জোছনার ধবল পাড়- পর্ব ১
আকাশের ছাদ ছুঁয়ে থাকা মেঘের প্রান্ত বেয়ে উড়ে চলছে একটা চিল, চক্রাকারে ঘুরছে বিশাল একটা বৃত্ত এঁকে। আপাত দৃষ্টিতে চিলটা আকাশ দখল করে রেখেছে দেখা গেলেও কিছুক্ষণ সেদিকে তাকিয়ে থাকলেই চিলটার একাকিত্ব স্পষ্ট হয়ে উঠে। রোদ ঝলমলে উদাসী দুপুরে অলস বারান্দায় বসে অনেক্ষন ধরে চিলটাকে লক্ষ্য করছেন দিদার সাহেব। কেন জানি হঠাতই একটা বিষন্নতা ঘিরে ধরেছে দিদার সাহেবকে। চিলের সোনালী ডানায় ভর করে অজস্র অকারণ স্মৃতি যেন শুভ্র মেঘের মতোই তার হৃদয় আকাশে ভীড় করছে।
মাস খানেক হলো দিদার সাহেব গাঁয়ে এসেছেন, ফিরে এসেছেন বলাটাই বোধহয় সমীচিন। উত্তরের ভিটার কিছু জমিন বিক্রির টাকা হাতে নিয়ে যুবক বয়সে জীবিকার সন্ধানে শহরে গিয়ে সেখানেই আটকে পড়েছিলেন অদৃশ্য কোন জালে। প্রথম দিকে কিছুটা কষ্ট করলেও খুব সহজেই ব্যবসার লাইন ধরে ফেলেন। একসময় ফুলেফেঁপে উঠতে থাকে ব্যাবসা, দ্রুতই সফলতার সিঁড়ি আরোহণ করেন তিনি। দুঃসম্পর্কের এক মামার কল্যানে শহুরে মধ্যবিত্ত ঘরে বিয়ে ঠিক হয়, বাবা-মাকে অনেকটা অতিথি করেই নিয়ে যান বিয়েতে। তারপর সংসার ছেলেমেয়ে ব্যাবসা সবকিছু এমন ভাবে ঘিরে ধরে যে অজান্তেই গাঁয়ের সাথে সম্পর্কটা ছিন্ন হয়ে যায়। স্ত্রীর মৃত্যুর পর তার ঘোর কাটে। তখন ছেলেটা দেশের বাইরে পড়তে গিয়ে সেখানেই স্যাটল করেছে, মেয়েটাও শ্বশুড় বাড়ীতে সংসারী। হঠাতই বুঝতে পারেন এতোবড় শহরে তিনি সম্পুর্ন একা। বয়সটা তার শরীরে ছাপ রাখতে ব্যর্থ হলেও অনুধাবন করেন প্রবল ভাটির টান। সবকিছু বিক্রি করে চলে আসেন গাঁয়ে। পিতা জীবদ্দশায় তার অনুরোধে দিদার সাহেব বেশ কিছু সম্পত্তি ক্রয় করেন। ছোট ভাইটিই সব দেখাশুনা করে। গ্রামে বেশ স্বচ্ছল অবস্থাই বলা চলে।
হঠাত ইষ্টিকুটুম পাখির ডাকে ভাবনায় ছেদ পড়ে দিদার সাহেবের। অনেকগুলো বছর পর শোনা ডাকে মুগ্ধ হয়ে তাকাচ্ছেন ডাকের উৎসের খোঁজে। পেয়ারা ডালে বসা কালো মাথার ছোট্ট হলুদ পাখিটা আনমনে ডেকে যাচ্ছে মিষ্টি সুরে। সেই ছেলেবেলায় কিছু স্মৃতি মনে পড়ে গেল, তাদের বাড়ির কোনার শ্যাওড়া গাছে একজোড়া শালিক বাসা বেঁধেছিলো। পাড়ার দামাল ছেলেদের সাথে শালিকের বাসা থেকে ডিম আনতে গিয়ে ডাল ভেঙ্গে পড়ে গিয়ে হাত মচকে গিয়েছিলো। বাঁশের চাটাই আর লতা দিয়ে বেশ কিছুদিন মচকানো হাত বেঁধে রাখা হয়েছিলো কিছুদিন। হঠাৎই দিদার সাহেব লক্ষ করলেন তার চোখের দৃষ্টি ঘোলা হয়ে যাচ্ছে। বাষ্প জমতে শুরু করেছে চোখের কোনে। মনের অজান্তেই একটা দীর্ঘশ্বাস বেড়িয়ে গেল।





এতো কঠিন লেখা বুঝতে সমস্যা হয় ।
তা কয় পর্ব চালাবেন ঠিক করলেন , আপনার সিরিজ তো ৫ এর উপ্রে জেনেরালি যায় না .........
চলুক ......... সিরিজ শেষ হবার আগ পর্যন্ত কমুনা কিরাম লাগছে ।।
কঠিন (এত্তো বড় একটা কমেন্ট লেখলাম মাগার পাব্লিশ হইলো একশব্দ)
আসলে মন মিজাজ খুব খারাপ, কন্টকে কন্টক মুক্তির মতো এই লেখাটা প্রসব কর্তে ইচ্ছে হইছে ভাইডো।
আর ৫ বর্বের পরে আর ধৈর্য্য থাকেনা কি কর্ত্তাম কন। মন বরই উচাটন থাকে।
সকালে ভালাতো বিকালে খারাপ। আইজ কাইল সবই পাইনসা মনে হয়।
লাইফে সল্ট পাইনা।
মনটা ভালো থাকে না ক্যানো জানি না ।
সব কিছু চরম বিরক্ত লাগে । খুব বিরক্ত ।
==========
==========
==========
==========
==========
ভালো লাগে না সোহেল ভাই ।
==============
==============
==============
ইদানিং গঞ্জিকার অভাব বোধ হইতেছে।
বরাবরের মতই দারুন স্টার্টিং
কিন্তু যদি হঠাৎ কইরা থামায়ে দাও তো খবর আছে কইলাম।
লেখার ইচ্ছা ছিলোনা, ভাবছিলাম একটা পোষ্ট পাইলে আড্ডা মাড্ডা দিয়া জাম কিলিয়ার করমু। মাগার আপনের পুশ্ট নাই
আরে অফিসে আইলে পুষ্টাইতে মঞ্চায় মাগার বাসায় গ্যালে সেইডা উইড়া যায়। আবার অফিসে কামের জালায় পুষ্টাইতেও পারতাছিনা। কি যে সমস্যা। গাঞ্জা কাহিনী আরেকটা দিমু বইলা ঠিক কইরা রাখছি মাগার ঐ ঝামেলায় দিতে ইচ্ছা করেনা।
আমারো ছেম কেছ। কি জানি হৈছে। কার জানি অভিসাপ লাগছে মুনয়
শুরুটা ভালো হয়েছে। বিশেষ করে প্রথম প্যারাটা ফাটাফাটি। তারপরে অবশ্য একটু তাড়াতাড়ি আগাইছ মনে হইল। চলুক।
বস, গ্রামের কিছু ছিনারি আঁকতে চাইছিলাম কিন্তু বেকগ্রাউন্ডে শহর ঢুইক্যা গেছে।

তাই দৌড়ের উপ্রে এক পোছ দিয়া দিলাম। এর পরে দেখি আর গ্রামে ঢুকতে পারতেছিনা।
নেক্সটে কিছুটা স্থবিরতা আসবে মনে হয়।
দিদার সাহেব এবং লেখক- দুইজনের জন্যই মায়া লাগতেছে... কত কষ্ট !!!
কাছাকাছি একটা থিম কিন্তু আমার আছিল, লেখার টাইম পাইতেছিলাম না। আপ্নে আগেই লিখে ফেললেন যখন টেষ্ট সিরিজের আশায় বসলাম গ্যালারীতে :)
এইখানে ইমো দিলে কমেন্টের হাত-ট্যাং কাটা যায়, তাই ইমো বর্জন করলাম আইজ থেকে :(
হিঃহিঃহিঃ মুনে আছে আপ্নেও কানা চিল লইয়া একটা লিখা লেখছিলেন।

সিরিজ জমতাছেনা ইদানিং তাই টেষ্ট লইয়া সন্দিহান আছি।
আমার এই লেখাটাও শেষ পর্যন্ত আবজাব হৈবে এই ব্যাপারে সন্দেহ নাই কইতারেন
আপ্নেরটা শুরু কইরা দিতারেন কারন এইটারে কিছু পর্বের মইধ্যেই আধ্যাতিক সাইটে টানা হৈবেক
কি আছে দুইন্যায়!
ওরে, কারে দেখলামরে। বুখে আসেন বাউল'দা
কি আছে দুইন্যায়
ওরে আমিই রে! না পইড়া কমেন্ট দিচি কইলাম! খেলা দেখতেছিলাম।
কোন সমস্যা নাই।
ট্রেড মার্ক কই, জলদি ফটুক লাগান 
ঐ মিয়া, ইমু ক্যাম্নে দ্যায়?
আমার কাছে সবচাইতে কঠিন কাজ হলো কিছুর জন্য অপেক্ষা করা অথবা কোন একটা কাজ কন্টিনিউ করা
... যে কারণে সিরিয়াল টাইপ লেখা ভালু পাই না। লেখা শেষ হইলে একবারে পড়বো নে...
উক্ষে
চলুক। শেষ করেন কিভাবে দেখি..........
আধ্যাতিক টাইপ সমাপ্তি টানার ইচ্ছা আছে
বরাবরের মতই দারুন লেখনী, তারা দিতে দিয়া দেখি তারা নাই, তাই ভালোলাগা রেখে গেলাম পোষ্টে। পরের পর্বের অপেক্ষায়।
ধনিয়া বাউল'দা
ইহা একটি নিরিহ গল্প মাত্র
আপনের লগে আমার ফাইজলামি করা উচিৎ হয় নাই। আপনি ভাই কামেল লেখক।
চলুক সিরিজ।
জীবন্টা ফান এর মধ্যেই কাটুকনা :).... এত্ত সিরিকাস হৈয়া ফয়দা কি?
চলুক সিরিজ :)
থেঙ্ক্যু
সরাবের গেলাস কৈলাম
আমি লেখক হৈলাম কবে তানবীরাফু

তয় আমি ফিয়াজলামি ভালা পাই
টুটুল ভাইয়ের লগে একমত
মানে, একটা ফু দিলে বদ দোয়া টোয়া বের হয়ে গেলে, আমি যাবো লুলা হয়ে। তখন তখন আসবেন আমাকে কেউ ভাত রেঁধে দিতে হু উ উ উ উ উ
শুরুটা পড়ে আশাবাদী। মনে হচ্ছে সিরিজটা ভালো লাগবে। শুভকামনা রইলো। আর অপেক্ষায় থাকলাম।
তবে ভালো একটা লেখায়, বিশেষ করে সাহিত্যকর্মে বানান ভুল থাকলে খুব চোখে লাগে। অনুরোধ, এই ব্যাপারে একটু যত্নবান হবেন। আপনার এই লেখায় যে কয়টা ভুল বানান চোখে পড়লো, তা নিচে দিয়ে দিলাম। আশা করি রাগ করবেন না।
কিছুক্ষন= কিছুক্ষণ
লক্ষ= লক্ষ্য
অদৃষ্য= অদৃশ্য
ব্যাবসার= ব্যবসার
সিড়ি= সিঁড়ি
বাবামাকে= বাবা-মাকে
স্বশুর= শ্বশুড়
সব কিছু= সবকিছু
অনুরুধে=অনুরোধে
ভাইটাই= ভাইটিই
মগ্ধ= মুগ্ধ
পেঁয়ারা= পেয়ারা
একজোঁড়া= একজোড়া
বেশকিছু দিন= বেশ কিছুদিন
চোঁখের= চোখের
পরথমত সিরিজ লেখতে গেলে সবচেয়ে প্রথমে আমি নিরাশ হৈ, দুইয়েক পর্বের পরে আর ধৈর্য্য থাকে না।




দ্বিতীয়ত আমার কর্মকে সাহিত্য কর্মের সাথে তুলনা করায় তেব্র প্রতিবাদ
স্পেলিংএ আমি বরাবরই বিড়াট ধরা
আপ্নের ধরা ভুল্গুলান আপডেট দিতাছি
খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়ার জন্য আপনাকে ধনিয়া পত্র সহযোগে দেড়গেলাস সরাব দেয়া গেল
গল্প লিখলে সেটা তো সাহিত্যকর্মই হয়...
বিড়াট ধরা খাওয়ার চেয়ে বিরাট ধরা খাইলে পুষ্টি বাড়বে। ইহাতে ভিটামিন বেশি।
খালি ছবি দেখেই কাটাতে হবে? গেলাস কি কখনো হাতে উঠবে না?
লেখার ব্যাপারে রায়হানভাইর সঙ্গে একমত। পরবর্তী পর্ব দিতে বেশী দেরী না হয় যেন।
নজরুলভাইর লিস্টে আরেকটু যোগ করি :)
অনেকক্ষণ
বিষণ্ণ
সমীচীন
দূর সম্পর্কের
কল্যাণে
শ্বশুর
সম্পূর্ণ
একাধিক জায়গায় ব্যবসায়ে আ-কার রয়ে গেছে
উক্কে নুশেরাবু, সময় করে দেখেনেবক্ষণ।


যত্ন করে পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভালো লাগলো পড়তে, চলুক
আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ
মন উদাসের দিনে চোখ লাল করার পোষ্ট।মনটা এমনেই কেন জানি কই কই ঘুরে বেড়ায়!!!!!!!পরের পরব পড়ার জন্য বইসা রইছি
পরের পর্ব দেয়া হৈছে আপু
পরের পরব পড়ার জন্য বইসা রইছি
পরের পর্ব রিলিজ কর্ছিতো
মন্তব্য করুন