ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত কিছু আব্জাব কথাবার্তা
ডারউইন সাহেব খুব সহজেই প্রমান করে দিলেন আমরা বিবর্তনের ধাপ পেরিয়ে বাঁদর থেকে মানুষ হয়েছি। মানবের ২ মিলিয়ন বছরের ইতিহাসে তার জিনে বাঁদরের অস্তিত্ব খুঁজে পায় বিজ্ঞানীরা।
মাঝে মাঝেই ভাবি একটা বানর হয়তো রাতারাতিই মানুষ বনে যায় নি। নিশ্চই দীর্ঘ্য প্রসেসের ভেতর দিয়ে তাকে যেতে হয়েছে। ভাবতে ইচ্ছে করে কেমন ছিলেন আমাদের পুর্বপুরুষেরা? চোখ বন্ধ করেই দেখতে পাই কিছু লোক গাছের ডালে বসে আছে, এর মধ্যে একজন আরেকজনের মাথার উকুন বাছছে, তখন নিশ্চই তিব্বত কদুর তেল পাওয়া পাওয়া যেতোনা পাশের ডিপার্ট্মেন্টাল ষ্টোরে। চিরুনীর বদলে আঙ্গুলের নখই হয়তো ছিলো একমাত্র ভরষা।
পাশের গাছের ডালে বসা কোন বাড়ন্ত কিশোরীর দিকে হয়তো উদাসী নয়নে চেয়ে আছে কোন বৃদ্ধ আর একটু তফাতেই কোন তরুন ব্যাস্ত শারীরিক কষরত দেখাতে, একডাল থেকে কিভাবে ফ্লাইং জাম্প মেরে আরেক ডালে যেতে হয় কিংবা শুধু দুই পায়ে কেচকি মেরে কিভাবে মগডালে ঘন্টার পর ঘন্টা ঝুলে থাকতে হয় তা দেখিয়ে দৃষ্টি আকর্ষন করতে চেষ্ঠা করছে কিশোরীর।
ঠিক তখনই হয়তো কিশোরীটি চিন্তিত তার শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে, তখনতো আর মহল্লার মোড়েই ফার্মেসী ছিলোনা যে এক জন আরেক জনের কানে ফিস ফিস করে কিছু বলবে আর টিভি স্ক্রীনে লেখা উঠবে, সেনোরা, এগিয়ে যাও আজকের নারী। বৃদ্ধের হতাশা কিংবা তরুনের প্রেম নেত্র কোনই আবেদন সৃষ্টি করছেনা কিশোরী হৃদয়ে।
(এইতো বাঁদরের মত চিন্তা করতে পারছি, কই থেকে কই গেলামগা)
আবার ভাবি খেলার ছলে হয়তো কেউ কারো লেজ ধরে টানাটানি করছে প্রতিবাদে এ ওর পিছু দৌড়ুচ্ছে। খেলাটা একসময় মারামারিতে পরিণত হয়ে গেলে হুটোপুটি করতে করতে মগডাল থেকে গড়িয়ে পড়ছে একাধিক জোড়া। রাতারাতি লেজ বিলুপ্তি পেয়েছে এমনটা ভাবার কোন যৌক্তিক কারণ নিশ্চই নেই।
এখনো আমরা দল বেঁধে কোন কমিউনে থাকতে ভালবাসি, চলমান জীবনে কখনযে দলে থেকেও হয়ে যাই নিজেরাও টের পাইনা। আবার কিছু আলাদা লোক চলতি পথে নিজেদের ভেতর দল তৈরী করে। এভাবেই আমরা পূর্বপুরুষের জিনের প্রতি বিশ্বস্ততা রক্ষা করে চলি। আমার অদৃশ্য লেজে কেউ টান দিলে দাঁত মুখ খিঁচিয়ে যাই তাকে এক হাত দেখিয়ে দিতে।
কখনো ভাবি, ডারইউনের সাথে দেখা হলে হয়তো চা খেতে খেতে বেশ জ্ঞানী ভাব নিয়ে বলতামঃ ডারউইন সাহেব, খুব সহজেইতো বলে দিলেন বাঁদর বিবর্তিত হয়ে মানুষ হয়েছে। কিন্তু ডারউইন সাহেব আপনি জানেন কি মানুষও বিবর্তিত হয়ে বাঁদর হয়? না জানলে সেটা নিয়ে সত্বর একটা গবেষনা শুরু করে দিন।
অতঃপর সর্বশেষে হা-হুতাস করিয়া আবার ভাবিত হই, আমার বান্দরনী কোথায় থাকে কে জানে? বিবর্তনের ধারাকে অব্যাহত রাখতে হবে যে।
মানব বিলুপ্তির পরবর্তী ধাপে হয়তো এমন কেউ আসবে যে কিনা বিবর্তনের ধারা বিশ্লেষনে বলবেঃ তারা মানব নামের এক অতিব আচানক গুষ্ঠি হতে বিবর্তিত হয়েছে।





"আমার অদৃশ্য লেজে কেউ টান দিলে দাঁত মুখ খিঁচিয়ে যাই তাকে এক হাত দেখিয়ে দিতে"
অদৃশ্য লেজের ভাবনাটা ইন্টারেস্টিং... শরীরের কোন অংশ হারিয়ে যাবার পরও নাকি মস্তিষ্কে স্মৃতি সেটাকে ধরে রাখে। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটা পা অ্যাম্পুট করে ফেলার পরও নাকি "নেই-পা"টা চুলকাতো, হাত বাড়িয়ে উনি অনুভব করতেন যে ওটা আর নেই...
=========================================
বান্দরনীর সন্ধান মিলুক দ্রুতই।
হাঃহাঃহাঃ নুশেরাবু, দারুন বলেছেন। আসলে অদৃষ্য জিনিষ নিয়েই যতো দৃষ্যের অবতারণা।
অছ্যুৎকে ছোঁয়ার তীব্র বাসনায় আমরা কত আজগুবি কর্মইনা করি। এইগুলো বুঝি বলেই হয়তো বান্দরনীর দেখা মিলবেনা।
(আমি ইমু দিতে পারছিনা কেন, ভেডুউউউউউউউউউ গরররররর)
মন্তব্যে ইমো দেন রিচ টেক্সট মুডে। তারপর রিচ টেক্সট ডিসএবল করে প্রি(ইংরেজিতে প্রি) লেখা দুটা ট্যাগ বের করুন(শুরুতে আর শেষে থাকার কথা)। >< এই জিনিস সুদ্ধা প্রি মুছে দিন। প্রিভিউ দেখুন
ধনিয়া দেখি টেরাই করে
আরে সত্যিইতো কাজ করে
ধরেন এইটা আপনার জন্য 
ডেভুরা প্রি ট্যাগটা ক্যান ইউজ করে জানি না...কি কাম এটার আল্লাহ মালুম!
ডারউইন বলেছিলেন মানুষ বাঁদর ছিল, আসলে মানুষ আজও বাঁদরই রয়ে গেল
তইলে জলদি নিক চেঞ্জান মিয়া ভাই.................. খিকজ

আমি কইতে পারুম্না আমার পূর্বপুরুষ কেউ বান্দর আছিল নি, আমার কাছে কুর্সিনামা নাই, ডারউইনের কাছে আছিল কূর্সিনামা , হেয় দেইখ্যা কইছে।
যাউজ্ঞা, ভবিষ্যতে মনে লয় যে প্রজাতি আইবো, হেরা রোবোট ছাড়া আর কিছু হইবো না।
তয় সত্বর তোম্রার বান্দরনী পাও দেই দোয়া করি।
হাঃহাঃহাঃ দারুন কইছেন ভাইডী

তয় বান্দরনী মনয় তার ভাবীর লগে ঘুরতে গেছে
পড়ার সময় মজা করে পড়ছি ।
কমেন্ট করার সময় ক্যান জানি হাত চললো না !! অনেক্ষন গুতাগুতি কইরা কিছুই কমেন্টে লিখতে পারলাম না !!
ব্যাপার্স না

আমারো এইরাম হয়, তখন অফটপিক কথাবার্তা কই
দেহি টেরাই দিয়া ইমো কাম করেনি ।।

পাস্কর্ছেন
বান্দর ছিলো মানে কি?এত্ত বান্দর দেখছি এখানে!বান্দরনী এসে লেজ কেটে দিতে পারে।
হেঃহেঃহেঃ বান্দরনীর তালাস এখনো মিলেনাই

ভবিষ্যতেও মেলার সম্ভাবিলিটি খুব একটা নাই
আমাদের সবার পূর্বপুরুষ এক, এইটা মাইনা নিতে পারতেছিনা। অন্তত গোআ নিজামীর মতো কিছু অমানুষের বংশপিতা শুয়োর কুকুর হইলে ভালো হইতো। ডারউইনের থিউরিরে চ্যালেঞ্জ করা উচিত
@নজু ভাই, কুকুরের সাথে তুলনা করা কুকুরের বিস্বস্ততার অপমান।
নিজামী গো আজমের পূর্বপুরুষ খাটাস জাতীয় প্রানী হবার সম্ভাবনাই বেশী।
খাটিঁ কথা কইছেন দাদা, এই কথাটাই খুঁজতেছিলাম মনে মনে, পাইতেছিলাম না
নীড়'দার লগে চ্রম সহমত জানাইয়া গেলাম। তবে ওদের দিন ঘনাইয়া আসছে মুনয়
হা হা প গে। :))
এইরকম অতীতিয় দর্শন চিন্তা আমি খুব ভালা পাই, বিষয় নির্বাচনকে সাধুবাদ জানাই। :)
আপনাকে উত্তম ধনিয়া নীড়'দা
দেখি গেন্ডারিয়া যাইতে হপে কাজীর জন্য বান্দরনী খুজতে ;)
যদিও সাধনার ঔষধ বানানোর কাজে অল্প কিছু টিকে আছে এখনো ..
গেন্ডারিয়া কি গেন্ডারী পাওয়া যায়


আই লাইকজ গেন্ডারীজ
যেইখানে কলাবাগানে কলা নাই... কাঠাল বাগানে কাঠাল... সেইখানে গেন্ডারিয়ার গেন্ডারিতো মেলা দুর :)
খুব মজার লেখা।
আপনাকে ধনিয়া পত্র
হা হা সেইরকম মজার হইছে
বিষয় নির্বাচন চমটৎকার
ধনিয়া বস
বস কি মুরুব্বী নাকি?, প্রো পিক টা চেনা বেশি আরকি..
আপনি ঠিক নাম্বারেই ডায়াল করেছেন

মাগার এইখানে আমাকে মুরুব্বি মানা হয় নাই
আইজকালকার পুলাপইন আসলেই, মুরুব্বী মানেনা...আপনে মুরুব্বী আছেন বস, টেনশন নাই...
আমি কিন্তু বরাবরই লেজের পক্ষে...রসিকতা না, সিরিয়াসলি...
মানুষের বিবর্তনে সবচেয়ে বড় লসটা হৈলে লেজ হারানো টা...একটা লেজ থাকলে লিটারারিলি অনেক উপকার হৈতো কিন্তু...
ধরেন, দুই হাত দিয়া কাজ করতাছি, পুলাপাইন বিরক্ত করতাছে, দিতাম লেজ দিয়া এক বাড়ি...কিংবা দুইহাত দিয়া কোনো কিছু আঁকড়াইয়া ধৈরা, ল্যাঞ্জা দিয়া সহজেই গাছ থেইকা গাছে..কিংবা মৌচাক মার্কেটে দুইহাতে আম্মার ধরাইয়া দেয়া শপিং ব্যাগ যখন, তকহন ল্যাঞ্জার মাথায় আইসক্রীমটা ধরা যাইতো..
হাঃহাঃহাঃ জটিল বলেছেন। এভাটার দেইখ্যা আমারো সেইরামই ধারনা হৈছে। লেঞ্জা থাকলে অনেক সুবিধাপ্রাপ্তি হৈতো। কোন কোন প্রানীর লেঞ্জা তার শরীরের বেলেন্স নিয়ন্ত্রন করে
এখন যদি দুই হাতে দুই ব্যাগ ধরাইয়া থাকে ... তাইলে তখন তিন ব্যাগ ধরাইপে :(
হাঃহাঃহাঃ এইটাও একটা বিড়াট চিন্তার বিষয়, ঢেঁকী স্বর্গে গেলেও কাম নাকি একটাই
আরে নাহ, নিয়ম থাকবে, ছুডু বেলার থেইকাই, ল্যাঞ্জার ব্যাপারে মায় বাপে কিছু কৈতে পার্বোনা, সেডা পুরাই পুলাপাইনের অধিকারে...শুধু বেশি ছুডুবেলায়, নিজের এবং আরেকজনের মুখে ধুকাইয়া দেয়াটা থামাইতে পারবো...
আর বড় হইলে লেন্জা নিয়া ফ্যাশন করার সিস্টেম থাকবো। কেউ আগায় চুল রাখবো, কেউ ক্রু-কাট দিবো। কেউ সেইটা পার্ম করবো, কেউ স্ট্রেইট আয়রণ, কেউ কালার করবো, কেউ হাইলাইট... কেউ পিয়ার্স কইরা গয়নাগাটিও লাগাইবো...
হাঃহাঃহাঃ জটিল কথা বলেছেন আপু

এখন ল্যাজহীনতার বিষন্নতায় ভুগিছি
অতঃপর সর্বশেষে হা-হুতাস করিয়া আবার ভাবিত হই, আমার বান্দরনী কোথায় থাকে কে জানে?
যদি ভবিষ্যতের পুলাপানকে কেলাশ থ্রিতে কয়, এই রচনার মূলভাব লেখো। তাইলে কি ওপরের লাইনটা লেখলেই চলবে নাকি মুরুব্বী ?
কিছু কিছু লেখার বিচার সম্পূর্ণ পাঠকের হাতে ছেড়ে দেই

সবাইকে আলাদা করে ভাবার স্বাধিনতা দেই। এটাও তেমন।
তবে আপনে কয়েকটা কারনের মইধ্যে একটা ধইরা ফেলাইছেন আপু
লেখাটা পইড়া কমেন্টে অনেক কিছু কইতে ইচ্ছা থাকলেও কৈতে পাড়তেছি না। কারন খাবার যত উপাদেয়ই হোক খাওয়া শেষ হইলে মাইনষের সামনে ঢেকুর তোলা আর পাদ না মারাই উচিত, পরিবেশ নষ্ট হয়। তয় আপনের এঙ্গেল যদি আমি বুইঝা থাকি তাইলে আমি কমু কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ডারুইন বাদ কাম করে না। রিভার্স হৈয়া যায় কারো কারো। কারো কারো আবার এমন বিবর্তন হয় মানুষ নাকি অন্য কোন প্রানীরও অধম বুঝার উপায় থাকে না।
কি এন্সার করমু বুঝতে পারছিনা ভাইডো।
সব কিছুর পরেও আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকা বাস্তব একটা জীবন আছে। যেখানে মানুষগুলো ধারালো নখ বসাতে একটুও দ্বিধা করেনা। মাঝে মাঝেই বাস্তব জীবনে ঢু মারি আর সিনারি দেখি। সেই গুলানই অধিকাংশ সময় ভিন্ন রঙে আপনাদের সাথে শ্যায়ার করি, কারণ ভার্চুয়াল জগতের মানুষগুলো বাস্তব জগতের মানুষের চেয়ে বেশীই আপণ হয়। তাইতো ভার্চুয়ালই থাকি।
ভালো থাকেন ভাইডী
মন্তব্য করুন