আমার ফিফা বিশ্বকাপ দেখা - ১
হারলেও আমরা ভালো খেলেছি। ইত্তেফাকে ১৯৭৮ সালে হল্যান্ডের অধিনায়কের এই কথা দিয়ে একটা রিপোর্ট ছিল বিশ্বকাপের ফাইনালের। তখন বিশ্বকাপ কি বুঝিনা। কোথায় খেলা হচ্ছে না হচ্ছে জানিনা। বাসায় টিভিও ছিলনা। আমার বিশ্বকাপ ফুটবল সম্মন্ধে সেই প্রথম কোনো ধারণা পাওয়া। তবে আজ এত বছর পরও মনে আছে সেই রিপোর্টের কথা, আর্জেন্টিনা তিন এক গোলে হল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়।
আমি এক সময় ফুটবলের চরম ভক্ত হলেও এখন কেন জানি ক্রিকেটের মত আর টানেনা ফুটবল। গত বিশ্বকাপের একটা খেলারও (জিদানের মাথা দিয়ে গুতা দেয়া ছাড়া) উল্লেখযোগ্য কিছু মনে করতে পারছিনা। যদিও এক সময় আবাহনী মোহামেডান নিয়া কত উত্তেজনা করেচি, ষ্টেডিয়ামে গিয়ে খেলা দেখেছি। কিন্তু এখন বিশ্ব ফুটবলের খবরে তেমন উৎসাহ পাইনা। রাত জেগে বার্সেলোনা ইন্টারমিলানের খেলা দেখিনা। চারিদিকে এই যে বিশ্বকাপ নিয়া এত মাতামাতি, আমার গায়ে তেমন লাগছিলনা। কিন্তু সময় যতই ঘনিয়ে আসছিল বুঝতে পারছিলাম আমিও আস্তে আসতে এটায় ইনভল্ভ হয়ে যাবো। কারণ ফিফা বিশ্বকাপ ইজ সামথিং এলস। এই গ্রটেস্ট শো অন আর্থের টান থেকে দূরে থাকা কঠিন। আমার পাঁচ বছরের মেয়ে রিমঝিম খেলা দেখা একদম পছন্দ করত না। আমি ক্রিকেট দেখতে বসলে তার নাটক কার্টুন দেখার ডিস্টার্ব হয়। সেজন্য কোনো খেলা শান্তিতে দেখতে পারিনা। সে পর্যন্ত অন্য বাচ্চাদের দেখাদেখি আর্জেন্টিনার পতাকা কিনে এনেছে। এখন সে আর্জেন্টিনার কড়া সমর্থক। এখন ওকে বুঝাতে হয় মাঠের মাঝখানে গোল দাগ কেন। রেফারি কী তার কাজ কী। কে ফার্সট হলো খেলায়!
আমি কোনো সময়ই আর্জেন্টিনা বা ব্রজিল বা অন্য কোনো একটা দলের একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলাম না। সাধারণত প্রতিভাবান প্লেয়ার এর কারণে দলকে সমর্থন দিয়েছি। আবার হয়ত অলয়েজ সাপোর্ট ফর আন্ডার ডগ এই তরীকায় সমর্থন দিয়েছি । এইবার ঠিক করেছি সাপোর্ট দিব আফ্রিকার সবগুলো দলকেই, তারপর এশিয়ান হিসাবে দক্ষিন কোরিয়া, ঘুরে আসা পছন্দের দেশ হল্যান্ড, আর নতুন চ্যাম্পিয়ন হিসাবে স্পেন। ও, রিমঝিমের জন্য আর্জেন্টিনাকেও সাপোর্ট করতে হবে।
খেলা অলরেডি শুরু হয়ে গেছে। শুরুটা চমৎকার হয়েছে। মেক্সিকোর মত শক্তিশালী দলের সাথে সমান তালে লড়েছে দক্ষিন আফ্রিকা। আমি নিশ্চিত প্রথম বারের মত আফ্রিকান কোনো দল সেমি ফাইনালে যাচ্ছে। ফাইনালে গেলেও অবাক হবনা। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন হবে স্পেন এইটা নিয়া কোনো সন্দেহের কারণ নাই।





বিশ্বকাপ ফুটবল না দেখলে শান্তি পাই না। আমি আদি অকৃত্রিম ব্রাজিলের সাপোর্টার। সাম্বা নাচের
আম্মো সাম্বা নাচের সেরম ফ্যান।
তবে ব্রাজিলের সাপোর্টার হইছিলাম জিকো, সক্রেটিস, ফালকাও, আলেমাও , ক্যারেকাদের খেলা দেখে।
আমার বিশ্বকাপ বোঝা ৮২ সালে। ফাইনালে রসি একাই ব্রাজিলরে হারাইছে এইটা বড়দের মুখে শুনছিলাম। আর ভালভাবে বুঝে দেখা ৮৬ সাল থেকে।
স্পেন আমার সেকেন্ড চয়েস।
আর আপনার লেখা পড়ে মনে হচ্ছে ব্রাজিলও এবার খেলছে। একটু কনফার্ম করবেন?
ওস্তাদ, আপনের এইসব একলাইনের মালগুলান ক্লাসিক। আমিতো পুরা পাঙখা এই জন্যই। তয় টুটুলরা আইতাচে কৈলাম।
অফ টপিক:
নেক্সট টিভিতে কবে আইবেন আওয়াজ দিয়েন আগে থিকা। রিমঝিম টিভি ছাড়লেই জিগায়, কৈ মাসুম চাচাকে দেখি না কেন।
এসএমএস করতাছি।
ব্রাজিলের পর ভালো লাগে নেদারল্যান্ডের খেলা।
৮৬ এর বিশ্বকাপেই বুঝলাম প্রথম বিশ্বকাপ কি কিন্তু মা অসুস্থ থাকায় টিভি বিশেষ একটা খোলা হত না ।
নেদারল্যান্ডের খেলা ও দেশ দুইটারেই ভালা পাই।
আর্জেন্টির উচিত হ্যান্ডবল খেলা... যারা এখনো হ্যান্ডবল আর ফুটবলের পার্থক্য বোঝেনা তারা আইছে আবার বিশ্বকাপে... পুরা বিশ্বকাপের সৌন্দর্য নষ্ট
ম্যারাডোনার হাত দিয়া গোল
ম্যারাডোনার শিষ্য মেসির হাত দিয়ে গোল
তুমারে ব্যান করতে কমু। তুমি কুকথা কইতে আসছ কেন?
ফুপি উচিত কথা কইলে নাও তে নামো না.।।
টুটুল ভাই চালিয়ে আমরা আছি আপনার সাথে।।
এহহহহহহহহহহহহ। আসছে উচিতওলা গনকদার।
আমি ব্রাজিলের পর আফ্রিকার, আফ্রিকার পর আর্জেন্টিনা বাদে বাকি ল্যাটিন দেশগুলার সমর্থক। তাই কাল রাতে দঃআফ্রিকার পক্ষে ছিলাম। আবার দঃআঃ গোল দেয়ার পরও খারাপ লাগছিলো। ড্র হওয়ায় আমি খুশি....
আর্জেন্টিনার কোন পিলিয়ার নাকি অলরেডি ডোপ টেষ্টে ধরা খাইছে......। শুনছেন নিকি?
আমি একটি বিশ্লেষণমূলক সিরিজ লিখছি ব্লগে। সম্ভব হলে ঢু দিয়েন, ভালো লাগবে।
একটা কামের কাম করছেন। প্রতি দিন প্রেডিকশন। দারুনস।
বাংলাদেশ এবারো বিশ্বকাপে যেতে না পারায় অস্ট্রেলিয়ার সমর্থক : )
তবে চাই আফ্রিকার কোনো দেশ অন্ততব ফাইনালে যাক ও নতুন কোনো দেশ বিশ্বকাপ জিতুক।
আর বিশ্বকাপ কি জিনিস সেইটা জানছি ১৯৮২ এর দিকে। ৭৮ এ তো আমি কথাও বলতে পারি না ঠিকমতো
মনের কথা কৈছ ভাইস্তা।
আফ্রিকান কোন দল সেমিফাইনালে যাচ্ছে
সহমত।
আমি ভাই বরাবর আ আর আ...
আবাহনী আর আর্জেন্টিনা...
আর্জেন্টিনার কী উচিৎ, কী উচিৎ না... সেইটা ঠিক করার তুমি কে মিয়া ? কাইলকা দেখ নাই কেমনে গোল কৈরা জিতলো... @টুটুল
রিমঝিম মামণিকে আর এক আর্জেন্টিনা পাগল চাচ্চুর পক্ষ থেকে অনেক অনেক ভালোবাসা আর আদর দিবেন। দেশে আসার সময় ওর জন্য এক বস্তা চকলেট বান্ধা রইলো
এখন আপ্নেও লাইনে আসেন, মেয়ে আর তার চাচার সাথে সুর করে গাইতে শুরু করেন ভামোস ভামোস আর্জেন্টিনা!!
হাসান ভাই, অক্টোপাস পল তো আপনার কাছে হার মানতে বাধ্য হবে।
মন্তব্য করুন