ইউজার লগইন
ব্লগ
খেলা দেখুন বিশ্বকাপে, ঝড় তুলুন চায়ের কাপে!
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব দেখার স্বপ্ন নিয়ে যারা বসে আছেন, তারা সবাই জানেন আমাদের অনেক দূরের পথ পাড়ি দিতে হবে। এশিয়া মহাদেশের মানে পৌছনোটাই এখনো বাংলাদেশী ফুটবল সংশ্লিষ্টদের মূল লক্ষ্য হিসাবে নির্ধারিত হয়ে আছে। তবু ফিফা বিশ্বকাপের মৌসুমে এদেশের ফুটবল প্রিয় মানুষের আগ্রহ হৃদয় ছুঁয়ে যায়। আশা জাগে এতো ফুটবল প্রেম যে জাতির অন্তরে নিহিত আছে তারা একদিন জেগে উঠবেই। ছুঁয়ে দেবে স্বপ্নের বিশ্বকাপ।
কোম্পানীর লস
সেই ছোট বেলা থাইকা লোকসানে আছি। লাভের দেখা পাওয়াই দুস্কর। বিভিন্ন ধরনের বিভিন্ন মানের লোকসান। সম্পর্কের লোকসান, টাকা পয়সার লোকসান। তাই আজ লোকসান নিয়া কিছু গিয়ান ঢালার চেষ্টা করমু।
পূর্ববর্তী খেলার ফলাফল সমূহ:
+----------------------------------------------------------------------------------------------------------
| ~~|||~~ পয়েন্ট তালিকা ~~|||~~ আজকের খেলা ~~|||~~
তাইওয়ানের নৌকাবাইচ
বরিশালে জন্ম আর শৈশবের অনেকটা কাটানোর কারণে নৌকা বাইচ নিয়ে গ্রামাঞ্চলে যে উন্মত্ততা তার অনেকটা কাছে থেকে দেখেছি। বয়স কম থাকায় মাঝি হবার সৌভাগ্য কোনোদিন হয়নি, কিন্তু চাচা-মামাদের হেল্পার হিসেবে বিস্তর খাটাখাটনির পাশাপাশি অসাধারণ সব আনন্দময় মুহূর্তের ভাগীদার হয়েছি। কে জানত যে একদিন মাঝি হিসেবে আন্তর্জাতিক এক নৌকা বাইচে অংশগ্রহণ করার দুর্লভ সৌভাগ্য এই অভাগার ললাটেও লেখা আছে!
দুধ বিবি
দুধ বিবি এই দালানের দোতলায় কখনো যান নি। নিচ তলায় মানে দালানের বাইরে বাঁ দিকের কোণায় পাঁচিল ঘেঁষা হেঁসেল ঘরেই দুধ বিবি থাকেন। নিচ তলায় বিশাল ফাঁকা ঘর। সাতটা সিঁড়ি ভেঙ্গে সেই ঘরে ঢুকলেই কার্ণিশ থেকে ঝুলে থাকা অন্ধকারের নিচে খরখরে মেঝের ফাঁকে ফাঁকে লাল খোয়া বিছানো চাতালের মতো জায়গাটায় নীরবতারা খাঁ খাঁ আওয়াজ তোলে। সেই নীরবতার তিন দিকে কপাটহীন তিনটা ঘোলা অন্ধকার। আগের কালে হয়তো কামলা পরিচারিকা
অরানিয়া ভেইকা
ফুটবল টুটবল আমার আবার পোষায় না। বয়স হচ্ছে দৈনন্দিন জীবনের বাইরে কোন উটকো ঝামেলাই আজকাল আর পোষায় না। ফুটবল মানে মেয়ের বাবা খেলা দেখবে, ঘরের - বাগানের কাজ পরে থাকবে মাঝখান থেকে সাপ্তাহিক শিডিউলড ঝগড়ার বাইরে আরো দু’চারটা এক্সট্রা ঝগড়া হবে। ফুটবলে কে জিতলো সেটা ফাইনাল খেলার পর জেনে নিলেই হলো, আমার জন্য এটাই কাফি। এরমধ্যেই আমার তিন ক্লাশ পড়ুয়া টুকটুকি এসে বললো,
ফুটবল ফুটবল দুরন্ত ফুটবল (১)
১৯৭৮'এর কথা আমার ঠিক মনে পড়ে না। তয় ১৯৮২তে বিটিভিতে যখন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী খেলা দেখাইবো বইলা ঘোষণা দেওয়া হইলো ক্রিকেটপ্রেমী আমার বালকসুলভ প্রাণেও উৎসাহ তৈরী হইছিলো চরম। ম্যারাডোনা তখন কেবল বিস্ময় বালক হিসাবে পাওয়া খ্যাতি পার কইরা বড়দের আসরে খেলতে আসতেছে। প্রচারমাধ্যমগুলি তারে ঐ সময়ের পেলে বইলা অভিষিক্ত করতেছিলো মনে আছে। উদ্বোধনী দিনেই আগের আসরের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা আর বেলজিয়ামের খেলা। আমার বাপ
উদ্ভাবক টিম বারনার্স লি ও আমাদের অভ্র জনক মেহদী হাসান খান।
আজ সকালে দৈনিক প্রথম আলোতে জনাব জাহাঙ্গীর আলমের ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (www) উদ্ভাবক টিম বারনার্স লি এর উপর প্রতিবেদনটা পড়ছিলাম। দুনিয়াতে মানুষ কত ভাল হতে পারে তারই নমুনা উদ্ভাবক টিম বারনার্স লি। উদ্ভাবক টিম বারনার্স লি আমার মনের মাঝে জায়গা করে নিয়েছেন ঠিক আমাদের অভ্র জনক মেহদী হাসান খান এর মত। কি সুন্দর মিল এ দুই জনের মাঝে।
অপেক্ষা......................
জুন ১৯৮৫, এক মা তার সন্তানের আগমনের দিন গুনছেন। এটি অবশ্য তার পঞ্চম সন্তান। এর আগে তিনি চার বার গর্ভ ধারন করেছেন। তার কোল জুড়ে এসেছে দুটি মেয়ে এবং দুটি ছেলে। যার মাঝে একটি মেয়ে সন্তান জন্মের কিছুক্ষন আগে মারা গিয়েছিল। তাই তার খুব ইচ্ছা তার পঞ্চম সন্তানটি মেয়ে হোক। তার চতুর্থ সন্তান জন্মের সময় তাকে অনেক সমস্যার সন্মুখীন হতে হয়েছিলো বলে ডাক্তার এর পরামর্শ ছিলো, তিনি যেন আর গর্ভ ধারন না করেন। করলে তা
বিশ্বকাপে আত্মীয় স্বজন
বিশ্বকাপে আমার কোন আত্মীয় স্বজন নাই কিন্তু .........
আমাদের সবার আত্মীয় স্বজন নিয়ে কথা বলছি।
এই যে দেখেন বিশ্বকাপে কাকা তো আছেই আগে থেকে, মাসি (মেসি) ও আছে।
তার সাথে আবার যোগ হইছে নানি !!!
আল্লাহ জানে আর কে কে আসে বিশ্বকাপে !!! এখনও মামা, পিসি, খুড়ো, দাদা, নানা বাদ আছে।
কে জানে সামনে কবে কে আসে আবার !!!!
বিশ্বকাপ নিয়ে গেসবল

বিশ্বকাপ এসে গেলো গেলো বলে। কি আছে দুনিয়ায়! আমরাবন্ধুর এই চমৎকার স্লোগানটার কথা মনে পড়ে যায়, যখন মনে মনে ঠিক করি আবারও বিশ্বকাপের উন্মাদনায় কেয়ার করবোনা কিছু; কাজের চাপ, ব্যস্ততা, বসের হুকুম, সেমি-বসের ঝাড়ি -- কোনোকিছুকেই তোয়াক্কা না করে বুঁদ হয়ে যাবো বিশ্বকাপে।
দূর্ভাগ্য আমাদের পিছু ছাড়ছে না!!
একটার পর একটা দূর্ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে। আকাশের কালো মেঘটা থামানো যাচ্ছে না। প্রতিদিন কোন না কোন দূর্ঘনার সংবাদ আমাদের হৃদয়ের রক্তক্ষরণকে বাড়িয়ে তুলছে। আজ সকলের খবর:
.
মিডিয়া ভাবনা: আমার দেশ ও দিগন্ত টিভি
১.
মাহমুদুর রহমানকে পছন্দ করার আমার তেমন কোনো কারণ নাই। পেশাগত কারণে তাকে আমি চিনি বহুদিন ধরে। তাঁর কান্ডকীর্তি লিখে শেষ করা যাবে না। যে লোকটির পত্রিকায় লেখা হয়, কেন হিন্দুরা পদোন্নতি পায়-তার তাকে পছন্দ করার মতো কিছু থাকে না। মতায় থাকতে এই লোকটি কীরকম বাড়াবাড়ি করেছে সেটি অনেকেই হয়তো জানেন। এই লোকটির সবচেয়ে বড় সখ্যতা জামায়াতের সাথে।
সময়টা বড় বেশি খারাপ যাচ্ছে
সময়টা বড় বেশি খারাপ যাচ্ছে। গত বুধবার বিকেলের পর থেকে আমি ছিলাম নারায়ণগঞ্জে। ছোট বোন আর ছোট ভাইয়ের বৌও গিয়েছিল সেখানে বৃহস্পতিবার। শুক্রবার আমার শ্যালকের বিয়ের রিসেপশন। এর আগের শুক্রবার বিয়ে হয়েছে।
বুধবার
বুধবার রাতে টিভির দিকে চোখ পড়তেই চমকে উঠেছি। বেগুন বাড়িতে একটি ৫ তলা বাড়ি হেলে পড়েছে। কয়েকজন নিহত হয়েছে। আহতদের সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি।

