মেয়েটা নদীকে “মা” ডাকতো
_________________________________________________________
একদিন খুঁজেছিনু যারে
সাগরের কথা
পাঁচ বছর পর সাথীকে দেখছি। আমরা একই শহরে জীবন যাপন করি। হঠাৎ রাস্তায় দেখা হতেই পারতো। আমার চোখ পাঁচ বছর ধরে সাথীকে খুঁজেছে। কিন্তু কখনো দেখা পাইনি। সেই সাথীকে আজ দেখছি।
অনুষ্ঠানটায় আসবো না বলেই ভেবেছিলাম। মানুষের কোলাহোল আগের মতো আর ভাল লাগে না। নির্জনতা খুব প্রিয় হয়ে উঠছে আজকাল। একা থাকায় অভ্যস্ত হতে শুরু করেছি। তারপরেও বেরোতে হয়, আসতে হয় এরকম দু’একটি অনুষ্ঠানে। এসেছি বলেই সাথীকে দেখছি, পাঁচ বছর পর।
সাথীর কথা
ঘুড়ি উৎসবে যাবেন কি ?
প্রতি বছরের মত এবারও ঘুড়ি উৎসব হচ্ছে। এবারের ভ্যানু হচ্ছে কক্সবাজারের ইনানী বিচে। যারা ঘুড়ি বানাবেন অর্থাৎ ঘুড়িয়ালরা চলে গেছেন ৫ তারিখ রাতে। বাকী দল যাবে ১১ তারিখ রাতে। মুল উৎসব হচ্ছে ১২ মার্চ ২০১০, শুক্রবার। শনিবার সারাদিন ইনানী থেকে রাতের গাড়ীতে করে ১৩ মার্চ রোববার সকালে ঢাকায় ফিরবো আমরা।
অনুষ্ঠানমালা :
শুক্রবার সারাদিন সৈকতে ঘুড়ি উড়ানো
এবারের সংগ্রাম যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম রাজাকার বধের সংগ্রাম
ভায়েরা আমার,
আজ দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আপনারা সবই জানেন এবং বোঝেন। আমরা আমাদের জীবন দিয়ে চেষ্টা করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আজ ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহীসহ সারাদেশে আমার ভাইয়ের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে। আজ বাংলার মানুষ বিচার চায়, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায়, কলঙ্কমুক্ত করতে চায় দেশ।
বিনিময়ের ব্যাপারস্যাপার
প্রতিদিনের মত আজও অফিস থেকে বের হলাম একরাশ ক্লান্তি নিয়ে। মানুষের ভীড় ঠেলেঠুলে অনেকটা বাহুশক্তি প্রয়োগ করেই বাসে উঠলাম। দাঁড়ানোর জায়গা করে নিলাম কোনমতে। পিছুতে পিছুতে হঠাৎ করে পাশের সিটে বসা একটা বাচ্চা মেয়ের পা মাড়িয়ে দিলাম। মেয়েটা উফ করে উঠলো। আমি তো মনে মনে খুবই লজ্জিত। হাত বুলিয়ে একটু আদর করে দিলাম মেয়েটিকে। ওর মা মনে হয় আমার দিকে অগ্নিদৃষ্টিতে চেয়েছিলো। খেয়াল করিনি। আমি তখন ভীষন সংকুচিত হয়ে আ
ক্যানবেরা সফর - পর্ব ২
সেই সার্ভো থেকে বের হয়ে ইউরোয়া শহর বাইপাস করা নতুন ফ্রীওয়ে ধরে সামনে এগিয়ে গেলাম। মুজা কাকুরে খেপানোর জন্য বললাম নেক্সট ব্রেক মিনিমাম ৩০০ কিলোমিটার যাওয়ার পর, এর মধ্যে কোন থামাথামি নাই। কারো ১/২ নম্বর কিছু পাইলে যেন হাসি খুশি মুখ কইরা চাইপা রাখে। আর হ্যাঁ যেহেতু শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ তাই বিড়ি খাওয়া নিষেধ। এইটা শুনার পর কাকু তার সেই জগৎ বিখ্যাত ডায়ালগ "হায়রে........" দিলো। মামুরে বললাম অন বোর্ড
প্রতিবিম্ব মুখগুলো
আজ একটা কাজে একটু ব্যাঙ্কে যেতে হয়েছিলো। আমার একজন বন্ধুর কাছে অনেকদিন হলো কিছু টাকা ধার নিয়েছিলাম। সেই টাকা ফেরত দেয়ার জন্যই ব্যাঙ্কে যাওয়া।
কতই না ব্যস্ত ব্যাঙ্কের মানুষগুলো। যারা টাকা জমা দিতে এসেছে তারা, যারা তুলতে এসেছে তারাও। চুপচাপ তারা লাইনে দাঁড়িয়ে আছে অথচ তাদের চোখেমুখে কি একটা চাপা অস্থিরতা। যেন কত কাজ ফেলে এসেছে বাইরে, এখুনি ফিরতে না পারলে সর্বনাশ হয়ে যাবে।
হুরুতার হুরুকাল - দ্য প্রি-বাফড়া ডেইঝ
আজকে ব্লগে ঢুইকা অনেকের ব্লগাব্লগি দেখতে দেখতে আমার নিজের ছোটবেলার কথা মনে পইড়া গেল ... বিশেষ কইরা মুক্তবয়ানের বর্ণমালায় ঘেরা শৈশবের কথা পইড়া আমার ভেতরের পাঠক টা ব্লগারটারে খোচা দিয়া কইল ''যা ব্যাটা তুইও খানিক ব্লগা, এইরকম উচাটন-মন-টপিক কয়টাই বা আছে'' 
সবাই খালি চান্স পাইলেই ডায়লগ মারে - আহা যদি শৈশবে যাওয়া যেত
!!!! ''পাগল নাকি?
'' এই কথাই ভাবি।
আমার প্রথম যা কিছু (কিছুটা সত্য , কিছুটা মিথ্যা, কিছুটা অতিরঞ্জিত )
প্রথম স্কুল : বাসার কাছে একটি সরকারি প্রাইমারী স্কুল । পড়াশোনা খুব কম করতে হত । তাই বেশি প্রিয়! কত কিছুর প্রথম জড়িয়ে আছে সেখানে! প্রথম বই, প্রথম ক্লাস মেট, প্রথম কমিক, প্রথম "প্রথম হওয়া"...
ডাইরী ৬৩
এক.
আজ ইচ্ছে ছিলো তারে বিদায় জানাবো। তার হাত ছুঁয়ে দেবো। যে হাতে সে অচীরেই ছোঁবে ভালোবাসা। অতএব আমিও ভালোবাসার নৈকট্যে চলেছি বলে সাজাই সুখের সওদা। জানি এমন চিন্তারে অসুস্থ মনে হবে তোমার নিকট। নিকট নৈকট্য কেবলি সংকটে চলে ভবিতব্যহীন...
"স্বপ্নের বাংলাদেশ" লেখা ও ছবি পাঠানোর তাগাদা
বন্ধুরা,
২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আমরা বন্ধু ব্লগে একটি ই-পুস্তক প্রকাশের ঘোষণা ছিলো এই পোস্টে - http://www.amrabondhu.com/lokenbosh/445
আদরের বাবা এবং তার ছেলেমেয়েরা...
আদর আমার বন্ধু। তার বড়াপার বিয়ে হয় নিজের পছন্দে। আদরদের বাবার বাড়ি আর বড়াপার শ্বশুরবাড়ি একটাই। আপার পছন্দ ছিলো তারই জেঠার (বড় চাচা) ছেলে। আদরের বাবা এ বিয়েতে একদম রাজি ছিলেন না। তার মা’র কারনেই আপার বিয়েটা হয় ১৯৮২ সালে। এটি আদরদের পরিবারের প্রথম বিয়ে।
ক্যানবেরা সফর - পর্ব ১
অবশেষে সবার কাজের সময় ক্লাসের সময় হিসাব করে আমাদের ক্যানবেরা যাওয়ার দিন ঠিক হল ২৮শে ফেব্রুয়ারী। প্রথমে আমি আর মামু (মাহবুব রব) যাওয়ার কথা ছিলো। পরিকল্পনার শেষ মুহুর্তে মুজা কাকুর (সৈয়দ এনায়েত হোসাইন মুজাফ্ফার) ফোন
"মুজা কাকুঃ তোমরা কখন রওয়ানা হবে?
আমিঃ কেনো? সকাল ১০ টায়।
মুজা কাকুঃ আমার কাজ শেষ হবে সকাল ৯ টায়। যদি ৩০ মিনিট পরে যাও তাহলে আমিও আসবো।
একটি সকালের গল্প [অনুগল্প]
কাদের ঘুম থেকে জেগে দেখে মাথার কাছের ফ্যানটা নিশ্চুপ হয়ে আছে। সারারাত ঘড় ঘড় শব্দ করে বাতাস দেয়া টেবিল ফ্যান এখন আর নড়াচড়া করছে না। নিচে তোষক , চাদর, বালিশ ঘামে ভিজে জুবুথুবু অবস্থা। অনেক ক্ষন ধরেই ইলেকট্রিসিটি নাই।
শৈশবজুড়ে বর্ণমালা
আমাদের লেখাপড়ায় হাতেখড়ি হয় বর্ণমালা দিয়েই, যদিও অক্ষরগুলোর সাথে ঘনিষ্ঠতা দূরে থাক, পরিচয় হওয়ার অনেক আগেই আমরা শিখে যাই পাগলা ঘোড়ায় চড়ে তেড়ে আসতে আসতে বুবুকে ধমকে দিতে, কিংবা চাঁদকে নিজের কপালে টিপ দিতে অনুরোধ করতে করতে অজ্ঞাতসারেই মামা ডেকে বসা অথবা, শিখে ফেলি Humpty Dumpty জুটির গল্প। তারপরও আমাদের মোটামুটি সবার পড়াশুনাটা বাংলা বর্ণমালা দিয়ে শুরু হয়ে ইংরেজিতে নোঙর ফেলে অংকের বন্দরের দিকে নতুন করে