ইউজার লগইন
ব্লগ
কুয়োর ব্যাঙের স্বর্গ ভ্রমন- ২
রিসোর্টটি কাঠের বটে..তবে এতো সুন্দর করে সাজানো গোছানো। ঠিক যেন নীল রঙের মাঝে কাঠ আর সবুজের ছিটেফোঁটার আকিবুকি।
ভেতর -বাহির (ত্রয়োদশ পর্ব) [ আঁতকে উঠি প্রতিদিন প্রতিকাল....]+
[ আঁতকে উঠি প্রতিদিন প্রতিকাল....]
একদা আঁতকে ওঠাটা ছিল বকেয়া , তারপর সেটা হলো নিত্য , আর পরে সেটা বর্তমানে এসে হয়ে গেলো অগ্রীম।
এই যে আমার আঁতকে ওঠার ক্রম বিবর্তন ধারা , তার কার্যকারন দৈনিক পত্রিকার সাদা কালো এবং রঙিন হরফে লেখা খবর বিষয়ক।
কক্সবাজার নারিকেল জিঞ্জিরা ভ্রমন ৪ : বিদায় দারুচিনি দ্বীপ এবং ২০০৯
সকালে জিশান জানায় মাঝ রাতে মাছ ধরার নৌকা দিয়ে সমূদ্রে ঘুরে এসেছে। এখানে তার বন্ধুদের সাথে দেখা হয়েছে, তাদের সাথে। খুব আফসোস লাগে, এমন সুযোগ কি আর পাওয়া যাবে!
স্মৃতির পহেলা বৈশাখ (১)........সীমানা পেরিয়ে / তানবীরা
অনেকদিন থেকেই ব্লগে প্রকাশ হওয়া ইবুকের লেখাগুলি ক্রমান্বয়ে সবার সামনে উপস্থাপনের অনুরোধ ছিলো। আলোচনা সমালোচনার খরগ তলে আনাটা হয়তো লেখকেরো কাম্য। অনেক দেরীতে হলেও আজ থেকে ই বুকের লেখাগুলি ব্লগে প্রকাশ করা শুরু হলো। প্রথমেই ই বুক "স্মৃতির পহেলা বৈশাখ" এর লেখাগুলি দিয়ে শুরু করছি।
সীমানা পেরিয়ে
- তানবীরা
দিল্লীকা লাড্ডু
সে অনেক কাল আগের কথা। আমি তখন পায়ের নীচে সরিষা নিয়ে ঘুরে বেড়াই এই জঙ্গল থেকে সেই পাহাড়ে। ঘুরতে ঘুরতে একবার গিয়ে পড়লাম দিল্লী শহর। তবে স্রেফ ঘুরতে না, জরুরী কাজে, একটা ট্রেড শোতে। একেবারে নতুন না, আগেও এসে ঘুরে ফিরে দেখে গিয়েছি দিল্লী সহ ভারত বর্ষের অনেক শহর। তবে সেই যাত্রায় মজার একটা কাণ্ড হলো। সেটাই বলছি আপনাদের।
কুয়োর ব্যাঙের স্বর্গ ভ্রমন-১
এই গল্পের প্রধান চরিত্র আমি নই। প্রধান চরিত্র চার ল্যাবরেটরিয়ান। সুমন (তাস্তুবালা), মাকসুদ (মাক্কু), শিবলী এবং হাসিব। এই চার বন্ধু এই শহরের এমন চারটি মানুষ, যারা অবাধ স্বাধীনতায় বড় হয়েও বেড়ে উঠেছে সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক পথে। কোন নেশা নেই, কোন অনৈতিক কাজে তাদের সায় নেই।মোটেই প্রশংসা করছিনা। যা সত্য শুধু ততটুকুই বলছি। এই চার বন্ধু তাদের অবাধ স্বাধীনতাকে কাজে লাগিয়ে অপার বিস্ময়ে দেখছে পৃথিবীর অনন্য রূপ। এরা টাকা জমিয়ে দেশে বিদেশে ঘুরতে পছন্দ করে। এমন নয় যে স্বচ্ছল হয়েই এখন তারা ঘোরে। তারা চারজন বেড়ায় তখন থেকে, যখন তারা ছিল স্বচ্ছলতার সীমার বাইরে। আমার ভালো লাগাটা এখানেই।
"আলোছায়া"-- সাহিত্য পত্রিকার প্রথম সংখ্যার জন্য লেখা আহ্বান
ব্রাজিল জিতছিলো তিন R-এর কল্যাণে, শেখ হাসিনাও তিন R-এর কান্ধে চাপলো?
এক.
শিরোনাম কি সেটা ভাবতে গিয়ে ৩০ মিনিট খরচ করলে আমার ঘুমের বারোটা বাজবে।
অনেককাল আগে আমরাবন্ধু ব্লগ আকারে আসার খবরে অনেকখানি খুশি হয়ে ভেবেছিলাম অনেক ব্লগাবো। কিন্তু আলসেমীর রেকর্ডটাকে নিজের করে রাখার চেষ্টায় সেটা আর করা হয় নি। মাঝে মাঝে পড়ে যেতাম এসে। তবে তাও খুব কম। ইদানিং ফেইসবুক ছাড়া অন্য কোথাও যাওয়া আসা হয় না। ফেইসবুকেও সীমিত আনাগোনা। হাতে সময় অফুরন্ত কিন্তু ওই যে রেকর্ডটা আমারই থাকতে হবে তো!
প্রিয় একটি গান : মেঘ থম থম করে
বিমূর্ত এই রাত্রী আমার
মৌনতার সূতোয় বোনা---
একটি রঙিন চাদর।।
.
সেই চাদরের ভাঁজে ভাঁজে
আছে ভালবাসা, আদর
.
অনেক পুরানা একটা গান। বাংলা সিনেমার স্বর্ণযুগ ছিলো সে সময়। অনেক ছোট সময়ে টিভিতে দেখা এই সিনেমাটা। গানগুলো এখনো গুন গুন করি।
আত্মমগ্ন কথামালা- (একমুঠো শহুরে জোনাকের স্মৃতি)
ওরা হাঁটছে করিডোর ধরে... আর এক এক করে জোনাকের লাশ গুনে চলছি আমরা।
.
শহুরে মানুষগুলো কখনো জোনাক দেখেনি
তাই তারা জানে না জোনাক হতে গেলে কাঁধে পাখা থাকতে হয়
নয়তো নিজের আগুনেই নিজের পুড়ে যাওয়ার নিয়ম লেখা গ্রন্থিত ইতিহাসে।
.
.
.
সেদ্ধ অর্ধসেদ্ধ জোনাকের দেহ জমে উঠছিল করিডোর জুড়ে।
.
.
.
ওরা হেঁটে আসছে করিডোর ধরে
.
ওদের হাতের মহামূল্যবান আংটি থেকে ঠিকরে পড়ছে মৃত্যুর রং
.
ব্যাটসম্যানগুলারে কি করা যায়?
গতকাল খুব উৎসাহ নিয়ে খেলা দেখছিলাম। টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৪১৯ খুব বেশি না। বাংলাদেশ ব্যাটসম্যানবহুল টিম। তাই সাকিবের ৫ উইকেট পাওয়ায় খুব খুশি ছিলাম।
তারপর ওপেনিং জুটি তামিম আর কায়েস মিলে করে ফেললো ১২৬ রান। খুশিতে তখন নাচার অবস্থা। এই অবস্থায় ম্যাচ নিয়ে আশাবাদী হওয়াই যায়। প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়াও সম্ভব।
অথচ তারপর কি হলো!
অহনার অজানা যাত্রা (পাঁচ)
বিদেশ মানে সুন্দর সুন্দর ছবির মতো বাড়ি, বাড়ির সামনে বড় লন যাতে নানা রঙের ফুল ফুটে আছে। ফুলের ওপর বর্ণিল প্রজাপতি উড়ছে। দামী গাড়িতে করে হাওয়া খেতে খেতে আজ এদিকে কাল সেদিকে বেড়াতে যাওয়া। ভালো রেস্টুরেন্টে ইকরি মিকরি নামের খাবার দিয়ে মোমবাতির আলোয় ডিনার করা, এই প্রাক রোমান্টিক ধারনাকে সর্বাংশে মিথ্যে করে দিয়ে অহনার জীবনে বিদেশ ধরা দিল কঠিন পার্বত্য জীবনের রূপে। অহনার কাছে বিদেশ মানে বাসে করে ডাচ স্কুলে যাওয়া, ভিন্ন ভাষায় লেখা ও অপরিচিত মোড়কে রাখা জিনিসপত্র থেকে তার প্রয়োজনীয় জিনিস বাজার করা এবং সে বাজার টেনে বাসায় আনা। রান্না করা, কাপড় ধোয়া এবং ইস্ত্রি করা, বাড়িঘর ডাষ্টিং করার রূপ নিয়ে। অতি অল্প দিনেই হাঁপিয়ে উঠলো অহনা। ইউনিভার্সিটির অবাধ ঘোরাঘুরি, ফুচকা, ঝালমুড়ি, মামা হালিম, গাওছিয়া, ইষ্টার্ন প্লাজা, মহিলা সমিতি সবকিছুর জন্য সে অধীর হয়ে উঠলো। পুরনো দিনের জন্য ব্যাকুল সে প্রায়ই কান্নাকাটির এক
মায়ের জন্য লিখা ডায়েরী
মা ----

ফেসবুক উন্মুক্ত
আপাতত খবর দেই. পরে বিশ্লেষণ। ফেইসবুক খুলে দিছে সরকার। কোনো প্রক্সি সার্ভার না, কোনো কিছু না, ফেসবুক এখন আগের মতোই ব্যবহার করা যাবে।
খবরটা পাওয়ামাত্র শেয়ার করলাম। এর আগেপিছে কিছুই এখনো জানি না। এই পোস্ট শুধু খবারটা শেয়ার করার জন্যই। বিশ্লেষণ পরে করবো
