ইউজার লগইন
ব্লগ
জোনাকি ও জোনাকি
সে রীতিমত একটা দস্যুই বটে! এক মিনিটও চুপ থাকে না। কথা বলে কম, কাজ করে অনেক বেশী। ছোট্ট ছোট্ট দুটো হাত খুব সচল। ছোট্ট মাথাটায় বেজায় সব বুদ্ধি সারাক্ষণ আপডেট হচ্ছে, প্রতিটাই নতুন। ঝাঁ চকচকে। একটার সাথে আগেরটার কোন মিলই নেই।
কাল চেয়ার টেনে উঠে, অনেক উঁচু থেকে ওর মায়ের ফেইস ওয়াশ নামিয়ে; অর্দ্ধেকটা খেল, তারপর অসাধারণ ভঙ্গিতে দু আঙ্গুলে ওটা ঝুলাতে ঝুলাতে এনে আমাকে বল্লো, বাবা খাবে?
ওর মায়ের ধারণা চার বছর বয়স মানে, অনেক বড়। এই বয়সে নাকি মুনিয়া ওর দুবছরের বড় বোনের সাথে অলরেডী শেয়ার করতে শিখে গেছে। টুটলুকে সামলাতে মুনিয়ার চোখে মুখে একটু দুঃখী দুঃখী ভাব চলে এসেছে।
মা'র সব কাজ লন্ডভন্ড করাই টুটলুর সবচাইতে প্রিয় কাজ। ছুটির দিন বাসায় থাকলে--"আমার বাড়িটাকে ঢাকার ব্যস্ত রাজপথ মনে হয়। মা ছেলের চিৎকার হট্টোগোলে বাসায় টেকা দায়!"
আমার সকালের প্রিয় ছুটিঘুম বাদ পড়েছে আজ দীর্ঘকাল হল।
যারা এখনো ফেইসবুকে ডুকতে(!) পারছেন না...।
অনেকে বলছেন এখনো নাকি ফেইসবুকে যেতে পারছেন না।
কথাটি আমার কাছেও সত্য মনে হয়।
কিন্তু এভাবে আপনি সহজে ফেইসবুকে ডুকতে(!) পারবেন... এভাবে ডুকে পড়ুন.।।
পুরা মজা নিন!!
(বিশেষঃ দুইজন ব্ন্ধুর কথায় এটি অন্য একটি ব্লগেও পোষ্ট করে দিলাম, সরি।
ছোট পোষ্ট বন্ধ করে দিলেন নাকি, অনেক চেষ্টার পরও হচ্ছে না!!)
পোষ্ট বড় করছি, নিন একটা জিপি থেকে পাঠানো তথ্য শুনুনঃ
ভোরের সূর্য দেখে মুমূর্ষু শিশির বলে, "হায় ! কোন সুখ ফুরায়নি যার, তার জীবন কেনো ফুরায় ?"
ভৌতিক গল্প পড়ে ছেলেবেলা থেকেই একটা ছেলেমানুষী মজা পাই। দেশী-বিদেশী সাহিত্যের বিখ্যাত লেখকেরা গদ্যসাহিত্যের এই ধারাটি নিয়ে কাজ করতে খুব অলসতা করেছেন- অনুভব করা যায়। যদিও প্রচলিত ধারায় সবচেয়ে বেশি ভূতুড়ে গল্প লেখা হয়েছে কেবল ভূত এবং মৃত মানুষদের নিয়ে, তবুও ভৌতিক গল্পকে কেবল ওরকম রুপে ঠিক উপভোগ করি না। ভূত ছাড়াও যে কেবল বর্ণনা এবং পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে চমৎকার সব গা-ছমছমে ভৌতিক গল্প
অবশিষ্ট হাড় - ০২ (০২ জুন ২০১০)
বাতাসের সচেতন চলাচল, দুপুর দুর্বল
চেতনার প্রপেলারে শম্বুক গতি
নিরাবেগ শরীরময় স্থিতি
সভ্যতার দীর্ঘশ্বাস তবু শ্রাব্য;
আযানে, আহবানে তাল দেয় বিমান সংগীত
বারান্দায়, হাওয়ায়, দরজায় কাঁপা কাঁপা আর্তনাদ
রিকশা টুং টাং, মটরচাকায় ঘষটানো অভিমান
খুটে খাওয়া ছেলে, দুটো টাকা পেলে
পাউরুটি, ছোলামুড়ি, পোকা খাওয়া আপেল;
সমান্তরালে বিদ্যমান বিপুল, প্রাচীন দোকান
মহাজনী ফর্দের আনুষঙ্গিক ফাঁকিতে
বিদায় ব্লগ, বিদায় নেট, বিদায় ঢাকা !
ঢাকা ছাড়ছি আমি। আজ হাফ বেলা অফিস করে তারপর চলে চাচ্ছি। কাল থেকে অফিস করবো না। আমার একমাত্র বৌয়ের দুইমাত্র ছোট ভাইয়ের শাদী মোবারক হয়ে গেছে গত শুক্রবার। আগামী শুক্রবার বৌভাত অনুষ্ঠান। সে পরিবারের একমাত্র জামাই হিসেবে বৌভাত অনুষ্ঠানে আমার উপস্থিত থাকাটা ফরজে আইন। তাই আজকেই চলে যাচ্ছি ঢাকা ছেড়ে। সঙ্গী হিসাবে আমার হলুদ মোটর সাইকেল। আশা করছি, পথে কোনো সমস্যা না হলে বিকেল নাগাদ শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছাবো। সঙ্গ
আমার দেশরে আওয়ামিরা কোন পথে পরিচালনা করতে চায়?
ঠিক এই মুহুর্তে কোন পত্রিকার ডিক্ল্যারেশন বাতিল হইলে বাঙালি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী মানুষ খুশী হইতেন?
সিনেমা দেখচক্র: দ্য রিভার [উৎসর্গ মাসুম ভাই]

দ্য রিভার-এর পোস্টার
কিছুদিন ব্লগ থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত ছিলো। বই পড়া আর সিনেমা দেখার জন্য সময়গুলো জমা করতে চাচ্ছিলাম। শুরুও করে দিছিলাম, তাতেই বিপত্তি হলো। গতরাতে মাসুম ভাই বর্ণিত 'লিলিস অব দ্য ফিল্ড' দেখে মাসুম ভাইকে ফোন দিলাম। বললো এটা নিয়ে ব্লগ লিখতে।
বৃষ্টিভেজা এক দিনে
ঘুমের মধ্যেই শীতল একটা অনুভুতি টের পেলো শিলা।একটু চোখ মেলতেই বুঝলো জানালা দিয়ে ঠান্ডা বাতাস আসছে, জানালার পর্দাটা বাতাসে উড়ছে।পর্দার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে দেখলো বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে। আর বিছানায় থাকা যায় না। বিছানা ছেড়ে বারান্দায় গ্রিল ধরে দাঁড়ালো সে। বৃষ্টি দেখে মন ভরে গেলো।বৃষ্টির ছাঁট আসছে গায়ে, মুখে। সামনে ফুলে ভরা সোনালো ফুল গাছটার ফুলগুলো বৃষ্টিতে ভিজছে। মনে হলো যেন ঘাসের উপর খালি পায়ে দাঁড়ানো এক ক
অম্লমধুর পেমের গল্প
( আমি পুরাতন কালের মানুষ, বয়সে যতটা না তারচেয়ে বেশি মনে। পুরানা সবকিছুই আমার ভালো লাগে, লেখালেখির ক্ষেত্রেও পুরাতন ধারাকে বেশি ভালো পাই। সাধু ভাষার প্রতি আমার আগ্রহ এবং অনুরাগের ইতিহাস অনেক দিনের। কিন্তু বানান জানি না, ব্যাকরণ জানি না, ভাষা আর গদ্যরীতির কথা আর নাই বা বলি। তবুও গাইতে গাইতেই যেমন গায়েন, তেমনি লিখতে লিখতেই হয়তো একদিন কিছু একটা হয়ে যাওয়া যাবে। তাই বিস্তর কাঠখড় পুড়িয়ে সাধু ভাষায়
দাওয়াতকথণ এবং অতঃপর
লোকজন দাপাইয়া বেড়াইয়া দাওয়াত খায়, খালি আমরা কালেভদ্রে দাওয়াত খাইতে গেলেই নানা মুনি’র নানান মত দেখা যায়। কত কিসিমের দাওয়াতই তো হয়, গিয়েছিলাম এককিসিমের বাড়িতে দাওয়াতে। পিচ্চিকালে একবার গিয়েছিলাম ওইবাড়ি’র একই ধাচেঁর দাওয়াতে। তখন উপলক্ষের পাত্র ছিলো বাপ-জ্যাঠা এবার পুত্রের পালা। সেবারও অনেক হাঙ্গামা-উৎসব হয়েছিলো, সবটা মনে নাই। তব
জ্বরে বিভোর
এবারের মৌসুমটাই কেমন কাঠফাটা রোদ্দুর আর ভ্যাপসা গরমের মৌসুম ছিল। গরমের সাথে তাল মিলিয়ে ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিং। ফ্যানের অভাব যতোটা না ভোগায়, তার চাইতে কম্পু-ছাড়া বেকার সময়টা বেশি ভোগায়। যাই হোক, তারপর অনেকদিন বৃষ্টি আসি আসি করলো, কিন্তু আসলো না। মাঝে গিয়েছিলাম কক্সসবাজার। প্রথম দিনের বিকালেই সাগরপাড়ে প্রচণ্ড বাতাস। চাঁদ ঢেকে দেয়া মেঘ,- এই বুঝি বৃষ্টি হবে। রাত বারোটার দিকে যখন এঞ্জেলড্রপ থেকে হোটেলে
ওয়ার্ল্ড কাপ ২০১০ অ্যানালাইসিস -১ (বিগ ম্যাচে জায়ান্টরা কেমন?)
গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে অনেক কিছুই ঘটে যায় , টগবগিয়ে লালে লাল হয়ে দেশ ছাড়িয়ে বিশ্বকে ছেয়ে যায় দক্ষিণ কোরিয়া , পূর্বের আসরের চ্যাম্পিয়ন জার্মানি আর রানার আপ আর্জেন্টিনাকে তুমুল বীরত্বে পরাভূত করে বলকানের দেশ বুলগেরিয়া সবার নজর কাড়ে । কখনও বা প্রথমবার বিশ্বকাপে এসেই বিশ্ব কাঁপায় ক্রোয়েশিয়া , বা ন্যাড়া মাথার হাসান সাসের দল তুরস্ক পৌছে যায় ফাইনালের দোড়গোড়ায় । কিন্তু একটা জায়গায় ব্যাতিক্রম হয়ে ওঠেনা
তিনি (এইটা একটা গল্পের বাচ্চা)
তিনি মানুষটিকে মনে রাখিয়াছেন। বিপদের দিনে আশ্রয় দিয়াছিলেন। তখন সামান্য ঐ আশ্রয়টুকুই ছিল জীবনের জন্য মহামূল্যবান। সেই মানুষটি আজ মৃত্যুশয্যায়। তিনি হঠাৎ করিয়া ব্যক্তিগত সচিবকে ডাকিয়া বলিলেন, তিনি মানুষটির বাসায় যাইতে চান।
জীবন অনেক বদলাইয়া গিয়াছে। এখন আর হঠাৎ করিয়া কোথাও যাওয়া হইয়া উঠে না। তবুও আজ তিনি বাহির হইলেন। মানুষটিকে আর কখনো দেখিতে পারিবেন না বলিয়াই মনে হইতাছে।
সেক্স ইন দা সিটি। (গল্প)
: আমি এইহানে বইসা আছি তাতে কার বালডা ছিরা গেছে শুনি।
: আপনিই বা কোন বালডা ফালাইতে এইহানে আহেন।
: আমি আসি আমার ইচ্ছা-এইহানে আমি আইজ নতুন আহি নাই, যুগ যুগ ধইরাই আইতাছি। কুনুদিন পেটের ফিকির কুনুদিন চেটের ফিকির। তোমাদের এতো গায়ে লাগে ক্যান-হু।
: আপনে বাজে বকতাছেন-আপনে আর এইহানে আইবেন না। এইডা আমাগো পাড়া , আমরাই এই ডিসিশান নিছি।
উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ
ফেইসবুক বন্ধ হওয়াতে সবচেয়ে খুশি হয়েছে কারা? সবচেয়ে খুশি হয়েছে জামায়াতি ইসলাম অর্থাৎ রাজাকার গ্রুপ। এইটুকু বোঝবার ক্ষমতা আমাদের সরকারের যদি না থাকে তবে আর কি বলার আছে।!