একটা সুখবর : দাদাভাইয়ের, আমাদেরও

সব আড্ডায়ই একজন থাকে যাকে ছাড়া আড্ডা জমেনা। যিনি আড্ডার প্রধান আকর্ষণ। মানে প্রাণ ভোমরা। যিনি আড্ডাকে মাতিয়ে রাখেন, নিস্তেজ ম্যান্দামারা সময়কে আনন্দের ফুল্লধারা বানান। সেইরকম একজন আমাদের মেসবাহ য়াযাদ ওরফে দাদাভাই ওরফে বিনয় কাকু। উনার মত মাইডিয়ার লোক ইহ তল্লাটে খোঁজ দ্যা সার্চ দিলে খুবই কমই পাওয়া যাবে। দাদাভাইয়ের সাথে যারা পরিচিত হয়েছেন তারা এই বিষয়ে দ্বিমত করবেননা এইটা নিশ্চিত।
আমরা যারা 'সব থিকা আড্ডা জরুরি' মতবাদে বিশ্বাস করে প্রায়ই তার সকাশে গিয়ে তার অফিসের খিচুড়ি, পেপে, মিস্টি , কফি থেকে শুরু করে কত কি খেয়েছি (আসলে বলা উচিত কী খাই নাই) তার ফিরিস্তি দিতে গেলে বিনয় কাব্য লেখতে হবে। আসলে উনার মনটা এমন যে উনি কাউকে না করতে পারেননা। কেউ ডাক দিলে সাড়া না দিয়ে থাকতে তিনি একদমই পারেননা। তাইতো দেখা যায় আজ সুন্দরবন কাল সেন্ট মার্টিন পরশু কলাকোপা এইভাবে ঘুরন্তিসের উপর আছেন লোকজনের সাথে। নিন্দুকেরা অবশ্য এ নিয়ে নানা কথা বলে। একজন বলল, ঘরে দুইদিনের বাচ্চা রেখে অর্ধেক বয়সী এক মেয়ের সঙ্গ পাবার আশায় নাকি কক্সবাজার চলে গেছিলেন। ঐখানে গিয়ে অবশ্য সুবিধা করতে পারেননাই মনে হয়। কারণ এর পরের কিছু তিনি আমাদের বলেন নাই।
দাদাভাই মাঝে মাঝে অদ্ভুত কথা বলে আমাদের চমকে দেন। একদিন বললেন জানিস বুড়িগঙ্গায় না পদ্মার চর পরেছে। তাজ্জব কথা! সাগর বলে, এইটা কী বললেন বড় ভাই বুড়িগঙ্গায় পদ্মা আসবে কই থিকা? 'চুপ থাক'। দাদাভাই খেপে উঠেন। যেইটা জানস না সেইটা নিয়া কথা বলবিনা। ঝারি খেয়ে চুপসে গেলেও সাগর মিনমিন করে প্রতিবাদ করতে চায়। আমরাও তার কথা বিশ্বাস করছিনা দেখে তিনি ঘোষণা দেন, ঠিকাছে একদিন তোমাদের নিয়া যামু পদ্মার চর দেখাইতে। যদিও এখনো আমাদের বুড়িগঙ্গার মাঝে পদ্মার চর দেখা হয় নাই।
মেসবাহ ভাইয়ের আড্ডায় আসার পর প্রথম কাজ হল বেহুদাই নিরিহ একজনকে আজাইরা ঝারি। টার্গেটে পরি হয় আমি নাহয় জয়ি। একদিন জয়িতা আর সইতে না পাইরা খামছি দিয়া রক্ত বাইর কইরা দিছে। ঐদিন শুনলাম জয়িরে বলছে, তুই আমার সাথে ২৪ তারিখ পর্যন্ত কথা বলবিনা। কিজন্য কেজানে! লীনা একদিন আমাদের ম্যাঙ্গোতে খাওয়াতে নিয়া গেছে। ভাস্কর অর্ডার দিল ডিম। এইসব যায়গায় আইসা কেউ ডিম খাইতে চায়? হ চায়, আঁতেলরা চায়। আমাদের মধ্যে ভাস্কর আবার আঁতেল কিসিমের। ওরে দেখে লীনার শখ হইল আঁতেল ভাব নেয়ার। সেও ডিম চাইল। এইসব দেখে আমি অর্ডার দিলাম ক্লীয়ার স্যুপের। দেখাদেখি মেসবাহ ও অন্যরাও স্যুপের ফরমশ দিল। খাওন আসার পর সে এক দৃশ্য। একশ দশ টাকা দামের ডিম ভাজি ভাস্কর মজা হইছে খুব এমন ভাব নিয়া খাইয়া গেল। কিন্তু লীনাতো আর খাইতে পারেনা, ডিমের সাথে নাকি কুমড়া দিছে। এদিকে ক্লিয়ার স্যুপের মজা আরেক কাঠি বাড়া। মনে হইল মাড়ের মধ্যে পানি মিশায়া দিছে। এইটা নিয়া মেসবাহ দাদায় আমারে ঝারি। আমি বলি, আমি কি কইছিলাম আপনে এইটা খান। কিন্তু উনি উল্টাসিধা ঝারি মাইরাই যাচ্ছেন।
উনার নারী প্রীতি চরম। মাঝে মাঝে সীমানা ছাড়ানো। এই যেমন গতকল্য সবাই বসে আছি তার আসার খবর নাই। টুটুল ফোন করে মাসুম ভাই করে আমি করি লেকিন তিনি ধরেননা। আড্ডার এক নারীকে দিয়ে ফোন দেয়ার সাথে সাথে ধরে ফেললেন। ঐদিন লীনাকে বলতেছিলেন আমাকে ৫ লাখ টাকা দেও ছয় মাসের মধ্যে চার গুন করে দিব। শুনে আমি , মাসুম ভাই ও টুটুল লাফ দিয়া উঠলাম। আমাদের টাকাও চার গুণ করে দিতে হবে দাদাভাই। কিন্তু না, উনি আমাদের টাকা নিবেননা নিবেন শুধু লীনার টাকা। 
ইতং বিতং অনেক কথা হইল, এখন যেইটা বলতে এই পোস্ট লেখার ইরাদা করছিলাম সেইটা বলি। দাদুভাইয়ের অনেক শখের মধ্যে অন্যতম হইল তিনি কোটিপতি হবেন। এইটা অনেক দিন থিকাই আমরা জানি। তবে তীব্র আনন্দের বিষয় হল তিনি গতকল্য ঘোষণা দিয়ে দিলেন, আগামী বছরই তিনি কোটিপতি হয়ে যাবেন। কোনো বেল্লিক হয়ত প্রশ্ন করতে পারেন এত তাড়াতাড়ি কোটিপতি হবেন কেমনে। সেইটা আমাদের জানার কোনো দরকার আছে? কোটিপতি হওয়া দিয়া হইল কথা। আচ্ছা তিনি কোটিপতি হইবেন ভাল কথা এতে তীব্র আনন্দের কী আছে? আছে । তিনি ঘোষণা দিয়েছেন আগামি বছরের আইমীন দুইহাজার এগার সালের এবি পিকনিকের স্পন্সর উনি। মনে কোনো চান্দামান্দা নাই সবাই পিকনিকে যামু বিনা চান্দায়। 
শখতমামায় দেখি প্রতি পোস্টে একটা এডাল জুক দেন। দেখাদেখি আমারো একটা দেওয়ার খায়েশ হইল:
এক লোক বারে গেছে পান করতে। মন খুব খারাপ দেখে বারটেন্ডার জিজ্ঞাস করে, মন খারাপ কেন?
- আর বলোনা জানতে পারলাম আমার ভাইটা গে। বলেই মুখ কাল করে গিলতে লাগল।
সেই লোক আরেক দিন গেছে বারে। সেদিনও মন খারাপ। বারটেন্ডারকে জানায়,
- আমার আরেক ভাইও গে।
শুনে বারটেন্ডার অন্য কাজে মনযোগ দিল।
এর পরেরবার লোকটা যখন আবার মনখারাপ করে বারে আসল। বারটেন্ডার তাকে বলে,
- তোমার পরিবারে কেউ নাই যে মেয়ে পছন্দ করে?
- আছে। সেই জন্যইতো মনটা খুব খারাপ। কালকে জানলাম আমার বউ একটা মেয়েকে পছন্দ করে!





শুধু পিকনিক ? ধানমন্ডি ৫ নং রোডের ফুচকা আর চটপটিও খাওয়ামু এইটাওতো কৈছিলাম বৈলা মনে অয়...
দাদা ভাই জিন্দাবাদ!! পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যাপাতা উইথ পুদিনা পাতা।
৬ মাসে ৪ গুন হয় সেইটা কইলেন না যে?
ইয়ে মানে শেষ জুক্সসা চিটাগংএর কোন বারের ঘটনা?
আরে ভুইলা গেছিলাম। কত কি মনে রাখা যায় উনার। একটা দাদাভাই সিরিজ করা দরকার।
সকালবেলায় এমুন খাসা পোস্ট!
ঘুম থেকে উঠলাম দাদাভাইয়ের চেহারা দেইখা আর আপ্নের জুক পৈরা। দুনিয়া যে কৈ যাইতেসে দিন দিন।
দাদাভাই কুটিপতি হৈতে চায় ভালো কথা, আপ্নে মোল্লা শকুন হৈসেন ক্যান?
আর্রে আমি তো খুশিতে জিন্দাবাদ দিয়া পোস্ট দিয়া ফেলছি। উনি টেকাওলা হইলেতো আমাদেরই লাভ।
আমিওতো কই, দাদাভাই'র মনের আশা তাড়াতাড়ি পূরণ হোক। সে কুটি-পতি হৈলে সম্মুখ লাভ তো আমাগোই। আমি মুনয় প্রতিদিন গিয়া তার কাছ থিকা নগদ টাকা হাইজ্যাক করুম।
রায়হান ভাই, ৬ মাসে ৪ গুণের কাহিনীটা কন দি। আর পার্লে দাদাভাইয়ের আরেকখান ছবি দেন। আপ্নের ছবি তোলার হাত অতি খাসা।
৬ মাসে ৪ গুণের কাহিনী পোস্টে যোগ কইরা দিছি।
কবে আমি খামচি দিলাম?আমি সবসময়ই নিরীহ।ডিম খাওয়ার ফটুক কি দিমু?
দেয়ালে পিঠ ঠেইকা গেছিল তারবাদে দিছিলা।
ডিমের পিক দেও।
হোটেলের নাম ম্যাংগো আর পাওয়া যায় ডিম??????
কলি কাল ঘোর কলিকাল।
রাম রাম রাম রাম।
কলি কাল এখনো হয় নাই রাসেল, ওখানে আপেল পাওয়া যায়না।
মাঝে মাঝে অবাক লাগে, যে কি কারণে ধমকায়?কারণ খুঁজে পাই না। পরে দেখি আপনি আর আমি ছাড়া আসলে কাউরে উনি ধমকাইতে পারে না।
জয়িতা'পুর কমেন্ট পৈড়া আবারো গড়াগড়ি খাইলাম।
কেমনে পারেন ইরাম হিউমার ছড়াইতে?
দাদাভাই অবশ্য এটারে রিউমার বৈলা চালানোর চেষ্টা কর্তে পারে।
মীর কি কয় এসব?অপবাদ দেন কেন? আরে লুকজনরে জিগান, যদি ভালো মনে দাদাবঅইরে জিগাই ...কেমন আছেন?ধমক দিয়া বলবে...তাতে তোর কি?
পরশু এসএমএস করে বলে সিমলারে দেখতে টিভিতে....যদি এইটা আমি এস এম এস করতাম....কইতো......সিমলারে কেন দেখুম?সমস্যা কি তোর?
তবে দাদাভাই লুক খুবই ভালো।
নেন সেই ছবি। লেখা পৈড়া হাহামগে
ম্যাংগো
লীনাপার ডিম খাওয়া/ না খাওয়া(ডিমের ভেতর মিষ্টি কুমড়া, খাইতে আর পারে নাই)
তিন ভাবুক(ভাবের উপড়ে থাকে)
এইবার আপ্নারে উত্তম জাঝা।
থ্যাঙ্কু জয়িতা, আমি ছবি দিতে গেলে ত্যাড়াব্যাকা হয়ে যায়।
আমারে টুটুল ভাই শিখাইছে। মীরের পোষ্টে ফটুক দিয়া প্র্যাকটিস করছি।:D
ডিমে কুমড়া!!!... এটা কেম্নে খাইছে ভাস্কর'দা??...
হাসান রায়হান নিন্দাবাদ আর ধইন্যা একই সাথে । কেন তা বলবো না ।
নিন্দা দিলেন ভাই।
মাইনডাইলেন । তয় 'ন'-এর জায়গায় 'জ' বসাইয়া লন । চলবো?
বহুদিন পড়ে রায়হান ভাই এক্টা সেরম উমদা পোষ্ট দিছে।রায়হান ভাই এর জন্য ক্লিয়ার স্যুপ বরাদ্দ হলো।
হ পোস্ট সেরম মজার হৈছে। এখন এই পোস্টের জন্য কাক্কু কি উপহার দেয় সেইটার জন্য অপেক্ষাই
মীরের অনুরোধে দাদাভাইয়ের আরো দুইটা ছবি। একটা কথা, ছোটো বেলায় পোলিও হয়ে উনার বা হাতটা একটু বেকা।
পোস্ট পইড়াই হাসি থামতেছে না। তার উপড় দিলেন পোলিওওলা ফটুকটা?৫ নম্বরে ফুচকা কি আর খাইবেন না?পিকনিকের কি হবে কে জানে! আল্লাহ আল্লাহ করেন।
কয়টা হইছে?
ও আল্লাহ। এত হাসে কেন?মইরা তো যাইবা।
ওরে কত হাসেরে
বালিকার কান্ধে রাখা হাতটা কার

দাদাভাই মনু ভাবীরে মেইলাতাছি ফটুকটা
আপনে এসব কি বলেন লীনাপা?মানুষ একজন, হাত কি আরেকজনের থেকে আইনা কান্ধে রাখছে?
রাখতে পারে। বলা তো যায়না হয়তো পিছন থেইকা কেউ হাতটা বাড়ায় দিছে, দাদাভাইর মতো পুত পবিত্র চরিত্রের লোক এই কাম কেমনে করে। রাম রাম।
এই হাত উনার নিজের। দেখেন রায়হান ভাই কি বলছে....
ঘুড়ি উৎসবের উপর আর নীচে কি লেখা? পড়ি তো
উপরের ছবিটা কি বস সিমলারে দেখার পর???

বিশাল চমক দিলেন গুরু!
টিট ফর ট্যাট...
মিরপুরে যাইতেছি। পিকনিকের গাড়ীটা ফাইনাল কৈরা আসি...
ফি আমানিল্লাহ ।
আতমকে হাত পা ..
যাওয়ার সময় এক নম্বর হইয়া বাংলা কলেজের সামনে দিয়া যান। চা বিড়ি খাই একসাথে।
ধুর রায়হান ভাই কালকে আমারে ঠিক বাইর করে দিবো।সেই দুপুর থেকে হাসতেছি।অলরেডি দুইজন জিগায়ছে হাসো ক্যান??????

পোষ্টতো পুরা রঙ্গে রঙ্গিন থুক্কু জন্ডিস কালার আর কি হইলদা হইলদা...
ফ্রিতে পিকনিকে নিবো মানলাম... কিন্তু কই নিবো?...
মেসবাহ ভাই'র বিরুদ্ধে সিউর কন্সপিরেসি চলতেসে।
দাদা ভাইয়ের সাফল্যে ইর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রী মহল এরকম অপপ্রচার চালাচ্ছে দাদা ভাইয়ের নামে।
তার কোটিপতি হবার খবর শুনে মহল টি তার চরিত্রে কালিমা লেপনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
সংগ্রামী ভাই বোনদের বলছি, কুচক্রী মহলের এই অপচেষ্টা আমি থাকতে সফল হতে দিব না। রাজপথে তাজা রক্ত ঢেলে এই ষড়যন্ত্র রুখবোই রুখবো।
দাদাভাই, আপনি এগিয়ে চলেন , আমি আছি আপনার পিছে।
রাজপথে তাজা রক্ত ঢেলে এই ষড়যন্ত্র রুখবোই রুখবো।
কিসের রক্ত সাঈদ ?
দাদা ভাইকি জ্যয় হো .. দাদা ভাইকি জ্যয় হো

( ইয়ে মানে... দাদা ভাই
আমি এখনো খিচুড়ি খাই নাই )
তয় জুকটা কিন্তু পুরাই কাঠালিয় হৈছে
একটা জিনিষ কিন্তু বুঝলাম না। ডিমের প্লেটে স্যুপের চামুছ ক্যান !! এই ডিম কি পান কর্তে হয় নাকি
স্যুপের চামচ দিছল জয়িতা, সে ডিমও খাইছে স্যুপও খাইছে।পরে পল্টি মারছে কিন্তু প্রমান ধ্বংস করতে পারে নাই
এমুন মিছা কথা কেমনে কইলেন আপনি?আমি ডিম খাইছি এইটা আর কেউ তো কইলো না। কুমড়া দেওয়া ডিম আমি খামু? স্যুপ খাইছি, রায়হান ভাই এর মতো ভাব লৈতে গিয়া।
তাইলে ডিমের প্লেটে স্যুপের চামচ কৈত্থেকে আসলো! কুমড়া দেয়া ডিম কিন্তু খারাপ ছিল না, আবার খামু।
দাদাভাই.......
দাদাভাই এর হলুদ রঙ বড়ই পছন্দ, এই তথ্যটা বাদ গেছে পোষ্ট থেকে।
দাদাভাই কোটিপতি হওয়ার পর আমাদের ফুচকা খাওয়াবেন? এটা একটা কথা হলো? কোটিপতির কোন ইজ্জত নাই? বাটন রুসের নীচে হবেই না।
ক্লিয়ার স্যুপ মানুষ পয়সা দিয়ে কিনে খেয়েছে, চরম সমবেদনা
দাদাভাইরে ভালা পাই!
পোস্টে যারা কমেন্ট করলেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। এই পোস্ট দেয়ার উদ্দেশ্য ছিল মেসবাহ ভাই এর ঘোষণাটার দলিল রাখা। আসলে মেসবাহ ভাই যাতে কোটিপতি হওয়ার পর চোখ না উল্টায়, তাই প্রমান রাখা আর কি।
তিনিই অন্যের উপর বিশ্বাস রাখতে পারেন না, যিনি নিজেকে বিশ্বাস করেন্না...
আমার কতা না
পোষ্ট প্রিয়তে নিলাম। দারুণ পোষ্ট।
দিক্কার!
দাদা ভাইরে নিয়া কোনো আকথা মানতে আমি রাজী না,
আমি সেইন্টমার্টিনের ফডু দেখতে চাই!
মন্তব্য করুন