প্রথমেই ই বুক "স্মৃতির পহেলা বৈশাখ" এর লেখাগুলি দিয়ে শুরু করছি।
সীমানা পেরিয়ে
- তানবীরা
দিল্লীকা লাড্ডু
সে অনেক কাল আগের কথা। আমি তখন পায়ের নীচে সরিষা নিয়ে ঘুরে বেড়াই এই জঙ্গল থেকে সেই পাহাড়ে। ঘুরতে ঘুরতে একবার গিয়ে পড়লাম দিল্লী শহর। তবে স্রেফ ঘুরতে না, জরুরী কাজে, একটা ট্রেড শোতে। একেবারে নতুন না, আগেও এসে ঘুরে ফিরে দেখে গিয়েছি দিল্লী সহ ভারত বর্ষের অনেক শহর। তবে সেই যাত্রায় মজার একটা কাণ্ড হলো। সেটাই বলছি আপনাদের।
কুয়োর ব্যাঙের স্বর্গ ভ্রমন-১
এই গল্পের প্রধান চরিত্র আমি নই। প্রধান চরিত্র চার ল্যাবরেটরিয়ান। সুমন (তাস্তুবালা), মাকসুদ (মাক্কু), শিবলী এবং হাসিব। এই চার বন্ধু এই শহরের এমন চারটি মানুষ, যারা অবাধ স্বাধীনতায় বড় হয়েও বেড়ে উঠেছে সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক পথে। কোন নেশা নেই, কোন অনৈতিক কাজে তাদের সায় নেই।মোটেই প্রশংসা করছিনা। যা সত্য শুধু ততটুকুই বলছি। এই চার বন্ধু তাদের অবাধ স্বাধীনতাকে কাজে লাগিয়ে অপার বিস্ময়ে দেখছে পৃথিবীর অনন্য রূপ। এরা টাকা জমিয়ে দেশে বিদেশে ঘুরতে পছন্দ করে। এমন নয় যে স্বচ্ছল হয়েই এখন তারা ঘোরে। তারা চারজন বেড়ায় তখন থেকে, যখন তারা ছিল স্বচ্ছলতার সীমার বাইরে। আমার ভালো লাগাটা এখানেই।
"আলোছায়া"-- সাহিত্য পত্রিকার প্রথম সংখ্যার জন্য লেখা আহ্বান
ব্রাজিল জিতছিলো তিন R-এর কল্যাণে, শেখ হাসিনাও তিন R-এর কান্ধে চাপলো?
এক.
শিরোনাম কি সেটা ভাবতে গিয়ে ৩০ মিনিট খরচ করলে আমার ঘুমের বারোটা বাজবে।
অনেককাল আগে আমরাবন্ধু ব্লগ আকারে আসার খবরে অনেকখানি খুশি হয়ে ভেবেছিলাম অনেক ব্লগাবো। কিন্তু আলসেমীর রেকর্ডটাকে নিজের করে রাখার চেষ্টায় সেটা আর করা হয় নি। মাঝে মাঝে পড়ে যেতাম এসে। তবে তাও খুব কম। ইদানিং ফেইসবুক ছাড়া অন্য কোথাও যাওয়া আসা হয় না। ফেইসবুকেও সীমিত আনাগোনা। হাতে সময় অফুরন্ত কিন্তু ওই যে রেকর্ডটা আমারই থাকতে হবে তো!
প্রিয় একটি গান : মেঘ থম থম করে
বিমূর্ত এই রাত্রী আমার
মৌনতার সূতোয় বোনা---
একটি রঙিন চাদর।।
.
সেই চাদরের ভাঁজে ভাঁজে
আছে ভালবাসা, আদর
.
অনেক পুরানা একটা গান। বাংলা সিনেমার স্বর্ণযুগ ছিলো সে সময়। অনেক ছোট সময়ে টিভিতে দেখা এই সিনেমাটা। গানগুলো এখনো গুন গুন করি।


