কবিতারা
১.
আজকাল এবিতে অনেক বেশি কবিতার পোস্ট দেখা যায়। মানুষজন শুনছি কব্তিা নিয়ে ব্লগ থিসিসও করা শুরু করেছে। তাই ভাবলাম, আমিও বাদ যাই কেন? তাই কবিতা একটা লিখেই ফেললাম।
ভাবছিলাম কি নিয়ে কবিতা লেখা যায়। রবীন্দ্রনাথ প্রেম, প্রকৃতি, পূজা ও স্বদেশ নিয়ে বেশি কবিতা লিখেছেন। আমি স্বদেশ দিয়েই শুরু করলাম। আমি আবার অর্থনীতি নিয়ে কাজ করি। তাই স্বদেশ চিন্তায় অর্থনীতিও চলে আসলো।
আমরা নিরন্তর কাজ করে চলেছি
এগিয়ে চলেছি রূপকল্পের
স্বপ্ন পূরণের দিকে।
এগিয়ে চলেছি
সাহসী ও পরিশ্রমী মানুষকে সাথে নিয়ে
অর্থনৈতিক মুক্তির পথে,
সুন্দর ও আলোকিত এক আগামির পথে।
যেখানে আমরা দেখবো উন্নয়ন,
গণতন্ত্র
শান্তি
প্রগতির
অনন্য এক সহাবস্থান।
এ পথ কুসুমাস্তীর্ণ নয়,
বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে
কাঙ্খিত গন্তব্যে পৌঁছাবোই।
কোনো অপশক্তির কাছে
কখনও পরাভব
মানিনি,
মানবো না।
আমাদের মিলিত শক্তি
নস্যাৎ করবে
অপশক্তির সকল অপচেষ্টা।
জয় আমাদের হবেই।
(আমার লেখা এই কবিতার একটা ব্যাখ্য আছে, পরে এক সময় বলবো)
২.
সকালে টিভি খুলে দেখি আমাদের লীনাফায়, লীনা ফেরদৌসি। দু পাশে দুই মাসুম বাচ্চাকে নিয়ে গল্প শুনাচ্ছে। সেই দৃশ্য আমি এক মাসুম বসে বসে দেখলাম। আহা, কতদিন গল্প শুনিনা। কেউ শোনায় না। অথচ আমিও মাসুম। আফসুস। কেউ আজকাল কবিতাও শুনায় না। আরেকবার আফসুস।
৩.
কবিতা লিখেছি আর সেটা ব্লগে দেওয়ার দু:সাহসে কেউ আবার কিছু মনে করবেন না। কারণ কবিতা লেখার চেষ্টা তো কেবল আমিই করিনা, আরও অনেকে করেন। রবীন্দ্র ও জীবনানন্দ পরবর্তী এক বিশাল কবিকে নিয়ে থিসিস লিখছে আরেক লীনা, লীনা দিলরুবা। সাবধান সবাই।
৪.
অটোগ্রাফ সিনেমার কল্যানে শ্রীজাত এখন অনেক পরিচিত নাম। এই কবির কিছু কবিতা পেলাম।
আমিই না হয়, তার কিছু কবিতা পড়াই। শুনতে হলে ফোন করেন ০১৭১৩........নাম্বারে। দরদাম তখন ঠিক করা যাবে....
পূজা
আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে
ছ্যাঁকা যে কেমন লাগে, সবাই জানে।
পুড়ে ঘা তৈরি হবে, তবেই তো সে
জ্বালাবার সাহস পাবে লিখতে বসে …..
তারও খেল পাল্টে যাবে পরের দানে
যে ছিল নিয়মভাঙা পাগলা ঘোড়া
সে হবে সস্তাদামের রাঙতামোড়া
নো বলে এল . বি হঠাত্, উনিশ রানে
তবু তার শিরদাঁড়াকে জল ভেবো না।
তুমি যা চাইছ সে তো হয় না সোনা
সকলেই রাস্তা খোঁজে পরিত্রাণের
অথচ মানুষ মরে দুর্ঘটনায়
মরা লোক অনেকখানি হালকা শোনায়
একথা জেনেও যদি মন না মানে -
আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে
যা খুশি, যখন খুশি ছোঁয়াও প্রাণে -
দেখি, কে সাঁতরে বাঁচে এই তুফানে!
শ্রীজাত এর কবিতা ১
খাবার জলে মিশেছে আর্সেনিক
জলখাবরে মিলতে পারে পাস্তা
শত্রু তোমায় চিনিয়ে দেবে শ্রেণি
বন্ধু তোমায় দেখিয়ে দেবে রাস্তা
এইটুকুই তো। আর বাকি সব বাতিল
বিরাট একটা ইলিউশনে বন্দি
তারই মধ্যে বাহানা বর্ষাতি
সন্ধ্যেবেলা ঠিক করে দেয়, কোন দিক …
আনমনা পথ পেরূ কোনোক্রমে
দু’দিকে যার ছল, অজুহাত, বায়না ….
সব রাস্তা যেতেও পারে রোমে,
সব SMS তোমার কাছে যায় না।
শ্রীজাত এর কবিতা ৬
সহজভাবে পড়তে আসি
দরাজ পাঁচিল, রোদের চিকন
হালকা সেসব শব্দ, তবু
তোমরা বল দেওয়াল লিখন
সহজভাবে দেখতে আসি
টুকরো কাপড়, রঙের মজা
হাওয়ায় কেমন দিব্যি ওড়ে,
তোমরা বল জয়ধ্বজা
সহজভাবে শুনতে আসি
ভালই লাগে আমারও গান
সুরের যত রকমসকম -
তোমরা বল দাবি, স্লোগান
সহজভাবে হাঁটতে আসি
আলগা পায়ে আলতো হোঁচট
পথের ধারে খোলামকুচি
তোমরা বল বিরুদ্ধজোট
এসব যদি সহজ না হয়
সহজ তবে বলব কাকে?
তার চাইতে তোমরা বরং
জটিল করে দাও আমাকে।
৫.
বৃষ্টির দিনে অসাধারণ একটা বৃষ্টির কবিতাই আবার বার বার শুনতে ইচ্ছা করে। যখন আবৃত্তি সংগঠন করতাম, তখন লীসা এই কবিতাটা দারুণ পড়তো। ওর ক্যাসেটেও এটি ছিল। এর চেয়ে ভাল আবৃত্তি আমি আর শুনিনি।
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
দিনের আলো নিবে এল,
সুয্যি ডোবে - ডোবে।
আকাশ ঘিরে মেঘ জুটেছে
চাঁদের লোভে লোভে।
মেঘের উপর মেঘ করেছে—
রঙের উপর রঙ,
মন্দিরেতে কাঁসর ঘন্টা।
বাজল ঠঙ ঠঙ।
ও পারেতে বিষ্টি এল,
ঝাপসা গাছপালা।
এ পারেতে মেঘের মাথায়
একশো মানিক জ্বালা।
বাদলা হাওয়ায় মনে পড়ে
ছেলেবেলার গান—
‘বিষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর,
নদেয় এল বান। '
আকাশ জুড়ে মেঘের খেলা,
কোথায় বা সীমানা!
দেশে দেশে খেলে বেড়ায়,
কেউ করে না মানা।
কত নতুন ফুলের বনে
বিষ্টি দিয়ে যায়,
পলে পলে নতুন খেলা
কোথায় ভেবে পায়।
মেঘের খেলা দেখে কত
খেলা পড়ে মনে,
কত দিনের নুকোচুরি
কত ঘরের কোণে।
তারি সঙ্গে মনে পড়ে
ছেলেবেলার গান—
‘বিষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর,
নদেয় এল বান। '
মনে পড়ে ঘরটি আলো
মায়ের হাসিমুখ,
মনে পড়ে মেঘের ডাকে
গুরুগুরু বুক।
বিছানাটির একটি পাশে
ঘুমিয়ে আছে খোকা,
মায়ের ‘পরে দৌরাত্মি সে
না যায় লেখাজোখা।
ঘরেতে দুরন্ত ছেলে
করে দাপাদাপি,
বাইরেতে মেঘ ডেকে ওঠে—
সৃষ্টি ওঠে কাঁপি।
মনে পড়ে মায়ের মুখে
শুনেছিলেম গান—
‘বিষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর,
নদেয় এল বান।
মনে পড়ে সুয়োরানী
দুয়োরানীর কথা,
মনে পড়ে অভিমানী
কঙ্কাবতীর ব্যথা।
মনে পড়ে ঘরের কোণে
মিটিমিটি আলো,
একটা দিকের দেয়ালেতে
ছায়া কালো কালো।
বাইরে কেবল জলের শব্দ
ঝুপ্ ঝুপ্ ঝুপ্—
দস্যি ছেলে গল্প শোনে
একেবারে চুপ।
তারি সঙ্গে মনে পড়ে
মেঘলা দিনের গান—
‘বিষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর,
নদেয় এল বান। '
কবে বিষ্টি পড়েছিল,
বান এল সে কোথা।
শিবঠাকুরের বিয়ে হল,
কবেকার সে কথা।
সেদিনও কি এম্নিতরো
মেঘের ঘটাখানা।
থেকে থেকে বাজ বিজুলি
দিচ্ছিল কি হানা।
তিন কন্যে বিয়ে করে
কী হল তার শেষে।
না জানি কোন্ নদীর ধারে,
না জানি কোন্ দেশে,
কোন্ ছেলেরে ঘুম পাড়াতে
কে গাহিল গান—
‘বিষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর,
নদেয় এল বান। '
৬.
বাঙালির শ্রেষ্ঠ কবিতা কোনটা?
আহমদ ছফা বলেছিলেন, বাঙালির শ্রেষ্ঠ কবিতা এটাই-
সাত কোটি মানুষকে দাবায়া রাখতে পারবা না।
৭.
শেষ কবিতাটা তাহলে শুনিয়ে যাই
''সৃষ্টির রহস্য জানো না তুমি, জানি না আমি
এ এমন এক জটিল বাক্য যা পড়তে পারো না তুমি, না আমি
পর্দার আড়ালে তোমায় ও আমার মাঝে চলছে এ আলাপ
পর্দা যেদিন উঠে যাবে সেদিন থাকবে না তুমি ও আমি।''
ওমর খৈয়ামের কবিতা।





থিসিস আসার আগেই এর আগমনের কথা প্রকাশ করার জন্য আপনারে দিক্কার। জগতের সব হিংসুটে পুরুষদেরও দিক্কার
কবিতা লিখলাম কেমন হইলো সেইটা বললা না। থিসিসযোগ্য কীনা তাও তো বললা না। আফসুস।
ছেলেদের থেকে মেয়েরাই বেশি হিংসুটে এই পৃথিবীতে।তাই আমার পক্ষের থেকে সব হিংসুটে মেয়েদের ধিক্কার।
আপনার লেখা কবিতা পড়ে এরশাদের কথা মনে পরে গেলো
আমারও এরশাদের কথা মাথায় ছিলো। এই কবিতার শানে নুযুল পরে জানানো হইবে।
হাহাহহাহাহা। ইহা কি কবিতা
পালাই 
কেন সমস্যা কী। সেইটা বইলা পালাও
ইদানিং মার্কেটে আবার কবিদের চাহিদা বেড়ে গেছে নাকি?
দেখেন, কেঊ আবার আগামী বই মেলায় আপনার কবিতার বই বের করার প্রস্তাব দেয় কিনা?
~
হু, নাম হবে উন্নয়নের কবিতা
বেশ সুন্দর কবিতা। রবীন্দ্র পরবর্তী যুগে...
রবীন্দ্র পরবর্তীযুগে নাকি আরও বড় কবি আছে
উনার কবিতার লাইন দিয়া খালি স্ট্যাটাস দেওয়ার বাকী, কুটি কুটি লাইক পড়ে যায়
গত বইমেলায় উনার বই সোল্ড আউট হয়ে যায়, আমি কিনতে পারি নাই
(
এ যুগের রবীন্দ্রনাথটা কেডায়?
পৃথিবীতে কবিই আছে একজন।
সচিবালয়েও কাকের সংখ্যা বাড়ছে।
মাসুম বাচ্চা ১৮+্ মত ভাবসাব করলে তার মাসুমীয় ভাব কি থাকে!!!
ওয়ান্স মাসুম ইজ অলওয়েজ মাসুম
তয় আপনার কবিতাটা কিন্তু অসাধারণ হয়েছে, একটু হাসিনা আপার নামটা ঢোকান হয়ত সামনের একুশে পদক পেয়ে যাবেন।
আসেন ধারাবহিক কবিত লেখি। পরের অংশ আপনার। হাসিনার নাম রাইখেন।
ধারাবাহিক হলে হাসিনা-খালেদা-এরশাদ-নিজামী সকলের নামই থাকুক, সারাজীবনের পুরস্কার বাঁধা থাকবে ঘরে
শ্রীজাতের কবিতার ফ্যান হয়ে যাইতেছি, এইটা কোনোমতেই কোনো ভালো লক্ষণ না
আপনার কবিতার কথা আর কি বলবো...
যদি আপনার কবিতা নিয়ে কিছু বলতে যাই; তবে যত বাংলা ব্লগে আছে তাদের সবার বিট-বাইট লিমিট এক্সিড করবে, সরকারের হাজার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ শেষ হয়ে যাবে তবু আপনার কবিতার আলোচনা থামাতে পারবো না। সো আপনার কবিতা নিয়ে কিছু না ই বা বললাম...
লীনাপার (ফেরদৌস) সাথে সহমতের উপ্রে একমত...
শ্রীজাতের কবিতার ফ্যান হয়ে যাইতেছি, এইটা কোনোমতেই কোনো ভালো লক্ষণ না
আপনার কবিতার কথা আর কি বলবো...
যদি আপনার কবিতা নিয়ে কিছু বলতে যাই; তবে যত বাংলা ব্লগে আছে তাদের সবার বিট-বাইট লিমিট এক্সিড করবে, সরকারের হাজার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ শেষ হয়ে যাবে তবু আপনার কবিতার আলোচনা থামাতে পারবো না। সো আপনার কবিতা নিয়ে কিছু না ই বা বললাম...
লীনাপার (ফেরদৌস) সাথে সহমতের উপ্রে একমত...
আমিও শ্রীজাতের ফ্যান হইতাছি।
আপনার কবিতা পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিলো বলবো এক শহীদ প্রেসিডেন্টর ভাষণ এর মত লাগছিলো কিন্তু কমেন্ট পড়তে গিয়ে দেখলাম সুমন ভাই এরশাদ আংকেল এর কথা কইতাছে। চালায়া যান মাসুম ভাই, কে জানে ভবিষ্যতে কোথায় কি কাজে লাগে!
উন্নয়নের কবিতা তো, সবার সঙ্গেই মিলবে।
এই লেখাটিতে লেখক মনের অন্ধি সন্ধিতে যে মনস্তাত্বিক টানাপোড়েনের আভাস আমরা দেখতে পাই সেটা নিয়ে আসলে বিশদ আলোচনার অবকাশ রয়েছে। লেখাটিতে আমরা পাবলো পিকাসোর কিউবিজমের সাথে সালভাদর দালির স্যুরিয়ালিজমের একটি সম্মিলিত অভিক্ষেপের লিখিত রূপ দেখতে পাই। লেখককে সাধুবাদ তিনি খুবই মুনশিয়ানার সাথে এই দুটি বিপরীতমুখী চিত্রকলার ধারাকে একই লেখনীর মাধ্যমে প্রকাশ করতে পেরেছে। এ প্রসঙ্গেই স্বনামখ্যাত পরিচালক আকিরো কুরোশাওয়া হয়তো কখনো বলেছিলেন "দুটি বিপরীত ধারার মিলনে যেই লেখনী আমাদের সামনে প্রতিভাত হয়ে ওঠে সেটাই আসলে একটি ব্যবসা সফল চলচ্চিত্রের মূলকথা"। যাক, এই লেখা নিয়ে আলোচনা করার দুঃসাহস করলে পাতার পর পাতা আই মিন মেগাবাইটের পর মেগাবাইট শেষ হয়ে যাবে তবু আলোচনার সিদ্ধান্তে আসা কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে যাবে।
(কপিরাইট বৃত্ত
)
এই কবিতাটাও সুন্দর। ভাল লাগছে।
জেগে উঠেছে মাসুম ভাই
কাব্য প্রতিভায় তুলনা নাই
আমরা তার মূল্যায়ন চাই
মাসুম ভাই ভয় নাই।।
পদক পাবেন একুশে
মুখ করবেন না ফ্যাকাসে
এমন সুজোগ হয় না
ধরেছি মোরা বায়না
ফিরনি করবেন রান্না
চুল কিন্তু দেবেন না
কম করে খাব না।।
আমার প্রতিভা এখানেই শেষ
সবাই তবে থাকুন বেশ
মাসুম ভাইয়ের মাথায় কেশ
বইছে সেথায় কবিতার রেশ।।
বাহহহহ। মাসুম খুশ হুয়া.....
কবি ল্যাজে হোমোর কথা মনে পইড়া গেল্।
আমারও
ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকল্প না থাকাতে কবিতাটারে বিএনপি'র কবিতা মনে হইলো খানিকটা...
ব্লগজীবনে এই প্রথমবার আমার মনের কথাটা ভাস্কদার কমেন্টে চলে আসছে। ভাস্করদাকে
খালি রূপকল্প থাকলে চলবে না?
নব্বই আর শুন্য দশকের কবিতা নাকি কেউ বুঝবে না
! এই দাবি খোদ কবিদেরই
! কারণ ইনারা নাকি সময় থেকে এগিয়ে
! এনাদের জন্ম হওয়া উচিৎ ছিল আরও পড়ে
। বিধিবাম তা হয়নি
তো শিবের গীত না করে মাসুম ভাইয়ার (আগে কিছু লাগানো দরকার ছিলু!)কবিতা নিয়া কওন দরকার
। সেইরম না কিন্তু বুঝন যায়
! কষ্ট কইরা কবিতা নামক কিছু প্রসব করার জন্য আপ্নের জন্য একদম তরতাজা
বিঃ দ্রঃ - প্রসবের কথা বললাম কারণ শুন্য দশকের একজন কবিকে ফেবু'তে একদিন তার 'মার্বেল ফলের মওসুম' কাব্যখানার নামের হেতু জিজ্ঞেস করাতেই তিনি যা বলেছিলেন সে আর বইলা লাভ নাই
পরে উনার এক ক্লোজ ফ্রেন্ডকে ঐ বইয়ের ই রিভিউ করার পর কমেনটাইছিলাম যে , এনারা ক্যান প্রসব যন্ত্রনাকে কবিতাজ্ঞান করে ! যন্ত্রণার পর সদ্যজাত ছানা বিকলাঙ্গ কি না তা দেইখা ক্যান ফাল পাড়ে বড় বড় পুরস্কারেরে লাইগা
! উনি অবশ্য সে কথা মেনে নিয়েছিলেন ।
খাইছে, মার্বেল ফলের মওসুম? এই কবিরে তো মার্বেল পাথর দিয়া বান্ধাইয়া রাখার কাম
হ তাই ই তো দেখলাম বইয়ের নাম
। এই নামকরণের হেতু নাকি বিরাট

কারণ , মারবেল ফল কোনও বাগানে ফুটে না
) ! ইহা ঋতুহীন
! ইহা একমাত্র মনের বাগানে ফোটে
!
বুঝেন ঠ্যালা
!
আপনের কবিতা থিসিস যদি না করে তাইলে এই দুইন্যাত কার কবিতা থিসিস করবে রিসার্চের লুকজন!
থিসিস তো এই কবিতা নিয়ে হবেই। অর্থনীতিবিদরাই করবেন।
ইয়ে মানে পোস্টের এক ডিসক্লেইমার ছিল। সেইটা এবার দেই।
কবিতাটা আসলে, ইয়ে মানে, এইটুকু আবুল মাল আবদুল মুহিতের এবারের বাজেট বক্তৃতার উপসংহার অংশের শেষ দিকের কয়েকটি লাইন।

হাহাহাহহাহাহা। মাসুম ভাই জটিল জটিল জটিল। আপনারে সুপার লাইক দিলাম।
হায় হায় আমি দেখি বিরাট জিনিস আরেকটু হলে মিস করছিলাম।

তাই তো দেখতাছি
মাসুম ভাই
খচিত কবি। 
মালের রাজ্যে পৃথিবী ননসেন্সময়
মাসুমীয় কবিতা যেন ঝলসানো রুটি...
~
হায় হায় আমি দেখি বিরাট জিনিস আরেকটু হলে মিস করছিলাম।


কপিরাইট: উপরে দেখুন
হা হা হা আপনাট স্বদেশ ও অর্থনীতি বিষয়ক কবিতা পড়া মজা পেলাম

মন্তব্য করুন