ইউজার লগইন
ব্লগ
শিশ্নবাদী সন্ধ্যায়
একদা সন্ধ্যায় চুল ছেড়ে হেটেছিলে;
আর সেই সুখে প্রবীণ আনন্দে
অন্ধকারে হেসে উঠেছিলেন প্রসন্ন শিশ্নবাদী;
ক্ষয়ের রোগ নিয়ে মহার্ঘ চুলে
এলোমেলো মিশে যাচ্ছেন তিনি ...
বিপন্ন শাড়ির কাছা ধরে তরতর করে উঠে যাচ্ছেন
সত্যসাক্ষী লেজ ভাঙ্গা টিকটিকি; -- ভোগ;
আর দ্বিধা-নমিত মুখে ক্রোধ ঢেলে দিলে বৈধ
শয্যাসঙ্গী নিমেশই মুছে যেও অদৃশ্য অঙ্গীকারে
অথবা কেশগুচ্ছে জ্বেলে দিও ‘না’ এর প্রবল শিখা
হুদাই পোস্ট, জাতির বিবেকের কাছে কোনো প্রশ্ন নাই
উড়ুক্কু কথা-১
ক্লাশ টেনের কথা।স্কুলের চৌকাঠ পেরুবো পেরুবো করছিলাম।পড়াশোনার হালকা পাতলা চাপও ছিল।স্যারদের কাছে প্রাইভেট তো দূরে থাক ,মায় স্কুলের ক্লাস কামাই করাটা রীতিমত দুষ্কর ছিল।ক্যাণ্ডিডেট ব্যাচ বলে স্যাররা আমাদের ওপর একেবারে শ্যেন দৃষ্টি রাখতেন,একদম এদিক ওদিক করার সুযোগ দিতেননা।ক্লাস শেষে তাই খেলার মাঠে দাপিয়ে বেড়ানোর মওকাও খুব একটা মিলতনা।সব মিলে বেশ শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা,কদিন পরেই আমরা দস্তুরমত হাঁপিয়ে উঠলা
ঢাকার কায়েতটুলিতে আগুন! [আপডেট ২]
ঢাকার আগামসি লেনের কায়েতটুলিতে আগুন লেগেছে। জানা গেছে, বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরনে এই অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত। সেখানে অবস্থিত বেশ কটি প্লাস্টিক কারখানা থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে। আজকে [৩ জুন, ২০১০] রাত ৯টায় আগুন লাগে, ইতোমধ্যে তা ছড়িয়ে পড়েছে প্লাস্টিক কারখানার আশেপাশের ভবনেও। ইতোমধ্যেই ২০টি লাশ পাওয়া গেছে বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে। প্রতিমুহূর্তেই এই সংখ্যা বাড়ছে। মৃতের সং
তিনি আমার বড় মা ছিলেন
তিনি ১২ বছর বয়সেই আমার নানার মা হয়ে আসেন, নানার আপন মা মারা গেলে নানার বাবা তাঁকে বিয়ে করে নিয়ে আসেন সংসারে। তাঁর ছেলে ছিল তাঁর খেলার সাথী।
দূর্ভাগ্যক্রমে তিনি ১৬ বছর বয়সেই বিধবা হন। নিজের কোন সন্তান হয়নি, অন্য কোথাও বিয়ে বসার কথা তখনকার সমাজে কেউ কল্পনাও করতে পারতোনা বলে তিনি বিধবা হয়েই, সাদা শাড়ী পড়েই সারা জীবন কাটিয়ে দিলেন , নানা কে আগলে ধরে রেখে।
জোনাকি ও জোনাকি
সে রীতিমত একটা দস্যুই বটে! এক মিনিটও চুপ থাকে না। কথা বলে কম, কাজ করে অনেক বেশী। ছোট্ট ছোট্ট দুটো হাত খুব সচল। ছোট্ট মাথাটায় বেজায় সব বুদ্ধি সারাক্ষণ আপডেট হচ্ছে, প্রতিটাই নতুন। ঝাঁ চকচকে। একটার সাথে আগেরটার কোন মিলই নেই।
কাল চেয়ার টেনে উঠে, অনেক উঁচু থেকে ওর মায়ের ফেইস ওয়াশ নামিয়ে; অর্দ্ধেকটা খেল, তারপর অসাধারণ ভঙ্গিতে দু আঙ্গুলে ওটা ঝুলাতে ঝুলাতে এনে আমাকে বল্লো, বাবা খাবে?
ওর মায়ের ধারণা চার বছর বয়স মানে, অনেক বড়। এই বয়সে নাকি মুনিয়া ওর দুবছরের বড় বোনের সাথে অলরেডী শেয়ার করতে শিখে গেছে। টুটলুকে সামলাতে মুনিয়ার চোখে মুখে একটু দুঃখী দুঃখী ভাব চলে এসেছে।
মা'র সব কাজ লন্ডভন্ড করাই টুটলুর সবচাইতে প্রিয় কাজ। ছুটির দিন বাসায় থাকলে--"আমার বাড়িটাকে ঢাকার ব্যস্ত রাজপথ মনে হয়। মা ছেলের চিৎকার হট্টোগোলে বাসায় টেকা দায়!"
আমার সকালের প্রিয় ছুটিঘুম বাদ পড়েছে আজ দীর্ঘকাল হল।
যারা এখনো ফেইসবুকে ডুকতে(!) পারছেন না...।
অনেকে বলছেন এখনো নাকি ফেইসবুকে যেতে পারছেন না।
কথাটি আমার কাছেও সত্য মনে হয়।
কিন্তু এভাবে আপনি সহজে ফেইসবুকে ডুকতে(!) পারবেন... এভাবে ডুকে পড়ুন.।।
পুরা মজা নিন!!
(বিশেষঃ দুইজন ব্ন্ধুর কথায় এটি অন্য একটি ব্লগেও পোষ্ট করে দিলাম, সরি।
ছোট পোষ্ট বন্ধ করে দিলেন নাকি, অনেক চেষ্টার পরও হচ্ছে না!!)
পোষ্ট বড় করছি, নিন একটা জিপি থেকে পাঠানো তথ্য শুনুনঃ
ভোরের সূর্য দেখে মুমূর্ষু শিশির বলে, "হায় ! কোন সুখ ফুরায়নি যার, তার জীবন কেনো ফুরায় ?"
ভৌতিক গল্প পড়ে ছেলেবেলা থেকেই একটা ছেলেমানুষী মজা পাই। দেশী-বিদেশী সাহিত্যের বিখ্যাত লেখকেরা গদ্যসাহিত্যের এই ধারাটি নিয়ে কাজ করতে খুব অলসতা করেছেন- অনুভব করা যায়। যদিও প্রচলিত ধারায় সবচেয়ে বেশি ভূতুড়ে গল্প লেখা হয়েছে কেবল ভূত এবং মৃত মানুষদের নিয়ে, তবুও ভৌতিক গল্পকে কেবল ওরকম রুপে ঠিক উপভোগ করি না। ভূত ছাড়াও যে কেবল বর্ণনা এবং পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে চমৎকার সব গা-ছমছমে ভৌতিক গল্প
অবশিষ্ট হাড় - ০২ (০২ জুন ২০১০)
বাতাসের সচেতন চলাচল, দুপুর দুর্বল
চেতনার প্রপেলারে শম্বুক গতি
নিরাবেগ শরীরময় স্থিতি
সভ্যতার দীর্ঘশ্বাস তবু শ্রাব্য;
আযানে, আহবানে তাল দেয় বিমান সংগীত
বারান্দায়, হাওয়ায়, দরজায় কাঁপা কাঁপা আর্তনাদ
রিকশা টুং টাং, মটরচাকায় ঘষটানো অভিমান
খুটে খাওয়া ছেলে, দুটো টাকা পেলে
পাউরুটি, ছোলামুড়ি, পোকা খাওয়া আপেল;
সমান্তরালে বিদ্যমান বিপুল, প্রাচীন দোকান
মহাজনী ফর্দের আনুষঙ্গিক ফাঁকিতে
বিদায় ব্লগ, বিদায় নেট, বিদায় ঢাকা !
ঢাকা ছাড়ছি আমি। আজ হাফ বেলা অফিস করে তারপর চলে চাচ্ছি। কাল থেকে অফিস করবো না। আমার একমাত্র বৌয়ের দুইমাত্র ছোট ভাইয়ের শাদী মোবারক হয়ে গেছে গত শুক্রবার। আগামী শুক্রবার বৌভাত অনুষ্ঠান। সে পরিবারের একমাত্র জামাই হিসেবে বৌভাত অনুষ্ঠানে আমার উপস্থিত থাকাটা ফরজে আইন। তাই আজকেই চলে যাচ্ছি ঢাকা ছেড়ে। সঙ্গী হিসাবে আমার হলুদ মোটর সাইকেল। আশা করছি, পথে কোনো সমস্যা না হলে বিকেল নাগাদ শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছাবো। সঙ্গ
আমার দেশরে আওয়ামিরা কোন পথে পরিচালনা করতে চায়?
ঠিক এই মুহুর্তে কোন পত্রিকার ডিক্ল্যারেশন বাতিল হইলে বাঙালি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী মানুষ খুশী হইতেন?
সিনেমা দেখচক্র: দ্য রিভার [উৎসর্গ মাসুম ভাই]

দ্য রিভার-এর পোস্টার
কিছুদিন ব্লগ থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত ছিলো। বই পড়া আর সিনেমা দেখার জন্য সময়গুলো জমা করতে চাচ্ছিলাম। শুরুও করে দিছিলাম, তাতেই বিপত্তি হলো। গতরাতে মাসুম ভাই বর্ণিত 'লিলিস অব দ্য ফিল্ড' দেখে মাসুম ভাইকে ফোন দিলাম। বললো এটা নিয়ে ব্লগ লিখতে।
বৃষ্টিভেজা এক দিনে
ঘুমের মধ্যেই শীতল একটা অনুভুতি টের পেলো শিলা।একটু চোখ মেলতেই বুঝলো জানালা দিয়ে ঠান্ডা বাতাস আসছে, জানালার পর্দাটা বাতাসে উড়ছে।পর্দার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে দেখলো বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে। আর বিছানায় থাকা যায় না। বিছানা ছেড়ে বারান্দায় গ্রিল ধরে দাঁড়ালো সে। বৃষ্টি দেখে মন ভরে গেলো।বৃষ্টির ছাঁট আসছে গায়ে, মুখে। সামনে ফুলে ভরা সোনালো ফুল গাছটার ফুলগুলো বৃষ্টিতে ভিজছে। মনে হলো যেন ঘাসের উপর খালি পায়ে দাঁড়ানো এক ক
অম্লমধুর পেমের গল্প
( আমি পুরাতন কালের মানুষ, বয়সে যতটা না তারচেয়ে বেশি মনে। পুরানা সবকিছুই আমার ভালো লাগে, লেখালেখির ক্ষেত্রেও পুরাতন ধারাকে বেশি ভালো পাই। সাধু ভাষার প্রতি আমার আগ্রহ এবং অনুরাগের ইতিহাস অনেক দিনের। কিন্তু বানান জানি না, ব্যাকরণ জানি না, ভাষা আর গদ্যরীতির কথা আর নাই বা বলি। তবুও গাইতে গাইতেই যেমন গায়েন, তেমনি লিখতে লিখতেই হয়তো একদিন কিছু একটা হয়ে যাওয়া যাবে। তাই বিস্তর কাঠখড় পুড়িয়ে সাধু ভাষায়
দাওয়াতকথণ এবং অতঃপর
লোকজন দাপাইয়া বেড়াইয়া দাওয়াত খায়, খালি আমরা কালেভদ্রে দাওয়াত খাইতে গেলেই নানা মুনি’র নানান মত দেখা যায়। কত কিসিমের দাওয়াতই তো হয়, গিয়েছিলাম এককিসিমের বাড়িতে দাওয়াতে। পিচ্চিকালে একবার গিয়েছিলাম ওইবাড়ি’র একই ধাচেঁর দাওয়াতে। তখন উপলক্ষের পাত্র ছিলো বাপ-জ্যাঠা এবার পুত্রের পালা। সেবারও অনেক হাঙ্গামা-উৎসব হয়েছিলো, সবটা মনে নাই। তব